সর্বশেষ

২৯ মে, ২০২৬

৯৭৩ পদে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি; আবেদনের শেষ তারিখ ৪ ও ১০ জুন

৯৭৩ পদে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি; আবেদনের শেষ তারিখ ৪ ও ১০ জুন

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ (BJSC Job Circular 2026) কর্তৃপক্ষ হতে প্রথম বিজ্ঞপ্তি আমার দেশ ই-পেপারে ১৪ মে ২০২৬ ইং ও ২নং বিজ্ঞপ্তি ১৯ মে ২০২৬ ইং তারিখে প্রকাশিত হয় যা ১৩ ও ১৮ মে ২০২৬ ইং তারিখে জারি করা হয়।

১নং বিজ্ঞপ্তির স্নারক নং: ১০.০৩.০০০০.০০০.০০১.১১(খ).০০০৯.২৫.৪৭২; তারিখ: ১৩ মে ২০২৬ ইং, ও ২নং বিজ্ঞপ্তির স্নারক নং: ১০.০৩.০০০০.০০১.১১.০০৭.২৩.৮৯৩; তারিখ ১৮ মে ২০২৬ ইং।

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন মোট ৯৬৮+০৫ জন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা স্বয়ং সম্পন্ন নারী ও পুরুষকে ০৮+০৪টি জব ক্যাটাগরি পদে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে।

অনলাইনে https://bjsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, রঙিন ছবি, (Passport Size Photo) স্বাক্ষরের ছবি দিয়ে আবেদন ফরম (Application Form) পূরণ করা লাগবে।

অনলাইনে আবেদন চলবে ১৮ ও ১৯ মে ২০২৬ ইং সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকা থেকে ও শেষ হবে ০৪ ও ১০ জুন ২০২৬ ইং বিকেল ০৫ঃ০০ ঘটিকায়।

নিচে Bangladesh Judicial Service Commission BJSC Job Circular 2026 বা বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দওয়া হলো।








৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ, সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি ক্রোক

৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ, সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি ক্রোক


ছবি: সংগৃহীত 

সাইপ্রাসে ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ তদন্তের মুখে বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন বিলাসবহুল একটি দোতলা বাড়ি ক্রোক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সাইপ্রাস মেইলের এক প্রতিবেদনে বলো হয়, ব্যাংক জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে চলমান ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিকোসিয়া জেলা আদালত লিমাসসোল জেলার পারেকলিসিয়ায় অবস্থিত সাইফুল আলমের ওই সম্পত্তি ক্রোক করে।

সাইপ্রাসের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিটের (মোকাস) একটি আবেদনের পর গত ১৯ মে এই ক্রোক আদেশ জারি করা হয়। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শুরু হওয়া পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার অধীনে এই তদন্তের অনুরোধটি করা হয়েছিল। এস আলম নামে বেশি পরিচিত সাইফুল আলম অবশ্য কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধের কথা অস্বীকার করেছেন।

তার প্রতিষ্ঠিত এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও ‘বিতর্কিত’ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী। প্রথমে পরিবহন ও চিনি পরিশোধন দিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করলেও পরে ব্যাংক, বীমা, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ ও হোটেল খাতে ব্যবসা বিস্তৃত করে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। তার এবং তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পত্তি জব্দের আদেশ এসেছে আদালত থেকে।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের। এর মধ্যে তার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করার খবরও এসেছে।

সর্বশেষ গত ২১ মে ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া ৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমসহ ১১ জনকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেয় চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে সাজা পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

সাইপ্রাস মেইলের খবর বলছে, সাইফুল আলম ২০১৬ সালে ‘সিটিজেন-বাই-ইনভেস্টমেন্ট’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন; যা স্থানীয়ভাবে ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট স্কিম’ নামেও পরিচিত। তবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের থেকে পাওয়া অভিযোগের পরে তার ওই নাগরিকত্ব বাতিল করে সাইপ্রাস সরকার।

যদিও নাগরিকত্ব পাওয়ার ওই প্রোগ্রামটির কার্যক্রম পরীক্ষা করে দেখা সাইপ্রাস সরকারের ‘নিকোলাটোস কমিটির’ প্রতিবেদনে সাইফুল আলমের নাম আসেনি।

সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তদন্তকারীদের জমা দেওয়া নথি অনুসারে, সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কোম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই তদন্তের মধ্যে ‘প্রতারণামূলকভাবে’ ঋণ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করায় সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতের দেওয়া কারাদণ্ডের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের বরাতে সেখানে বলা হয়েছে, ওই ঋণ নেওয়া হয়েছিল ১৩৪টি বাস কেনার কথা বলে, যা শেষ পর্যন্ত কেনা হয়নি।

সাইপ্রাস মেইল লিখেছে, সাইফুল আলম ওরফে এস আলমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তদন্ত ওই একটি মামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সাইপ্রাসে পাঠানো অনুরোধ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তার মালিকানার বিভিন্ন কোম্পানির বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার বিষয়েও তদন্ত করছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।

সাইপ্রাস সরকারকে করা বাংলাদেশের অনুরোধে বলা হয়, সাইফুল আলম ওই ঋণগুলোর মধ্যে অনেকগুলো পরে খেলাপি হয়ে যায়। এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, তিনি নিজে ও তার কোম্পানিগুলো ওই অর্থ কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছিলেন কিনা।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও বলেছেন, এস আলম গ্রুপ প্রায় ৮০০ কোটি ইউরোর বেশি অর্থ দেশ থেকে পাচার করেছেন। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সম্পদ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর এবং অন্যান্য দেশে থাকতে পারে।

সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, সে দেশে নিবন্ধিত কোম্পানি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল’ নিয়েও তদন্ত চলছে। ২০১৬ সালে সাইফুল আলম ওই কোম্পানিটি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামে কিনে নেন। তদন্তাধীন তহবিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোম্পানি ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তা এখন খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।

সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতের কাগজপত্রে সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস এবং জার্সিতে থাকা কোম্পানি ও ট্রাস্টের একটি নেটওয়ার্কের কথাও বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই কোম্পানিগুলোর মালিকানার কাঠামো এবং আর্থিক কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছেন।

তবে সাইফুল আলম আন্তর্জাতিক ল ফার্ম 'কুইন ইমানুয়েল' এর প্রতিনিধির মাধ্যমে দাবি করেছেন, তার বিনিয়োগগুলো বৈধ বিদেশি উৎসের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে ‘অন্যায়ভাবে’ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি)–এর মাধ্যমেও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

সেখানে সাইফুল আলম দাবি করেছেন, যে যুক্তিতে তার সম্পদকে প্রভাবিত করার মত পদক্ষেপগুলো (যার মধ্যে ক্রোক আদেশও রয়েছে) নেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তিগুলোর লঙ্ঘন।


সোর্স: বিডিনিউজ
বিডিএলপিবি/এমএম

কুমিল্লায় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত 

জেলার কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২।বৃহস্পতিবার বিকালে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬শ’ টাকা সমমূল্যের জালনোট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫শ’ টাকার ২০২টি এবং ২শ’ টাকার ৪৮৩টি জাল নোট ছিল।

এ সময় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- নোয়াখালী সদর উপজেলার লক্ষীনারায়ণপুর এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে নিশান ইসলাম (২৭) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাথুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত খবির মিয়ার ছেলে সোহেল আরমান (৪৪)।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। 
তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও বিভিন্ন মার্কেটে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার পরিকল্পনা ছিল বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


সোর্স: বাসস

বিডিএলপিবি/এমএম

২৭ মে, ২০২৬

কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত যুবককে কারাগারে প্রেরনের আদেশ

কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত যুবককে কারাগারে প্রেরনের আদেশ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীর কালশী বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার নাজমুল হাসান মনি (২৫) নামে এক যুবককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার আসামির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া জামিন পেলে তিনি পলাতক হতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হয়। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। পরে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে কালশী বস্তির এক দোকানিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে বিরোধের ঘটনা ঘটে। এসময় ওই যুবক বস্তিতে আগুন লাগানোর হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। পরে সন্ধ্যায় বস্তিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা তাকে আটক করে মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ওইদিন সন্ধ্যায় কালশী বস্তিতে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৮৯৬

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৮৯৬

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের অধীনে জেলা জজ ও অধস্তন আদালত/ট্রাইব্যুনালসমূহে জনবল (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে) নিয়োগে অনুষ্ঠিত ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে মোট ৮৯৬ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তাসলিম আরিফের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (২৪ মে) ফল প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের অধীনে জেলা জজ এবং অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোতে নিয়োগের লক্ষ্যে গত ৩ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত উল্লেখিত পদে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিসহ এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়।


বিডিএলপিবি/ এমএম


শাহ আলম হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ১১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

শাহ আলম হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ১১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ


ছবি: সংগৃহীত 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান চাকরিজীবী শাহ আলম। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় করা মামলায় তদন্ত শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

গত ১৭ এপ্রিল দেয়া ওই অভিযোগপত্রের তথ্য মঙ্গলবার (২৬ মে) জানা যায়। তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই আবু জাফর জানান, সাক্ষীদের জবানবন্দি ও প্রমাণের মাধ্যমে আদালতে মামলার ঘটনার প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক আবু জাফর হাওলাদার এই অভিযোগপত্র দেন। তবে অপরাধ প্রমাণে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১০ নেতাকর্মীকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে উসকানিমূলক বক্তৃতা, বিবৃতি দেন।

শেখ হাসিনা ছাড়া অভিযোগপত্রে উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন সাবেক সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিএমপি কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, যুবলীগ নেতা মুজিব মহসীন পিয়াস, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাইয়ুম, হাজি মো. ছালাম শিকদার, মো. হাবিবুল্লাহ ভূঁইয়া হ্যাপি, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন বাবুল, সাবেক কাউন্সিলর মো. মাসুম গনি ওরফে মাসুম গণি তাপস, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সালাউদ্দিন ভূঁইয়া, মোস্তাক আহমেদ, কোরাইচ্চা আলম ওরফে মো. আলম, ছাত্রলীগ নেতা চঞ্চল ওরফে আমিনুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান ধনু, কৃষক লীগ নেতা খান মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম লিটু, শ্রমিক লীগ নেতা বাদশা ঘরামী, আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবুল কাশেম হাওলাদার, শ্রমিক লীগ নেতা মিঠু দাস এবং মুন্না ওরফে টুনটুনি মুন্না ওরফে ম্যাগজিন মুন্না।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কারের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনা। তিনি কোটা সংস্কারের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কঠোরভাবে দমন-পীড়নের জন্য অনলাইনমাধ্যমে উসকানিমূলক উপর্যুপরি নির্দেশনা দেন৷ আসামি ওবায়দুল কাদের, আসামি মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল, মো. হাবিবুর রহমান প্রধান আসামির মতো বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে কোটা সংস্কারের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কঠোরভাবে দমন-পীড়নের জন্য উসকানিমূলক বক্তৃতা-বিবৃতি দেন, যা মামলাটির তদন্তকালে অনলাইন সার্চ করে সংগৃহীত তথ্য যাচাই করে সত্যতা পাওয়া যায়।

আসামিরা সবাই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাদের উসকানিমূলক বক্তৃতা, বিবৃতি দেন। ঢাকা-১১ আসনের সাবেক এমপি আসামি মো. ওয়াকিল উদ্দিন ও আসামি মো. লিয়াকত আলীর উসকানি, নির্দেশনা এবং হুকুমে তাদের সহযোগীরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রায়ই বাড্ডা থানাধীন, আফতাব নগর, ডিআইটি প্রজেক্ট এবং রামপুরা টিভি সেন্টার এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কারের আন্দোলনে অতর্কিতভাবে হামলা ও মারধর করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাতে বাড্ডা থানাধীন এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি আঘাত করে। অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে রাত ১০টার দিকে আসামিদের ছোড়া গুলি ভুক্তভোগী শাহ আলমের বুকের বাম পাশে লেগে বের হয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ আগস্ট তিনি মারা যান।

অব্যাহতির সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন কোতোয়ালি জোনের এসি নজরুল, লালবাগ জোনের এডিসি সুজন সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ, শেখ মোরশেদ, কাজী আলামিন ও বদরুলসহ মোট ১১০ জন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই আন্দোলনের সময় অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে রাত ১০টার দিকে আফতাবনগর গেটের পাশে গুলিবিদ্ধ হন শাহ আলম। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

একই বছরের ১৩ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে ১ সেপ্টেম্বর তার ভাই মিজানুর রহমান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৮ জনের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৬ মে, ২০২৬

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, দেশের বিচার বিভাগ যতোটা স্বাধীনতা উপভোগ করে, তা অন্য কোথাও কমই দেখা যায়।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

দেশে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং জট প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশে জজ এবং আইনজীবীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণেই মূলত মামলা নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লাগছে এবং এই দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হচ্ছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, এই হত্যা মামলার যেন সঠিক ও সুষ্ঠু ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়, সেদিকেও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম