সর্বশেষ

২ আগ, ২০২৬

বিচারপতির জন্য 'রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার' নিয়োগ চেয়ে রিট দায়ের

বিচারপতির জন্য 'রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার' নিয়োগ চেয়ে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রত্যেক বিচারপতির সঙ্গে অন্তত একজন করে ‘রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার’ নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বিচারব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচারাধীন মামলার জট কমানো, গবেষণানির্ভর বিচারিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও কার্যকর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ আবেদন করা হয়েছে। আবেদনকারী জানিয়েছেন, এটি কোনো ব্যক্তি বা প্রশাসনিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে নয়; বরং বিচারব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণানির্ভর ও আধুনিক কাঠামোয় উন্নীত করার প্রস্তাব হিসেবে রিটটি করা হয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতিদের প্রতিদিন সংবিধান, বিভিন্ন আইন, বিধিমালা, দেশি-বিদেশি নজির, আন্তর্জাতিক বিচারিক সিদ্ধান্ত এবং জটিল আইনগত বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয়। পাশাপাশি দীর্ঘ রায় প্রণয়নেও তাদের ব্যাপক সময় ব্যয় হয়। তবে এসব কাজে সহায়তার জন্য বর্তমানে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা সহায়ক ব্যবস্থা নেই।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির পাশাপাশি আদালতের কার্যক্রম শেষে দীর্ঘ সময় গবেষণা, নজির অনুসন্ধান এবং রায় লেখার কাজে ব্যস্ত থাকেন। অতিরিক্ত এ কর্মচাপ বিচারিক দক্ষতা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে।

রিটকারীর দাবি, প্রত্যেক বিচারপতির সঙ্গে একজন দক্ষ গবেষণা কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হলে বিচারপতিরা বিচারিক দায়িত্ব পালনে আরও বেশি সময় দিতে পারবেন। এতে বিচারিক কার্যক্রমের গতি ও মান উভয়ই উন্নত হবে।

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান, জার্মানি, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানসহ বহু দেশের আদালতে বিচারপতিদের সহায়তায় ল ক্লার্ক বা রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার নিয়োগের ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর রয়েছে।

এসব কর্মকর্তা বিচারপতিদের জন্য আইনি গবেষণা, নজির বিশ্লেষণ, তুলনামূলক আইন পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক বিচারিক সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ, রায়ের খসড়া প্রস্তুত, আইনি স্মারক তৈরি এবং মামলার সারসংক্ষেপ প্রণয়নে সহায়তা করেন। ফলে বিচারিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তির গতিও ত্বরান্বিত হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: অনলাইনে/গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইনজীবীর সাক্ষাৎকার

প্রবাসীদের পাসপোর্ট আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রবাসীদের পাসপোর্ট আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবি: সংগৃহীত 
বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট ইস্যু ও পাসপোর্ট নবায়নের অপেক্ষমাণ আবেদনগুলো আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালতের এই আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন (কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট) দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন দীর্ঘদিন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না– এমন অভিযোগের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে এক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত ৬০ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা নবায়নের পেন্ডিং আবেদন নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছেন আদালত এবং ৯০ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এছাড়া প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা নবায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এই মর্মে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এইচআরপিবির পক্ষে রিট পিটিশনার হলেন– অ্যডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ এবং অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম। বিবাদীরা হলেন কেবিনেট, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় সচিব, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও আইন সচিব, পাসপোর্ট অফিসের ডিজিসহ মোট ১৪ জন।

উল্লেখ্য, সংবাদমাধ্যমে প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত আবেদনের দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তির খবর প্রকাশিত হলে মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ (এইচআরপিবি)-এর পক্ষে রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়। রিটটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ এবং অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম। মামলায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব, আইন সচিব এবং পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)-সহ মোট ১৪ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে এইচআরপিবি-এর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। শুনানিতে তিনি বলেন, “লাখ লাখ প্রবাসী বিভিন্ন দেশে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে পাঠান, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। কিন্তু তাদের পাসপোর্ট প্রদান ও নবায়নের আবেদন দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে তারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এমনকি সময়মতো পাসপোর্ট না পাওয়ায় অনেককে চাকরি হারাতেও হচ্ছে, যার ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”


বিডিএলপিবি/এমএম

মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব : আইনমন্ত্রী

মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব : আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কার্যকর মধ্যস্থতার (মেডিয়েশন) মাধ্যমে দেশের আদালতে বিচারাধীন ৪৫ লাখ মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি আরও বলেছেন, ‘মধ্যস্থতায় বিরোধ নিষ্পত্তি এমন একটি কার্যকর পদ্ধতি, যা বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও মানসিক ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে।’

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যস্থতা এবং দেওয়ানি মামলা পরিচালনা পদ্ধতির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুইদিনব্যাপী ‘আইন পেশাজীবীদের জন্য মৌলিক মধ্যস্থতা প্রশিক্ষণ (বেসিক মেডিয়েশন ট্রেইনিং ফর লিগ্যাল প্রফেশনালস) কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আইন মন্ত্রণালয় এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকার এমন মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ‘মধ্যস্থতাকারীদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শুধু আইনগত জ্ঞানই নয়, মানবিকতা, প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও আস্থাভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বিরোধের পক্ষগুলোর আইনজীবীরা সমঝোতায় যেতে অনাগ্রহী থাকেন। তবে বাস্তবতা হলো, দেশে ও বিদেশে অসংখ্য সফল মধ্যস্থতা ও সালিশের পেছনে আইনজীবীদেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমান সময়ে আইন পেশায় আলোচনাভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, যা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।’ প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. খাদেমউল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি মিস জুনকো তাকাহাশি, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের (আইসিডি) উপমহাপরিচালক মি. কাজুনোরি নোসে, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুইদিনে ডিএমপির ৬৩০০ মামলা

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুইদিনে ডিএমপির ৬৩০০ মামলা

প্রতীকী ছবি 
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে গত দুইদিনে ৬৩০০ টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গতকাল (১ আগস্ট) ডিএমপি নিউজ পোর্টালে এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০ টি বাস, ২ টি ট্রাক,  ৫ টি কাভার্ডভ্যান, ১৪  টি সিএনজি ও ৭৩ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮৪ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৬ টি বাস, ৮ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ১৭ টি সিএনজি ও ১১৭ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৮ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৪০ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ২৬ টি কাভার্ডভ্যান, ১০২ টি সিএনজি ও ১৮৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫০ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৬৪৬ টি বাস, ৪০৩ টি ট্রাক, ২৩১ টি কাভার্ডভ্যান, ২৫৯ টি সিএনজি ও ৪২৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫২১ টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে  ১৩ টি বাস, ৫ টি ট্রাক, ১৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৪ টি সিএনজি ও ১৫৭ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪০ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৮৯ টি বাস, ১২৯ টি ট্রাক, ১৬৪ টি কাভার্ডভ্যান, ১৬৪ টি সিএনজি, ৭১৩ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮৩৯ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৫ টি বাস, ২৬ টি ট্রাক, ২৮ টি কাভার্ডভ্যান, ৮২ টি সিএনজি ও ১৪০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫০৬ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৩ টি বাস, ৭ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৩২ টি সিএনজি ও ৯১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৬২ টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ১৪৩৬ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩০৫ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৩০ জুলাই ও ৩১ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডিএমপি নিউজ

১ আগ, ২০২৬

আয়নাঘরের আলামত নষ্টকারীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ প্রসিকিউটর

আয়নাঘরের আলামত নষ্টকারীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি: সংগৃহীত 

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, নির্মম নির্যাতনের সেল সরাসরি দেখাতে বিচারপতিদের আনা হয়েছে। এটি মেমোরেন্ডাম আদালতের বিচারের একটি অংশ হবে। যারা আয়নাঘরকে আড়াল করার জন্য আলামত নষ্ট করেছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকেও উত্তরার আয়নাঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। এটা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

এর আগে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতিসহ প্রসিকিউশন টিম। বেলা ১১টার পর রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা এ গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও অংশ নেন।


বিডিএলপিবি/এমএম 



তুরাগ থানার অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; আদালতে প্রেরণ

তুরাগ থানার অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; আদালতে প্রেরণ

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর তুরাগ থানাধীন তারারটেক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে তুরাগ থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতের নাম: মোঃ হৃদয় (৩১)।

তুরাগ থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় আনুমানিক ৬:৫০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তুরাগ থানাধীন তারারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ হৃদয়কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মোঃ হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে তুরাগ এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে তুরাগ থানাসহ ডিএমপির বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে মর্মে জানা যায়। গ্রেফতারকৃতকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডিএমপি নিউজ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার: ডিএমপি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার: ডিএমপি

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- -১। মো. সুজন হোসেন (২৬) ২। মো. নাসির (২৫) ৩। রবিউল ইসলাম (২০) ৪। মো. আরিফুল ইসলাম আকাশ (২১) ৫। মো. আলমগীর ইসলাম (২০) ৬। মো. বিল্লাল হোসেন (২২) ৭। মো. মনিরুজ্জামান শাওন (১৯) ৮। মো. তারেক (২০) ৯। মো. নাঈম (২০) ১০। সৈয়দ লিমন (১৯) ১১। মো. ইব্রাহিম (৩৫) ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত ৬ জন শিশু।
 
ডিএমপি নিউজ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল আনুমানিক ০৬:৩০ ঘটিকায় পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১২ এলাকায় মেট্রোরেলের পিলার নং-১৪০-এর পূর্ব পাশে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে মিছিল করাকালে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত হতে একটি ব্যানার, একটি ভাড়াকৃত মাইক্রোবাস এবং দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডিএমপি নিউজ