![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএনসিসির মেয়র, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে এ নোটিশ দেন বিইউবিটি লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ)।
রাশেদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে বদ্ধপরিকর সেখানে রাস্তার মধ্যে ময়লা আবর্জনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা শুধু নাগরিককে অবহেলা না, প্রধানমন্ত্রীকে অবজ্ঞা করার শামিল। অতি দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিকট আমাদের দাবি।
নোটিশে বলা হয়, মিরপুর-১ থেকে টেকনিক্যাল পর্যন্ত মিরপুর রোডের বিভিন্ন স্থানে প্রধান সড়ক ও ফুটপাতের ওপর বর্জ্য লোডিং-আনলোডিং এবং স্তুপীকরণ করা হচ্ছে। এতে ফুটপাত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
বর্জ্যের কারণে দুর্গন্ধ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পরিবেশদূষণ, যানজট ও জননিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করে অবিলম্বে সড়ক ও ফুটপাতের ওপর স্তুপীকৃত সব বর্জ্য অপসারণ করে স্থানগুলো পরিষ্কার ও চলাচলযোগ্য করার দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সড়ক ও ফুটপাতকে বর্জ্য স্তূপীকরণ, সংগ্রহ, লোডিং-আনলোডিং বা অস্থায়ী সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহার বন্ধ এবং পথচারীদের জন্য ফুটপাতের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ বর্জ্য সংগ্রহ, লোডিং, আনলোডিং ও পরিবহনের ক্ষেত্রে ডিএনসিসির অনুমোদিত বা নির্ধারিত স্থান ও পদ্ধতি অনুসরণেরও দাবি জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া অঞ্চল-২-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন ও তদারকি এবং পুনরায় সড়ক বা ফুটপাতে বর্জ্য স্তূপীকরণ করা হলে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়, দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিকার চাওয়া হবে।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডেইলি সান বাংলা (১১.০৯.২০২৬)