সর্বশেষ

২৫ জুন, ২০২৬

চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরে চোখ হারালেন আইনজীবী

চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরে চোখ হারালেন আইনজীবী

ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেরার পথে চলন্ত ট্রেনে দুর্বৃত্তের ছোড়া পাথরের আঘাতে এক আয়কর আইনজীবী ও একটি কোম্পানির নির্বাহী হিসাবরক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। চোখে আঘাত পাওয়া আয়কর আইনজীবীর দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের পরও রক্ষা করতে না পেরে একটি চোখ অপসারণ করেছেন চিকিৎসকরা।

চোখ হারানো আয়কর আইনজীবীর নাম শ্যামল চন্দ্র দাস (৪৫)। অপর আহত ব্যক্তি হলেন ঢাকার স্বপ্ন কুটির বিল্ডার্সের নির্বাহী হিসাবরক্ষক নাইমুল হাসান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহর স্টেশন অতিক্রমের সময় পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পাথরটি শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখে আঘাত হানে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের পরও তার ডান চোখটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত অপসারণ করতে হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ জুন, ২০২৬

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসে বিষপান, হাসপাতালে নারী

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসে বিষপান, হাসপাতালে নারী

ছবি: সংগৃহীত 

ভোলার আদালতে একটি মামলার শুনানিকালে বিচারকের আদেশ ভুল বোঝার জেরে এজলাসে দাঁড়িয়েই বিষপান করেছেন তারাভানু (৩৫) নামে এক নারী। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ রায় মিঠুর আদালতে এ ঘটনা ঘটে। তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা এবং বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

কোর্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারাভানু তার স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি সিআর মামলা করেছিলেন। বুধবার মামলাটির চার্জ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, শুনানি শেষে বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাহার উদ্দিনকে মামলায় রাখলেও অপর দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। তবে আদালতের এ আদেশ বাদী তারাভানু ভুলভাবে বুঝে নেন। তিনি ধারণা করেন, তার স্বামীকেও মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে হতাশ হয়ে সঙ্গে থাকা একটি বোতল থেকে তরল জাতীয় বিষ পান করেন।

ঘটনাটি টের পেয়ে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও অন্যান্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, আদালতের কার্যক্রম চলাকালে ওই নারী হঠাৎ বিষপান করেন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আরও কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা রোগী দেখতে পারবেন না: আপিল বিভাগের রায়

ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা রোগী দেখতে পারবেন না: আপিল বিভাগের রায়

ছবি: সংগৃহীত 

ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৪ জুন) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) করা আপিল মঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।
এ রায়ের ফলে ডেন্টাল সহযোগীরা এখন থেকে কেবল নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনদের অধীনে সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। নিজস্ব চেম্বার খুলে স্বাধীনভাবে রোগী দেখে ব্যবস্থাপত্র দিতে পারবেন না।

শুনানিতে বিএমডিসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান ও কাজী এরশাদুল হক। ডেন্টাল চিকিৎসকদের পক্ষে আইনজীবী আহসানুল করিম ও আনোয়ার হোসেন এবং রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন শিশির মনির ও সায়েদা নাসরিন।

ডেন্টাল চিকিৎসকদের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা এসএসসি পাসের পর ‘ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ডেন্টিস্ট্রি’ ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হন। তাদের এই কোর্সের মূল কারিকুলামটিই এমনভাবে তৈরি, যাতে তারা ডেন্টিস্টদের সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারেন।

তিনি বলেন, “কিন্তু তারা পরবর্তীতে একটি আবেদনের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অনুমতি দাবি করেন। হাইকোর্ট বিভাগ আগে তাদের পক্ষে ১০টি ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন, যার মধ্যে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করার মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।”

আইনজীবী  জানান, হাইকোর্টের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করে সিভিল পিটিশন (সিপি) দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আদালত লিভ মঞ্জুর করেছিলেন এবং চূড়ান্ত শুনানির পর সিভিল আপিলটি মঞ্জুর করেছেন। এর ফলে, হাইকোর্টের দেওয়া সেই রায় আর বহাল নেই। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর থেকে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা এখন থেকে স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না এবং নিজস্ব চেম্বার খুলে স্বাধীনভাবে রোগী দেখতে পারবেন না।

আনোয়ার হোসেন জানান, তারা কেবল নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনদের অধীনে সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। তারা যদি পরবর্তীতে নতুন করে আবেদন করেন এবং কর্তৃপক্ষ যদি তা বিবেচনা করে, সেটি ভবিষ্যতের বিষয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সকালে গ্রেফতার-দুপুরে জামিন, নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলামের

সকালে গ্রেফতার-দুপুরে জামিন, নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলামের

ছবিঃ সংগৃহীত

শ্রম আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ আত্মসমর্পণ করা চার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক গোলাম আজম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে একই দিন ভোরে সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। একই মামলার আরও তিন আসামিও আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আফতাব অটোমোবাইলসের এক সাবেক কর্মকর্তার প্রায় ২৩ লাখ টাকা পাওনা পরিশোধ না করায় দায়ের করা শ্রম আইনের মামলায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকার প্রথম শ্রম আদালত। এর আগে মঙ্গলবার রাত থেকে সাজেদুল ইসলামের বাসার সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। তবে গভীর রাত পর্যন্ত বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে বুধবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে বলে জানা গেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মমতাজকে

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মমতাজকে

ছবিঃ সংগৃহীত 
জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকায় মো. মুক্তার হোসেনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার (২৪ জুন) পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে, মমতাজকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আজিজুল হক। এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।

গ্রেপ্তারের আবেদনে বলা হয়, আসামির এই মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন। মামলার তদন্ত চলমান। আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তাকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তীতে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের সময়ে বাদী ও ভিকটিম মো. মুক্তার হোসেন মিরপুরের সুইমিং ও ফায়ার সার্ভিসের রাস্তায় আন্দোলনে যোগ দেন। আন্দোলন দমাতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট মুক্তার হোসেনের শরীর ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পরে যায়। পরবতীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় মুক্তার একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

২০২৫ সালের ১২ মে রাত পৌনে ১২টায় ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে মমতাজকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার সিএমএম আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

লোকসংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ নবম সংসদ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। পরে ২০১৪ সালে তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়। ২০১৮ সালেও নৌকা নিয়ে জয় পাওয়া মমতাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে যান।


বিডিএলপিবি/এমএম 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

ছবিঃ সংগৃহীত
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার পরিচালনার জন্য প্রণীত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ এ রিট দায়ের করেন। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে রুল জারি করে বিবাদীদের কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়ার আবেদনের পাশাপাশি, কেন প্রতিপক্ষ সরকারের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, যাতে তারা আইন অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন রহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। 

রিটে এই আবেদনের কারণ হিসাবে দেখানো হয় যে, আইনটি তার উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিচারিকভাবে হত্যার অস্ত্র হিসেবে এর অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংবিধানের বিধানগুলোর পরিপন্থি উল্লেখ করে তা অবৈধ ও বাতিল চাওয়া হয়েছে। 


বিডিএলপিবি/এমএম 
 এমপি মনিরুল হককে নিয়ে কটুক্তি: মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা

এমপি মনিরুল হককে নিয়ে কটুক্তি: মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত 

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। 

গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দাবি করলেও মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—বাদী খোকন যুবদলের কোনও স্তরেরই সদস্য নন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও ইউটিউব চ্যানেলে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে সংসদ সদস্যের দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়েছে। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়—মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম