সর্বশেষ

২৬ আগ, ২০২৬

যৌতুক মামলায় আদালতের সামনেই আইনজীবী ও আসামিকে মারধর করলেন বাদী পক্ষ

যৌতুক মামলায় আদালতের সামনেই আইনজীবী ও আসামিকে মারধর করলেন বাদী পক্ষ

ছবি: সংগৃহীত 
যৌতুক মামলায় অভিযোগ গঠনের পর ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনে মামলার আসামি আবির ইবনে হারুন ও তার আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাদী পক্ষের বিরুদ্ধে।

ঘটনা পরিক্রমা: মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিতে বাদী ও আসামি পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে সঙ্গে নিয়ে তার আইনজীবী আদালত থেকে বের হওয়ার সময় বাদীর বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন বহিরাগত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ বলেন, আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বহিরাগতরা আসামি ও তার আইনজীবীকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় আইনজীবীর পোশাকও ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও আইনজীবীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যান। এ সময় কয়েকজনকে আইনজীবীরা আটক করে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান। পরে মুচলেকা দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। হামলায় আহত আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খান ও আসামি আবির ইবনে হারুনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ: মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাদীর কাছে আসামি ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা না দিলে বাদীকে বাসায় নিয়ে যাবেন না বলেও আসামি জানান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন বাদী। মামলাটি যৌতুক নিরোধ আইনে করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: এনটিভি (২৫.০৮.২০২৬)

২৫ আগ, ২০২৬

৩৬ বছর পর বরগুনা থেকে আমতলীতে স্থানান্তর সিনিয়র সিভিল জজ আদালত

৩৬ বছর পর বরগুনা থেকে আমতলীতে স্থানান্তর সিনিয়র সিভিল জজ আদালত

ছবি: সংগৃহীত 
৩৬ বছর পরে আমতলী-তালতলী উপজেলার মানুষ সিনিয়র সিভিল জজ আদালত ফিরে পেয়েছেন। এর মাধ্যমে আমতলী উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৪ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭-এর ১৪ ধারার ১ উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বরগুনা জেলা সদরে অবস্থিত আমতলী উপজেলার অধিক্ষেত্র প্রয়োগকারী সিনিয়র সিভিল জজ আদালতটি জেলা সদর থেকে আমতলী উপজেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উল্লখ্য, আদালতটি আমতলীতে স্থানান্তরের দাবিতে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণির দেওয়া ডিও লেটারসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া আমতলী উপজেলার কৃতী সন্তান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গাজী তৌহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ ও সহযোগিতা ছিল বলে বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিবেদনে উল্লখ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন (২৪.০৮.২০২৬)

৯৯৯ সেবায় বিলম্ব ও ‘জিরো এফআইআর' বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

৯৯৯ সেবায় বিলম্ব ও ‘জিরো এফআইআর' বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে বিলম্ব, বারবার কল অন্যত্র স্থানান্তর এবং দ্রুততম সময়ে পুলিশি সহায়তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার অভিযোগের বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ৯৯৯-এর পরিচালক এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়কা কবির জিতি জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেন। আদালতে তিনি নিজেই (পিটিশনার ইন পারসন) শুনানি করেন।

রুলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে দেরি হওয়া, কল বারবার এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে স্থানান্তর (রিডাইরেক্ট), কার্যকর জিপিএসভিত্তিক লোকেশন ও কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বজায় রাখতে ব্যর্থতা এবং নিকটতম টহল দল দ্রুত মোতায়েনে ব্যর্থতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে কার্যকর জিরো এফআইআর (ঘটনা যে অঞ্চলেই ঘটুক না কেন, যেকোনো থানায় মামলা করার ব্যবস্থা) প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়কা কবির জিতি। তিনি জানান, রুলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে বিলম্ব, বারবার কল অন্যত্র রিডাইরেক্ট করা, কার্যকর জিপিএস-ভিত্তিক লোকেশন ও কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বজায় রাখতে ব্যর্থতা, নিকটতম মোতায়েন করা পুলিশ ফোর্স, টহল দল বা ইউনিট দ্রুত মোতায়েনে ব্যর্থতা এবং কার্যকর ‘জিরো এফআইআর’ ব্যবস্থা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে সময়মতো পুলিশি সুরক্ষা ও আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়াকে কেন সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের আলোকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিচালক/অফিসার ইনচার্জ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা (২৫.০৮.২০২৬)

স্বামীর করা যৌতুক মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে

স্বামীর করা যৌতুক মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে

কোলাজ ছবি
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে যৌতুক দাবির মামলায় মোছা. তানিয়া খাতুন (২২) নামে এক নার্সকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বালিয়াকান্দি আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তানিয়া খাতুন রিলায়েন্স জেনারেল অ্যান্ড রেনাল হাসপাতালে কর্মরত।

বালিয়াকান্দি আমলি আদালতের বিচারক আরিফ হোসেন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাথে বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের মোহন মল্লিকের মেয়ে মোছা. তানিয়া খাতুনের পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সাখাওয়াত হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে তানিয়াকে স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের পর তানিয়া তার স্বামীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে সংসার করবেন না বলে জানানো হয়। একপর্যায়ে তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে পারিবারিকভাবে ও স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তানিয়া যৌতুকের টাকা ছাড়া সংসারে ফিরতে রাজি হননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মো. সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় বালিয়াকান্দি আমলি আদালতে মামলা করেন। মামলাটি সি.আর. মামলা নং-৪০/২৬ হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে।

মামলার বাদী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সুন্দর একটি সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে নানা অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ও সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের অনেক চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়েই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আদালতের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, আদালতের তদন্তের পর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আসামি স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে সংসার করার শর্তে জামিন নেন। এরপর বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মাধ্যমে একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আসামি বাদীর সঙ্গে সংসার করতে রাজি না হওয়ায় এবং মীমাংসা কার্যকর না হওয়ায় আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: নিউজ ২৪ (২৫.০৮.২০২৬)

বিয়েতে প্রতারণা রোধে কাবিননামায় এনআইডি, সন্তান ও আগের বিয়ের তথ্য যুক্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের

বিয়েতে প্রতারণা রোধে কাবিননামায় এনআইডি, সন্তান ও আগের বিয়ের তথ্য যুক্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 
বিয়েতে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর-কনের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংযোজন এবং বর-কনের আগের ও বিদ্যমান বিয়ে, সন্তানের তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

রিটে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ফরম ঘ’-কাবিননামায় বর ও কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান বিয়ে, সাবেক স্বামী বা স্ত্রী, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য, সন্তান এবং আগের সম্পর্ক থেকে সৃষ্ট ভরণপোষণ, অভিভাবকত্বসহ চলমান আইনগত দায়দায়িত্ব সমভাবে প্রকাশ ও যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা নেই।

বর্তমান কাবিননামায় বরের বিদ্যমান স্ত্রী এবং সালিশি পরিষদের অনুমতির বিষয়ে কিছু তথ্য চাওয়া হলেও তার আগের সব বিয়ে, তালাক, সাবেক স্ত্রী ও সন্তানদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখের বাধ্যবাধকতা নেই। একইভাবে কনের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী বৈবাহিক ইতিহাস যাচাইয়ের সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা অনুপস্থিত।

রিট আবেদনে আরও বলা হয়, এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে পরবর্তী বিয়েতে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ থাকায় প্রতারণা ও পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। একই সঙ্গে বিদ্যমান স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রিটে কাবিননামা সংশোধন করে বর-কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান সব বিয়ের তথ্য, আগের বা বিদ্যমান বিয়ের সন্তানদের তথ্য, চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও অন্যান্য আইনগত দায় এবং জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর অন্তর্ভুক্ত এবং যাচাইযোগ্য করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এসব তথ্য অন্তর্ভুক্ত না করে কাবিননামা হালনাগাদে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং নাগরিকদের পারিবারিক জীবন সুরক্ষায় ফরমটি সংশোধনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না। এ মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

উল্লখ্য, একই আইনজীবী বিয়ের নিবন্ধনে ব্যবহৃত কাবিননামায় বর ও কনের পূর্ববর্তী বিয়ে, বিদ্যমান বিয়ে এবং সন্তানদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত আইনজীবীর ব্রিফিং 

রাজধানীর সূত্রাপুরে অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় আইনজীবীসহ চার আসামি রিমান্ডে

রাজধানীর সূত্রাপুরে অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় আইনজীবীসহ চার আসামি রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 
অস্ত্র ও তাজা কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় করা মামলায় ব্যারিস্টার মো. জাকি উল্লাহ বাহারসহ চার আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া অপর তিন আসামি হলেন মো. আনোয়ারুল হক (৬২), জাকির হোসেন লিটন (৪৮) ও হিরু বড়ুয়া বাবু (৩৬)।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার উপপরিদর্শক মো. রাসেল মোল্লা চার আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবু সাঈদ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সাদা রঙের পাজেরো গাড়িতে করে অস্ত্র ও গুলি ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন। মামলার পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অস্ত্রের উৎস এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে সূত্রাপুর থানার নর্থব্রুক হল রোডের নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেটের ভূঁইয়া মোটরস নামের একটি দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তুরাগ থানার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ব্যারিস্টার মো. জাকি উল্লাহ বাহারসহ ৮ থেকে ৯ জন সেখানে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে দুজনের হাতে দুটি শপিং ব্যাগ ছিল। পুলিশ সদস্যরা ব্যাগ দুটিতে কী আছে জানতে চাইলে তারা ব্যাগ দুটি রেখে দ্রুত দোকান থেকে বেরিয়ে যান। পরে পুলিশ ব্যাগ দুটিতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় তৈরি পাইপগান ও দুটি ১২ বোরের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংবলিত ৬৪ জিবির একটি এইচপি ইউএসবি পেনড্রাইভ এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ব্যবহৃত তিনটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো (২৪.০৮.২০২৬)

স্বামীকে বাঁচাতে মামলার নথি চুরি করেছেন স্ত্রী: আদালতে  স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

স্বামীকে বাঁচাতে মামলার নথি চুরি করেছেন স্ত্রী: আদালতে স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

ছবি: সংগৃহীত 
স্বামীর বিরুদ্ধে চলা অস্ত্র মামলার বিচার বন্ধ করতে আদালত থেকে মামলার নথি চুরির অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গ্রেফতার জামিলা আক্তার ওরফে অর্পা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর আসামির অর্পার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিন একই মামলায় কম্পিউটার অপারেটর আহসান হাবীব নামের আরেক আসামিকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে আদালতে আজ অর্পাকে হাজির করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুসারে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ হাওলাদার। অপরদিকে আসামি আহসান হাবীবকে সাত দিন রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন এসব তথ্য জানান।

নথি থেকে জানা গেছে, গত ২ জুলাই দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাসে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিজেকে আইনজীবীর মুহুরি পরিচয় দিয়ে খিলগাঁও থানায় দায়ের করা একটি অস্ত্র মামলার নথি দেখতে চান। আদালতের উমেদার নাজমুল হাসান তাকে ওই নথি দেখতে দেন। পরে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিচারক নাজমুলকে পাশের খাস কামরায় ডেকে পাঠান। তিনি সেখানে যাওয়ার পর প্রায় পাঁচ মিনিট পরে ফিরে এসে ওই ব্যক্তিকে আর দেখতে পাননি। একই সঙ্গে নথিটিও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ওই দিনই আদালতের বেঞ্চ সহকারী খায়রুল আলম কোতোয়ালি থানায় নথি চুরির অভিযোগে মামলা করেন। এরপর অর্পার বাসায় অভিযান চালিয়ে নথি উদ্ধার করে পুলিশ।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (২৪.০৮.২০২৬)