সর্বশেষ

২৬ জুল, ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

কোলাজ ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং তৎকালীন সময়ে নীরব থেকে আওয়ামী লীগ সরকারকে সহায়তার অভিযোগে সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টি এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় এই আবেদনগুলো জমা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষে অভিযোগ দায়েরের পর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান। 

তিনি বলেন, ‘‘সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ শহীদ ও হাজার হাজার মানুষ আহত হলেও সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো কার্যকর ভূমিকা নেননি। এছাড়া ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম ও নির্বিচারে হত্যার বিষয়েও তিনি নীরব ছিলেন। অপরাধগুলোতে তার মৌন সম্মতি থাকায় এবং ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী হিসেবে কাজ করায় এ অভিযোগ আনা হয়েছে’’

দলের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংকালে জানানো হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে সংঘটিত গুম-খুনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সময় এই দুজন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। আইনগত 'সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি' বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগী হওয়ার দায় তারা এড়াতে পারেন না।

এদিকে, একই দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুবিধা প্রদান ও সহায়তার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরেকটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর আজ সপরিবারে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার স্থানত্যাগের পরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই আইনি পদক্ষেপের খবর সামনে এলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বাধা নয়: শিশির মনির

সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বাধা নয়: শিশির মনির

মোহাম্মদ শিশির মনির|ছবি: সংগৃহীত 
সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকলে দায়িত্ব ছাড়ার পর তার বিচার করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার মতে, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বিচার কার্যক্রমে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।

গতকাল (শনিবার) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে শিশির মনির বলেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে অথবা দায়িত্বে থাকার সময় যদি মো. সাহাবুদ্দিন কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ এ ধরনের বিচার পরিচালনায় কোনো বাধা দেয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর সংসদ বিলুপ্ত হওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্যেও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার পদত্যাগকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে তার সম্ভাব্য আইনি দায় ও সাংবিধানিক অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কের মধ্যেই আইনজীবী শিশির মনিরের এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত
 বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর আরোপ করা সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ও আইনবিরোধী ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে এমএফএস সেবার চার্জ নির্ধারণ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আলাদা একটি আইন প্রণয়ন করা হবে না কেন, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য এমএফএস সেবার চার্জ যেন যৌক্তিক, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী পর্যায়ে রাখা হয়—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।

এ বিষয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রবিবার (২৬ জুলাই) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব। তিনি নিজেই এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রুলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

দেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং সুবিধা সীমিত এমন জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ ও দৈনন্দিন লেনদেনে এসব সেবার ব্যবহার বেড়েছে। তবে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া সার্ভিস চার্জের হার ও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে এমএফএস খাতে চার্জ নির্ধারণ ও গ্রাহক সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিডিএলপিবি/এমএম

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

মো: সাহাবুদ্দিন: ছবি- সংগৃহীত 
ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকা শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। এই মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি বিএফআইইউ হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন এবং এই সময়কালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি কোম্পানি মিলে ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন নেয়। ২৪টি কোম্পানির একটি হলো রাষ্ট্রপতির কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। ওই টাকা এখনও ইসলামী ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৫ জুল, ২০২৬

বাগেরহাটে আইনজীবীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

বাগেরহাটে আইনজীবীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

নিহত আইনজীবী নিজাম উদ্দিন শান্ত
বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) নামের এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে সদর উপজেলার হাড়িখালী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নিজাম উদ্দিন শান্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিজাম উদ্দিন শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাগেরহাট শহর থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজন ও সহকর্মীরা জানান, নিজামের বাবা তোরাফ আলী এক মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এর আগে তিনি তার মা ও স্ত্রীকে হারান। তার দাদা বাড়ি গোপালগঞ্জে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শহর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অজ্ঞাতরা ওই আইনজীবীকে ছুরিকাঘাত করে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও স্থানীয়দের ফোন পুলিশ সেখানে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সোর্স: ইত্তেফাক

২৪ জুল, ২০২৬

বার কাউন্সিলের রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত

বার কাউন্সিলের রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত

বার কাউন্সিলের বর্তমান কমিটির প্রথম সভার ছবি 
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের রোল এবং পাবলিকেশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।  আজ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং বার কাউন্সিলের রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শিশির মনির তার ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইল এ দেওয়া এক পোস্টে একথা জানান।

তিনি জানান, উক্ত সভায় নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

১। ২০২১ সাল থেকে বিএলডি প্রকাশ করা। বিএলডির অ্যাডভাইসরি বোর্ড, এডিটোরিয়াল বোর্ড, রিপোর্টারস দ্রুত পুনর্গঠন করা।

২। সংবিধানের ৮ম, ১৩তম, ১৫তম, ১৬ তম মামলার রায় নিয়ে বিশেষ সংখ্যা বের করা।

৩। ডিজিটাল বিএলডি পর্যালোচনা সাপেক্ষে সকলের জন্য সাবস্ক্রিপশন উন্মুক্ত করা।

৪। ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করার জন্য ডিজিটাল টিম গঠন করে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

৫। বিএলডি ডাইজেস্টসমূহ প্রকাশ করা।

৬। সনদ স্থগিতকরণ, বার পরিবর্তন, সনদ পুনরায় ফেরত সংক্রান্ত অধিকাংশ ফাইল নিষ্পত্তি করা হয়।

৭। বিজ্ঞ আইনজীবীদের নামের সংশোধন জন্য দায়েরকৃত দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তি করা হয়।

৮। সকল বিজ্ঞ আইনজীবীদের অনলাইন ডাটাবেজ তৈরি করে অনলাইন লগইন পাসওয়ার্ড দিয়ে স্ব স্ব একাউন্ট মেইনটেইন করার বিষয়ে চলমান প্রক্রিয়া কাউন্সিলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।

৯। এছাড়াও চলমান প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং স্মার্ট অনলাইন ব্যবস্থা চালুকরণ।

শিশির মনির জানান, ইনশাআল্লাহ আগামী মাসেই আইনজীবী বন্ধুগণ গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পাবেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সংসদে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

সংসদে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল: ফাইল ছবি
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিকাল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। এ কারণে স্পিকার পদ শূন্য হয়ে যায়। একইভাবে সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকারের পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গেসঙ্গে তার স্থলে দায়িত্ব পান ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আপনারা জানেন যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি, যদি প্রয়োজন হয়। একইভাবে আমাদের ডেপুটি স্পিকার সাহেব তিনিও যখন ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নেন।’

তিনি জানান, শপথের অংশে বর্ণিত থাকে, কোনও কারণে যখন স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে, তখন ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় বলা হয়, স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা তিনি রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করলে কিংবা অন্য কোনও কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলে সংসদ নির্ধারণ করলে স্পিকারের সব দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করবেন, কিংবা ডেপুটি স্পিকারের পদও শূন্য হলে সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি-অনুযায়ী কোনও সংসদ-সদস্য তাহা পালন করবেন; এবং সংসদের কোনও বৈঠকে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারও অনুপস্থিত থাকলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোনও সংসদ-সদস্য স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।


বিডিএলপিবি/এমএম