![]() |
| ছবি: কোলাজ |
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান।
রিমান্ড বাতিল চেয়ে আদালতে আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবী আবেদন করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ফারহানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রাইভেট চেম্বার শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠছিলেন অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান। এ সময় আসামিরা বেআইনিভাবে সিএনজির গতিরোধ করে তাকে জোর করে টেনে-হিঁচড়ে নিচে নামায়। সিএনজি থামানোর কারণ জানতে চাইলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে তার ডান চোখ, মাথা ও দুই ঠোঁটের ওপর গুরুতর আঘাত লাগে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও ফোলা ও জখম হয়। হামলার সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় জীবন ওরফে আদিল নামে এজাহারভুক্ত এক আসামিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানের পক্ষে তার স্ত্রী শাহানা সারমিন টাইপ করা এজাহার পল্টন মডেল থানায় পাঠান। এর ভিত্তিতে ১৮ আগস্ট থানায় মামলা করা হয়।
মামলার এজাহারে আরও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়, ঘটনার কিছুদিন আগে অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন করে অধ্যাপক আসাদুর রহমানের কাছে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গত ২১ আগস্ট গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তার নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্যা বিজনেস স্টানডার্ড (২২.০৮.২০২৬)



