সর্বশেষ

৬ নভে, ২০২৬

রংপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দির মৃত্যু

রংপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত 
রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেবু মিয়া (৪২) নামে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন লেবু মিয়া। পরে তাঁকে অচেতন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার একরামুল হক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নিহত লেবু মিয়ার বাড়ি নীলফামারী জেলায়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি ২০২০ সাল থেকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ডেপুটি জেলার আরও জানান, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর লেবু মিয়ার মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র: বাসস

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪৪, ৬২টি মামলা

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪৪, ৬২টি মামলা

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীতে অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ৬২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগে পরিচালিত অভিযানে মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৪ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৯৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৯ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪৯ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৪৪ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৪২ জন এবং রমনা বিভাগ থেকে ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া এসআরইউ ও গোয়েন্দা বিভাগ যৌথভাবে আরও ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ৬ হাজার ২৫৮ পিস ইয়াবা, ৪ দশমিক ২ গ্রাম ও ৪ পুরিয়া হেরোইন এবং ৩৭টি প্যাথেড্রিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুটি চাকু ও দুটি কাটারও জব্দ করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

সূত্র: ডিএমপি'র সংবাদ সম্মেলন

সমন জারিতে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগে ঢাকার আদালতের জারিকারক সাময়িক বরখাস্ত

সমন জারিতে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগে ঢাকার আদালতের জারিকারক সাময়িক বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত 
ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নেজারত বিভাগের এক জারিকারককে সমন জারির কাজে অনিয়ম, আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং বাদীর কাছে অর্থ বা ঘুষ দাবির অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীর নাম এস এম শফিউর রহমান। তিনি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নেজারত বিভাগে জারিকারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত জারিকারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

গত ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আদেশ নম্বর ৭৭/এ।

আদেশে বলা হয়, সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিধান অনুসরণ না করা এবং জেলা জজের নির্দেশ অমান্য করে তৃতীয় ব্যক্তি কবির হোসেনকে সমন জারির কাজে নিয়োগের অভিযোগ ওঠে শফিউর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া সমন জারির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ বা উৎকোচ দাবি করার অভিযোগও আনা হয়।

এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলে তাতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত জারিকারক সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৫-এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন। একই সঙ্গে জেলা জজের নির্দেশ অমান্য করে তৃতীয় ব্যক্তিকে দিয়ে সমন জারির কার্যক্রম পরিচালনা এবং বাদীর কাছে অর্থ বা উৎকোচ দাবি করার বিষয়টিও প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের এসব কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ (Misconduct) এবং বিধি ২(ক) অনুযায়ী কর্তব্যে অবহেলার পর্যায়ভুক্ত।

এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং বিভাগীয় কার্যক্রম চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ১২(১) অনুযায়ী তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা (Subsistence Grant) পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সূত্র: ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আদেশ



১৩তম বিজেএস পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা

১৩তম বিজেএস পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 
ত্রয়োদশ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (১৩তম বিজেএস) পরীক্ষা, ২০২৬-এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য বলা হয়েছে, ১৩তম বিজেএস পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম ও বিস্তারিত সময়সূচি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bjsc.gov.bd) এবং দৈনিক পত্রিকায় যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া কেন্দ্রভিত্তিক আসনবিন্যাস কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তি


সুপ্রিম কোর্টে নির্ধারিত পোশাক ও আইডি কার্ড ছাড়া প্রবেশ করতে পারবেন না অ্যাডভোকেটস ক্লার্ক

সুপ্রিম কোর্টে নির্ধারিত পোশাক ও আইডি কার্ড ছাড়া প্রবেশ করতে পারবেন না অ্যাডভোকেটস ক্লার্ক

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অধীন সব অ্যাডভোকেটস ক্লার্কের জন্য নির্ধারিত পোশাক পরিধান এবং সমিতি কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দৃশ্যমানভাবে ধারণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর ২০২৬ থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

গত ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমিতির কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সমিতির আওতাধীন সব অ্যাডভোকেটস ক্লার্ককে দায়িত্ব পালনের সময় নির্ধারিত পোশাক পরিধান করতে হবে এবং সমিতি কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দৃশ্যমানভাবে ধারণ করতে হবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগামী ৮ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত পোশাক ও পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো অ্যাডভোকেটস ক্লার্ক ওকালতনামার স্টিকার ক্রয় করতে পারবেন না এবং আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশও করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সব অ্যাডভোকেটস ক্লার্ককে এ নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সমিতিরপ্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

সূত্র: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি 

শর্টকাটে টাকা ইনকামের পথ খুঁজলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী

শর্টকাটে টাকা ইনকামের পথ খুঁজলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
আইন পেশায় সফল ও ভালো আইনজীবী হতে হলে শর্টকাটে অর্থ উপার্জনের চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, সততা ও পেশাগত দায়িত্ববোধ। একজন আইনজীবীর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ১৭তম হেনরি ডুনান্ট মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা, ন্যাশনাল রাউন্ড বাংলাদেশ ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আইনমন্ত্রী বলেন, মক্কেলের আর্থিক সামর্থ্যকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য বিষয় করা উচিত নয়। আদালতে আইনজীবী হিসেবে দাঁড়ানোর সময় শুধু মক্কেলের দেওয়া ফি বা আর্থিক লাভের কথা চিন্তা করলে চলবে না। বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

পেশাগত জীবনে মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থের বিনিময়ে সব সময় আইনি সেবা দেওয়ার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল মানুষের জন্য প্রয়োজনে বিনা পারিশ্রমিকে মামলা পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

তরুণ প্রজন্মের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, আগামীর প্রজন্ম তথা জেনারেশন জেড (জেনজি) দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক পথ দেখাবে। তাদের হাত ধরেই একটি মসৃণ, প্রগতিশীল ও ইতিবাচক সমাজ গড়ে উঠবে।

সূত্র: দৈনিক আমার দেশ


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাবিবুর রহমান রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন, দেশ পরিচালনায় তাঁর কোনো পরিকল্পনা নেই।’

আইনজীবী হাবিবুর রহমান নোটিশে উল্লেখ করেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঢালাও অভিযোগ করা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়। এ বক্তব্যের জন্য নাহিদ ইসলামের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলা হয়, তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁদের সন্তান তারেক রহমান চাঁদাবাজি ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে এসেছেন—এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে নোটিশদাতা দাবি করেন।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে বারবার এ ধরনের বক্তব্য প্রচারের ফলে তারেক রহমানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

নোটিশে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে

নাহিদ ইসলামকে নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে গত ৩০ অক্টোবর প্রচারিত বক্তব্য প্রত্যাহার করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও জবাব না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো