সর্বশেষ

১ আগ, ২০২৬

রাষ্ট্র হারলেও সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াই স্বস্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল

রাষ্ট্র হারলেও সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াই স্বস্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত 
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, যখন সমাজে ও বিচার ব্যবস্থায় ন্যায় বিচার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, তখন কোনো মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে গেলেও সেখানে স্বস্তি থাকে। সাধারণ নাগরিকের প্রতি ন্যায়-বিচার নিশ্চিত হলে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তখনই আমি বেশি আনন্দিত হই।

আজ শুক্রবার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে আয়োজিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. ফাইমা নাসরিনের কোটচাঁদপুর আগমন উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই নাগরিক সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার মূল লক্ষ্যই হলো নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা। রাষ্ট্র বা ব্যক্তি, কে জিতল তার চেয়ে বড় কথা হলো ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো কি না। বিচার পদ্ধতি যখন কোনো নাগরিককে তাঁর কাক্সিক্ষত ও সঠিক বিচার এনে দেয়, তখন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও সেখানে কোনো অসন্তোষ থাকে না, বরং তা আইনি ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা বাড়ায়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (৩১/০৭/২০২৬)

৩১ জুল, ২০২৬

১০ কার্যদিবসে হাইকোর্টে নিষ্পত্তি ৫০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা

১০ কার্যদিবসে হাইকোর্টে নিষ্পত্তি ৫০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মাত্র ১০ কার্যদিবসে ৫০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। মামলা জট কমাতে প্রধান বিচারপতির বিশেষ নির্দেশনায় নেওয়া উদ্যোগের অংশ হিসেবে এসব মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৭ হাজার ৫৬৫টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে গত ১০ কার্যদিবসে, প্রতি সপ্তাহে এক দিন করে, নিষ্পত্তি হওয়া পুরোনো মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ২৬৪টিতে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসব মামলার মধ্যে ৪৩ হাজার ৩৫৭টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা। বাকি মামলাগুলো পুরোনো রিট মামলা।

উক্ত প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের মামলা জট কমানোর লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লখ্য, চলতি বছরের ৭ মে থেকে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে সপ্তাহে নির্দিষ্ট এক দিন পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া শুরু হয়। এর ফলে পুরোনো মামলাগুলো দ্রুত ১০ কার্যদিবসে হাইকোর্টে নিষ্পত্তি ৫০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বাড়ানো এবং মামলা জট সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এই বিশেষ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সাইবার আইনে সংশোধন: গুজব-অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড

সাইবার আইনে সংশোধন: গুজব-অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
পাস হওয়ার তিন মাসের মাথায় নতুন ধারা যুক্ত করে সরকার আবারও সংশোধন করতে যাচ্ছে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’। গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানিকর তথ্য—এ চারটি শব্দকে অপরাধের সংজ্ঞায় এনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। আইনটি আরও কঠোর করা হচ্ছে; একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে শাস্তিও।  

একই সঙ্গে আইন বাস্তবায়নে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থাকেও সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত বিলটি সংসদের আগামী অধিবেশনেই উত্থাপন করা হতে পারে।

খসড়া সংশোধনী মতে, সাইবার পরিসরে গুজব বা অপতথ্য প্রকাশ কিংবা প্রচারকে নতুন অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো

চেক ডিজঅনার মামলার মূল উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্টর রায়

চেক ডিজঅনার মামলার মূল উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্টর রায়

ছবি: সংগৃহীত 
নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (এনআই) অ্যাক্টের অধীনে করা মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো চেকের অর্থ আদায় নিশ্চিত করা, চেকদাতাকে (আসামি) কারাগারে পাঠানো নয়, এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে একটি মামলায় রায় দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট। রায়ে আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এনআই অ্যাক্টের মামলায় কারাদণ্ড শুধুমাত্র উপযুক্ত ও বিশেষ পরিস্থিতিতেই দেওয়া উচিত।

মো. আলাউদ্দিন বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য মামলার রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বরিশালের এক গবাদিপশু ব্যবসায়ীর চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত ফৌজদারি রিভিশন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ড. মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২২ জুলাই এই রায় দেন। রায়ে অর্থদণ্ড বহাল রেখে আসামির কারাদণ্ড বাতিল করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ের লিখিত অনুলিপি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশ করা হয়েছে।

আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. সাইফুল আলম। ঋণ প্রদানকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী দেব দুলাল বড়াল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সফিকুল ইসলাম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারহানা আবেদীন, হেমায়েত উদ্দিন এবং কে এম সাইফুল ইসলাম।

রায়ে আদালত ‘আমান উল্লাহ বনাম রাষ্ট্র’ মামলার নজির উল্লেখ করে বলেন, এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার বিচারে কারাদণ্ড প্রদান করা একটি অতি কঠোর সাজা, যা থেকে কোনো শাস্তিমূলক উদ্দেশ্য সাধিত হয় না। উক্ত নীতি ও পর্যবেক্ষণের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি।

মামলার প্রেক্ষাপট: গবাদিপশুর ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসামি মো. আলাউদ্দিন বাদীর (যিনি বরিশালের তৃতীয় যুগ্ম দায়রা আদালতের বাদী ছিলেন) কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নেন। উক্ত ঋণ পরিশোধের নিমিত্তে আলাউদ্দিন রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, বরিশাল বাজার রোড শাখার একটি চেক প্রদান করেন। ২০২০ সালের ২ নভেম্বর চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকার কারণে তা (চেক) নাকচ (ডিজঅনার) হয়। পরবর্তী সময়ে আইনি নোটিশ প্রদান ও নির্দিষ্ট মেয়াদে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় বাদী ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর বরিশালের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি আদালত) আদালতে এনআই অ্যাক্টের আইনে (সি.আর.) মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা বরিশাল দায়রা জজ আদালতে পাঠান। দায়রা জজ মামলাটি বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করেন। ওই আদালত ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর এআই অ্যাক্টর ১৩৮ ধারায় আসামি আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এরপর ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি বরিশালের তৃতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালত আসামি মো. আলাউদ্দিনকে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন। পরে অর্থদণ্ডের অর্ধেক (২ লাখ ৫০ হাজার) টাকা জমা দিয়ে বরিশাল দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন আসামি আলাউদ্দিন। পরে আপিল আদালত (বরিশাল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ) ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বহাল রেখে আসামির আপিল খারিজ করে দেন।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে আসামি আলাউদ্দিন হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন। গত ২২ জুলাই হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে অর্থদণ্ড বহাল রাখেন। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ের সাজার অংশটি ন্যায় বিচারের স্বার্থে সংশোধন করে তা (কারাদণ্ড) বাতিল করে দেন। অর্থাৎ আসামির অর্থদণ্ড বহাল রেখে কারাদণ্ড বাতিল করে দেন আদালত।

রায়ের কপি প্রাপ্তির তিনি মাসের মধ্যে আসামিকে (আলাউদ্দিন) ডিজঅনার চেকের অবশিষ্ট অংশ অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত। অনাদায়ে আসামিকে দুই মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে কারাদণ্ড ভোগ করলেও তিনি জরিমানা পরিশোধের দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন না এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা অনুযায়ী আদালত উক্ত টাকা আদায় করা হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালত।


বিডিএলপিবি/এমএম


৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিল সরকার

৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিল সরকার

ফাইল ছবি
পূর্বের সকল নিয়োগ আদেশ বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টে ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বৃহস্পতিবার সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, ‘পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিলপূর্বক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করিলেন।’ 

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বৃহস্পতিবার ৩০ সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, ‘পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিলপূর্বক সুপ্রিম কোর্টের ১৭৯ জন আইনজীবীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।’ অ্যাটর্নি জেনারেল এবং তিন জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের পাশাপাশি ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ২৬৫ জন নতুন নিয়োগ পাওয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেলসহ মোট আইন কর্মকর্তার সংখ্যা এখন ২৬৯ জন। 

নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের তালিকা:























বিডিএলপিবি/এমএম 



৩০ জুল, ২০২৬

আদালতের তথ্য প্রকাশে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

আদালতের তথ্য প্রকাশে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

ছবি: সংগৃহীত 
আদালত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (২৯ জুলাই) সুপ্রিমকোর্টে তার নিজ কার্যালয়ে আইন, বিচার ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমন আহ্বান জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি বলেন, আদালত কেন্দ্রিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্তদের পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ রয়েছে। তাই বিচারিক কার্যক্রম ও লিখিত আদেশের বাইরে কোনো তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দীর্ঘদিন আদালত কভার করতে গিয়ে আইন সাংবাদিকদের নিজস্ব একটি ‘এক্সপার্টিজ’ তৈরি হয়েছে। তারা জানেন আদালতের কার্যক্রমের কোন অংশ প্রকাশ করা যায় এবং লিখিত রায় বা আদেশের বাইরে কোন বিষয় জনসমক্ষে আনা সমীচীন নয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই অনেক ক্ষেত্রে সেলফ সেন্সরশিপ অনুসরণ করেন। আমি বিশ্বাস করি, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্যরা এ বিষয়ে সব সময় দায়িত্বশীল থাকবেন।

ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্নার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সংগঠনের সহসভাপতি আবু সালেহ রনি, যুগ্ম সম্পাদক তানভীর আহমেদ, অর্থ সম্পাদক মনজুর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আল আমীন, দফতর সম্পাদক মাহমুদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল বাশার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ইলিয়াস সরকার ও এস এম নূর মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম নেতারা দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিমকোর্টের এজলাসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ না করতে পারার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরই প্রধান বিচারপতির কাছে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলাম। সিনিয়র আইনজীবীরাও আমার সঙ্গে একই দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি আবারও প্রধান বিচারপতির নজরে আনা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৯.০৭.২০২৬)

২৯ জুল, ২০২৬

নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত 
নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেপ্তার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না, হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রুল চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশিষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ কাউকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে আদেশ দেন। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে রুলও জারি করেন হাইকোর্ট। আপিল বিভাগ আজ হাইকোর্টের রুলটি চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, হাইকোর্টের এই আদেশে তদন্ত সংস্থার স্বাধীন তদন্তে বাধা সৃষ্টির আশঙ্কা ছিল। এমন আইন থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ থাকতো না। তিনি জানান, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন আদালত।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ গণমাধ্যমে প্রচারিত অ্যাটর্নি জেনারেলের সাক্ষাৎকার ও সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট।