সর্বশেষ

১৭ আগ, ২০২৬

যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ছবিঃ সংগৃহীত 
বিশ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুক না পেয়ে গরম পানি ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. সানাউল্লাহের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এরশাদ আলম জর্জ এ তথ্য জানান।খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- আলী হোসেন, মিন্টু মিয়া, নুর ইসলাম, শহিদুল্লাহ, মো. কালু, শহিদুল, বেগম, রেনু বেগম ও আ. খালেক। 

এদিন কারাগারে আটক সানাউল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের ২৮ নভেম্বর সানাউল্লাহর সাথে রুবিনা আক্তার পিংকির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আসামি সানাউল্লাহ যৌতুক চেয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এক পর্যায়ে যৌতুক না পেয়ে ২০০৬ সালের ২ মে গরম পানি দিয়ে তাকে পুড়িয়ে দেন। পিংকির ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় পিংকির বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ২০ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা সানাউল্লাহকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন। অপর আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন। মামলার বাদী এতে নারাজি দাখিল করেন। পরে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সূত্র: বিডিনিউজ ২৪

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি: ফাইল
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কার্যকর তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। 

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, কোনো সংগঠনকে আইনের ভাষায় ‘জ্যুরিস্টিক পারসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে অপরাধ প্রমাণিত হলে সংগঠনের কারাদণ্ড না হলেও আর্থিক জরিমানা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত কিংবা সংগঠন নিষিদ্ধ করার মতো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং দণ্ডাদেশের প্রসঙ্গ টেনে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ব্যক্তিগত অপরাধের পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে সংঘটিত অপরাধের দায়ও আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট যেসব সম্পত্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সরকারের তত্ত্বাবধানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মামলার তদন্ত কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় ও গভীর পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত চিফ প্রসিকিউটরের সাক্ষাৎকার 

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

ছবি: সংগৃহীত 
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ভারত সরকার জানিয়েছে, হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে।

ভারতের একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই নেবে। আদালতের প্রক্রিয়ায় মূলত যাচাই করা হবে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না।

আরেক ভারতীয় কর্মকর্তা বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজেই চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে কবে দেশে ফিরতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে ডিসেম্বরকে বিজয়ের মাস উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডিসেম্বরেই দেশে ফিরতে চান।বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দল আওয়ামী লীগও নিষিদ্ধ রয়েছে।

ভারতের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধকে দিল্লি ও ঢাকার বর্তমান কূটনৈতিক আলোচনার বাইরে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তীব্র আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে সরে এসে বিষয়টির সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এর আগে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুরোধ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র বলেছিলেন, বিষয়টি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে পাঠানো অনুরোধের সঙ্গে ২০১৩ সালের দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব আইনি নথি সংযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ঢাকায় গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে প্রায় দুই বছর ধরে শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির একটি গোপন স্থানে আশ্রয় ও নিরাপত্তায় রয়েছেন। গত ৫ আগস্ট রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৬.০৮.২০২৬)

১৬ আগ, ২০২৬

এবার পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নূরুল করিম

এবার পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নূরুল করিম

ছবি: সংগৃহীত 
নিয়োগের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নূরুল করিম। রোববার (১৬ আগস্ট) তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুলাই আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাই। সেসময় থেকে আমি আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। তবে আমার ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে আমি আর এই দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক নই। অতএব, আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগপত্র দাখিল করছি। অনুগ্রহ করে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।’ 


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (১৬.০৮.২০২৬)


শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি-লতিফসহ ৯ আসামি, ফের শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর

শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি-লতিফসহ ৯ আসামি, ফের শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর

ছবিঃ সংগৃহীত 
২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ রোববার এক আদেশে এই দিন ধার্য করেন। 

আজ কারাগারে থাকা ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার কবির, একাত্তর  টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু ও সাবেক চিফ রিপোর্টার ফারজানা রুপা এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল জলিল মন্ডল। আগামী ধার্য তারিখে সাবেক দুই মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও হাসানুল হক ইনুকে হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। 


১৩ বছর আগে হেফাজতে ইসলামের ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে ৫৭ জনকে হত্যার অভিযোগে ২৭ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ৪১ জন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। তাঁদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ ১৫ জন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য, ২১ জন বিভিন্ন বাহিনীর সাবেক সদস্য, তিনজন রাজনীতিবিদ ও সংগঠক এবং দুজন সাংবাদিক রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

নোয়াখালীতে আলোচিত তিন বন্ধু হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নোয়াখালীতে আলোচিত তিন বন্ধু হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

ছবিঃ সংগৃহীত

জেলার মাইজদী বাজার এলাকায় ২০১৬ সালে সালিসি বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ২ জনকে খালাসের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার দুপুর ১২ টার দিকে জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শওকত আলী এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জেলা শহরের মাইজদী বাজার এলাকার কুদ্দুস উল্যাহর ছেলে ওমর নাছির সাজু (২৬), ওমর শরিফ সুলতান (২২) এবং একই এলাকার ফারুকের ছেলে সৌরভ (২৬)।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই এলাকার মৃত মফিজ উল্যাহর ছেলে কুদ্দুস উল্যাহ, নুরুল ইসলামের ছেলে ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পি ও মোহাম্মদ উল্যাহর ছেলে হারুনুর রশিদ বাবুল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২১ মার্চ দুপুরে নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী বাজার এলাকার নোয়াখালী সরকারি পুরাতন কলেজ-সংলগ্ন পুকুরে স্থানীয় কিশোর রাজীব (২৩) একটি কুকুরকে গোসল করাতে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় অনন্তপুর গ্রামের মো. সৌরভের সঙ্গে রাজীবের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় সালিসে বসার কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে রাজীব ও তার দুই বন্ধু ওয়াসিম (২২) ও ইয়াছিন (২৩) নোয়াখালী সরকারি কলেজের পুরাতন ক্যাম্পাস এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় যুবক ওমর নাছির সাজু, ওমর শরিফ সুলতান, সৌরভ, কুদ্দুস উল্যাহ, ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পি ও হারুনুর রশিদ বাবুল এবং তাদের সহযোগীরা তাদের ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজীব নিহত হন এবং বাকি দুই বন্ধু কয়েক দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহত রাজীবের মা কামরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের পিপি তাফাক্তার হোসেন বলেন, নোয়াখালী পুরাতন কলেজের পাশে সুপরিকল্পিতভাবে রাজীব, ওয়াসিম ও ইয়াছিনকে গুলি করে হত্যার অপরাধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়। বিজ্ঞ আদালত অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৩ জন আসামির ফাঁসির আদেশ, ৩ জনের কারাদণ্ড এবং ২ জনকে বেকসুর খালাস দেন। এ মামলার রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান তিনি।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বাসস (১৬.০৮.২০২৬)

কাপ্তাই লেকে থাকা অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

কাপ্তাই লেকে থাকা অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

ছবিঃ সংগৃহীত
রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই লেকের সীমানা জরিপ করে অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি শেষে রোববার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি জানান, চার মাসের মধ্যে কাপ্তাই লেকের প্রকৃত ম্যাপ অনুসারে সীমানা জরিপ করে এর ভেতরে থাকা অবৈধ স্থাপনার মালিকদের নাম-ঠিকানাসহ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

একইসঙ্গে আদালত আগামী ২০২৭ সালের ৬ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের আদেশে রাঙামাটি জেলার জেলা প্রশাসক ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ রিপোর্ট দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই লেকে অবৈধ দখলদারদের দ্বারা দূষণ ও দখল করা হচ্ছে মর্মে মিডিয়ায় সংবাদ প্রচারিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর রুল জারি করেন।

এ অবস্থায় এইচ আর পি বির পক্ষে একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করে জেলা প্রশাসক রাঙামাটি ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে কাপ্তাই লেকের ম্যাপ অনুসারে সীমানা জরিপ ও অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশনা প্রার্থনা করেন।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, বর্তমানে অনেক অবৈধ দখলদাররা তাদের নিজের মালিকানা দাবি করছেন এ কারণে তাদের উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না। এই কারণে জরিপ করে প্রকৃত দখলদারদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন এবং আদালতের নির্দেশনা প্রার্থনা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪