সর্বশেষ

২৪ জুল, ২০২৬

শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটানো সেই বিচারককে প্রত্যাহার: মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটানো সেই বিচারককে প্রত্যাহার: মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

ছবি:সংগৃহীত 

গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর দিকে পেপার ওয়েট ছুড়ে মেরে আহত করার ঘটনার পর বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। তাকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে প্রেষণে বদলি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ (বিচার শাখা-১) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপপরিচালক (প্রশাসন-১) এ. এফ. এম. গোলজার রহমান।

এর আগে, বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ২ নম্বর আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। এজলাসে বিচার কার্যক্রম চলাকালে উপস্থিত লোকজনের শোরগোল বন্ধ করতে গিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিচারক মো. সুজন মিয়া।

একপর্যায়ে তিনি নিজের টেবিলে থাকা পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি সরাসরি গিয়ে আঘাত করে এজলাসে মামলার নথিপত্র দেখতে থাকা সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মাথায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। আহত সাবিহা সুলতানাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে সহকর্মীরা গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৩ জুল, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যার আসামি মোজাফফর

মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যার আসামি মোজাফফর

ছবি: সংগৃহীত 
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনার পর হাজতখানায় রাখা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা যায়।

প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন। এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতসহ ১১ দলের স্মারকলিপি

জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতসহ ১১ দলের স্মারকলিপি

ছবি: সংগৃহীত 

২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার সব মামলার বিচারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে সাত দফা দাবিসংবলিত এই স্মারকলিপি তুলে দেন জোটের শীর্ষ নেতারা। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং নিহতদের পরিবার ও শহীদ স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট হত্যাযজ্ঞের মূল ঘটনাকেন্দ্রগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, যা দ্রুত সম্পন্ন করে বিচারের মুখোমুখি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য ও অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ এখনো গ্রেপ্তারের বাইরে থাকায় এবং কেউ কেউ বহাল তবিয়তে থাকায় সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া দেশের অধিকাংশ জেলায় ঘটে যাওয়া অপরাধের তদন্তে ধীরগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। গুম, খুন ও মরদেহ গোপনে জড়িত সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয় এই স্মারকলিপিতে।

প্রতিনিধিদলের নেতারা উল্লেখ করেন, গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিক ধীরগতির কারণে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের মনে গভীর ক্ষোভ ও শঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই সার্বিক তদন্ত সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।


বিডিএলপিবি/এমএম

২২ জুল, ২০২৬

এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের হত্যাচেষ্টা মামলা : এক আসামি কারাগারে

এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের হত্যাচেষ্টা মামলা : এক আসামি কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 

এক নারীর (নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবীকৃত) সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর ঘটনায় আলোচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন তার ব্যক্তিগত গাড়ি চালক ওবায়দুর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পল্লবী থানায় দায়ের করা এ মামলায় গাজী নজরুল ছাড়াও আরও চারজনকে আসামি করা হয়েছে। ওবায়দুর রহমানের অভিযোগ, এমপির ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ প্রতিবাদ করায় এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে তাকে ‘মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা’ করেন আসামিরা। বাকি চার আসামি হলেন- মাসুম বিল্লাহ, মোতাসসিম বিল্লাহ, আমিনুর রহমান ও রাকিবুল হাসান।

তাদের মধ্যে আমিনুর রহমানকে মামলা হওয়ার পরপরই গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের এসআই রাকিবুল হুদা। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনিআসামি আমিনুরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি এ মামলার তদন্ত করে আগামী ২৪ অগাস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন বলে জানান প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

আহত সাবিহা সুলতানা এবং বিচারক মো. সুজন মিয়া

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারকের ছুড়ে দেয়া পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ বিচার কার্যক্রম চলছিল। ওই সময় আদালত কক্ষের পেছনের সারিতে বসা বিচারপ্রার্থীরা কথা বলছিলেন। একই সময়ে কয়েকজন আইনজীবীও কথা বলছিলেন। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে আদালতের বিচারক সুজন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং নিজের টেবিল থেকে কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি সরাসরি সেখানে অবস্থানরত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় গিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। ঘটনার পরপরই এ নিয়ে আদালত কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবী দ্রুত সাবিহা সুলতানাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনঃ ছবি- সংগৃহীত
হবিগঞ্জের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) তার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার লুৎফে জাহান পূর্ণিমা।

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানায় দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে ওই দুই হত্যা মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান এবং বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলটি জারি করেন।

বিডিএলপিবি/এমএম
আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

মোহাম্মদ শিশির মনিরঃ ছবি- সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি করে বিচারাধীন মামলার জট দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ চিঠি পাঠান। 

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যাত্রা শুরু করে মাত্র চারজন বিচারপতিকে নিয়ে। সে সময় দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ হাজার এবং দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ কোটি ৪৩ লাখ। বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৮১ লাখে উন্নীত হলেও বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ ১৭ হাজারে। এর বিপরীতে আপিল বিভাগে বর্তমানে বিচারপতির সংখ্যা মাত্র আটজন।

চিঠিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ১১ জন এবং বিচারাধীন মামলা ছিল ৫ হাজার ২৬৩টি। ২০১১ সালে বিচারপতির সংখ্যা ১০ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা বেড়ে ১২ হাজার ৮৯১টিতে পৌঁছায়। ২০১৭ সালে বিচারপতির সংখ্যা কমে ৯ জন হলেও বিচারাধীন মামলা বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ হাজার ৫৭৮টি হয়। ২০২২ সালে বিচারপতির সংখ্যা ৯ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা প্রায় ১৯ হাজার ৯২৮টিতে উন্নীত হয়। ২০২৪ সালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা আরও বেড়ে ৩১ হাজার ১২০টিতে পৌঁছায়, অথচ বিচারপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন।

তিনি চিঠিতে আরও বলেন, বর্তমান সময়ে আইনের বিভিন্ন শাখায় বিশেষায়িত বিচারব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। কিন্তু আপিল বিভাগে বিচারপতির স্বল্পতার কারণে বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

প্রতিবেশী ভারতের উদাহরণ তুলে ধরে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধিসংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করে অনুমোদিত বিচারপতির সংখ্যা ৩৪ থেকে ৩৮ জনে উন্নীত করেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আপিল বিভাগে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

চিঠির শেষাংশে বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম