সর্বশেষ

২০ আগ, ২০২৬

ফেনীর নুসরাত হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ২৪ আগস্ট

ফেনীর নুসরাত হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ২৪ আগস্ট

ফাইল ছবি
ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২৪ আগস্ট।অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে রায়ের এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। আসামী পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজালাল, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মোহাম্মদ শিশির মনির ও অপর আইনজীবীরা।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সে রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদরাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বিশেষ এই বেঞ্চের মামলাগুলো পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২০.০৮.২০২৬)

আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়ের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়ের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

ফাইল ছবি 
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানার আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম সাক্ষ্য দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজিরের সাক্ষ্য দেন। এ সময় বিচারক তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন মামলার অন্যতম আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে জামিন চেয়ে এবং রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিপক্ষ সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চেয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি।

বারবার সময়ের আবেদন করে বিচারিক কার্যক্রম বিলম্বিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে মামলাটি নিষ্পত্তির দিকে এগিয়ে নিতে চায়।

এদিকে শুনানির সময় মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের কারাগার থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এতে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করা হয়।

জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর: ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর: ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ছবি: সংগৃহীত 
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৫ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করার আবেদন করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বাদী তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত নথি পর্যালোচনা করে দুপুর আড়াইটার দিকে মামলার আবেদনটি খারিজের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে মামলার আবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরীফ উদ্দিন জানিয়েছিলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়েছেন এবং নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেওয়া হবে।

মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট কয়েকজন আসামির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ, উসকানি ও সহযোগিতায় বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক ভবনে হামলা চালান। এ সময় ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি সেখানে থাকা ঐতিহাসিক নিদর্শন, দলিল, বইপুস্তক ও মূল্যবান সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত ও লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, পরে দুটি বুলডোজার, এক্সক্যাভেটর ও হ্যামারসহ ভারী যন্ত্রপাতি এনে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, রাতভর চলা ওই কার্যক্রম পরদিন ৬ আগস্ট বিকেল পর্যন্ত চলে এবং একপর্যায়ে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মামলার আবেদনে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি ফেসবুক পোস্টের কথাও উল্লেখ করা হয়। ওই পোস্টের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে মিছিল নিয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরক ব্যবহারের মাধ্যমে ভবনটি ধ্বংস করা হয় বলে অভিযোগ করেন বাদী।

মামলায় ড. ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেসসচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে আসামি করা হয়েছিল।

এ ছাড়া শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব ও সালেহ উদ্দিন সিফাতের নামও মামলার আবেদনে ছিল।

অন্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারওয়ার, কর্নেল (অব.) নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।

বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন করেছিল। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনও করা হয়। তবে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে করা মামলার আবেদনটি বৃহস্পতিবার আদালত আমলে না নিয়ে খারিজ করে দিয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪


দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল; প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল; প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২৭ নম্বর আইন)-এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা মোতাবেক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা- মির্জা রুহুল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁওকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২ (৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করা হলো।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের কর্তা সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।

ঘোষিত ফল অনুসারে, ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।

এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইউএনবি

১৯ আগ, ২০২৬

কারামুক্ত হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

কারামুক্ত হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

ছবি: সংগৃহীত 
সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

কারা সদর দফতরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজি প্রিজনস) মো. জাহাঙ্গীর কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে মোট ৯টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। গত ১০ আগস্ট বনানী থানার একটি মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট।

পৃথক আটটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বনানী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সবশেষ গত সোমবার (১৭ আগস্ট) হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বনানী থানায় করা মামলায় সাবেক এই প্রধান বিচারপতির জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনও বাধা থাকেনি।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (১৮.০৮.২০২৬)

প্রতারণামূলক কাজের জন্য বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই পরীক্ষার্থী

প্রতারণামূলক কাজের জন্য বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই পরীক্ষার্থী

ছবি: সংগৃহীত 
প্রতারণামূলক কাজের জন্য বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে দুই পরীক্ষার্থীকে। পরীক্ষায় আজীবন নিষিদ্ধ পরীক্ষার্থীদ্বয় হলেন মুহাম্মদ সাইফুল আমিন ও এম. আর. আকাশ। বার কাউন্সিল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্বাক্ষরিত এসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "নিম্নোক্ত প্রার্থীগণ (মুহাম্মদ সাইফুল আমিন ও এম. আর. আকাশ) বিগত ২৮-০৬-২০২৫ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও এবং পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সাদা খাতা জমা প্রদান করা সত্ত্বেও সেই পরীক্ষার ফলাফল রিভিউ এর আবেদন করেছিলেন বিধায় তাদের উভয়কেই গত ২৩শে জুন ২০২৬ইং তারিখে এনরোলমেন্ট কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। উক্ত প্রার্থীরা নিজ নিজ শো-কজ নোটিশের জবাব প্রদান করেছেন। তাদের প্রদত্ত সেই জবাব বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট কমিটির বিগত ১৩-০৮-২০২৬ইং তারিখের সভায় এজেন্ডাভুক্ত করে আলোচনা করা হয়েছে।"

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বাল হায়, "এনরোলমেন্ট কমিটি উক্ত বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনাপূর্বক এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, সংশ্লিষ্ট দুইজন প্রার্থী কারণ দর্শানোর নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করে তৎসমর্থনে যে জবাব প্রদান করেছেন তা বাস্তবতা বিবর্জিত, খামখেয়ালীপূর্ণ এবং কোনোভাবেই সন্তোষজনক নয়। সে কারণে উক্ত জবাব অগ্রহণযোগ্য। কমিটির সদস্যগণ এই ব্যাপারে অভিন্নরূপে অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও এবং অপর প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সাদা খাতা জমা প্রদান করার পরেও সেই পরীক্ষার ফলাফল রিভিউ দাবী করার মাধ্যমে আইনজীবীদের সর্বোচ্চ সংস্থা- বার কাউন্সিলের সাথে সচেতনভাবে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। এহেন শিক্ষানবিশ প্রার্থীদের আইনজীবী সনদ প্রাপ্তির কোনো নৈতিক অধিকার থাকতে পারে না এবং আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে তিনি/তারা প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আইনি সেবা পাওয়ার অধিকারকে বিনষ্ট করে আইন অঙ্গনকে কলুষিত করার প্রয়াস রাখবে। আইন পেশার উচ্চ মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার স্বার্থে এহেন প্রতারক পরীক্ষার্থীদের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির পরীক্ষা থেকে স্থায়ীভাবে বারিত করে ভবিষ্যতে যে কোনো প্রার্থীকে এরূপ ঘৃণ্য কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করতে কঠোর বার্তা প্রেরণ করা সমীচীন মর্মে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট কমিটির মাননীয় সদস্যগণ সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।---সেই প্রেক্ষিতে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট কমিটির গত ১৩-০৮-২০২৬ইং তারিখের সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক, অভিযুক্ত দুইজন প্রার্থীকে বার কাউন্সিলের ভবিষ্যতের সকল প্রকার পরীক্ষায় আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো।"


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি (১৮.০৮.২০২৬)

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

ছবিঃ সংগৃহীত
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজের পর এবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ। বুধবার (১৯ আগস্ট) তিনি এ আবেদন করেন। 

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভেকেট ইউনূছ আলী আকন্দ।

গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত রিট করেন আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটের পক্ষে শুনানি করেন তিনি নিজেই। রিটে আইনজীবী দাবী করেন, ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ব্যাহত হয়।



বিডিএলপিবি/ এমএম

সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪