![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মামলার প্রথম শুনানির দিন চাঁদপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ৫৫ বছর বয়সী আমেনা বেগম। তিনি চাঁদপুর শহরের ব্যাংক কলোনি এলাকার আব্দুর রহমান খানের স্ত্রী। মামলায় তাঁদের ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান (৩৫) এবং পুত্রবধূ সুমি বেগমকে (২৭) আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুর রাহীম (রুবেল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামি আবদুল্লাহ আল নোমান পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী সুমি বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহম্মেদ জানান, সুমি বেগমকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল্লাহ আল নোমান মাদকাসক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মাদক, চুরি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, আমেনা বেগম ও তাঁর স্বামী আব্দুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের ছেলে ও পুত্রবধূ ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন না করে নিয়মিত গালমন্দ ও মারধর করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁদের নির্যাতনের কারণে নিজ বাড়িতেও স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা সম্ভব হচ্ছিল না। একপর্যায়ে প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আমেনা বেগম।
আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আদেশ দেওয়ার পর পুলিশ ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজিরের সহায়তায় বাদী ও তাঁর স্বামীকে শহরের ব্যাংক কলোনিতে অবস্থিত নিজ বাড়ির বসবাসের ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
সূত্র: স্টার নিউজ

0 coment rios: