সর্বশেষ

২৪ অক্টো, ২০২৬

জাল নথির ভিত্তিতে পাওয়া আদালতের রায়ও প্রতারণার কারণে হতে পারে বাতিল: আপিল বিভাগ

জাল নথির ভিত্তিতে পাওয়া আদালতের রায়ও প্রতারণার কারণে হতে পারে বাতিল: আপিল বিভাগ

প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত কোনো রায় বা আদেশ আইনের চোখে টিকে থাকতে পারে না—জাল ও অস্তিত্বহীন নথির ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বাতিল করে পর্যবেক্ষণ আপিল বিভাগের।
প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত কোনো বিচারিক রায়, সরকারি আদেশ কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যক্রম বহাল থাকতে পারে না। এমনকি কোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যত উচ্চমাত্রার আনুষ্ঠানিকতা ও আইনি মর্যাদাসম্পন্নই হোক না কেন, প্রতারণা প্রমাণিত হলে তা আইনগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ নীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে চারটি দেওয়ানি আপিলে হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করেছেন।

আপিল বিভাগ বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে আদালতের কাছ থেকে কোনো প্রতিকার আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট রায়ও প্রতারণার দ্বারা কলুষিত হয়। এ ক্ষেত্রে আদালত “Fraud unravels everything” নীতির উল্লেখ করেন, যার অর্থ—প্রতারণা সবকিছুকেই ভেঙে দেয় বা আইনগত ভিত্তিহীন করে তোলে।

ডেপুটি কমিশনার, চট্টগ্রাম বনাম ইন্টারবাল্ক ওভারসিজ এসএ বাংলাদেশ লিমিটেড ও অন্যান্য, সিভিল আপিল: নং ১৭১–১৭৪/২০১৫ মামলায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত গত ২১ মে ২০২৫ তারিখের রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়। রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় ১৪ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে।

মামলার পটভূমি:

মামলাটি চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জমি অধিগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত হয়। ডেপুটি কমিশনার, চট্টগ্রাম বনাম ইন্টারবাল্ক ওভারসিজ এসএ বাংলাদেশ লিমিটেড ও অন্যান্য মামলাসহ চারটি দেওয়ানি আপিলে জমি অধিগ্রহণের একটি কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।

বিবাদীরা দাবি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ১৪ নভেম্বর ২০১০ তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয়কে নতুন করে সারসংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অনুসরণ না করেই মন্ত্রণালয় ২৩ নভেম্বর ২০১০ তারিখে জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

এই দাবির ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে চারটি রিট আবেদনে রুল যথাযথ ঘোষণা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কার্যক্রমকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও আইনগত কার্যকারিতাহীন বলে ঘোষণা দেন।

আপিল বিভাগ যা বললেন:

আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য ছিল, রিট আবেদনগুলোতে ব্যবহৃত প্রধানমন্ত্রীর কথিত নির্দেশসংবলিত নথিটির মূল সরকারি নথিতে কোনো অস্তিত্ব নেই। ফলে ওই নথির ওপর নির্ভর করে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে প্রতিকার আদায় করা হয়েছিল।

আপিল বিভাগ নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখতে পান, সংশ্লিষ্ট নোট বা চিঠিটি অস্তিত্বহীন ও কাল্পনিক। রিট আবেদনকারীরা তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যেও কথিত নথিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে রাষ্ট্রপক্ষের দাবির সন্তোষজনক প্রতিবাদ করতে পারেননি।

আদালত আরও উল্লেখ করেন, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোপনীয় সারসংক্ষেপ কীভাবে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া আদালতের কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগে সরকারি পক্ষের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অবহেলার বিষয়টি আপিল বিভাগ নিন্দা করেন।

প্রতারণা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আইনি পর্যবেক্ষণ:

আপিল বিভাগ ইংরেজি মামলার Lazarus Estates Ltd. v. Beasley, (1956) 1 QB 702 মামলার পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করেন। সেখানে বলা হয়েছিল, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত আদালতের কোনো রায় বা মন্ত্রীর কোনো আদেশ বহাল রাখা যায় না—“Fraud unravels everything.”

একই মামলায় লর্ড পার্কার এলজে-এর পর্যবেক্ষণও উদ্ধৃত করা হয়:

“Fraud vitiates all transactions known to the law of however high a degree of solemnity.”

এর মর্মার্থ হলো, আইনস্বীকৃত কোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যত উচ্চমাত্রার আনুষ্ঠানিকতা ও মর্যাদার অধিকারীই হোক না কেন, প্রতারণা সেটিকে আইনগতভাবে কলুষিত করতে পারে।

আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আপিল বিভাগ সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, অস্তিত্বহীন ও কাল্পনিক নথির ওপর নির্ভর করে হাইকোর্ট বিভাগ যে রায় দিয়েছিলেন, তা প্রতারণার দ্বারা কলুষিত হয়েছে। তাই ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখের সংশ্লিষ্ট রায় ও আদেশ বাতিল করা হয়। ফলস্বরূপ, দেওয়ানি আপিল নং ১৭১–১৭৪/২০১৫ মঞ্জুর করা হয়।

বিডি ল' পোস্ট/মাসুম

রবিবার বন্ধ থাকবে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম

রবিবার বন্ধ থাকবে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বেলা আড়াইটায়। তবে এদিন আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবকাশকালীন ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাসের সামনের করিডোরে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকসহ অন্যান্য আইনজীবীরা সাক্ষাৎ করবেন।

এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের পাশে ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে আইনজীবীদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের কারণে রোববার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বেলা আড়াইটায় শুরু হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি

প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর: ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা সেই যুবক কারাগারে

প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর: ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা সেই যুবক কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে ব্যবহৃত বাসের ছবি নিয়ে ফেসবুকে স্নাইপার দিয়ে গুলি করার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার আবু বকর সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের এসআই ইয়াছিন পাইক আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তী সময়ে আসামির রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হবে।

এর আগে বুধবার গভীর রাতে রাজশাহীর পবা থানার কচুয়াতৈল এলাকায় নিজ বাসা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের এসআই মানিক হোসেনের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

যেভাবে বিতর্কিত মন্তব্যের সূত্রপাত

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একটি বাসে করে তিনি নগরীতে যান এবং ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন। পরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে একটি মন্দির পরিদর্শন শেষে একই বাসে বিমানবন্দরে ফিরে যান।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত বাসের ছবি দিয়ে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছিল, ‘সবই বুঝলাম রাজশাহীতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাসটা কই, রুয়েটের বাসে কেন? আপনারা কি জানেন রাজশাহীবাসী?’

ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়, ‘ইস! একটা বড় সুযোগ ছিল। শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’

মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়।

সূত্র: গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন

২৫ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৬ নির্দেশনা

২৫ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৬ নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বিজ্ঞ আইনজীবীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ছয়টি বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালত খোলার প্রথম দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাসের সামনের করিডোরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে (মূল ভবনসংলগ্ন বাগান) আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে।

প্রবেশ ও চলাচলে যেসব নির্দেশনা

অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য আইনজীবীদের সোনালী ব্যাংক গেট ও আইনজীবী সমিতির গ্যাংওয়ে ব্যবহার করতে হবে। প্রধান বিচারপতি ও উভয় বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে প্রবেশের ক্ষেত্রে মূল ভবনের ২ ও ৩ নম্বর গেটের পাশের সিঁড়ি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার জন্যও মূল ভবনের ২ ও ৩ নম্বর গেট ব্যবহার করতে হবে। তবে সোনালী ব্যাংক গেট শুধু প্রবেশের জন্য ব্যবহারযোগ্য থাকবে।

প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট থাকবে। নিরাপত্তাকর্মীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে এবং প্রয়োজনে পরিচয়পত্র প্রদর্শনের জন্য তা সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত নন—এমন কাউকে অনুষ্ঠানে প্রবেশ না করানোর বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা ও আচরণবিধি

অনুষ্ঠানস্থলে ধারালো বা দাহ্য পদার্থ, দিয়াশলাই, লাইটার, অ্যারোসল ক্যানসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে দ্রুত সংশ্লিষ্টদের অবহিত করতে বলা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ভিড় না করা এবং সৌজন্য বিনিময় সংক্ষিপ্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিচারপতিদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে সেলফি তোলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কলার ব্যান্ডসহ আবশ্যিকভাবে কোর্ট ড্রেস পরে আসতে হবে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানস্থলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং প্রবেশ, অবস্থান ও প্রস্থানের সময় শান্ত, সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

খাবার পরিবেশন ও জরুরি সহায়তা

অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের আপ্যায়নের জন্য ১০টি ফুড স্টেশন থাকবে। এসব স্টেশন থেকে সারিবদ্ধভাবে খাবার গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, যাতে পরিবেশ সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক থাকে। খাবার সংগ্রহে সামান্য সময় লাগলে ধৈর্য ধরতে এবং ব্যবহৃত প্লেট ও গ্লাস নির্ধারিত স্থানে রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানস্থলে একটি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক অসুবিধা বা দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটস্থ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাকর্মীকে জানালে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ধূমপান নিষিদ্ধ, গাড়ি পার্কিং ঈদগাহ মাঠে

বিজ্ঞপ্তিতে অনুষ্ঠানস্থলে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ঈদগাহ মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান-সংক্রান্ত ঘোষণাগুলো সাউন্ড সিস্টেমে প্রচারিত দিকনির্দেশনা অনুযায়ী অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন রহমান সিদ্দিকী।

সূত্র: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি

বিডি ল' পোস্ট/ মাসুম

আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়

আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ শেষে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার (২৪ অক্টোবর) খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

শনিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কার্যালয়ে মামলাসংক্রান্ত নোটিশ গ্রহণ করা হবে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, দীর্ঘ অবকাশ শেষে আগামী রোববার থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এ সময় বিভিন্ন বেঞ্চের গঠন ও এখতিয়ারে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে শনিবার কার্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপূজার ছুটির কারণে কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আইনজীবীদের বিষয়টি জানাতে জরুরি নোটিশও জারি করা হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনজীবীরা কার্যালয়ে তাঁদের মামলাসংক্রান্ত নোটিশ জমা দিতে পারবেন।

এই উদ্যোগের ফলে অবকাশ-পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে আইনজীবীরা প্রয়োজনীয় নোটিশ দাখিলের সুযোগ পাবেন।

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬


২৩ অক্টো, ২০২৬

কুমিল্লায় অপ্রতীম হত্যা: ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল

কুমিল্লায় অপ্রতীম হত্যা: ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল

ছবি: সংগৃহীত 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় অপ্রতীমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

গত ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান।

তিনজন সরাসরি অভিযুক্ত, একজনের বিরুদ্ধে পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ

অভিযোগপত্রে সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসানকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া সিয়াম হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেভাবে ঘটে হত্যাকাণ্ড

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়-সংলগ্ন সানন্দা এলাকার একটি নির্জন পাহাড়ি বনে যায় তুহিন। সেখানে অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে সে বাধা দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের মাথায় আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করেছে পুলিশ। অপ্রতীমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তিনজন তার মোবাইল ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে।

যেভাবে শনাক্ত হয় অভিযুক্তরা

অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। এ ছাড়া তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

দ্রুত বিচারের দাবি পরিবারের

অপ্রতীম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা ফোন করে তাঁকে জানিয়েছেন বলে জানান অপ্রতীমের বাবা। ছেলেকে ঘিরেই তাঁর বেঁচে থাকার স্বপ্ন ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই স্বপ্ন হত্যাকারীরা কেড়ে নিয়েছে।

তিনি মামলার দ্রুত বিচার ও আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে আসামিদের বয়সের বিষয়টি যেন বিচারপ্রক্রিয়ায় দায় এড়ানোর সুযোগ তৈরি না করে, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সূত্র: ইউএনবি, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তি হলেই অব্যাহতভাবে আইন পেশা পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত হয় না: কর্ণাটক হাইকোর্ট

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তি হলেই অব্যাহতভাবে আইন পেশা পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত হয় না: কর্ণাটক হাইকোর্ট

এআইবিই পরীক্ষার ফল যাচাই ও অননুমোদিত আইন পেশা শনাক্তে নিয়মিত তদারকির নির্দেশ বার কাউন্সিলকে
ভারতের কর্ণাটক হাইকোর্ট বলেছেন, আইনজীবী হিসেবে বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হলেই অব্যাহতভাবে আইন পেশা পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত হয় না। আইন পেশা চালিয়ে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত অল ইন্ডিয়া বার এক্সামিনেশন (এআইবিই) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত পূরণ করতে হবে। এ ছাড়া, এআইবিই পরীক্ষার ফল যাচাই এবং অননুমোদিতভাবে আইন পেশা পরিচালনাকারীদের শনাক্ত করতে নিয়মিত তদারকির জন্য রাজ্য বার কাউন্সিলকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রসন্ন কুমার বনাম কর্ণাটক রাজ্য মামলায় গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক আদেশে কর্ণাটক হাইকোর্টের বিচারপতি এইচ. পি. সন্দেশের একক বেঞ্চ এসব পর্যবেক্ষণ দেন।

মামলায় আদালত বলেন, কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের আগে বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলামূলক প্রতিকার গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। পেশাগত অসদাচরণের বিষয়টি বার কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত হলেও, সংশ্লিষ্ট আচরণে স্বতন্ত্রভাবে ফৌজদারি অপরাধের উপাদান থাকলে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার এখতিয়ারও প্রয়োগ করা যেতে পারে।

মামলার পটভূমি

মামলাটিতে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪২০, ১২০-বি ও ৫১১ ধারার পাশাপাশি অ্যাডভোকেটস অ্যাক্ট, ১৯৬১-এর ৪৫ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ২০১১ সালে কর্ণাটক স্টেট বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও এআইবিই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে প্রায় এক দশক আইন পেশা পরিচালনা করেছেন।

অভিযোগটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরের পর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬(৩) ধারায় পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে আবেদনকারী হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, অভিযোগগুলো মূলত পেশাগত অসদাচরণসংক্রান্ত, যা বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলামূলক এখতিয়ারের আওতাভুক্ত। এ ছাড়া, তাঁর তালিকাভুক্তির সনদে তালিকাভুক্তিকে অস্থায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি এবং তিনি পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে এআইবিই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এআইবিই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে আইন পেশার অধিকার স্থগিত হতে পারে

আদালত পর্যবেক্ষণ করেন, প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী তালিকাভুক্তির দুই বছরের মধ্যে এআইবিই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইন পেশা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করা প্রয়োজন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে আইন পেশা পরিচালনার অধিকার স্থগিত হতে পারে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার মাধ্যমে পুনরায় আইন পেশা পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আদালত আরও বলেন, বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা এবং ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ার এক নয়। কোনো আচরণে ফৌজদারি অপরাধের উপাদান রয়েছে কি না, তা তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।

অননুমোদিত আইন পেশার ক্ষেত্রে ৪৫ ধারা প্রয়োগের প্রশ্ন

আদালত উল্লেখ করেন, আইন পেশা পরিচালনার বৈধ অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কেউ পেশা পরিচালনা করলে অ্যাডভোকেটস অ্যাক্টের ৪৫ ধারার প্রয়োগের প্রশ্ন উঠতে পারে। একইভাবে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারাসহ অভিযোগে উল্লিখিত অন্যান্য অপরাধের উপাদান পূরণ হয়েছে কি না, তা তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্তের বিষয়।

তবে আদালত আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত দেননি। বরং অভিযোগের সত্যতা ও অপরাধের উপাদান রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার সুযোগ রেখেছেন।

বার কাউন্সিলকে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়মিত যাচাইয়ের নির্দেশ

অননুমোদিতভাবে আইন পেশা পরিচালনা প্রতিরোধে আদালত রাজ্য বার কাউন্সিলকে তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ, নির্ধারিত সময়সীমার মেয়াদ পর্যবেক্ষণ, এআইবিই পরীক্ষার ফল যাচাই এবং নিয়মিতভাবে অননুমোদিত আইন পেশা শনাক্ত করার নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে, কোনো আইনজীবীর তথ্যের মধ্যে অসংগতি পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে বলেও আদালত উল্লেখ করেন।

হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত

হাইকোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮২ ধারায় দায়ের করা আবেদনটি খারিজ করে দেন এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশকে আইন অনুযায়ী তদন্ত চালিয়ে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের সুযোগ দেন। তবে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে একটি প্রক্রিয়াগত ত্রুটিও আদালত চিহ্নিত করেন। আদালতের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬(৩) ধারায় তদন্তের জন্য পাঠানো বিচারিক আমল গ্রহণের আগের ধাপ; আমল গ্রহণের পর ওই পদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়টি একইভাবে বিবেচনা করা যায় না।

সূত্র: দ্য বার বুলেটিন, ২১ অক্টোবর ২০২৬।

বিডি ল' পোস্ট/মাসুম