সর্বশেষ

৭ আগ, ২০২৬

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি
জেলায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৬ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় জিহাদুল বিশ্বাস নামে এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহ আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো. লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী ও শামীম বিশ্বাস। মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীমকে ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় মো. লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী ওরফে কাবিলা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল ডিম ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম জেলার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। 

এসময় তার সাথে একজন কর্মচারী ছিলেন। তারা দুজন উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে একজন পুলিশের পোশাক পরিহিত এবং বাকি তিনজন সিভিল পোশাকে তাদের গতিরোধ করে। এ সময় তারা জানায় রবিউলের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে এবং তাদের সাথে থানায় যেতে বলে। 

তারা ব্যবসায়ী রবিউলকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে থানার দিকে না গিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীর দিকে রওনা হয়। তখন রবিউল কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে ফেলে যায়। 

ঘটনার পরদিন তিনি পাইকগাছা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজুল ইসলাম ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

১১ কার্যদিবসে হাইকোর্টে ৫৭ হাজার পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি

১১ কার্যদিবসে হাইকোর্টে ৫৭ হাজার পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি

ছবি: সংগৃহীত

হাইকোর্টে ১১ কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ৫৭ হাজার ২৩২টি পুরাতন (ক্রিমিনাল মিস ও রিট) মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এই তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বিগত ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোর মাননীয় বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরোনো ক্রিমিনাল মিস ও পুরোনো রিট মামলা নিষ্পত্তির এ বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ (৬ আগস্ট) হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে ৬ হাজার ৯৬৮টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে মোট নিষ্পত্তিকৃত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলার সংখ্যা অর্ধলক্ষ অতিক্রম করেছে। সম্প্রতি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং পুরাতন রিট মামলা মিলিয়ে মোট ৫৭ হাজার ২৩২টি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে এবং পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমানের সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।  ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

এর আগে নিয়োগের চারদিনের মাথায় সোমবার (৩ আগস্ট) ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। 

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে সোলিসিটর উইংয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকেসহ ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণে এই দায়িত্বে অবমুক্ত থাকা অসম্ভব হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে তার পদত্যাগপত্রটি সদয় বিবেচনাপূর্বক গ্রহণ করে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ আগ, ২০২৬

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রমাণ চেয়ে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অন্তর্বতীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিছু মহল গণঅভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চরিত্রহননের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছর ধরে নানা ধরনের অপবাদ ও প্রচারের শিকার হচ্ছেন আসিফ মাহমুদ। তবে এখন পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কয়েকদিন আগে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদস্য হওয়ার জন্য তার কাছে আসিফ মাহমুদ ৩ কোটি টাকা দাবি করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে অভিযোগের প্রমাণ এবং কার কাছে, কখন ও কীভাবে অর্থ দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়।

তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ না দিয়ে তিনি শুধু ‘এমনটাই বলা হয়েছে’ বলে জানান বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। পরে তথ্য দেওয়ার কথা বললেও তিনি আর যোগাযোগ করেননি। এ কারণে তার বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে আসিফ মাহমুদের পক্ষ।
আইনি নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। তা না হলে প্রচলিত আইনে মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: বিডি ল' পোস্ট 
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামুন মাহবুব। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. মেহেদী হাসান।

এর আগে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সালেহসহ ২৩৬ জন এ রিট দায়ের করেন।

পরে আইনজীবী মামুন মাহবুব গণমাধ্যমে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ আইনের ১৩(ঘ) ধারা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে বা জনস্বার্থে, যে কোনও বা সব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বা অন্যান্য সদস্যগণকে সরকার অপসারণ করতে পারবে, এমন বিধান যুক্ত করে। এরপর এক আদেশে সব উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিট করেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘রিটে আমরা আইনের সংশোধন ও অপসারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছি। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই আইনের সংশোধনী এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান-মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।’


বিডিএলপিবি/এমএম

পুরুষ নির্যাতন দমন আইন চেয়ে দায়ের  করা রিট খারিজ

পুরুষ নির্যাতন দমন আইন চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ

ছবি: সংগৃহীত 
‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 বাটারফ্লাই হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খলিলুর রহমান গত মে মাসে ওই রিট করেন। রিটের পক্ষে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান নিজেই শুনানি করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন সচিবকে এতে বিবাদী করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
 
রিট আবেদনে বলা হয়, ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়ন করা হলে আইনের সমতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে নারীরা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের’ অপব্যবহার করতে পারবে না। পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন না থাকায় তারা (পুরুষ) বঞ্চিত ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

এছাড়া রিট আবেদনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের হয়রানি থেকে সুরক্ষায় ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা–ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে পুরুষদের এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছিল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

মানবতাবিরোধী অপরাধে আসামি হচ্ছেন জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসিসহ ৮ জনঃ প্রতিবেদন দাখিল

মানবতাবিরোধী অপরাধে আসামি হচ্ছেন জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসিসহ ৮ জনঃ প্রতিবেদন দাখিল

ছবিঃ সংগৃহীত 

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, ঢাবির সাবেক উপাচার্য মাকসুদ কামালসহ আট জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের কাছে তদন্ত সংস্থা কর্তৃক এই প্রতিবেদন দাখিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি মাকসুদ কামাল, শিক্ষক কে এম জামাল উদ্দিন, ড. জাফর ইকবাল, ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ। যাচাই-বাছাই শেষে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। 

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন– শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, সাবেক বিচারপতি এবিএম নিজামুল হক মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ.ক.ম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

প্রসিকিউশন জানায়, এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বর্তমানে তা পর্যালোচনা চলছে। এরপর ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম