সর্বশেষ

২১ আগ, ২০২৬

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, রাতে শপথ

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, রাতে শপথ

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আরও চারজন যুক্ত হচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপরই মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা শপথ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। 

সরকার ও বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিতে যাচ্ছেন আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম শোনা যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নতুন তিন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পড়াবেন। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে কল করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বঙ্গভবনে থাকতে বলা হয়েছে। এটুকুই বলতে পারি।

সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের কাছে ছয়টি গাড়ি চাওয়া হয়েছিল, ছয়টি গাড়ি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এখন সেখান থেকে কয়টি কাজে লাগানো হবে, সেটা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলতে পারবে।

অন্যদিকে মন্ত্রিসভায় নতুন কয়েকজন সদস্য যুক্ত হচ্ছেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি নিশ্চিতও করছেন না, আবার নাও করছেন না। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রীর তালিকায় নাম থাকা আবদুল মঈন খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে নির্বাচিত হন। আন্দালিব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে তার দল নির্বাচনে অংশ নেয়। তিনি ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য। সাচিং প্রু জেরী বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপির বান্দরবান জেলা শাখার আহ্বায়ক। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বান্দরবান আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।  প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় থাকা মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫০ জন। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাদের পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। তারা মন্ত্রিসভার সদস্য নন।

আজ তিনজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে হবে ৫৪। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রী হবেন ২৮ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৫ জন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২১.০৮.২০২৬)

গান গেয়ে 'ভাইরাল' ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

গান গেয়ে 'ভাইরাল' ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক চিঠিতে জানায়, তাশরিক-ই-হাবিবকে ২২ জুন থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এবং একাডেমিক কমিটির সদস্যদের তাঁর সঙ্গে কাজ করতে অনাগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব। তাঁর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নিগার সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি ও শিহাব উদ্দিন খান।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচনায় আসা অধ্যাপক তাশরিকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, একাডেমিক কার্যক্রমবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো (২০.০৮.২০২৬)

জাল নোট উদ্ধারের মামলায় চট্টগ্রামে দুইজনের যাবজ্জীবন

জাল নোট উদ্ধারের মামলায় চট্টগ্রামে দুইজনের যাবজ্জীবন

ছবি: সংগৃহীত 
চট্টগ্রামে জাল নোট রাখার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক আফরোজা জেসমিন কলি এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার দিগরপালখালী এলাকার মনোরঞ্জন ধরের ছেলে রাজীব ধর (৪৮) এবং পটিয়া থানার দক্ষিণ খোলাইন আমন্দর মাস্টারের বাড়ির মৃত আহম্মদ নবীর ছেলে মো. জসিম (৩৬)। 

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৮ মে চট্টগ্রাম নগরের আমিন জুট মিল এলাকায় আজমীর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় রাজীব ধরের হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ১ হাজার ও ৫০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। একই সময় রাজিবের সহযোগী জসীম উদ্দিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে  ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। তদন্ত শেষে চার্জশিট আদালতে দাখিলের পর ২০১৭ সালের ১ মার্চ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে দুই আসামির বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪

কাবিননামায় বর-কনের আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য যুক্ত করতে লিগ্যাল নোটিশ

কাবিননামায় বর-কনের আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য যুক্ত করতে লিগ্যাল নোটিশ

কোলাজ ছবি
কাবিননামায় বর ও কনের পূর্ববর্তী ও বিদ্যমান বিয়ে, সাবেক স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয় এবং সন্তানসহ গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এসব তথ্য যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, বিবাহ ও তালাকের নথিসহ প্রয়োজনীয় দলিল যাচাই বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে আজ (বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট) এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯-এর অধীন ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নং ১৬০১ বা ‘ঘ’ ফরমের বর্তমান কাবিননামা অসম্পূর্ণ ও অসমতাপূর্ণ। এতে বর ও কনের পূর্ববর্তী বিয়ে, সাবেক স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য, বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তারিখ, চলমান বৈবাহিক মামলা এবং বিদ্যমান সন্তানের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ ও যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেই।

লিগ্যাল নোটিশে আরও বলা হয়, এর ফলে কেউ পূর্বের একাধিক বিয়ে, বিদ্যমান বৈবাহিক সম্পর্ক, বিতর্কিত বা অনিবন্ধিত তালাক, সন্তান কিংবা আগের পরিবারের প্রতি চলমান ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্বের দায় গোপন করে নতুন বিয়েতে আবদ্ধ হতে পারেন। এতে প্রতারণার সুযোগ তৈরি হয় এবং নতুন জীবনসঙ্গীর জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়। এ কারণে কাবিননামার ফরম সংশোধন করে বর ও কনে উভয়ের জন্য সমানভাবে পূর্ববর্তী ও বিদ্যমান সব বিয়ের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়, বিয়ে ও তালাকের তারিখ, স্থান, নিবন্ধন নম্বর, বিবাহবিচ্ছেদের পদ্ধতি ও কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং প্রয়োজনীয় দলিল বা মামলার তথ্য রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান সন্তানদের তথ্য এবং তাদের বিষয়ে চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব বা অন্যান্য আইনগত দায় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ঘোষণা রাখার দাবিও জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, বিদ্যমান বিয়ে থাকা অবস্থায় নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারা অনুযায়ী সালিশ পরিষদের লিখিত অনুমতির নম্বর ও তারিখ কাবিননামায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, বিবাহ ও তালাকের নথি এবং মৃত্যু সনদসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (২০.০৮.২০২৬)

গাইবান্ধায় হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গাইবান্ধায় হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ছয়মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডে আদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান। এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকালে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোল্ল্যা সাইফুল আলম এ আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ব্যাপারির ছেলে তিন সহোদর আবদুল হালিম (৩৯), আবদুল হামিদ (৩৭) ও মাহাবুর রহমান (৩৫)। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত ও মামলা নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি সকালে সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর (বাড়াইকান্দি) গ্রামে আসামিরা বিবাদমান একটি জমির আইল উঠাতে গেলে বাধা দেয় তাদের ওয়ারিশ শাহাদাৎ হোসেন ও তাদের স্বজনরা। এসময় আসামিদের কোদাল ও লাঠির আঘাতে গুরতর আহত হন প্রতিপক্ষের শাহাদাৎ হোসেন, সাজেদা বেগম, সামছুল হক ও আবেদা বেগম।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শাহাদাৎ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে রেফার করেন। পরদিন ৫ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহাদাৎ হোসেন মারা যান।

এ ঘটনায় ওই দিনই সুন্দরগঞ্জ থানায় ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের স্বজন আতাউর রহমান। পরে তদন্ত শেষে ১৩ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় থানা পুলিশ। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার বিকালে এ রায় দেন আদালত। রায়ে ১৩ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন ও ১০ আসামিকে খালাস দেন বিচারক।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান বলেন, মামলার দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাক্ষ্য প্রমাণের শুনানি শেষে এ মামলায় তিন ভাইকে যাবজ্জীবন ও প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে দণ্ডাদেশ  দিয়েছেন আদালত। অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২০.০৮.২০২৬)

ওকালতনামা স্টিকার ক্রয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যদের নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহের নির্দেশ

ওকালতনামা স্টিকার ক্রয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যদের নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ সদস্যদের ওকালতনামা স্টিকার ক্রয়ের নিমিত্তে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহের জন্য নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তারিখে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আইডি কার্ডের বারকোড স্ক্যানারে পাঞ্চ করা ছাড়া ওকালতনামা স্টিকার প্রিন্ট করা সম্ভব হচ্ছে না।  পুরাতন, ভাঙা, জরাজীর্ণ, মেয়াদ উত্তীর্ণ বা ফটোকপি করা আইডি কার্ড স্ক্যানারের মাধ্যমে স্ক্যান করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিজ্ঞ সদস্যদের জরুরি ভিত্তিতে সমিতির নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সমিতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিজ্ঞ সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি

২০ আগ, ২০২৬

ফেনীর নুসরাত হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ২৪ আগস্ট

ফেনীর নুসরাত হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ২৪ আগস্ট

ফাইল ছবি
ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২৪ আগস্ট।অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে রায়ের এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। আসামী পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজালাল, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মোহাম্মদ শিশির মনির ও অপর আইনজীবীরা।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সে রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদরাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বিশেষ এই বেঞ্চের মামলাগুলো পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২০.০৮.২০২৬)