সর্বশেষ

২৫ মে, ২০২৬

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের


ছবি: সংগৃহীত 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকচাপায় আউয়াল সরকার (৫৬) নামে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকালে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোববার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুন্দরগঞ্জ-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আউয়াল সরকারের বাড়ি উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরকারের ছেলে। তিনি সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

পেশাজীবনে তিনি রংপুর, লালমনিরহাট, বাগেরহাট, গাজীপুর, ঢাকা ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরি শেষে তিনি গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে গাইবান্ধা শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় গেলে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। পরে তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গেলে ট্রাকটি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম



রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ

রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এ আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১৩৯০/২০২৬-এ আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে স্টেট ডিফেন্স ল’ ইয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মামলাটি পল্লবী থানার মামলার নম্বর-৩৫, তারিখ ২০ মে ২০২৬ থেকে উদ্ভূত। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

ছাত্রদল নেতার মামলায় এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেফতার

ছাত্রদল নেতার মামলায় এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেফতার


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানান, এনসিপি নেতা তারেক রেজার নামে সুনির্দিষ্ট মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে এনসিপি নেতা তারেক রেজা আজ রবিবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সংবাদ সম্মেলন স্থলের সামনে পৌঁছানো মাত্রই সেখানে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিসহ সাদা পোশাকের পুলিশ, পুলিশের বিশেষ দল (ডিবি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে এসেছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের তীব্র হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওই সংঘর্ষের ঘটনায় গত শুক্রবারই এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার জেরে পরদিন শনিবার দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে পাল্টা মামলা দায়ের করেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল কবির। ছাত্রদল নেতার দায়ের করা ওই পাল্টা মামলায় আজ সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।


বিডিএলপিবি/এমএম

হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠিত

হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠিত

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। অবকাশকালীন ৭টি বেঞ্চ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। বেঞ্চ গঠনসংক্রান্ত প্রধান বিচারপতির সই করা আদেশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৩৫ নম্বর গঠনবিধির ক্ষমতাবলে গত বুধবার (২০ মে) প্রধান বিচারপতির সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বেঞ্চ গঠনের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ আদালতের অবকাশে ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ৪ জুন পর্যন্ত এই অবকাশকালীন বেঞ্চসমূহ সুনির্দিষ্ট এখতিয়ার ও অধিক্ষেত্র অনুযায়ী অতীব জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট এবং আদিম অধিক্ষেত্রের মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবেন। বেঞ্চসমূহ হলো-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।


বিডিএলপিবি/এমএম

অবকাশকালে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত পরিচালনায় মনোনীত ২ জন বিচারপতি

অবকাশকালে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত পরিচালনায় মনোনীত ২ জন বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য দুজন বিচারপতিকে ‘ভ্যাকেশন জাজ’ হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রধান বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আপিল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হাসান মো. আরিফুর রহমানের সই করা ৩২/২০২৬ এসসি (এডি) নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত কোর্টের চলমান অবকাশকালে, সাপ্তাহিক ও ঘোষিত সরকারি ছুটিতে আপিল বিভাগের জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক চেম্বার কোর্টে শুনানির দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আপিল বিভাগের জরুরি মামলার আইনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জনস্বার্থে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

৭২ বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিলো সরকার

৭২ বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিলো সরকার


ছবি: সংগৃহীত 

অবকাশকালীন ছুটিতে জরুরি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সারাদেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর ঢাকা মহানগর এলাকা, ঢাকার ১০টি বিশেষ জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

এছাড়া, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, খুলনা মহানগর এলাকার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ খুলনার বিচারক মো. আসাদুল্লাহ, রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক মো. জুলফিকার উল্লাহ এবং রংপুর মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে। শিশু আইন, ২০১৩ এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।

অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ মে, ২০২৬

ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের ২ মামলার রায় হতে পারে

ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের ২ মামলার রায় হতে পারে


ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় ঈদুল আজহার পর তথা আগামী জুন মাসে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।রোববার (২৪ মে) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ২২টি মামলার বিচার চলমান রয়েছে। রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ আছে দুটি মামলা। আশা করি ঈদের পরই এ দুই মামলার রায় হয়ে যাবে। আর ৩১টি মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা গুম-খুন এবং ক্রসফায়ারের মামলার তদন্ত হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে এসব কাজ শুরু হয়েছে।’ 

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নরসিংদী, যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর, রাজশাহীসহ দেশের যেসব স্থানে সবচেয়ে বেশি হত্যার ঘটনা ঘটেছে, সেসব মামলার তদন্তে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রসিকিউশন টিমকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশেষ তদন্তের ব্যবস্থা করেছি। আশা করি খুব দ্রুতই প্রতিবেদন দিয়ে আমরা এসব বিচারের পর্যায়ে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’

ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলা এবং রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা একজনকে গুলি ও দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় যে কোনো দিন হবে। এর মধ্যে ট্রাইব্যুনাল-১ একটি এবং আরেকটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি)।


বিডিএলপিবি/এমএম