![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
তিনি বলেন, আদালত কেন্দ্রিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্তদের পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ রয়েছে। তাই বিচারিক কার্যক্রম ও লিখিত আদেশের বাইরে কোনো তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দীর্ঘদিন আদালত কভার করতে গিয়ে আইন সাংবাদিকদের নিজস্ব একটি ‘এক্সপার্টিজ’ তৈরি হয়েছে। তারা জানেন আদালতের কার্যক্রমের কোন অংশ প্রকাশ করা যায় এবং লিখিত রায় বা আদেশের বাইরে কোন বিষয় জনসমক্ষে আনা সমীচীন নয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই অনেক ক্ষেত্রে সেলফ সেন্সরশিপ অনুসরণ করেন। আমি বিশ্বাস করি, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্যরা এ বিষয়ে সব সময় দায়িত্বশীল থাকবেন।
ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্নার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সংগঠনের সহসভাপতি আবু সালেহ রনি, যুগ্ম সম্পাদক তানভীর আহমেদ, অর্থ সম্পাদক মনজুর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আল আমীন, দফতর সম্পাদক মাহমুদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল বাশার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ইলিয়াস সরকার ও এস এম নূর মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম নেতারা দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিমকোর্টের এজলাসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ না করতে পারার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরই প্রধান বিচারপতির কাছে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলাম। সিনিয়র আইনজীবীরাও আমার সঙ্গে একই দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি আবারও প্রধান বিচারপতির নজরে আনা হবে।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৯.০৭.২০২৬)