সর্বশেষ

১৭ এপ্রি, ২০২৬

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিটের ফাইল হাইকোর্টে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার অভিযোগে অফিস সহায়ককে পুলিশে দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।  বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনকে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। 

অপরদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে এই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ফৌজদারি মামলা করেন। 

এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ সংক্রান্ত রিটের ফাইল সরবরাহ না করায় কর্তব্যরত রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সরকারি বক্তব্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। এ বিষয়ে ওই কোর্টে দায়িত্বরত আইন কর্মকর্তারা ভীষণ মনঃক্ষুণ্ণ হন এবং ওই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। ওই রিট আবেদনটি জনগুরুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সম্পর্কিত। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দৃষ্টিতে এনে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফাইল রিসিভকারী মো. মনিরুজ্জামান সরকার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ওই কোর্টে দায়িত্ব পালনকারী অপর অফিস সহায়ক সম্রাট বাহর এবং নিয়োজিত ডিএজি খন্দকার বাহার রুমির সঙ্গে আলাপ করার পর অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাইল আদালতে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার মানসে কোনও প্রলোভনে পড়ে একাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। 

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনও সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হতে পারেন, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে থাকতে পারেন। অভিযুক্ত মো. ইমরান হোসেনের এহেন কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ পরিপন্থি ও গুরুতর অসদাচরণ। এছাড়া এই কাজে অন্য কোনও ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ ব্যক্তিরা জড়িয়ে আছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত ফৌজদারি মামলার বিষয়টি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। 

১৬ এপ্রি, ২০২৬

‘এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে’: আদালতে ‘এলেক্স’ ইমনের মা

‘এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে’: আদালতে ‘এলেক্স’ ইমনের মা

ছবি: সংগৃহীত 

সাদা গেঞ্জি পড়া রানা। এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে।’ কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপের’ হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা মামলার এক আসামিকে দেখিয়ে নিহতের মা এ কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে দাঁড়িয়ে গ্রেপ্তার আসামি রানাকে দেখিয়ে একথা বলেন নিহত ইমনের মা ফেরদৌসী।

গত ১২ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে  বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে প্রতিপক্ষের কয়েকজন মিলে ইমনকে কুপিয়ে আহত করে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরদিন তার মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা এবং রাসেল ওরফে পিচ্ছি রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এটা সারা বাংলাদেশের আলোচিত ঘটনা। এলেক্স গ্রুপের প্রধান এলেক্স ইমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আসামিরা সবাই এজাহারনামীয় আসামি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন।

আসামিদের মধ্যে তুহিন, সাঈদ ও রাব্বির পক্ষে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম (শফিক) রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, আসামিদের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়নি। তারা ঘটনাস্থলে ছিল না। 

আইনজীবীদের অনুরোধে বার কাউন্সিল নির্বাচন পিছিয়েছে: আইনমন্ত্রী

আইনজীবীদের অনুরোধে বার কাউন্সিল নির্বাচন পিছিয়েছে: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধ এবং আসন্ন ঢাকা বার নির্বাচনের কারণে বার কাউন্সিলের নির্বাচন পেছানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার   সংসদ অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন বন্ধের কারণ হিসেবে বিদ্যুৎ সংকট বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না—এমন প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মাননীয় সদস্য দুইটি বিষয়ের কথা বলেছেন—প্যান্ডেমিক এবং অ্যাক্ট অব গড। কিন্তু আইনের মধ্যে থাকা 'অন্য যেকোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ' (For any other reasonable cause) অংশটি উনি এড়িয়ে গেছেন। উনি সব বুঝেন, কিন্তু যতটুকু ওনার প্রয়োজন ততটুকুই আনেন।

মন্ত্রী জানান, বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে নিজস্ব স্বাধীনতায় সিদ্ধান্ত নেয়। ঢাকা বারসহ বেশ কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে বার কাউন্সিলের কাছে অনুরোধ এসেছে। ঢাকা বার এশিয়ার বৃহত্তম বার, যেখানে ২২ হাজারের বেশি আইনজীবী আছেন। তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সামনে রেখে তারা এই নির্বাচনটি পেছানোর অনুরোধ করেছিলেন। বার কাউন্সিল তাদের সেই অনুরোধ রক্ষা করেছে মাত্র।

জ্বালানি সংকট বা রাজনৈতিক কারণে নির্বাচন পেছানো হয়েছে এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পরেই বার কাউন্সিল নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা চাই একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হোক। বার কাউন্সিল স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি। আইনজীবীদের দাবি এবং নির্বাচনের পরিবেশ নির্ঝঞ্ঝাট রাখতেই বার কাউন্সিল তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা খাটিয়ে এই সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

বিচারিক দায়িত্বে ফিরলেন বিচারপতি এস এম. মনিরুজ্জামান

বিচারিক দায়িত্বে ফিরলেন বিচারপতি এস এম. মনিরুজ্জামান


ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছুটিতে পাঠানো বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানকে বিচারিক দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি বিচারকাজ পরিচালনা করবেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রকাশিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চের তালিকায় দেখা যায়, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান একটি ডিভিশন বেঞ্চের দায়িত্বে রয়েছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন বিচারপতি দিহিদার কবীর মাসুম। আগামী রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে এই বেঞ্চ বিচারকাজ পরিচালনা করবেন।

জানা গেছে, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত করার মতো কোনও আলামত খুঁজে পায়নি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র এস এম মনিরুজ্জামান আইন পেশায় ভ্যাট, কাস্টমস আইনে বিশেষজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। এরপর তিনি বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছুটিতে পাঠানো ১২ বিচারপতির মধ্যে বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান প্রথম বিচারিক দায়িত্ব ফিরে পেলেন।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই


ছবি: সংগৃহীত 

আগামী ১৮ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনে আর কোনো বাধা নেই। আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক পরীক্ষা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেন।

এর আগে বুধবার নিয়োগ নীতিমালা–সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ১১৪ জন প্রার্থীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি এ স্থগিতাদেশ দেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, চেম্বার বিচারপতির এই আদেশের ফলে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আইনি বাধা নেই।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খন্দকার বাহার রুমি, নূর মোহাম্মদ আজমী ও মেহেদী হাসান।
আজ দুপুরে শুনানির সময় রিটকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে রিটকারীদের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বুলবুল সাংবাদিকদের জানান, দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বুধবার এ আদেশ দেন।

গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রার্থীদের ১০ থেকে ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রে আবেদন জমা দেওয়ার ১৯ দিন পর এবং ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, প্রযুক্তি, ডিপ্লোমা ও মাদ্রাসা শিক্ষা খাতে ২৫ দিন পর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের সব পদের জন্য ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা হয়, যা তার মক্কেলদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানান আইনজীবী হুমায়ুন কবির।

১৫ এপ্রি, ২০২৬

ভুয়া সংবাদ ধরিয়ে দেওয়ায় ফ্যাক্টচেকারদের ‘হারামজাদা’ বললেন আনিস আলমগীর

ভুয়া সংবাদ ধরিয়ে দেওয়ায় ফ্যাক্টচেকারদের ‘হারামজাদা’ বললেন আনিস আলমগীর

ছবি: সংগৃহীত 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার ও তা নিয়ে ফ্যাক্টচেককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। একটি ভুয়া সংবাদ শেয়ার এবং পরবর্তীতে সেটি নিয়ে দেশের একটি প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টচেক প্রকাশের জেরে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টচেকারদেরকে  হারামজাদাসহ আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

আজ বুধবার বিকেলে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া  এক পোস্টে এসব কথা বলেন আনিস আলমগীর। কয়েকদিন আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সংবাদ শেয়ার করেন আনিস আলমগীর, যেখানে দাবি করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেহারি খেয়েছেন। পরে জানা যায়, সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া। এ বিষয়ে ফ্যাক্টচেক প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্ট। যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, আনিস আলমগীর ভুয়া তথ্য প্রচার করেছেন।

ফ্যাক্টচেক প্রকাশের পরই  প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তিনি। নিজের টাইমলাইনে ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর ফটোকার্ড শেয়ার করে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন ফ্যাক্টচেকারদের।

মজার ছলে পোস্টটি তিনি শেয়ার করেছেন উল্লেখ করে বলেন 'বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত একটি অনলাইন এই সংবাদটি করে এবং বেশ কয়েকজন আমাকে সেটি পাঠায়। আমি মজার ছলে শেয়ার করার পাঁচ মিনিটের মাথায় জানতে পারি যে এটা ভুয়া সংবাদ। সঙ্গে সঙ্গে এটা ফেলে দেই।'

দ্য ডিসেন্ট-এর সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশিরকে ইঙ্গিত করে আনিস আলমগীর বলেন, 'ডাস্টবিন শফিকের নিয়োজিত গোলাম, কথিত ফ্যাক্ট ট্র্যাকার আলবদর উদ্দিন শিবির সেটা পেলে আর ছেড়ে দেবে কেন?এভাবেই হারামজাদারা ফ্যাক্ট চেক করে। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করতে পারে না, সংবাদ বানায় এক মিনিটের মধ্যে। ওদের আব্বা হুজুর আমিরে জামাতের ভুয়া, নারী বিদ্বেষী পোস্ট ২৪ ঘন্টা পরে অস্বীকার করলে ওরা কিছু বলতে পারে না।'

এদিকে তার টাইমলাইনে গিয়ে দেখা যায়,  ৩ ঘন্টা আগে দেওয়া নিজের পোস্টটি তিনি এই পর্যন্ত এডিট করেছেন ৭ বার।  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ তার  এমন আক্রমণাত্মক  ভাষার তীব্র সমালোচনা করছেন, কেউ কেউ সাংবাদিক হিসেবে তার এমন ভাষার ব্যবহারকে স্রেফ উগ্রতা ও অশালীন বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

মোটের ওপর, ঘটনাটি আবারও সামাজিক মাধ্যমে তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব এবং দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা সামনে এনে দিয়েছে। সেই সাথে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করাটা যে মোটেও কাম্য নয় এই আবেদনও স্পষ্ট করেছে। (সোর্স: ফেস দ্যা পিপল)

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ তিনজন রিমান্ডে

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ তিনজন রিমান্ডে


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (সিকেডিইউ) চাঁদা দাবির ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি মঈন উদ্দিন মঈনসহ তিনজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত। রিমান্ডকৃতরা অপর দুই আসামি হলেন-এমবি স্বপ্নন কাজী ও শাওন হোসেন।

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য, তাদেরকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জমসেদ আলম প্রত্যেকের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় গত ১১ এপ্রিল হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদি হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় মঈন উদ্দিনকে (মঈন) প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া মামলায় আরো ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩৪ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।