সর্বশেষ

৩১ আগ, ২০২৬

‘আইফোন কিনতে’ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ, বাবা আটক

‘আইফোন কিনতে’ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ, বাবা আটক

কোলাজ ছবি
পটুয়াখালীর দশমিনায় দেড় বছরের শিশুসন্তানকে বিক্রি করে সেই টাকায় আইফোন কেনার ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা মো. মারুফ মুন্সিকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন দশমিনা থানার ওসি আতিকুল ইসলাম।

ঘটনার বিবরণ:  শিশুটিকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে ইমরান হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছে লিখিতভাবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মারুফের বিরুদ্ধে।পরিবার অভিযোগ করে, ওই টাকা ও নিজের পুরোনো আইফোনের সঙ্গে অতিরিক্ত টাকা যোগ করে মারুফ নতুন আইফোন কিনেছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরে শিশুটিকে গলাচিপার চর কাজল এলাকা থেকে উদ্ধার করতে গেছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য: দশমিনা থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ইমরানের সঙ্গে মারুফ রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সেই সুবাদে ইমরানের কাছে শিশুটিকে বিক্রি করেছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। ইমরান হোসেনকেও থানায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা (৩০.০৮.২০২৬)

সালমান এফ রহমানের পক্ষে মামলা লড়তে ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

সালমান এফ রহমানের পক্ষে মামলা লড়তে ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

ছবি: সংগৃহীত 
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লড়তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন করেছেন লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের কাউন্সেল গ্রায়েম এল হল।

রোববার (৩০ আগস্ট) সালমান এফ রহমানের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এ আবেদন করেছেন। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি সালমান এফ রহমানের মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি, প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্র।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের ধারাবাহিক নির্দেশনা ও কর্মকাণ্ডের ফলে মিরপুর–১, ২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় বহু ছাত্রজনতা নিহত হন। এসব নির্যাতন বন্ধে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সালমান ও অপর আসামি আনিসুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই তাদের মধ্যে ফোনালাপ হয়।

এ মামলায় সালমান এফ রহমানের পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনুসরুল চৌধুরী। এখন তার সঙ্গে লড়তে আবেদন করেন ব্রিটিশ চেম্বারের এই আইনজীবী। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর এ আবেদন করেন। গত ২৪ আগস্ট আবেদনটি রিসিভ করে বার কাউন্সিল। তবে এ বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি বার কাউন্সিল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (৩০.০৮.২০২৬)

অনিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের রুল

অনিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
সারাদেশে অনিবন্ধিত অবস্থায় থাকা ৩৩ হাজার ৬১৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৩০ আগস্ট)এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কাওসার হোসাইন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ৩৪ হাজার ৬১২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে মাত্র ৯৯৮টির। অর্থাৎ বাকি ৩৩ হাজার ৬১৪টি বিদ্যালয়ই অনিবন্ধিত।’
কাওসার হোসাইন আরও বলেন, ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন অব প্রাইভেট স্কুল অর্ডিন্যান্স-১৯৬২ অনুযায়ী, অনিবন্ধিত অবস্থায় কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনার সুযোগ নেই। এই আইনের ৩ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, নিবন্ধন ছাড়া স্কুল পরিচালনা করলে তা বন্ধ করে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।’ এই বিশাল সংখ্যক বিদ্যালয় অনিবন্ধিত থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করা হয়।

আদালত শুনানি শেষে বিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩০ আগ, ২০২৬

চিফ প্রসিকিউটর: সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো

চিফ প্রসিকিউটর: সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো

ছবি: সংগৃহীত 
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটার মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সাগর-রুনির মামলার তদন্ত আমাদের তদন্ত সংস্থা করছে না। এটি অন্য সংস্থা পিবিআই করছে। তবে আমরা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কোনো কোনো সময় ক্লু পেয়ে যাই। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মেজর মোজাফফরের ব্যাপারে কিছুটা ক্লু পেয়েছিলাম। সাগর-রুনির বিষয়েও আমরা একটি ক্লু পেয়েছি। সেটার নাম-পরিচয় এখন প্রকাশ করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘তবে এটুকু বলতে পারি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের একটি কানেকশন পাওয়া যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্তের পর যদি কোনো অথেনটিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।’ এটি একটি পৃথক হত্যা মামলা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে হবে।

উল্লখ্য, ২৭ আগস্ট সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পিছিয়েছে। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সেদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পেছালো।সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার (৩০.০৮.২০২৬)


শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি শপথ নিয়েছেন। আজ রোববার সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

আপিল বিভাগের বিচারপতি নিয়েগ: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ নিয়োগ তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি'র পরিচিতি: বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) এবং আইন বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল জেলা আদালত এবং ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল একই বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি তার দীর্ঘ বিচারিক জীবনে ওয়ার্ল্ড পিস ফোরাম আয়োজিত আইন ও বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সফরে তিনি কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, হংকং ও ভারত ভ্রমণ করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (৩০.০৮.২০২৬)

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সম্প্রতি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব প্রদান করে সরকার।  মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক এই দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন ১১ জন সংসদ সদস্য। এ রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদি করা হয়েছে।

রিটকারী ১১জন হলেন: পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ নাজিবুর রহমান, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাসুদ পারভেজ, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ), পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম, শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

উপরে উল্লেখিত ১১ জন সংসদ সদস্যের হয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নির্ধারিত সেকশনে রিট পিটিশনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রবিবার (৩০ আগস্ট) রিট দায়েরের তথ‍্য গণমাধ্যমকে নিশ্চত করেন তিনি।

আইনজীবীর বক্তব্য: মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ২০০১ সালেও একইভাবে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সে সময় রিট আবেদন করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন। রুলস অব বিজনেস, বাংলাদেশের সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং বেআইনি।

রিটকারীদের বক্তব্য: রিটকারী সংসদ সদস্যদের মতে, জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের এ সিদ্ধান্তের কোনো আইনগত কর্তৃত্ব রয়েছে কি না এবং এটি সংবিধান ও প্রচলিত আইনকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২৩.০৮.২০২৬)

থানা থেকে পালানো সেই মিতু ফের গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

থানা থেকে পালানো সেই মিতু ফের গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলার আসামি মিতু আক্তারকে ৪০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে যাত্রাবাড়ী থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে কৌশলে পালিয়ে যান মিতু। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ: গত ১৬ জুলাই রাত ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৭ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময় ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদকে (৫৫) যাত্রাবাড়ী থানাধীন শহীদ ফারুক রোডের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গলি সংলগ্ন ২৩/এ পশ্চিমের নিজ বাসার ছাদের কক্ষে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মনিরুল ইসলাম মাসুদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।

মিতুর পালানোর ঘটনা: যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু বলেন, ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদ হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিতু আক্তারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তার রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২৪ আগস্ট তাকে তিন দিনের রিমান্ডে যাত্রাবাড়ী থানায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তার রিমান্ডের শেষ দিন ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। এর আগেই সকালে থানার নারী ও শিশু ডেস্ক থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান। মিতু পালিয়ে যাওয়ার পর ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। প্রায় ৪০ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ ২৪ (২৯.০৮.২০২৬)