সর্বশেষ

১৬ আগ, ২০২৬

যথাযথ সমন জারির প্রমান থাকলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না: হাইকোর্টের রায়

যথাযথ সমন জারির প্রমান থাকলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না: হাইকোর্টের রায়

ছবি: সংগৃহীত 
বিবাদীর সঠিক ঠিকানায় মামলার সমন যথাযথভাবে পৌঁছানোর প্রমাণ থাকলে, শুধু সমন পাওয়া যায়নি দাবি করে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না মর্মে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯ ধারার ১৩ বিধির অধীনে দায়ের করা রিভিশনে জারি করা রুল খারিজ করে হাইকোর্ট এই রায় দেন। রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় ও আদেশের ওপর জারি করা স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন হাইকোর্ট।

মো. মনজুর রহমান মণ্ডল এবং অন্যান্য বনাম মোছা. লতিফা বেওয়া এবং অন্যান্য মামলায় হাইকোর্ট এমন রায় দিয়েছেন। গত ২১ জুলাই বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

মামলার ফ্যাক্ট: ২০০০ সালে ৯১ একর জমির বাঁটোয়ারা চেয়ে জয়পুরহাটের সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন মোছা. লতিফা বেওয়াসহ অন্যরা। ওই মামলায় মো. মনজুর রহমান মণ্ডলসহ অন্যান্যরা বিবাদী ছিলেন। ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট মামলাটি বিবাদীদের অনুপস্থিতিতে একতরফাভাবে ডিক্রি হয়। তখন বিবাদীরা (মনজুর রহমান মণ্ডলসহ অন্যান্যরা) দাবি করেন, তাদের নামে কখনোই কোনো সমন জারি করা হয়নি এবং তারা এই মামলা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না; পরবর্তী সময়ে তারা এই একতরফা ডিক্রির বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর সমন জারির বিষয়ে মিথ্যা সার্ভিস রিপোর্ট দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে একতরফা ডিক্রি আদায় করেছে বাদীপক্ষ– এমন অভিযোগ এনে ২০০২ সালের ১৬ জুলাই দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারার ১৩ বিধি অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি বাতিল চেয়ে তারা জয়পুরহাটের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি বিবিধ মামলা দায়ের করেন।

নথি পর্যালোচনা ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ২০০৮ সালের ৬ মার্চ ওই বিবিধ মামলাটি খারিজ করে দেন। ক্ষুব্ধ হয়ে আবেদনকারীরা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরে জয়পুরহাটের জেলা জজ আদালতে মিস আপিল দায়ের করেন। পরে মামলাটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। পরে ২০১১ সালের ৫ জুন অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত আপিল খারিজ করে সিনিয়র সহকারি জজ আদালতের রায় বহাল রাখেন।

অত:পর, অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে হাইকোর্টে দেওয়ানি রিভিশন দায়ের করেন মো. মনজুর রহমান মণ্ডলসহ অন্যান্যরা। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারায় ওই রিভিশনটি দায়ের করা হয়।ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারির পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায় ও আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

পরবর্তীতে হাইকোর্টে মামলাটি শুনানির জন্য উত্থাপিত হলে সেদিন উভয় পক্ষের পক্ষেই কোনো আইনজীবী উপস্থিত হননি। ফলে বিচারপতি নিজেই রিভিশন আবেদন, এতে গৃহীত ব্যাখ্যাগুলো এবং নিম্ন আদালতগুলোের নথিপত্রসহ ১ নম্বর আবেদনকারীর সাক্ষ্য ও উভয় আদালতের সিদ্ধান্ত গভীরভাবে পর্যালোচনা করে রায় প্রদান করেন।

রায়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ: হাইকোর্ট বলেন– বর্তমান মামলায়, উভয় আদালতই (বিচারিক আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত) সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যৌথভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, মূল মামলার সমন আরজিতে উল্লেখিত আবেদনকারীদের (মনজুর রহমান মণ্ডল ও অন্যান্যদের) ঠিকানায় জারি করা হয়েছিল। যা সংশ্লিষ্ট সময়ে তাদের প্রকৃত ঠিকানা ছিল এবং তাদের পক্ষে তাদের এক নিকটাত্মীয় তা গ্রহণ করেছিলেন। এটি ১ নম্বর আবেদনকারী নিজের দেওয়া সাক্ষ্যের জবানবন্দি ও জেরায় তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই এই সিদ্ধান্ত কেবল অনুমান বা ধারণার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়নি।
সমন জারির প্রশ্নে অধস্তন আদালতগুলোের এই যৌথ সিদ্ধান্তে কোনো আইনি ক্রটি বা বেআইনি কিছু খুঁজে পায়নি উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেন, অধস্তন আদালতদ্বয় পরষ্পরবিরোধী মতামত প্রদান করেছে বলে আবেদনে যে দাবি করা হয়েছে, তা নথিপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ উভয় আদালতই একই সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে একই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।

আদালত আরও বলেন, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের নেওয়া যৌথ সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো যুক্তি নেই। এসব বিবেচনায় আগে জারি করা রুলে কোনো সারবত্তা খুঁজে না পাওয়ায় রুলটি খারিজ করা হলো। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায় ও আদেশের কার্যকারিতার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: চ্যানেল ২৪

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৮৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে লিগ্যাল এইড

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৮৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে লিগ্যাল এইড

ছবি: সংগৃহীত 
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের অনুকূলে ৩৮৭ কোটি ৮১ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৫ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা প্রদান করা হয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা ও চট্টগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের অনুকূলে প্রি ও পোস্ট-কেইসে ৩৮৭ কোটি ৮১ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৫ টাকা টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩৮০ কোটি ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৩৭৯ টাকা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল-এর মাধ্যমে ৭ কোটি ৩ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৬ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার অধীনে (লিগ্যাল এইড) সরকারি খরচায় আইনি সহায়তাপ্রাপ্ত উপকারভোগী ১৫ লাখ ৬৩ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারে (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচায় এ সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: বাসস 

১৫ আগ, ২০২৬

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৫৯, মামলা ৪৪

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৫৯, মামলা ৪৪

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় ৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে

আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩২ জন, লালবাগে ৩৩ জন, ওয়ারীতে ৮৭ জন, মতিঝিলে ৬৫ জন, তেজগাঁওয়ে ৭৯ জন, মিরপুরে ১১৮ জন, গুলশানে ১০৫ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ৩ জন রয়েছেন।

অভিযানকালে তিনটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, নয় রাউন্ড গুলি, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু ও একটি শার্প ব্লেড উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৭টি মোবাইল ফোন, ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার।৭১০ পিস ইয়াবা, ১০০ পুরিয়া হেরোইন, ১৫ বোতল দেশি মদ, এক লিটার বিদেশি মদ এবং নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা ও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: ডিএমপি নিউজ 

রামিসা হত্যা মামলার দুই আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের তালিকায়

রামিসা হত্যা মামলার দুই আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের তালিকায়

ফাইল ছবি
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের রবিবারের কার্যতালিকায় দেখা যায়, সোহেল ও স্বপ্নার ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিল শুনানির জন্য ২২ নম্বরে রয়েছে।

গত ৭ জুন ঢাকার একটি আদালত রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় দেয়। এরপর ৯ জুন দুজনের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী অধস্তন কোনো বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টে শুনানি সাপেক্ষে অনুমোদন লাগে। গত ১৪ জুন আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট। পরবর্তীতে দুজনের পক্ষে শুনানি করতে স্টেট ডিফেন্স কাউন্সেল (রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী) নিযুক্ত করা হয়।

উল্লখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীতে রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে বাসার জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল। ২১ মে আসামি সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশের পর ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য নিয়ে ওই দিন সাক্ষীদের জেরা শেষ হয়। পরদিন ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থণের শুনানির হয়। পরে ৪ জুন যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ৭ জুন রায় হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ জামাল হোসেন (২৫) ও আলী মতুর্জা (২৬)।

ডিবি মতিঝিল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ৩:২০ ঘটিকায় ডিবি মতিঝিল বিভাগের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক কারবারি জামাল হোসেন ও আলী মতুর্জাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডিএমপি নিউজ

এলেক্স ইমন হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেফতার

এলেক্স ইমন হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং নেতা ইমন ওরফে অ্যালেক্স ইমন হত্যা মামলার ৭ নম্বর আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে বিপুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২। অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। 

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ১টি একনলা বন্দুক, ৬ রাউন্ড তাজা গুলি ও ৭টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হল-মো. জহিরুল ইসলাম রিপোল ওরফে বিপুল, হৃদয়, সুজন, সোহেল ওরফে চায়না সোহেল ও রাব্বি ওরফে পিঞ্জিরা রাব্বী।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান। 

তিনি বলেন, ভোররাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

র‌্যাব জানায়, গত ১২ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বেড়িবাঁধ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোরগ্যাং লিডার ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে প্রকাশ্যে রাস্তার ওপর কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল মোহাম্মদপুর থানায় ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করা হয়। 

গ্রেফতারকৃদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। জব্দকৃত আলামত এবং আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামি কারাগারে

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামি কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন  আদালত। এছাড়া গ্রেফতার দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলে-যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল।

অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস