সর্বশেষ

৫ জুন, ২০২৬

আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ও দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনিয়ম তদন্তে রিট দায়ের

আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ও দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনিয়ম তদন্তে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

রিটে দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় বিদ্যমান অনিয়ম, চিকিৎসায় অবহেলা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু গতকাল এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

রিটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে (ডিজি) বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বর্তমান অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ অভিযান ও পরিদর্শন পরিচালনা; আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র), সিসিইউ, এইচডিইউ এবং এনআইসিইউ সুবিধার কার্যকারিতা যাচাই; অননুমোদিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির প্রার্থনা করা হয়েছে।

আবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৮, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের জীবন, স্বাস্থ্যসেবা ও আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসায় অবহেলা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যাপ্ত তদারকির অভাব জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

এর আগে, গত ৩১ মে ২০২৬ তারিখে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ (আইনি নোটিশ) পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও পরবর্তী সময়ে দৃশ্যমান কোনো সন্তোষজনক ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।

রিটে আরও প্রার্থনা করা হয়, আদালত যেন দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও রোগী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ: মামলার ১৩ দিনেই আদালতে চার্জশিট

চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ: মামলার ১৩ দিনেই আদালতে চার্জশিট


ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে রেকর্ড সময়ে তদন্ত শেষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তে সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) চট্টগ্রাম আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেয় বাকলিয়া থানা পুলিশ। ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।
চার্জশিটে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে আসামী মনির হোসেনকে। তিনি ওই এলাকায় একটি ডেকোরেশনের কর্মচারী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর এলাকায়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালনা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মেডিক্যাল রিপোর্ট, ফরেনসিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্রুত সংগ্রহ করে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার চার্জশিট প্রস্তুত করে আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

এদিকে এসি প্রসিকিউর মো আরিফ ইকবাল জানান,বাকলিয়া থানা পুলিশ শিশু ধর্ষণের চার্জশিট বৃহস্পতিবার দুপুরে জমা করে কোটে জমা করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি গুদামকক্ষে সাড়ে ৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের ফলে বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন ভোক্তভোগি পরিবার।


বিডিএলপিবি/এমএম

ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু: জামিন পেলেন জাহের আলভীর মা

ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু: জামিন পেলেন জাহের আলভীর মা


ছবি: সংগৃহীত 

স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি। আদালত তাকে আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন।

হাদি হত্যা ইস্যুতে মন্তব্য, মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

হাদি হত্যা ইস্যুতে মন্তব্য, মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা


ছবি: সংগৃহীত 

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বুধবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত সাইবার ক্রাইম থানায় এই এফআইআর দায়ের করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিঙ্কু সিং চ্যাটার্জি।

'ভারতীয় ন্যায় সংহিতা'র অধীন ১৫২, ১৫৩, ১৫৩এ, ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৩-সহ একাধিক জামিন-অযোগ্য ধারায় এই মামলা দায়ের করে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে একাধিক মিটিং, মিছিল, সভা ও গণমাধ্যমের সামনে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনীসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে চলেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও লেখা হয়, গত ২ জুন মঙ্গলবার কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারত সরকারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন। এই ধরনের বক্তব্য রাখার উদ্দেশ্যই ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করা এবং দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা। মমতার এই মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট, ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির নামান্তর।

এই মন্তব্য ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্না কর্মসূচি থেকে হঠাৎ করেই নাম না করে হাদি হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা দাবি করেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল।

অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি, তা হলো ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এটা তাদের কৃতিত্ব।

কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার। ’

অমিত শাহকে মমতার প্রশ্ন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়েছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভাণ্ডার, তথ্যভাণ্ডার।  কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।

সেদিন মমতার অভিযোগ ছিল, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সংঘটিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড করা হয়েছে।

এই নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগকারী রিঙ্কু সিং জানিয়েছেন, ওই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশের কট্টরবাদীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়কের পদ চলে যাওয়ার পরে পাবলিক ডোমেইনকে ব্যবহার করে তিনি অপরাধ করেছেন। সেই অপরাধ দেশদ্রোহিতার সমান। সেই কারণেই এফআইআর করা হয়েছে। ৮ জুন তারিখ আদালত খুললেই আমি আবেদন জানাব, অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে যেন গ্রেপ্তার করা হয়।

৪ জুন, ২০২৬

সহকারী আইন কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড) পদে রাজউকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সহকারী আইন কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড) পদে রাজউকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সহকারী আইন কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড) পদে রাজউকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে । ২ জুন রাজউক বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নিম্নে মূল বিজ্ঞপ্তিটি দেওয়া হল:




:


জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জাতির সংকটময় সময়ে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিচার বিভাগের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে কাজ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার ভূমিকা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন একদিনে গড়ে ওঠে না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন এবং অসংখ্য মানুষের আত্মদান।

তিনি দাবি করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব ত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভূমিকা রেখেছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একই ধারার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো আন্দোলন বা সংগ্রামের অবদানকে খাটো করার সুযোগ নেই। ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের রূপরেখা প্রণয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের স্বার্থে তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ঢাকা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। 

‘দেশের বিচারব্যবস্থা অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে’- বিচারপতি শহিদুল ইসলাম

‘দেশের বিচারব্যবস্থা অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে’- বিচারপতি শহিদুল ইসলাম


ছবিঃ সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ল'ইয়ার্স কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত আইনজীবীদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা বর্তমানে অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে এখনো অনেক মেধাসম্পন্ন বিচারক রয়েছেন। তাদের সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়া হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কিন্তু অ্যাক্টিভিস্টদের কালো হাতের প্রভাবে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।

প্রধান অতিথি বলেন, আজকে মতিউর রহমান আখন্দ যে ‘কী নোট’ উপস্থাপন করেছেন, তার সাথে আরও কিছু যোগ করে সরকারকে বলা উচিত যে আমাদের কী কী প্রয়োজন। সুষ্ঠু বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই একটা উপযুক্ত বাজেট এখানে প্রয়োজন। এ খাতে যদি সরকার গুরুত্ব না দেয়, তাহলে কিন্তু আবারও একটা আন্দোলন হতে পারে।


বিডিএলপিবি/এমএম