সর্বশেষ

২৩ জুন, ২০২৬

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 

১০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ৭ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। গতকাল (সোমবার, ২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও  সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ আজ (মঙ্গলবার, ২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম 


টোল আদায়ে অনিয়ম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

টোল আদায়ে অনিয়ম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

ছবিঃ সংগৃহীত
মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের ৩০৯ কোটি টাকার ক্ষতি সাধনের অভিযোগে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক ছয় মন্ত্রী ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ঢাকার একটি আদালত।

আজ ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এ জন্য ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ আলমগীর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদক। আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ছাড়াও মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপ-সচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান, মো. আব্দুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড (সিএনএস)-কে একক উৎসভিত্তিক দরপত্রের মাধ্যমে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পূর্বের বৈধ টেন্ডার বাতিল করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়।

সিএনএস লিমিটেডকে টাকার অংকে নয় বরং মোট আদায়কৃত টোলের ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জে (ভ্যাট ও আইটি ব্যতীত) কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি ৪৮৯ কোটি টাকার বেশি বিল গ্রহণ করে। অথচ ২০১০-২০১৫ মেয়াদে একই সেতুতে যৌথভাবে এমবিইএল-এটিটি কোম্পানিকে টোল আদায়ের দায়িত্ব দিতে খরচ হয়েছিল মাত্র ১৫ কোটি টাকার কিছু বেশি।

২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড একই ধরনের প্রযুক্তিতে তিন বছরের জন্য ৬৭ কোটি টাকায় চুক্তি পায়, যা পাঁচ বছরে রূপান্তর করলে প্রায় ১১২ কোটি টাকা হয়। ফলে সিএনএস লিমিটেডকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তির মাধ্যমে দায়িত্ব দেওয়ায় সরকারের ৩০৯ কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সোর্স- বাসস 

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও ৪ জনের সাক্ষ্য প্রদান

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও ৪ জনের সাক্ষ্য প্রদান

ছবিঃ সংগৃহীত

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ আরও চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা হলেন- নরসিংদীর কর কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. সোহেল মিয়া, সোনারগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মো. রিয়াজুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আসেফ আয়নান বখস ও দুদকের উপ-পরিচালক সিরাজুল হক।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১ জুলাই দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এ মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাবে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদকের তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদকের হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম। চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।



বিডিএলপিবি/এমএম 

সোর্স- বাসস 

রংপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

রংপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

ছবিঃ সংগৃহীত

মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে ছয়জনকে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রংপুর ‘ক’ সার্কেল এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক অভিযান চালায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. শাহানের নেতৃত্বে মহানগরের কোতোয়ালি ও পরশুরাম থানার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে শূণ্য দশমিক চার গ্রাম হেরোইন ও ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং ছয়জনকে আটক করা হয়। 

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. মমিনুল ইসলাম (২৪), মো. মেহেদী হাসান (২৭), মো. আবুল (৪৩), মো. সুলতান (৪৮), মো. সুরুজ মিয়া (৪২) এবং মো. শহিদুল ইসলাম (৩০)।

অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, রংপুরের পরিদর্শক এস এম এলতাস উদ্দিন, উপ-পরিদর্শক মো. মোসাদ্দেক হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ বেচাকেনা রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সুত্রঃ বাসস 

পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার

পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার

ছবি: সংগৃহীত 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে বদিউজ্জামান তপাদার উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর ওই বছরের আগস্ট মাসে তাকে বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, তার নাম প্রস্তাবকারী এবং সুপারিশকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শ্রদ্ধা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমানে ব্যক্তিগত বিশেষ অসুবিধার কারণে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার পদত্যাগ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২২ জেলা ও দায়রা জজকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি

২২ জেলা ও দায়রা জজকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ২২ জন বিচারককে বদলি করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ২৪ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. আসহারুল ইসলামকে নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ, সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ এবং নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারক প্রিয়া তাসনিম মাহমুদকে নীলফামারীর জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-২–এর সদস্য মোহাম্মদ আল মামুনকে কিশোরগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হককে পঞ্চগড়ের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (নিবন্ধন) কাজী আবুবকর হান্নানকে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ ফজলে মোহাম্মদ নাঈমকে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং নোয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ইবনে আজিজকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

একই সঙ্গে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত থাকা আরও কয়েকজন বিচারককে বিভিন্ন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, রাজশাহীর মহানগর দায়রা জজ আদালত, সিলেটের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একাধিক বিচারককে পদায়ন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২২ জুন, ২০২৬

অপপ্রচার রোধে অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টে রিট

অপপ্রচার রোধে অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকুর আলী (জুনু)। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র‌্যাবের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, সিআইডি’র প্রধান এবং সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। তাই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে আবেদনকারী উল্লেখ করেছেন।

রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম তদন্ত, প্রকৃত মালিকানা ও নিবন্ধন যাচাই, আইনবিরোধী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে অনিবন্ধিত বা বেআইনি কার্যক্রমে জড়িত প্ল্যাটফর্ম বন্ধ বা ব্লক করা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আবেদনকারী আইনজীবী এসএম জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হলেও মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা সেই স্বাধীনতার অংশ নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন ও জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম