সর্বশেষ

২১ এপ্রি, ২০২৬

ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৫

ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৫

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর বনানী এলাকায় জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপ-পরিচালককে সন্ত্রাসী হামলায় কুপিয়ে জখম করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্তসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে বিকেলে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। 

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে বনানী এলাকায় জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। 

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ছবিঃ সংগৃহীত

জ্বালানিমন্ত্রীকে মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের একটি আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন।

জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির মামলায় কুষ্টিয়ার এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ মার্চ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেন মুফতি আমির হামজা। এর আগেও একাধিকবার আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ আছে এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে।

২০ এপ্রি, ২০২৬

দুদকের মামলায় পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

দুদকের মামলায় পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ


ছবিঃ সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে এক দিনের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ এপ্রিল) তাকে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ও বেনামে থাকা আট কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে, যা তার বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পলক তার নিজ ও যৌথ নামে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫টি হিসাবে মোট ৩২ কোটি চার লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। দুদক মনে করছে, এই অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

স্ত্রীসহ সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

স্ত্রীসহ সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ


ছবিঃ সংরক্ষিত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রী মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ (সোমবার) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আবেদন বলা হয়েছে, আসামি ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ও অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

এজাহার নামীয় আসামি ফরহাদ হোসেন একজন আয়কর দাতা। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার নামীয় মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, আসামি সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম ও  ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে একে অপরের সহযোগীতায় অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য স্বামীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৪ কোটি পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখায় মামলা দায়ের করা হয়। 

আসামি একজন আয়কর দাতা। মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সৈয়দা মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের রিমান্ডে

হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের রিমান্ডে

ছবিঃ সংরক্ষিত
চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরের ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকার একটি আদালত।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জমসেদ আলম  তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছাত্র-জনতার সঙ্গে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান নেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও নিপীড়নের জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক হতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।

পরে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভিকটিমের অবস্থার অবনতি হলে, পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর শ্যামলীর সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর মডেল থানায় ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লিজা বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

ছবিঃ সংরক্ষিত 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের ছয়টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর মধ্যে শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে।

সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোঃ রিয়াজ হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং তার নামে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেন করায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

আসামি শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

আফরিন তাপসের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি আফরিন তাপস ও  আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর কারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। আসামি আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

অ্যাটর্নি জেনারেলসহ ১৪ আইনজীবীকে মামলা থেকে অব্যাহতি

অ্যাটর্নি জেনারেলসহ ১৪ আইনজীবীকে মামলা থেকে অব্যাহতি


ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানার একটি মামলা থেকে সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলরের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সুপ্রিম কোর্টের ১৪ আইনজীবীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতি দেন। এর আগে মামলার তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ না পেয়ে গত বছরের ৩০ জুন অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

অব্যাহতি পাওয়া অন্য আইনজীবীরা হলেন– অ্যাডভোকেট মনজুরুল আলম সুজন, অ্যাডভোকেট মাহফুজ বিন-ইউসূফ, অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, অ্যাডভোকেট মাহদিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট গোলাম আক্তার জাকির, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান সোহাগ, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মোক্তার কবির খান, অ্যাডভোকেট আশরাফ-উজ-জামান খান, অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দিন রিগ্যান, অ্যাডভোকেট কাজী জয়নাল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতি নির্বাচনে হট্টগোল এবং পুলিশের উপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরের দিন এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সুপ্রিম কোর্টের ১৪ আইনজীবীকে আসামি করে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাপ উদ্দিন মাহবুব।