সর্বশেষ

১১ মার্চ, ২০২৬

প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড; BSCL Job Circular 2026

প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড; BSCL Job Circular 2026

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ (Bangladesh Satellite Company Limited BSCL Job Circular 2026) প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডে চাকরির বিজ্ঞপ্তি ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে জারি করা হয় এবং ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

মোট ০৪ জনকে ০২ ক্যাটাগরির পদে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগ দিবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BSCL)। যারা সরকারি চাকরির সন্ধান করছেন, তাদের জন্য বিএসসিএল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ একটি দারুণ সুযোগ!

BSCL job circular 2026 অনুযায়ী, আবেদন শুরু হবে ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ০৯ এপ্রিল ২০২৬। যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা স্বয়ং সম্পন্ন নারী ও পুরুষ প্রার্থীরা BSCL Teletalk ওয়েবসাইট http://bscl.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।



৯ মার্চ, ২০২৬

কে এই মোজতবা খামেনি?

কে এই মোজতবা খামেনি?


ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন চলছিল ইরানের শীর্ষ পদটি নিয়ে। অন্তর্বর্তীও নিয়োগ দিয়েছিল ইরান। এবার আলী খামেনির দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনিকে কখনোই কোনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখা যায়নি। এমনকি কোনো জনমতের মুখোমুখিও হননি। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসনের মাঝে তাকেই সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিতে হলো।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধের প্রথম দিনে তেহরানে খামেনি পরিবারের বাসভবনে চালানো ভয়াবহ হামলায় নিহত হন মোজতবা খামেনির বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। প্রাণ হারান মোজতবা খামেনির মা, স্ত্রী ও এক বোনও। বাড়িতে না থাকায় বেঁচে যান মোজতবা।

কে এই মোজতবা? ৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনি ইরানের শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রভাবশালী কিন্তু আড়ালে থাকা ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ১৯৬৯ সালে মাশহাদে জন্ম নেওয়া মোজতবা বেড়ে ওঠেন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির রাজতন্ত্রবিরোধী বিপ্লবী আন্দোলনের সময়ে। তার বাবা, তখনকার প্রভাবশালী আলেম, শাহের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বারবার গ্রেফতার ও নির্বাসিত হন।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর পরিবারের অবস্থান পালটে গেলে মোজতবা তেহরানে চলে আসেন। সেখানে তিনি এলিট আলাভি হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। এটি শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব তৈরির জন্য পরিচিত। পরবর্তীতে তেহরান ও কুমে ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ করেন এবং রক্ষণশীল আলেম আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ-তাকি মেসবাহ ইয়াজদি-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির অধীনে পড়াশোনা করেন বলে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ইউএএনআই জানিয়েছে।

মোজতবা একজন মধ্যম-স্তরের আলেম, তবে তিনি আয়াতুল্লাহ নন। তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম লিডারের দপ্তরে আড়ালের শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।  বিশ্লেষকেরা প্রায়ই তার ভূমিকাকে আহমদ খোমেনির সঙ্গে তুলনা করেন, যিনি তার বাবা রুহুল্লাহ খোমেনির শাসনামলে প্রধান আস্থাভাজন ও গেটকিপার হিসেবে কাজ করেছিলেন।

মোজতবার প্রভাবের পেছনে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি হাবিব ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে গোয়েন্দা ও বাসিজ কমান্ডারসহ নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায়ে ওঠা ব্যক্তিদের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিদেশি সরকারগুলো তাকে নির্বাচন রাজনীতি ও নিরাপত্তা দমনপীড়নে ভূমিকা রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে সময় মার্কিন ট্রেজারি জানায়, আলী খামেনি তার কিছু ক্ষমতা ছেলের কাছে ন্যস্ত করেছিলেন এবং নির্বাচিত পদে না থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধির ভূমিকা পালন করতেন।

তবে তার উত্তরসূরি হওয়া সহজ ছিল না। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সুপ্রিম লিডার হতে হলে উচ্চপদস্থ ধর্মীয় আলেম এবং স্বীকৃত ধর্মীয় কর্তৃত্ব ও রাজনৈতিক সক্ষমতার অধিকারী হতে হয়। মোজতবা বর্তমানে আয়াতুল্লাহ পদমর্যাদা ধারণ করেন না। তা ছাড়া বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্র উৎখাত করে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাবা থেকে ছেলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর একটি সংবেদনশীল বিষয়।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসই পরবর্তী সুপ্রিম লিডার নির্বাচন করে থাকে। সংস্থাটি যোগ্য আলেমদের মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মানদণ্ড পূরণকারী একজনকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সংবিধান প্রয়োজনে অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের ব্যবস্থারও অনুমতি দেয়, যাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাহী কর্তৃত্ব অব্যাহত থাকে।

 হাদি হত্যার আসামিদের দেশে ফেরাতে কাজ চলছে: আইজিপি

হাদি হত্যার আসামিদের দেশে ফেরাতে কাজ চলছে: আইজিপি

ছবিঃ সংগৃহীত 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

আইজিপি বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে৷ তাদের অচিরেই ফিরিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা করা হয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি জানান, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে অভিযান চলমান রয়েছে। উগ্রপন্থিদের উত্থান রোধে সতর্ক দৃষ্টি থাকবে পুলিশের।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রার সময় মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি কিংবা চাঁদাবাজির মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে দেওয়া হবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে। বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে নতুন আইজিপি বলেন, এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। একই সঙ্গে জঙ্গিবাদ যাতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

পুলিশের দুর্নামের জন্য কতিপয় পুলিশ সদস্য দায়ী মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, পুলিশের পদোন্নতি, পদায়নে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি হবে না। সৎ ও যোগ্য লোক থাকবে পুলিশে। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। সিআইডিকে আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, সিআইডিকে আধুনিকায়ন, থানাগুলোকে জিরো কমপ্লেইনে রূপান্তর এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় ম্যাজিস্ট্রেসি সিস্টেম চালু করা দরকার। কিছু পুলিশ নিজেদের স্বার্থে কাজ করে বাহিনীর সুনাম নষ্ট করছে, পুলিশকে অতিউৎসাহী না হতে আহ্বান জানান তিনি। জনগণকেও আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন।  জুলাইয়ে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার থেকে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে প্রচার চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি। গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধী মারা যান। হাদি হত্যাকাণ্ডের পর আসামি ফয়সালের পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে ছয়জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

শনিবার (৮ মার্চ) রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেনকে। বর্তমানে ফয়সাল ও আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ৩ মাসের ইন্টার্নশিপের সুযোগ

আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ৩ মাসের ইন্টার্নশিপের সুযোগ


ছবিঃ সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আইন ও বিচার বিভাগ বিচার শাখা-০৮ থেকে ইন্টার্নশিপ আহ্বান বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ এর আওতায় বিভাগটির অধীনে ৩ মাস মেয়াদে মোট ১২ জনকে ইন্টার্নশিপ প্রদান করা হবে।

বিষয় ও যোগ্যতা:  ইন্টার্নশিপটি স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের নিম্নোক্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য: আইন, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত যোগ্যতা প্রযোজ্য: ১। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ২। যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উল্লিখিত বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ৩। যারা পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন, তারাও আবেদন করতে পারবেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ৪। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের ২ বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। ৫। ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী একজন প্রার্থী মাত্র একবার ইন্টার্নশিপ করতে পারবেন। ৬। অন্য কোনো কর্মে নিয়োজিত থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ দাখিল করতে হবে।

কর্ম-এলাকা: নির্বাচিত ইন্টার্নদের নিম্নোক্ত জেলায় কাজ করতে হবে: বগুড়া, ঝিনাইদহ, নাটোর, যশোর, মাগুরা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, মেহেরপুর, পাবনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম।

ভাতা ও শর্তাবলি:  ইন্টার্নশিপ চলাকালীন মাসিক ১০,০০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না। ১। বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত একজন সুপারভাইজারের অধীনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।২। ইন্টার্নশিপ চলাকালীন নির্ধারিত এলাকায় কাজ করতে হবে। ৩। প্রতি মাসে ভাতা প্রাপ্তির জন্য সুপারভাইজারের সন্তোষজনক প্রত্যয়ন দাখিল করতে হবে। ৪। ইন্টার্নশিপ চলাকালে কর্মে নিয়োজিত থাকার কোনো প্রত্যয়ন দেওয়া হবে না। ৫। সফলভাবে সম্পন্ন করার পর ইন্টার্নশিপ সনদ প্রদান করা হবে। ৬।   ইন্টার্নশিপ সনদ কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য হবে না। ৭। ইন্টার্নশিপ সমাপনান্তে আইন ও বিচার বিভাগ বা এর অধীন কোনো দপ্তর, সংস্থা বা অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের দাবি করা যাবে না। ৮।  ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ এর অনুচ্ছেদ ১২(গ) অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে ঘোষণাপত্র ও চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করতে হবে। সরকারি গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।

নির্বাচন প্রক্রিয়া: প্রাথমিক বাছাই শেষে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের লিখিত, মৌখিক বা উভয় ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হতে পারে। পরীক্ষার তারিখ ও সময় ইমেইল, ডাকযোগে বা মোবাইল ফোনে জানানো হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিএ বা ডিএ প্রদান করা হবে না।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের আইন ও বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট www.lawjusticediv.gov.bd এর নোটিশ বোর্ড থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি সংযুক্ত করে আগামী ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫টার মধ্যে section8@lawjusticediv.gov.bd ইমেইলে আবেদন পাঠাতে হবে। ইমেইল ব্যতীত সরাসরি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

মৌখিক পরীক্ষার সময় পূরণকৃত আবেদনপত্রের মূল কপি এবং শিক্ষাগত সনদ, পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রত্যয়নপত্র, চারিত্রিক সনদ বা প্রশংসাপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ এবং সাম্প্রতিক তোলা তিন কপি রঙিন ছবিসহ এক সেট সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। ইন্টার্নশিপ প্রদান সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্ণ এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

৮ মার্চ, ২০২৬

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২ জন ভারতে গ্রেফতার

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২ জন ভারতে গ্রেফতার


ছবি: সংগৃহীত 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান ওরফে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ২ জনকে ভারতে আটক করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এএনআই এক্স পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, রোববার (৮ মার্চ) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেন (৩৪)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে এবং পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এবং  ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসে।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে ভারতীয় পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে হাজির করার পরে তাদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) মামলার আবেদনটি করেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।

এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা মামলাটির আবেদন জমা দিয়েছি। সকাল ১১টার দিকে মামলার আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় তিনি বিভন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্য ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ভোটের মাঠে কথার যুদ্ধে একপাক্ষিকভাবে বেশ আটঘাট বেঁধেই নামতে দেখা গিয়েছিল এনসিপির এ নেতাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে  তার করা বেশকিছু মন্তব্য ভাইরালও হয়। অবশ্য ভোটে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

৬ মার্চ, ২০২৬

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় হত্যা করা হয় মাদ্রাসার ছাত্রকে

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় হত্যা করা হয় মাদ্রাসার ছাত্রকে


ছবি: সংগৃহীত 

গাজীপুরে গাঁজা সেবনের দৃশ্য দেখে তা অন্যকে বলে দেওয়ার কথা বলায় মাদ্রাসা ছাত্র শিশু মাহাবুব ইসলাম রনিকে (১৩) শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এক যুবক। এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এমনটাই জানিয়েছে পিবিআই।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার ছাব্বির আহম্মেদ (১৯) গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর ফকিরা গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকায় হাজী ইকবাল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার নিজতুলন্দর দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকায়।

বৃহস্পতিবার (৫ বৃহস্পতিবার) রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার ভবানীপুর এলাকা থেকে ছাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার বিকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, মাহাবুব ইসলাম রনি (১৩) ভবানীপুরর পূর্বপাড়া এলাকায় খুরশিদিয়া মারকাজুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগে অধ্যয়নরত ছিল।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে জয়দেবপুর ভবানীপুর পূর্বপাড়া দারুস সালাম জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পরে রনি বাসায় ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।

পর দিন বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পায় যে; ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে আগুনে পোড়া অবস্থায় ১৩/১৪ বছর বয়সের এক কিশোরের মরদেহ পড়ে আছে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত আগুনে পোড়া অবস্থায় মরদেহটি দেখে স্বজনরা মাহাবুব ইসলাম রনিকে (১৩) শনাক্ত করেন।

পরে এই ঘটনায় নিহত কিশোর রনির দাদা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পিবিআই মামলাটির তদন্ত করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জয়দেবপুর থানাধীন ভবানীপুর এলাকা হতে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনা সঙ্গে জড়িত ছাব্বির আহম্মেদ গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সে এ ঘটনার সঙ্গে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের এসআই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। নওগাঁয় স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যাএ বিষয়ে পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো।

আবুল কালাম আজাদ জানান, নিরপরাধ একটি শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুলিশকে জানায়- ঘটনার দিন রাত অনুমান ৯টার ছাব্বির আহম্মেদ গাঁজা সেবনের জন্য জঙ্গলের ভেতরে যায়।

সে পূর্বেও মাঝে মাঝে ঐ জঙ্গলে গিয়ে গাঁজা সেবন করত। এ সময় মাহাবুব ইসলাম রনি সেখানে ছাব্বিরকে গাঁজা সেবন করতে দেখে এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে।

এতে ছাব্বির তাকে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য বারবার অনুরোধ করে। কিন্তু রনি পুনরায় লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ছাব্বির আহম্মেদ ক্ষিপ্ত হয়ে রনিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং পেছন দিক থেকে রনির গলায় হাত দিয়ে চেপে ধরে। এক পর্যায়ে ছাব্বির শিশু রনির ঘাড় মোচড় দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে পালিয়ে যায়।