সর্বশেষ

১৩ এপ্রি, ২০২৬

মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

    ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। এরপরেই গণমাধ্যমে তাদের পক্ষ থেকে একটা খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে বিদায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি সদস্য নুর খান, ইলিরা দেওয়ান, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাবিলা ইদ্রিসের স্বাক্ষর রয়েছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মূলত, বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ওই অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় চালু হলো।

এদিকে, খোলাচিঠিতে এই অধ্যাদেশ বাতিলে নতুন সরকারের বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংসদে পাস না হওয়ায়, ভুক্তভোগীরা আমাদের বারবার প্রশ্ন করছেন– “এখন আমাদের কী হবে?” তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই খোলাচিঠি।’

বলা হয়, আমরা পাঁচজন সদ্যবিদায়ী মানবাধিকার কমিশনার। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে আমাদের কর্মজীবন মানবাধিকার সুরক্ষায় নিবেদিত ছিল। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার দরুন, ভুক্তভোগীদের বেদনা, আইন প্রয়োগকারীদের দৈনন্দিন প্রতিকূলতা এবং আইনাঙ্গনের জটিলতার সাথে আমরা সুপরিচিত। তাই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিস্বার্থে নয়, ভুক্তভোগীদের প্রতি কর্তব্যবোধ থেকে আজ আমরা কলম হাতে নিয়েছি।

জেলে বসেই নির্বাচন করছেন ব্যারিস্টার সুমন

জেলে বসেই নির্বাচন করছেন ব্যারিস্টার সুমন

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কারাবন্দি সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এ লক্ষ্যে নির্বাচনের ফরমে তার স্বাক্ষর নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য গতকাল রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করা হয়েছে। সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী লিটন আহমেদ আবেদনটি জমা দেন।

আইনজীবী লিটন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান সুমন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ এপ্রিল। প্রার্থী হতে হলে ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন, তাই সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, আমলা, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ সত্তরের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ২২ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তিনি হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে।

১২ এপ্রি, ২০২৬

হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন

হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন

ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় আশরাফুল নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতের তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য, তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন।

অপর দিকে তার আইনজীবী তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন।উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে, তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, চব্বিশের আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম।

ঘটনার দিন আসামিদের ছোড়া গুলিতে আশরাফুলের বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে একটি হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর এজহার নামীয় তিন নাম্বার আসামি।

১১ এপ্রি, ২০২৬

যে এডিটেড ছবি শেয়ারের কারণে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা

যে এডিটেড ছবি শেয়ারের কারণে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াদ আহমেদ রাজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রদলের সাবেক নেতা রিয়াদ আহমেদ রাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে নিজের একটি সম্পাদিত (এডিটেড), ভুয়া ও বিকৃত ছবি প্রচারে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।  এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র অনৈতিক বা শৃঙ্খলা বহির্ভূতই নয়, বরং এটি একটি ফৌজদারি অপরাধের শামিল। এই অসৎ কর্মকাণ্ড সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিয়াদ আহমেদ রাজকে ছাত্রদলের সকল পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। এখন থেকে সংগঠনের কোনো স্তরের নেতাকর্মী রিয়াদ আহমেদ রাজের সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ বা সম্পর্ক রাখতে পারবেন না। একইসাথে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকল স্তরের নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রিয়াদ আহমেদ রাজ ছাত্রদলের শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির সহ-অর্থ সম্পাদক ছিলেন। তবে বর্তমান রাকিব-নাছির কমিটিতে কোনো পদ পাননি। যদিও সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ছাত্রদলের উপ-কমিটিতে ছিলেন তিনি।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে এডিটেড ছবিতে ছাত্রদলের এই নেতাকে সঙ্গে দেখা যায়। ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে লেখেন, আস্থা, বিশ্বাস! তারেক রহমান। এরপর তাকে বহিষ্কারের নোটিশ দিল ছাত্রদল।

রিয়াদ আহমেদ বিষয়ে বলেন, এক ছোট ভাই ছবিটি তৈরি করে আমাকে দিয়েছিল। পরে আমি ছবিটা দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি এবং সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুকে শেয়ার করি।

তিনি আরও বলেন, যদিও ছবিটা শেয়ার করা উচিত হয়নি। আমি ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম। তাই দলের হাইকমান্ডের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে, আমার ভুল-ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবে। বিশেষ করে দলের প্রধান তারেক রহমান উদার মনের মানুষ। উনি আমার ত্রুটিটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা করছি।

স্ত্রীকে স্বাস্থ্য বীমা বোর্ডে নিয়োগ দেওয়ায় শ্রমমন্ত্রীকে বরখাস্তু করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

স্ত্রীকে স্বাস্থ্য বীমা বোর্ডে নিয়োগ দেওয়ায় শ্রমমন্ত্রীকে বরখাস্তু করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে নেপালের শ্রমমন্ত্রী দীপক কুমার শাহকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি এই পদক্ষেপ নেন। কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আরএসপির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিশনের তদন্তে দীপক কুমারের বিরুদ্ধে পদের অপব্যবহার ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্তে দেখা গেছে, দীপক কুমার তার স্ত্রী জুনু শ্রেষ্ঠার স্বাস্থ্য বিমা বোর্ডের সদস্যপদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তাকে ওই পদে বহাল রাখতে নিজের পদের প্রভাব খাটিয়েছিলেন।

কমিশন গত বুধবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে তাকে বরখাস্তের সুপারিশ করে। এরপর দলীয় সভাপতি রবি লামিছানে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন। চিঠিতে লামিছানে উল্লেখ করেন, মন্ত্রীর এই কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি ও আদর্শ ক্ষুণ্ণ করেছে।

সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ দীপক কুমারকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেন। বর্তমানে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সাময়িকভাবে প্রধানমন্ত্রী নিজেই দেখাশোনা করছেন। এদিকে এই বিষয়টি যথাযথভাবে সমাধান করতে না পারায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিশা মেহতাকেও সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 


তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল ম*রদেহ

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল ম*রদেহ

ছবি: সংগৃহীত 

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সাঁতার গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে আশুরা (৩৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে স্থানীয়রা ওই ধানক্ষেতে মরদেহটি দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আশুরা একই গ্রামের মোফাজ্জল ওরফে মফের ছেলে বাবলুর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বলে জানা গেছে। বাবলুর তিনজন স্ত্রী ছিল, যার মধ্যে আশুরা ছিলেন তৃতীয়। ডিভোর্সের পর আশুরা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাবলু তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আশুরাকে নিয়ে দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। স্থানীয় বাজারেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দিন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশেই সিরাজুল ইসলামের জমিতে আশুরাকে হত্যা করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি স্যান্ডেল, একটি গেঞ্জি এবং কাদামাখা লুঙ্গি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাবলু পলাতক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাবলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



১০ এপ্রি, ২০২৬

রুমিন ফারহানা, জুনায়েদ-রাফেসহ অর্ধশত জুলাইয়ের পরিচিত মুখ এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন

রুমিন ফারহানা, জুনায়েদ-রাফেসহ অর্ধশত জুলাইয়ের পরিচিত মুখ এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার গুঞ্জন উঠেছে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাতের। একই সাথে প্রায় অর্ধশত জুলাই আন্দোলনের পরিচিত মুখ দলটিতে যোগ দিতে চলেছেন। চলতি মাসে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তিকে এক ছাতার নিচে আনার প্রচেষ্টা হিসেবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে এনসিপি। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, প্লাটফর্ম ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ রাখছে এনসিপির শীর্ষ নেতারা। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য, আপ বাংলাদেশ ও এবি পার্টি। তাছাড়া একাধিক রাজনৈতিক মুখও দেখা যেতে পারে দলটিতে।

এনসিপি সূত্র বলছে, ইতোমধ্যে আপ বাংলাদেশের শীর্ষ ৩ নেতাসহ একটি অংশের এনসিপিতে যোগদান অনেকটা চূড়ান্ত পর্যায়ে। কয়েক দফায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলী আহসান জুনায়েদ, রাফে সালমান ছাড়াও প্লাটফর্মের ‍মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরাসহ আরও ২৫-৩০ জন প্রাথমিকভাবে এনসিপিতে যোগদানের কথা হচ্ছে। এর বাইরে এবি পার্টি থেকে একটি অংশ যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে এনিসিপিতে। এছাড়া নয় দফার ঘোষক ও ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল হাসানসহ আরও অনেকের সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। 

সূত্রটি আরও বলছে, সাবেক বিএনপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সঙ্গেও দলটির নেতারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তবে তার যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া এবি পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার খান আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা ও শাহাদাতুল্লাহ টুটুল যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা চলছে বলে জানা গেছে।

আরও জানা গেছে, খুব দ্রুতই আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদেরকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। আগামী ১২ এপ্রিল যোগদানের প্রাথমিক একটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে তাদের যোগদানে আরও সময় লাগতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আব্দুল কাদের বলেন, আমার যোগদানের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত না। তবে তিনি বিস্তারিত কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

জানতে চাইলে আপ বাংলাদেশের শীর্ষ এক নেতা বলেন, যোগদানের বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুয়েকদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আবিদ বলেন, অনেকের সঙ্গেই কথা হচ্ছে। রুমিন আপার বিষয়টি চূড়ান্ত নয়, আপ বাংলাদেশের একটি অংশের যোগ দেওয়ার কথা চলছে।