সর্বশেষ

১২ জুন, ২০২৬

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮


ছবি: সংগৃহীত 

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি বিশেষ বেঞ্চে মাত্র এক কার্যদিবসে রেকর্ড সংখ্যক ৬ হাজারেরও বেশি পুরোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ বিষয়টিকে দেশের বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও উচ্চ আদালতের মামলা জট হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৬১৯৯টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত তিন কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ১৩ হাজার ২৮৮টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহে দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

গত ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহের বিচারপতি দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু করেন। পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মধ্যরাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটিকে পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সোয়া ১টায় কিছু দুষ্কৃতকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ভবনের নিচতলা এবং দোতলার লিফটের সম্মুখে জানালার থাই গ্লাসের দুটা পার্ট খুলে ফেলে। ভবনের পেছন দিয়ে একটি পার্ট নিয়ে যেতে পারলেও আরেকটি নিতে পারেনি।

এ সময় শব্দ শুনে অফিসের দারোয়ান ফজলুল হক ও মিঠুন বাড়ৈ এবং কর্তব্যরত পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় তারা পালিয়ে যায়।

চুরির ঘটনাটি সকালে অ‍্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল কে জানালে তিনি বলেন, এটি নাশকতা হতে পারে। বিগত কয়েক দিন ধরে অ‍্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে ঘিরে এই অফিস থেকে চাকরিচ্যুত কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি অনলাইনে যে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, এতে তাদেরও ইন্ধন থাকতে পারে।

অত:পর, অ্যাটর্নি জেনারেল তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে থানায় অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও তাদের ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম

শাওনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের

শাওনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের


ছবি: সংগৃহীত 

অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ‍্যমে অর্জিত বাংলাদেশে এই মহিলার (শাওন) ধৃষ্টতা সকল সীমানা অতিক্রম করেছে।’

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। তাজুল ইসলাম লিখেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ‍্যমে অর্জিত বাংলাদেশে এই মহিলার (শাওন) ধৃষ্টতা সকল সীমানা অতিক্রম করেছে। দুটো ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মহিলা এই স্ট‍্যাটাসটি দিয়েছে তার একটি হলো নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়া। দ্বিতীয়টা হলো একজন জুলাই যোদ্ধাকে ছাত্রলীগ কর্তৃক তুলে নিয়ে নির্যাতন করা এবং সেটি ভিডিও করে ছড়িয়ে দেয়া। দুটোই মারাত্মক ফৌজদারী অপরাধ এবং আমলযোগ্য অপরাধ। এই মহিলার ফেসবুক জুড়ে শুধুই জুলাই বিপ্লবকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলে প্রোপাগান্ডা। একে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এর আগে শাওন ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দুটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে নেত্রকোনা তার শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেন। পোস্টটি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

শাওন সামাজিক যোগাযোগ পোস্টে লিখেন, ‘আজকে ২টা ঘটনার পর ভাবতেই আনন্দ লাগছে যে নেত্রকোনা আমার শশুরবাড়ি… (ঘটনা ২ টা কি আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না, ফেসবুকে-ই পেয়ে যাবেন। আর যারা বুঝে ফেলেছেন তাদের শুভেচ্ছা)।’


বিডিএলপিবি/এমএম

কারাগারে বন্দি থাকা স্ত্রীকে গাঁজা দিতে গিয়ে স্বামী আটক

কারাগারে বন্দি থাকা স্ত্রীকে গাঁজা দিতে গিয়ে স্বামী আটক

ছবি: সংগৃহীত 

মাগুরা জেলা কারাগারে বন্দি স্ত্রীকে গাঁজা সরবরাহের চেষ্টা করার অভিযোগে তার স্বামী দবির মোল্যাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টার দিকে কারাগারের আরপি গেটে এ ঘটনা ঘটে।

দবির মোল্যা (৩৫) মাগুরা সদর উপজেলার জুঁইতড়া গ্রামের মোতালেব মোল্যার ছেলে। তিনি তার স্ত্রী তন্বী খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন, যিনি বর্তমানে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। কারারক্ষীরা দবির মোল্যাকে তল্লাশি করলে, তার প্যান্টের পকেট থেকে প্রায় ৫০ গ্রাম গাঁজার একটি প্যাকেট উদ্ধার হয়।

মাগুরা জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মহিউদ্দিন হায়দার জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত দবির মোল্যাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দবির মোল্যা স্বীকার করেছেন যে, তিনি কারাবন্দি স্ত্রী তন্বী খাতুনের কাছে গাঁজা পৌঁছে দিতে ওই প্যাকেটটি নিয়ে এসেছিলেন।

কারারক্ষীরা জানিয়েছেন, দুই দিন আগে তন্বী খাতুনকে মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কারাগারে থেকেও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য স্বামীর মাধ্যমে গাঁজা ভেতরে নিতে চেয়েছিলেন। ঘটনার পর কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


বিডিএলপিবি/এমএম

চট্টগ্রাম আদালতের দুর্নীতি হয়রানির বন্ধে বসানো হলো অভিযোগ বক্স

চট্টগ্রাম আদালতের দুর্নীতি হয়রানির বন্ধে বসানো হলো অভিযোগ বক্স

ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রামে সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ সরাসরি জানাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কার্যালয়। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ ই-মেইল ঠিকানা চালু এবং সিএমএম কার্যালয়ের বাইরে একটি সিলগালা করা অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার এ বিষয়ে একটি প্রশাসনিক আদেশ জারি করেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার। ‘সিএমএম, চট্টগ্রাম সমীপে’ নামে চালু হওয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও হয়রানির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ, তথ্য-উপাত্ত এবং প্রমাণাদি জমা দিতে পারবেন।

প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, আদালতের পরোয়ানা প্রেরণ বা প্রত্যাহার, সার্টিফিকেট কপি সংগ্রহ, জামিন প্রক্রিয়া, জব্দকৃত আলামত বা যানবাহন ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘুষ দাবি, অযৌক্তিক বিলম্ব কিংবা অনৈতিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও হয়রানিমূলক আচরণের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে।

অভিযোগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিল, ছবি, অডিও-ভিডিও বা অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করা যাবে। অভিযোগকারীর পরিচয় ও তথ্যের গোপনীয়তা আইন অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হবে বলে প্রশাসনিক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, ব্যক্তিগত দেওয়ানি ও সাধারণ ফৌজদারি মামলা, বিচারাধীন মামলার ফলাফল প্রভাবিত করার আবেদন কিংবা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়া এ ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে।

সিএমএম কার্যালয় জানিয়েছে, প্রাপ্ত অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আইনগত গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা অন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। তবে এই প্রক্রিয়া কোনো মামলা দায়েরের বিকল্প নয় এবং মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব


ছবি: সংগৃহীত 

দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট।

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের জন্য এ বরাদ্দের প্রস্তাব পেশ করেন। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দ ছিল ২৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরে সর্বোচ্চ আদালতের জন্য বরাদ্দ বাড়ছে ২১ কোটি টাকা।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দেওয়া প্রথম বাজেট। বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট পেশের আগে সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত এই বাজেটের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার এবার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করেছে। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে। এর অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’সহ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

পাশাপাশি দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে কর ও শুল্ক ব্যবস্থায় বিভিন্ন সংস্কার এবং প্রণোদনামূলক উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এবারের বাজেট বক্তৃতায় বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ, করনীতি, সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা এবং দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।


বিডিএলপিবি/এমএম

জুডিশিয়াল সার্ভিসে প্রবেশে ৫ বছর ওকালতি বাধ্যতামূলক চায় রাজশাহী বার

জুডিশিয়াল সার্ভিসে প্রবেশে ৫ বছর ওকালতি বাধ্যতামূলক চায় রাজশাহী বার

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে (সিভিল জজ) নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছর ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (১০ জুন) এ বিষয়ে বারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। ডাকযোগে পাঠানো ওই অনুরোধপত্রে স্বাক্ষর করেন রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো: আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োগের জন্য আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি ও কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা বাস্তবভিত্তিক কারণে প্রয়োজন।

এতে আরো বলা হয়, ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার সময়েও দুই বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছিল। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোয়ও অধস্তন জুডিশিয়ারিতে প্রবেশের জন্য আইন পেশার অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেও ন্যূনতম ১০ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রয়োজনে অধস্তন জুডিশিয়ারি প্রবেশ ও অবসর বিষয়ে বয়সসীমা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

তারা আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি ও কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছাড়াও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল জজ নিয়োগের আবেদন জানান।

রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওনারা পরীক্ষা দিচ্ছেন, পরীক্ষা দেয়ার পরে বলতে গেলে তিন মাস প্রশিক্ষণ নেয়ার পরেই ওনারা বিচারক হয়ে বসে যাচ্ছেন। এতে হচ্ছে কী, স্বাভাবিকভাবেই একটা অভিজ্ঞতার বিষয় আসছে। এই অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে বিচারব্যবস্থায় অনেক সময় প্রবলেম তৈরি হচ্ছে।’


বিডিএলপিবি/এমএম