সর্বশেষ

৮ সেপ, ২০২৬

মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে উচ্চবাচ্য, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পুরো আপিল বিভাগ

মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে উচ্চবাচ্য, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পুরো আপিল বিভাগ

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ও নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে উচ্চাবাচ্যে জড়িয়ে এজলাস ছেড়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পুরো আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধান বিচারপতির এজলাসে এমন উচ্চবাচ্যে জড়িয়ে পড়েন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি।

জানা গেছে, এদিন আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানি চলাকালে হঠাৎ করেই ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন মন্তব্য করেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর থেকে আইনজীবীদের আয়-রোজগার কমে গেছে।

এ ধরনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন। উভয়ের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কথোপকথনের এক পর্যায়ে আপিল বেঞ্চের বিচারপতিরা এজলাস ত্যাগ করে চলে যান।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: চ্যানেল ২৪ (০৮.০৯.২০২৬)

বাংলাদেশে নির্বাসিত করা মুমতাজ বেগমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ গুয়াহাটি হাইকোর্টের

বাংলাদেশে নির্বাসিত করা মুমতাজ বেগমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ গুয়াহাটি হাইকোর্টের

কোলাজ ছবি 
গুয়াহাটি হাইকোর্ট আসাম সরকারকে মুমতাজ বেগমকে ২ লক্ষ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মুমতাজ বেগম একজন বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলিম নারী, যাঁকে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের একটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ না দিয়েই বাংলাদেশে নির্বাসিত করা হয়েছিল। এই আদেশে বেগমকে বিদেশী নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

বেগমের পরিবারের দায়ের করা একটি হেবিয়াস কর্পাস পিটিশনের শুনানির সময় বিচারপতি কল্যাণ রায় সুরানা এবং বিচারপতি সুস্মিতা ফুকন খাউন্ডের ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পিটিশন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরই পরিবারটি জানতে পারে যে তাঁকে বাংলাদেশে ডিপোর্ট করা হয়েছে।

নগাঁও ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল যেভাবে বেগমের মামলাটি পরিচালনা করেছে, আদালত তার তীব্র সমালোচনা করে এবং পর্যবেক্ষণ করে যে, নথি থেকে ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে "আইনের প্রতি বিদ্বেষ" স্পষ্ট বলে প্রতীয়মান হয়।

হাইকোর্টের পূর্ববর্তী একটি নির্দেশে মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার পর, গত ৩০ মে ট্রাইব্যুনাল বেগমকে বিদেশী হিসেবে ঘোষণা করে।  হাইকোর্ট এর আগে জানিয়েছিল যে, ট্রাইব্যুনাল তার দাখিল করা সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ বিবেচনা করেনি।

বেঞ্চ উল্লেখ করেছে যে, বেগমকে ৩০শে মে-র আদেশ সম্পর্কে জানানো হয়নি এবং এর পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, ফলে তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ পাননি। তার গ্রেপ্তারের সময় ও পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং পুলিশের দেওয়া বিবরণ নিয়েও বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছে।

আদালত রায় দিয়েছে যে, ঘোষিত বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কার সংক্রান্ত আদর্শ কার্যপ্রণালীর (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর) “সরাসরি লঙ্ঘন” হয়েছে। এই কার্যপ্রণালী অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে বহিষ্কার করার আগে তাকে অবশ্যই উপলব্ধ আইনি প্রতিকারগুলো শেষ করার সুযোগ দিতে হবে।

বেঞ্চ বলেছে, ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার অধিকার প্রয়োগ করতে বেগমকে রাজ্য প্রশাসন বাধা দিয়েছে। তাই আদালত আসাম সরকারকে তাকে অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আদালত স্বরাষ্ট্র ও রাজনৈতিক বিভাগকে ট্রাইব্যুনালের ৩০ মে-র আদেশটি কখন ও কোন তারিখে প্রস্তুত করা হয়েছিল, তা তদন্ত করার নির্দেশও দিয়েছে। আদালত বলেছে, প্রয়োজনে মতামতটি কখন লেখা হয়েছিল তা নিশ্চিত করার জন্য ট্রাইব্যুনাল সদস্যের কম্পিউটার জব্দ করা যেতে পারে।

বেঞ্চ আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, জেলা পুলিশ সুপাররা যেন নিশ্চিত করেন যে, ঘোষিত বিদেশি নাগরিকদের হেফাজতে নেওয়ার আগে যেন ট্রাইব্যুনালের আদেশ সম্পর্কে জানানো হয়। ওই ব্যক্তিকে জেলা থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে পরিবারের একজন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকেও অবশ্যই জানাতে হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস (০৭.০৯.২০২৬)

আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দয়ের

আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দয়ের

কোলাজ ছবি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ রিটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কোর্টের দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন জারি কেন আইনগত কর্তৃত্ব-বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল দাবির আরজি জানানো হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ১২ মে’র প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

রিটটি বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবারের (৭ সেপ্টেম্বর) কার্যতালিকায় ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে  এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনও ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনও ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি রিটটি দায়ের করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

৭ সেপ, ২০২৬

এক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ একদিনে ৫ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

এক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ একদিনে ৫ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত 
অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞাসহ ৫ জন আইন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তারা পদত্যাগপত্র দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পদত্যাগপত্র দেওয়া অপর চার আইন কর্মকর্তা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি ও মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জল চাকমা।

গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আবদুল জব্বার ভুঞাসহ তিনজন আইনজীবীকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর থেকে জব্বার ভুঞা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। 

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদে এবং ১৮০ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেয়। 

ডিএজি এবং এএজি পদে সব মিলে ২৬৬ জন নিয়োগ পান। এর আগে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

পদত্যাগপত্র দেওয়া অন্য চারজন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি ও মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জল চাকমা গত ৩০ জুলাই নিয়োগ পেয়েছিলেন।

রাষ্ট্রপতি বরাবর লেখা পদত্যাগপত্র আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বলে জানান রোহানী সিদ্দিকা।  অন্যদিকে, প্রোজ্জল চাকমাও একই কারণে রাষ্ট্রপতি বরাবর লেখা পদত্যাগপত্র আজ দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪ (০৭.০৯.২০২৬)

১৪টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

১৪টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃক প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যে ১৪টি বোয়িং বিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় সাংবিধানিক, সংবিধিবদ্ধ ও আর্থিক বৈধতা নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম এম জি সারওয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেএই নোটিশ পাঠিয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব, অর্থ সচিব এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান ও এমডির উদ্দেশ্যে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

সংবাদপত্রের তথ্য তুলে ধরে নোটিশে বলা হয়েছে, জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১৪টি বোয়িং বিমান ক্রয়ের চুক্তি করা হয়েছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং বিকল্প প্রস্তাবের (যেমন—এয়ারবাসের অফার) কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তাই নোটিশে কয়েকটি দাবি তুলে ধরে বলা হয়েছে, বোয়িং বিমান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনও আর্থিক বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে কিনা, বা নতুন কোনও ক্রয়ের পরিকল্পনা আছে কিনা, তা প্রকাশ করতে হবে। একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বচ্ছ ও স্বাধীন যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও চুক্তি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেকোনও ক্রয় প্রক্রিয়া ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬’ অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে।
নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য ও যুক্তিপূর্ণ জবাব চাওয়া হয়েছে। এতে ব্যর্থ হলে সংবিধানের ৪৪ ও ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ মানুষের অর্থ সুরক্ষায় হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪ (০৭.০৯.২০২৬)

গভর্নর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ

গভর্নর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ

ছবি: সংগৃহীত 
অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

উল্লখ্য, গভর্নরের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে তাকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ যুক্ত করে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন গত ৫ মার্চ রিটটি দায়ের করেন। রিটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে গভর্নর এবং গভর্নর মোস্তাকুর রহমানকে বিবাদী করা হয়।

আবেদনে আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে নতুন গভর্নর নিয়োগ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়। একইসঙ্গে গভর্নর নিয়োগ ও অপসারণের পৃথক গেজেটের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। তার নেতৃত্বে ব্যাংক খাতে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়।

২০২৮ সালের আগস্টে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পৃথক প্রজ্ঞাপনে মোস্তাকুর রহমানকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ এবং আহসান এইচ মনসুরের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল (০৭.০৯.২০২৬)

দুই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

দুই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

ছবি: সংগৃহীত 
ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এখনই কারামুক্ত হতে পারছেন না তিনি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন। আদালতে চিন্ময় দাসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।

উল্লখ্য, চিন্ময় দাস ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার শুরু হয় জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাকে কেন্দ্র করে।

যেভাবে গ্রেপ্তার হন চিন্ময় দাস:

২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনকে আসামি করে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি করেন তৎকালীন চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।

ওই মামলায় ২৫ নভেম্বর ঢাকার কাছ থেকে চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাঁকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

তাঁকে আদালতে হাজির করার দিন তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।

আলিফ হত্যা মামলা:

আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মামলায়ও চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।

হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা:

আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে পুলিশের করা তিনটি মামলা এবং আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ফলে পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলাগুলোতে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার কারণে আপাতত কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে দুই মামলায় চিন্ময় দাসের জামিনের আইনি বাধা দূর হলেও তাঁর কারামুক্তির বিষয়টি নির্ভর করছে অন্য মামলাগুলোর অবস্থার ওপর।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল (০৬.০৯.২০২৬)