সর্বশেষ

৬ মে, ২০২৬

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম নবনির্বাচিত এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। 

আজ (বুধবার দুপুর ১২টায় পর তিনি সংসদে শপথ নেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয়ে নুসরাতের শপথ বাক্য পাঠ করান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ গ্রহণ শেষে নববির্বাচিত সংসদ-সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল। কিন্তু ৪টা ১৯ মিনিটে নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিলম্ব দেখিয়ে ইসি তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেনি। পরে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

আদালত ইসিকে নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইসি তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ছবি: সংগৃহীত 

বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা সরকারের প্রতিচ্ছবি। তাঁরা নির্বাহী বিভাগ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ডিসিরা।

সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে আপিল বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৭ বছরের শিশুকে ২১ বছর উল্লেখ করে মামলা, বাদীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

৭ বছরের শিশুকে ২১ বছর উল্লেখ করে মামলা, বাদীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ


ছবি: সংগৃহীত 

নাটোরের গুরুদাসপুরে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর বয়স ২১ বছর দেখিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়েরের অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ মে) নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ওই শিশুকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার হোসেনকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলার ধারবারিষা ইউনিয়নে। সে সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার বাদি শাহানুর রহমান একই ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

আদালত ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর থানার দায়ের হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২৬ এপ্রিল সাত বছরের এক শিশু আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। আইনজীবীর দেওয়া তথ্য ও কাগজপত্র পরীক্ষা করে বিচারক আসামির বয়স সাত বছর সাত মাস দুই দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় থানার ওসির নিবন্ধিত প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) শিশুটির বয়স ২১ বছর লেখা থাকা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে তিনি শিশুটির জামিন মঞ্জুর করে মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে কৈফিয়ত তলব করেন। 

আদালত সূত্র বলছে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক বখতিয়ার হোসেন ও বাদী শাহানুর রোববার বেলা ১১টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। এ সময় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে বলেন, মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের খোঁজে এলাকায় গিয়েছিলেন। কিন্তু মামলায় অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়স যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বয়স কম থাকার বিষয়টি আসামি পক্ষও পুলিশকে জানায়নি। 

তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য শোনার পর আদালত তাকে অবিলম্বে বাদীর বিরুদ্ধে গুরুদাসপুর থানায় ভুল তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দেন। সাত দিনের মধ্যে ওই শিশুকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমার নির্দেশও দেন। বিষয়টি ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন বখতিয়ার হোসেন।

এ সময় বাদী আদালতের কাছে ক্ষমা চাইলে আদালত বলেন, এ অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই। বয়স দুই-এক বছর কমবেশি হতে পারে। তাই বলে ৭ বছরের শিশুর বয়স ২১ বছর লেখার কোনো সুযোগ নেই। তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল কাদের বলেন, সরকারি কর্মচারীকে অসত্য তথ্য সরবরাহ করলে দণ্ডবিধির ১৭৭ ও ১৮২ ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে। এই ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১১ বছরের মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত সেই শিক্ষক গ্রেফতার

১১ বছরের মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত সেই শিক্ষক গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত 

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, আইনজীবী জানালেন স্মৃতি শক্তি নেই

তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, আইনজীবী জানালেন স্মৃতি শক্তি নেই

ছবি: সংগৃহীত 

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এ পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানাভুক্ত অপর দুই আসামিরা হলেন, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মোশারফ হোসেন।

মঙ্গলবার মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা আদালতকে জানান তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম।

পাশাপাশি অভিযোগ গঠন ও শুনানি পেছাতে আবেদন করেন। তবে আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণের কোন সুযোগ নেই মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। পরে আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেন। তবে তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে এক আসামি জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে আবেদন দিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।

আরিফুল ইসলাম আরো জানান, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আসামিকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো-এর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলা মামলাটি দায়ের করেন। এতে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।

মামলায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

মামলাটি তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।

মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় ৪ জনের ১০ বছরের জেল

মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় ৪ জনের ১০ বছরের জেল


ছবি: প্রতিকী

প্রায় ৩৫ বছর আগের অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার দায়ে চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

৫ মে, ২০২৬

বিচারপতিদের বাসায় কাজ করতে অস্বীকৃতি, ৪ এমএলএসএস বরখাস্ত

বিচারপতিদের বাসায় কাজ করতে অস্বীকৃতি, ৪ এমএলএসএস বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত 

বিচারপতিদের বাসায় কাজ করতে বাধ্য করার ঘটনায় প্রতিবাদ করে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের চারজন এমএলএসএস (অফিস সহায়ক)। তারা হলেন- মো. আসাদুজ্জামান, মোসা. রুক্ষুন নিশা, মো. মিরাজ ও মো. মেহেদী হাসান।