সর্বশেষ

২৪ ফেব, ২০২৬

প্রসিকিউটর সুলতানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর

প্রসিকিউটর সুলতানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর


ছবি: সংগৃহীত 

(তথ্যসূত্র: আমার দেশ অনলাইন, তারিখ: ২৪,  ফেব্রুয়ারী, ২০২৬)  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তার স্ত্রী হোসেন আরা তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটার তাজুল ইসলামের কাছে গত ১৮ নভেম্বর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। এছাড়া সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের এক প্রহরীকে গানম্যান নিয়ে মারধরের অভিযোগ মিলেছে।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদের স্ত্রী ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগে জানান, গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ আমার গলা চেপে ধরে এবং পেটে-মুখে লাথি মেরে আমাকে মারাত্মক আহত করে। যার ফলে আমার একটি দাঁত পড়ে যায়। এক পর্যায়ে আমার বাচ্চার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আমাকে উদ্ধার করে। এভাবে সে প্রায়ই আমার ওপর নির্যাতন চালায়। এ ধরনের নির্যাতনের কারণে এর আগেও তিনি উচ্চ আদালতে অভিযোগ করেন।

স্ত্রী হোসেন আরা অভিযোগে আরো জানান, প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদের ক্রমাগত হত্যার হুমকির কারণে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের দারোয়ান মাঈন উদ্দিনকে গানম্যান দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে। জানা যায়, ২৬ অক্টোবর বিকেলে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ লিফটে উঠার সময় সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা প্রহরী মাঈন উদ্দিনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ তার গ্যানম্যানকে দিয়ে প্রহরী মাঈন উদ্দিনকে ধরে এনে ব্যাপক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এগুলো বানানো এবং মিথ্যা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অনুমতি ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গোপনীয় নথিপত্র বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্য বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনেন বিএম সুলতান মাহমুদ।

গ্রাম আদালত আইন বাতিলের প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

গ্রাম আদালত আইন বাতিলের প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবিঃ সংগৃহীত 

গ্রাম আদালত আইন কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। রিটে আইনটিকে সংবিধানবিরোধী ও অকার্যকর ঘোষণা করার আবেদন করে সেটি বাতিল চাওয়া হয়। সুপ্রিকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তানজিলা রহমান জুঁই।

রিট আবেদনে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করানো সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের নীতির পরিপন্থি। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিষয়ে বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু, গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই। প্রমাণ আইন ও কার্যবিধির পূর্ণ প্রয়োগ নেই। এমনকি আইনজীবীর অংশগ্রহণও সীমিত। ফলে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে। ভৌগোলিক ভিত্তিতে আলাদা বিচারব্যবস্থা নাগরিকদের সমতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ২৭ ও ৩১) লঙ্ঘন করে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়।

ডিসি মাসুদের শাস্তি দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে কর্মসূচির ঘোষণা

ডিসি মাসুদের শাস্তি দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে কর্মসূচির ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সংক্রান্ত এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীন-এর ওপর বর্বর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে। ২. ক্যাম্পাস এরিয়ার ভেতরে ও বাইরে সকল প্রকার অযাচিত পুলিশিং বন্ধ করতে হবে। ৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

পিলখানা হত্যা মামলা: প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

পিলখানা হত্যা মামলা: প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

ছবিঃ সংগৃহীত

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হামলার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এবার মামলায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে—প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আসামি করা হচ্ছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ওই ঘটনায় সেনা বাহিনীর ৫৭ জন কর্মকর্তা নিহত হন। তখন থেকে হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দীর্ঘসূত্রে চলেছে। বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন—১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারাধীন।

তবে এ ঘটনায় নতুন আবিষ্কার হিসেবে এসেছে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা। চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, সম্পূরক চার্জশিটে শেখ হাসিনা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের উচ্চপদস্থ নেতাদের নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আইনে এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘসময় মামলা পরিচালনা করতে করতে তারা ক্লান্ত, এবং দীর্ঘসূত্রী বিচার প্রক্রিয়ার কারণে হতাশ পরিবারের অসন্তোষও বেড়েছে। আইনজীবী পারভেজ হোসাইন বলেন, ‘হত্যা মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন, বিস্ফোরক মামলায় একই আসামির অন্তর্ভুক্ত থাকার কারণে তারা এখনও জামিন পাননি। এটি আইনি জটিলতা আরও বাড়িয়েছে।’

চূড়ান্তভাবে মামলাগুলো কখন নিষ্পত্তি হবে, তা এখনো অজানা। তবে প্রসিকিউশনের দাবি, নতুন চার্জশিটের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হয়েছে, যা মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা


ছবি: ফাইল

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ। তার দাবি, ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানান।

মোহসিন রশীদ অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো নথিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে দেশে সাংবিধানিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক; তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার সামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একজন সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে ‘চোর’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন, অথচ ওই উপদেষ্টা তার কাছেই শপথ নিয়েছিলেন।

মোহসিন রশীদের দাবি, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের প্রচেষ্টা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী কাজ। এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পৃক্ততা বা নীরব সমর্থন ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠন করা উচিত বলে মত দেন তিনি।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানান তিনি। তার বক্তব্য, রাষ্ট্র কোনো খেলার বিষয় নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার বিষয়েও তিনি আদালতে গেছেন বলে জানান এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ আবেদন করবেন বলেও উল্লেখ করেন।

ভবিষ্যতে যেন কোনো অবৈধ বা অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না আসে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান মোহসিন রশীদ। সরকার যদি তদন্ত কমিটি গঠন না করে, তাহলে তিনি নোটিশ দিয়ে নিজেই মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেবেন এবং ড. ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন বলেও জানান। তার ভাষায়, “আগেও করেছি, আবারও করব।”

২৩ ফেব, ২০২৬

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী


 ছবি: সংগৃহীত 

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। দ্রুত এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। রাগিব রউফের আগে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।

গত ২৭ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন আগের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। পরে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ী হওয়ার পরে আইনমন্ত্রী হয়েছেন।

রাগিব রউফ চৌধুরীর বাবা ছিলেন ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত আব্দুর রউফ চৌধুরী। ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং ঢাকা নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঐতিহ্যবাহী আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়া যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার


ছবি: সংগৃহীত 

কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানাধীন বটতলা এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে ডেমরা থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী এক তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটকে রাখেন নোবেল। এ সময় জোরপূর্বক ভুক্তভোগীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির জন্য চাপ দেন।

এ বিষয়ে তরুণী গত বছরের ১৩ আগস্ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অধিকতর তদন্তের জন্য আদালত পিবিআইকে দায়িত্ব দেন। ২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআই এসআই নুরুজ্জামান। ওই দিনই আদালত মাইনুল আহসান নোবেলসহ ৪ জনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে। পরে ডেমরা থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন আসামিদের আইনের আওতায় এনে আদালতে সোপর্দ করার জন্য।

ডেমরা থানার অপারেশন অফিসার মো. মুরাদ বলেন, আদালত থেকে নোবেলসহ ৪ জনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে ডেমরা থানা পুলিশকে অবহিত করলে থানা পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করে প্রধান আসামি নোবেলকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।