সর্বশেষ

৮ জুল, ২০২৬

উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার দুই সদস্য ফের তিন দিনের রিমান্ডে, চারজন কারাগারে

উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার দুই সদস্য ফের তিন দিনের রিমান্ডে, চারজন কারাগারে

ছবিঃ সংগৃহীত

উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত সন্দেহে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার দুই সদস্যকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। একইসাথে গ্রেপ্তার হওয়া আরও চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার সাত দিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

গত রোববার এই ছয় আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। আজ রিমান্ড শেষে পুনরায় এ দুই আসামির সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর এ বি সিদ্দিক। এর আগে গত রোববার ৫ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

আজকের রিমান্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন— শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। অপরদিকে কারাগারে পাঠানো চার আসামিরা হলেন— জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিদ।

আদালতে আসামি শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিমের আইনজীবী মো. সাদ্দাম হোসেন রিমান্ড নামঞ্জুর চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অপর আসামিদের পক্ষের পৃথক আইনজীবীরাও জামিন আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় ভোর ৬টার দিকে গোপন সংবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, যাত্রাবাড়ী থানাধীন মিনি কক্সবাজার আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পাশে বালুর মাঠে উগ্রবাদী সংগঠনের কতিপয় ব্যক্তি তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ট্রেনিং করার জন্য সমবেত হয়েছে।

এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ গত রবিবার সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে যায়। তাকে দেখে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ওই স্থানে কি কারণে সমবেত হয়েছিল তার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।

গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকতে পারে। এরপরে আদালতে নিয়ে এসে রিমান্ড আবেদন করা হলে ছয় আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

শাপলা চত্বর ঘটনার তদন্ত শেষ, আসামির তালিকায় যারা

শাপলা চত্বর ঘটনার তদন্ত শেষ, আসামির তালিকায় যারা

ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার (৮ জুলাই) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।  

আমিনুল ইসলাম বলেন, “এই মামলায় আসামি হচ্ছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কয়েকটি বাহিনীর তৎকালীন প্রধান, কয়েকজন সাংবাদিক এবং কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী।”  

তিনি আরও বলেন, “২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেই মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। খসড়া প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই চলছে। আগামী ২১ জুলাইয়ের পর শাপলা চত্বর হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে।” 

আমিনুল ইসলাম জানান, এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কয়েকটি বাহিনীর তৎকালীন প্রধানসহ কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ওই ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ করেছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা ওই অভিযোগে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। 

এখন পর্যন্ত এই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা। 

বিডিএলপিবি/এমএম

মালখানা ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে হাইকোর্টের আদেশ

মালখানা ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে হাইকোর্টের আদেশ

ছবিঃ সংগৃহীত 

আদালতের মালখানা ও থানায় থাকা জব্দ করা মালামাল সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। বুধবার (৮ জুলাই) বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত আইন সচিবকে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) একজন প্রতিনিধি, কোস্ট গার্ডের একজন প্রতিনিধি, ঢাকা মহানগরের সরকারি কৌঁসুলি, রিট আবেদনকারীদের একজন আইনজীবী, অ্যাটর্নি জেনারেলের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।আদালত কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে মালখানা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের অগ্রগতি ও সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। 

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন ও জায়েদ বিন আমজাদ।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি সারা দেশের থানা ও আদালতের মালখানায় সংরক্ষিত মামলার আলামতের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই আদেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পুলিশের মহাপরিদর্শককে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী সারা দেশের মালখানা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও অবহেলাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন থানা ও মালখানায় কোটি কোটি টাকা মূল্যের জব্দ করা যানবাহন ও অন্যান্য আলামত যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন এবং ঢাকার ১০টি থানার মালখানার আলোকচিত্রও আদালতে উপস্থাপন করা হয়। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে বিবাদী করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা

অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা

ছবিঃ সংগৃহীত 

অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ গোপন ও পাচারের অভিযোগে করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায়  আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায়ে দুই আসামিকে ৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা আজ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম খান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অপর আট আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, অবৈধ উপায়ে অর্জিত প্রায় ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা গোপনে সংরক্ষণ ও উৎস গোপনের অভিযোগে ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওয়ারী থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন র‌্যাব-৩- এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এনামুল হক এনু, রুপন ভূঁইয়াসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এর আগে একই আদালতে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আরেক মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলায় তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানাও করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ইস্যুতে আপিলের রায় বৃহস্পতিবার

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ইস্যুতে আপিলের রায় বৃহস্পতিবার

ছবিঃ সংগৃহীত

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর অংশবিশেষ অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের রায় আগামীকাল (বৃহস্পতিবার)। টানা তিনদিন শুনানির পর আজ (বুধবার) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ রায়ের দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন আরেকটি আপিল করেন।  এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অপর আপিলটি করেন।

আদালতে সুজন সম্পাদকসহ চার ব্যক্তির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূইঁয়া। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কারিশমা জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। 

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এছাড়া অপর আপিলকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ ওই সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল। 

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন ও আইনের কয়েকটি ধারার বৈধতা নিয়ে সুজন সম্পাদকসহ পাঁচ ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন হাইকোর্টে পৃথক রিট হয়। এসব রিটের শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।

ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। আর এই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। 

এছাড়া হাইকোর্টের রায়ে গণভোটের বিধান সংক্রান্ত ১৪২ অনুচ্ছেদ (দ্বাদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে আনা) পুনর্বহাল করা হয়। সেই সঙ্গে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণ বাতিল না করে, অন্য বিধানগুলোর বিষয়ে আইন অনুসারে পরবর্তী সংসদ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সোর্স- বাসস

ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি: অস্ত্রসহ গ্রেফতার যুবক রিমান্ডে

ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি: অস্ত্রসহ গ্রেফতার যুবক রিমান্ডে

গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম সিজু (বামে) ও গ্রেফতার শান্ত (ডানে)। ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুল ইসলাম সিজুকে গুলির ঘটনায় গ্রেফতার কাওছার ভুঁইয়া ওরফে শান্ত ওরফে এসবিকে (২৪) চারদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হামলার পেছনের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে শান্তকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ব্যবহৃত কার্তুজ, দুটি তাজা কার্তুজ এবং একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় সাইফুল ইসলাম সিজুকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি আহত হলে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। সিজু মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক। এ ঘটনায় মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, এর আগেও অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন শান্ত। তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং ওই মামলায় তিনি অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। গোপালগঞ্জের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি মিরপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

বিডিএলপিবি/এমএম

আসাদুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১০ আগস্ট

আসাদুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১০ আগস্ট

ছবিঃ সংগৃহীত

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

বুধবার (৮ জুলাই)  ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আব্দুস সালাম এই দিন ধার্য করেন। তবে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক ছুটিতে থাকায় শুনানি হয়নি। এজন্য ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২৪ মে একই কারণে শুনানি পেছানো হয়েছিল। 

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— আসাদুজ্জামানের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, তার ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি ও মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান। 

অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য থাকায় কারাগারে আটক আসামি জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়।  

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয় দুদক।  

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুজ্জামান খান একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। এছাড়া এই আসামি ৯টি ব্যাংক হিসেবে ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনেদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে উহার রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে কমিশন থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়। 


বিডিএলপিবি/এমএম