সর্বশেষ

৩ এপ্রি, ২০২৬

গণভোট, গুম প্রতিরোধসহ যে ১৬ অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে

গণভোট, গুম প্রতিরোধসহ যে ১৬ অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে


ছবি: সংগৃহীত 

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে উত্থাপিত হচ্ছে না। ফলে সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী গণভোট, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। তবে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি এগুলোকে অধিকতর যাচাই-বাছাই করে শক্তিশালী নতুন বিল হিসেবে উত্থাপনের সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবেদন উত্থাপন করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জয়নুল আবেদীন।

এর আগে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে ১৩ সদস্যের এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি পরপর তিনটি বৈঠক করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে এই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে।

কমিটির সুপারিশে ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি উত্থাপিত আকারেই পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে এবং চারটি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

আর বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ পরবর্তীতে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ জারির পর তা পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করতে হয় এবং ৩০ দিনের মধ্যে পাস না হলে তা বাতিল হয়ে যায়। সেই হিসেবে ওই ১৬টি অধ্যাদেশ আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে তামাদি বা বাতিল (ল্যাপস) হয়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এর আলোকে বিল উত্থাপন ও পাস না করলে এগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

যে ১৬টি অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে
১. গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫
২.জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, 
৩. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ-২০২৫,
৪. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫,
৫. মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
৬.কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
৭. আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
৮. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
৯. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ-২০২৫, 
১০. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
১১. দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
১২. বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, 
১৩. বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, 
১৪. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, 
১৫. মাইক্রো ফাইনান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং 
১৬. তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬।

২ এপ্রি, ২০২৬

দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরানো সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরানো সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার


ছবি: সংগৃহীত 

দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে হেনস্তার ঘটনায় কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূরকে প্রত্যাহার করে সিলেটে বদলি করা হয়েছে। তাকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ থেকে প্রত্যাহার করে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। পরে প্রজ্ঞাপনটি সরকারি কর্মচারী বাতায়ন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
 
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা ফয়সাল আল নূর (১৯১০৯), সহকারী কমিশনার (ভূমি), চান্দিনা, কুমিল্লাকে তার বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহার করে সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হলো। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
 
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফয়সাল আল নূরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
 
এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এক নিকটাত্মীয়ের জমির খারিজ সংক্রান্ত শুনানিতে যান দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার দেবিদ্বার প্রতিনিধি রাসেল সরকার এবং ফেস দ্য পিপল-এর দেবিদ্বার প্রতিনিধি আব্দুল আলীম।
 
অভিযোগ রয়েছে, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তাদের বসিয়ে রেখে শুনানি না করে ব্যক্তিগত কাজে সময় কাটান এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। এ সময় শুনানি হবে কি না জানতে চাইলে তিনি তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। একপর্যায়ে তার আচরণ ভিডিও ধারণ করতে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে ধস্তাধস্তিতে জড়ান।
 
পরে তিনি থানায় ফোন করে পুলিশ ডেকে দুই সাংবাদিককে আটক করান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়। পরে তারা আর বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না—এমন মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান বলে জানা গেছে।
 
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপরই তাকে প্রত্যাহার করে সিলেটে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১ এপ্রি, ২০২৬

হাদি হত্যা: সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

হাদি হত্যা: সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর


ছবিঃ সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান সহযোগী সঞ্জয় চিসিমের (২২) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জানান, সঞ্জয় চিসিম মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা আসামিকে অবৈধভাবে ভারতে পালাতে সাহায্য করেছে। সাক্ষ্য, প্রমাণ ও প্রযুক্তিগত তথ্যের মাধ্যমে এই বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামির আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতিকারীরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১২০(বি)/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদন অনুযায়ী ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর দুপুরে মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে শরিফ ওসমান হাদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে থাকা আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী হাদিকে পিছন থেকে অনুসরণ করে এবং চলন্ত অবস্থায় গুলি করে পালিয়ে যায়।

আহত শরিফ ওসমান হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।


সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে

সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ নিয়ে ১২৫ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেলো তদন্ত সংস্থা।

বুধবার (১ মার্চ) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায়, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য  করেন।

মিরপুর মডেল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের  উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল বাসস’কে বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। 

এ দিকে তদন্ত শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া সময় ইতোমধ্যেই শেষ হয়। এ অবস্থায় তদন্ত চলমান ও অগ্রগতি আছে, উল্লেখ করে নয় মাস সময়ের আরজি জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের ২২ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আদালত ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আগামী ২২ অক্টোবর আদেশের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। তবে উচ্চ আদালতের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

গত ২৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত শেষ করতে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে এটিকে ‘শেষবারের মতো’ বর্ধিত সময় বলে উল্লেখ করেছেন আদালত।

৩১ মার্চ, ২০২৬

স্ত্রীসহ আইডিআরএ চেয়ারম্যান মোশারফের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

স্ত্রীসহ আইডিআরএ চেয়ারম্যান মোশারফের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ


ছবিঃ সংগৃহীত

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশারফ হোসেন ও তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়ার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন। আবেদনে বলা হয়, ড. এম মোশারফ হোসেন ও তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়ার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলছে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ১৯ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ২০ বিধি অনুযায়ী আসামিদের শুরু থেকে ২০২২-২৩ করবর্ষ পর্যন্ত দাখিল করা আয়কর নথি জব্দ করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায়, তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর নথি জব্দে আদালতের আদেশ প্রয়োজন হওয়ায় দুদক এ আবেদন করে।

পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান

পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান

ছবিঃ সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বাসসকে বলেন, 'হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।'

বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০০৯ সালের জুনে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০১১ সালের ৬ জুন তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে শপথ নেন।

৩০ মার্চ, ২০২৬

আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা

আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা


ছবি: সংগৃহীত 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার নামে ১০০ কোটি টাকার মানমানির মামলা হয়েছে।  

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে এ মামলাটি করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানি শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল ও এপিপি হুমায়ুন কবীর কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়া জেলার হাফসাই হরিপুর বড় মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজের খুতবার পূর্বে আলোচনা চলাকালে আমির হামজা ইচ্ছাকৃতভাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি মন্ত্রীকে ‘নাস্তিক’ ও ‘আপাদমস্তক ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে জনসমক্ষে অভিহিত করেন।

আরও বলা হয়, আমির হামজা একজন সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় বক্তা হওয়ায় তার এ বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে তার অপূরণীয় মানহানি ঘটেছে। এ মানহানিকর বক্তব্যের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানি করা হয়েছে দাবি করে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (ডব্লিউ-এ) ইস্যু করার আবেদন জানানো হয়েছে।