সর্বশেষ

৭ অক্টো, ২০২৬

রাতে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় নতুন নির্দেশনা

রাতে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় নতুন নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে আদালত এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় প্রবেশ করতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা দাফতরিক পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চাইলে এসব পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা এখানকার বিভিন্ন কোর্ট রুমে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাই প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি ও মামলা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পাশাপাশি পুরো স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র বহনের বিষয়ে এর আগেও সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি আদালত প্রশাসনের নজরে এসেছে, রাতের সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ‘অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিবর্গ’ প্রবেশ করছেন। এতে আদালত প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের সার্বিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

আদালত প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি 

একই পরিবারের একাধিক সদস্য সার ডিলার হতে পারবেন না: চেম্বার আদালত

একই পরিবারের একাধিক সদস্য সার ডিলার হতে পারবেন না: চেম্বার আদালত

ছবি: সংগৃহীত 
সার ডিলার নিয়োগে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ডিলারশিপ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করে সরকারের জারি করা নতুন নীতিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

বুধবার (৭ অক্টোবর) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার (স্ট্যাটাসকো) আদেশ স্থগিত করে এ আদেশ দেন।

এর ফলে ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট জারি করা নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো আইনি বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

সরকারের সংশোধিত নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য হাইকোর্টে দুটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে গত ৬ অক্টোবর হাইকোর্ট তাদের বিদ্যমান ডিলারশিপ বাতিল না করার নির্দেশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিধানের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন।

এর বিরুদ্ধে একই দিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা আকতার জুঁই ও মোহাম্মদ মেহেদি হাসান। রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একরামুল হক টুটুল।

নতুন নীতিমালায় কী বলা হয়েছে

কৃষকের কাছে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেওয়া এবং সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালে সার ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই নীতিমালায় একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ডিলারশিপ নেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। এর সুযোগ নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে স্বামী, স্ত্রী, সন্তান ও পুত্রবধূর নামে একাধিক ডিলারশিপ নেওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ বা সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে।

এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট নীতিমালায় সংশোধন আনে। পরে ২৭ আগস্ট কৃষি মন্ত্রণালয় সংশোধিত ও হালনাগাদ নীতিমালা প্রকাশ করে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো পরিবারের একজন সদস্যের ডিলারশিপ বা খুচরা বিক্রেতার পরিচয়পত্র থাকলে, একই পরিবারের অন্য কোনো সদস্য ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না।

‘পরিবার’ বলতে কারা

নীতিমালায় ‘পরিবার’ বলতে বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী, ছেলে, ছেলের স্ত্রী, ছেলের ছেলে ও তাদের স্ত্রী, অবিবাহিত কন্যা এবং নির্ভরশীল ভাই-বোনকে বোঝানো হয়েছে—যারা একই অন্নে বা একই খানায় খাদ্য গ্রহণ করেন।

সরকারের মতে, এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো সার ডিলার নিয়োগে একক পরিবার বা গোষ্ঠীর আধিপত্য কমানো এবং কৃষকের কাছে সারের সুষম ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।

সরকারের বক্তব্য

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতে বলেন, ২০০৯ সালের নীতিমালার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কিছু ব্যক্তি ও পরিবার একাধিক ডিলারশিপ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে সার ব্যবসায় সিন্ডিকেট তৈরি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, নতুন নীতিমালায় একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ডিলারশিপ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন স্থানে স্বাভাবিক ডিলার কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।

রাষ্ট্রপক্ষ আরও জানায়, ২০২৫ সালেও নীতিমালায় এ ধরনের সংশোধন আনা হয়েছিল। তখন সংশোধিত বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হলে হাইকোর্ট এক রায়ে ডিলার সিন্ডিকেট ভাঙা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করাকে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।

চেম্বার আদালতের আদেশের পর যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল

চেম্বার আদালতের আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত হওয়ার অর্থ হলো ২৭ আগস্টের নতুন নীতিমালাটি কার্যকর থাকছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এখন থেকে ওই নীতিমালার আলোকে সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে সার ডিলার নিয়োগে পারিবারিক আধিপত্য ও সিন্ডিকেটের সুযোগ বন্ধ হবে এবং কৃষকের কাছে সারের ন্যায্য ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে।


সূত্র: গণমাধ্যমে প্রচারিত অ্যাটর্নি জেনারেলের সাক্ষাৎকার 

বিডিএলপিবি/এমএম

হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ‘অফিস সহকারী’ পদে সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিতব্য লিখিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

হাইকোর্ট বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের লিখিত পরীক্ষা পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার) নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিবর্তিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময় ও কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কমিটির পক্ষে এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটির তারিখ ৪ অক্টোবর ২০২৬।

সূত্র: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি

৬ অক্টো, ২০২৬

মিরপুর স্মৃতিসৌধে গার্মেন্টসকর্মী হত্যায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

মিরপুর স্মৃতিসৌধে গার্মেন্টসকর্মী হত্যায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে গার্মেন্টসকর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় চোরাই মোবাইল ফোন কেনার দায়ে সুজন নামে এক ব্যক্তিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন—মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জানান, রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড

মামলার নথি অনুযায়ী, নিহত সায়মনের বয়স ছিল ১৭ বছর। তিনি মিরপুর-১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের পেছনে লিবার্টি গার্মেন্টসে মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন।

২০২২ সালের ১১ অক্টোবর অফিস থেকে বেতন নেওয়ার পর সহকর্মী রিফাত হোসেন রাব্বি ও হৃদয় হাসানকে সঙ্গে নিয়ে মিরপুর-১ এলাকায় কেনাকাটা করতে যান সায়মন। কেনাকাটা শেষে রাত ৯টার দিকে তারা বাসায় ফিরছিলেন।

এ সময় আড়ং শপিং সেন্টারের সামনে তিন ছিনতাইকারীর একজন সায়মনকে উদ্দেশ করে দাবি করেন, তিনি নাকি তার ছোট ভাইকে মারধর করেছেন। পরে ‘কথা আছে’ বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে সায়মন ও রিফাতকে রূপায়ণ টাওয়ারের সামনে থেকে রিকশায় তুলে নেওয়া হয়।

রিকশাটি দারুস সালাম থানার কোনাবাড়ি হয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের কাঁচাবাজারের সামনে পৌঁছালে রিফাতকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সায়মনকে স্মৃতিসৌধের ভেতরে নিয়ে যায় ওই তিন ব্যক্তি।

সেখানে চাকু দেখিয়ে সায়মনের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিতে বলা হয়। সায়মন এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।

সায়মনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তদন্ত ও অভিযোগপত্র

ঘটনার পর সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ ইউসুফকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ইউসুফ ঘটনার সঙ্গে ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসানের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তের সময় ইউসুফের বাসা থেকে সায়মনের মোবাইল ফোন বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সায়মনের মোবাইল ফোনটি সুজনের কাছে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলেও তদন্তে উঠে আসে।

তদন্ত শেষে দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহান আহমেদ ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

২০২৩ সালের ২ আগস্ট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে আদালত মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। পরে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মঙ্গলবার আদালত রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সুজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: যুগান্তর (০৬.১০.২০২৬)

আদালত থেকে আবারও পালালেন সেই শরিফ

আদালত থেকে আবারও পালালেন সেই শরিফ

ছবি: সংগৃহীত 
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শরিফুল ইসলাম নামে এক আসামি আবারও পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৫ সালের জুনেও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় পুলিশ সদস্যকে মারধর করে হাতকড়া খুলে পালিয়েছিলেন তিনি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশ সদস্যকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম। ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।

ওই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সেদিন সাক্ষ্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কোতোয়ালি থানার মামলার হাজতি আসামি শরিফুল ইসলাম কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।


সূত্র: সমকাল (০৬.১০.২০২৬)

দেনমোহর স্ত্রীর স্বতন্ত্র অধিকার, আর্থিক অক্ষমতার অজুহাতে দায় এড়ানো যাবে না: হাইকোর্ট

দেনমোহর স্ত্রীর স্বতন্ত্র অধিকার, আর্থিক অক্ষমতার অজুহাতে দায় এড়ানো যাবে না: হাইকোর্ট

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট 
দেনমোহর স্ত্রীর একটি স্বতন্ত্র ও আইনগত অধিকার এবং স্বামী আর্থিক অক্ষমতার অজুহাত দেখিয়ে এ দায় থেকে অব্যাহতি নিতে পারেন না—এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, স্ত্রী স্বেচ্ছায় ও স্বাধীনভাবে দেনমোহরের পুরো বা কোনো অংশ মওকুফ না করলে আদালতেরও দেনমোহরের অর্থ কমিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার নেই।

বিচারপতি আবদুর রহমানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ সিভিল রিভিশন নং ৫২১৯/২০২৪ মামলায় এ রায় দেন। ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রায়টি ঘোষণা করা হয়। মামলাটিতে ইকুব আলী ছিলেন আবেদনকারী এবং শানজিদা নাসরিন ছিলেন প্রতিপক্ষ। রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে।

মামলার পটভূমি:

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিয়ে হয়। বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ২২ লাখ টাকা। তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।

পরবর্তীতে দাম্পত্য বিরোধের একপর্যায়ে স্ত্রীকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এবং পরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। স্ত্রী নিজের দেনমোহর, ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের ভরণপোষণ আদায়ের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করেন।

পারিবারিক আদালত একতরফা ডিক্রি দিয়ে দেনমোহর বাবদ ১৮ লাখ টাকা, ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ ৩০ হাজার টাকা এবং মেয়ের অতীতের ভরণপোষণ বাবদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, অর্থাৎ মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মেয়ের জন্য প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা ভরণপোষণ এবং বিয়ের আগ পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ওই ডিক্রি কার্যকরের জন্য এক্সিকিউশন মামলা করা হয়। বিবাদী ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলেও তা নিষ্পত্তির আগেই তিনি উচ্চতর আদালতে আপিল করেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট আপিলটি খারিজ করে পারিবারিক আদালতের ডিক্রি বহাল রাখেন। এরপর তিনি হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করেন।

হাইকোর্টে আবেদনকারীর বক্তব্য:

আবেদনকারীর আইনজীবী যুক্তি দেন, তিনি মামলার সমন যথাযথভাবে পাননি এবং তার অনুপস্থিতিতে একতরফা ডিক্রি দেওয়া হয়েছে। তার দাবি ছিল, তিনি দেনমোহরের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে পরিশোধ করেছেন এবং আর্থিক সংকটের কারণে বাকি অর্থ একসঙ্গে পরিশোধ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

হাইকোর্টে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকার ডিক্রির বিপরীতে তিনি ইতোমধ্যে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। বাকি অর্থ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হয়।

অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের আইনজীবী যুক্তি দেন, নিম্ন আদালত দুটি সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনের যথাযথ মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। রিভিশন মামলার মাধ্যমে পুনরায় সাক্ষ্য-প্রমাণ মূল্যায়নের সুযোগ নেই এবং আবেদনকারী কোনো আইনগত ত্রুটি বা এখতিয়ারগত ভুল দেখাতে পারেননি।

দেনমোহর নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ:

রায়ে হাইকোর্ট পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতের আলোকে দেনমোহরের আইনগত ও ধর্মীয় ভিত্তি বিশ্লেষণ করেন। আদালত উল্লেখ করেন, দেনমোহর কেবল প্রচলিত কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি স্ত্রীর একটি স্বতন্ত্র আর্থিক অধিকার এবং বিবাহের মাধ্যমে সৃষ্ট একটি বাধ্যবাধকতা।

আদালত আরও বলেন, কোরআনের বিধান অনুযায়ী দেনমোহর স্ত্রীকে প্রদান করতে হবে এবং স্ত্রী নিজের ইচ্ছায় কোনো অংশ ছেড়ে না দিলে স্বামী তা ফেরত নেওয়ার অধিকার রাখেন না।

রায়ে আরও বলা হয়, প্রচলিত মুসলিম আইন ও নিকাহনামার কাঠামো অনুযায়ী তাৎক্ষণিক দেনমোহর স্বামীর ওপর স্ত্রীর পাওনা ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্ত্রীকে তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে—এমন কোনো সাধারণ বিধান নেই।

দেনমোহর মওকুফের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:

হাইকোর্ট স্পষ্ট করে বলেন, আদালতের নিজের এখতিয়ার থেকে দেনমোহরের কোনো অংশ মওকুফ করার সুযোগ নেই। তবে স্ত্রী স্বামীর পক্ষে স্বেচ্ছায় দেনমোহরের সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ মওকুফ করতে পারেন।

এ ধরনের মওকুফ বৈধ হতে হলে তা হতে হবে সচেতন, দ্ব্যর্থহীন ও স্বাধীন সম্মতির ভিত্তিতে। জবরদস্তি, প্রভাব, প্রতারণা বা স্বাধীন সম্মতির ঘাটতির মাধ্যমে কোনো মওকুফ আদায় করা হলে সেটিকে বৈধ বলে গ্রহণ করা যাবে না।

মেয়ের ভরণপোষণও বহাল:

হাইকোর্ট দেখতে পান, নিম্ন আদালতগুলো ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের ভরণপোষণের বিষয়ে একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। আদালত বলেন, স্কুলগামী অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের প্রয়োজন, মূল্যস্ফীতি, আবাসন ও উৎসবসহ সামগ্রিক ব্যয় বিবেচনায় ভরণপোষণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, আবেদনকারী মোট ডিক্রিকৃত ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও মেয়ের চলমান ভরণপোষণের আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি।

রিভিশন খারিজ, ডিক্রি বহাল:

সবশেষে হাইকোর্ট আবেদনকারীর রিভিশনে কোনো বেআইনি সিদ্ধান্ত, ত্রুটি বা এখতিয়ারগত ভুল খুঁজে পাননি। ফলে রুলটি খারিজ করে দেন এবং নিম্ন আদালতের রায় ও ডিক্রি বহাল রাখেন।

তবে আদালত আবেদনকারীকে প্রতিপক্ষ স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের প্রাপ্য বকেয়া দেনমোহর ও ভরণপোষণ পরিশোধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রকৃত আর্থিক সংকট প্রমাণিত হলে এক্সিকিউটিং আদালত ন্যায়সংগত শর্তে কিস্তিতে ডিক্রির অর্থ পরিশোধের সুযোগ দিতে পারবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। তবে এমন কিস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ডিক্রিধারীর অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

বিডিএলপিবি/মাসুম

বিচারকদের ‘জুডিশিয়াল লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ প্রশিক্ষণে মনোনয়ন

বিচারকদের ‘জুডিশিয়াল লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ প্রশিক্ষণে মনোনয়ন

ছবি: সংগৃহীত 
নারীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার আরও কার্যকর করা, কমিউনিটি পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং মামলা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার লক্ষ্যে বিচারকদের জন্য দুই দিনব্যাপী ‘জুডিশিয়াল লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের উদ্যোগে এবং জিআইজেডের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘অ্যাক্সেস টু জাস্টিস ফর উইমেন: স্ট্রেংদেনিং কমিউনিটি ডিসপিউট রেজোলিউশন অ্যান্ড ইমপ্রুভিং কেস ম্যানেজমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের আইন ও বিচার বিভাগের এক চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ৭ ও ৮ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন, মহাখালী, ঢাকা-তে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২২ জন বিচারককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

মনোনীতদের মধ্যে ঢাকা, খুলনা, নরসিংদী, রংপুর, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও বরিশাল জেলার জেলা ও দায়রা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার/চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার রয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট বিচারকদের এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণে জুডিশিয়াল লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিটি পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং মামলা ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের যাবতীয় ব্যয় আয়োজক প্রতিষ্ঠান জিআইজেড বহন করবে। ফলে এ প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই।

প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় যোগাযোগের জন্য অ্যাক্সেস টু জাস্টিস ফর উইমেন প্রকল্পের অ্যাডভাইজার মো. আরিফুল ইসলাম-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে মনোনীত কর্মকর্তাদের যথাসময়ে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সূত্র: আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের পত্র।
বিডিএলপিবি/এমএম