সর্বশেষ

১০ সেপ, ২০২৬

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার বাস রূপান্তর, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার বাস রূপান্তর, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

কোলাজ ছবি 
দেশে এখনো কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তার পরও সিঙ্গেল ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে পরে বডি পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বাস বানিয়ে সড়কে চালানো হচ্ছে। এমন ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের নির্দেশনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার তিন সদস্যের এই কমিটি সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি প্রতিবেদনটি জমা দেয়। অননুমোদিত স্লিপার বাস চলাচলের বৈধতা নিয়ে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএর গঠিত তিন সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান ২০২৫ সালে অননুমোদিত স্লিপার এসি বাস চলাচলের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে একই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি আদালত রুল জারি করেন। 

পরে রিটকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের বিষয়ে একটি স্বাধীন কারিগরি কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে।

বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লার নেতৃত্বাধীন কমিটিতে সদস্য ছিলেন উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এ এস এম কামরুল হাসান ও সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মঈনুল ইসলাম।

কমিটিকে দেশে অনুমোদিত ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের সংখ্যা নির্ধারণ, অননুমোদিত বাসের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস অনুমোদন পেলে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশ দিতে বলা হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিআরটিএ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তবে বিআরটিএর ডাটাবেজ পর্যালোচনা করে ডাবল ডেকার (স্লিপার নয়) হিসেবে ৮২৯টি বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিটির পর্যালোচনায় দেখা যায়, সিঙ্গেল ডেকার বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর কিছু মালিক বাসের বডির ধরন পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বানিয়ে সড়কে চালাচ্ছেন। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত সড়কে চলাচলরত তিনটি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। অননুমোদিত এসব বাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের জন্য বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট গাইডলাইন বা নীতিমালা নেই। এ কারণে এ ধরনের বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় না। সিঙ্গেল ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়া কোনো বাস পরে ডাবল-ডেকার স্লিপারে রূপান্তর করে ফিটনেস নবায়নের জন্য এলে তার ফিটনেস নবায়ন না করে রেজিস্ট্রেশন স্থগিতের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব অননুমোদিত বাসকে রুট পারমিটও দেওয়া হচ্ছে না।

কমিটি বলেছে, বর্তমানে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী সিঙ্গেল ডেকার বাসের অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে। ফলে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের জন্য পৃথক নিরাপত্তা কাঠামো বা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নেই। 

উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের বাসের অনুমোদন, পরিচালনা ও যাত্রী নিরাপত্তার জন্য জাতীয় গাইডলাইন বা নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (১০.০৯.১০২৬)

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে সম্মুখীন করা অযৌক্তিক: হাইকোর্টের রায়

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে সম্মুখীন করা অযৌক্তিক: হাইকোর্টের রায়

ছবি: সংগৃহীত
অবসরের পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন করে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সাবেক বিচারপতি ও তাঁদের স্ত্রীদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত পুলিশ বা গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন ছাড়াই দ্রুত সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর পাসপোর্ট-সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দায়ের করা এক রিট মামলার রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়টি প্রকাশ করা হয়েছে। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন।

রায়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীসহ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারক ও তাদের স্ত্রীদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন ছাড়াই সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আদালত বলেছেন, বিচারক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের সম্মুখীন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

এর আগে দায়ের করা রিট আবেদনে বলা হয়, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও তাদের স্ত্রীগণ কূটনৈতিক পাসপোর্টের অধিকারী। বিচারকের পদ থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর এই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে তাদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়। পূর্বে এসব সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতো না।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট এক স্মারকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারী ব্যক্তিদের সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার পূর্বে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদনের শর্ত দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্তের কারণে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলেও গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ার অজুহাতে তাকে পাসপোর্ট না দেওয়ায় তিনি বিদেশ ভ্রমণে বাধাগ্রস্ত হন। এ ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতিক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল অফিসার মো. রোমান ভূঁইয়া প্রশাসনিক এই বাধা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। পরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেই রুল নিষ্পত্তি করে এই রায় দেওয়া হলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

এবার পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন

এবার পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন

ছবি: সংগৃহীত 
পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন শাপলা। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবরে আজ বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে তিনি পদত্যাগপত্র দেন। এ নিয়ে দুই দিনের ব্যবধানে ছয়জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র দিলেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার ৫ আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তারা হলেন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সুলতানা আক্তার রুবি, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) রোহানী সিদ্দিকা ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল প্রোজ্জ্বল চাকমা।


বিডিএলপিবি/এমএম

এবার হংকংয়ে নাসা গ্রুপের নজরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সম্পদ জব্দের আদেশ

এবার হংকংয়ে নাসা গ্রুপের নজরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সম্পদ জব্দের আদেশ

ফাইল ছবি
বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যৌথ তদন্ত দলের (জেআইটি) টিম লিডার ও উপ-পরিচালক মো. রাউফুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেআইটির আবেদনে বলা হয়, দুদকের তদন্তে নজরুল ইসলাম মজুমদার, তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৬টি ব্যাংক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বের করে নেওয়া, আত্মসাৎ এবং এর একটি অংশ যুক্তরাজ্য, আইল অব ম্যান, জার্সি ও হংকংয়ে পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তে নজরুল ইসলাম, তার ছেলে ওয়ালিদ ইবনে ইসলাম ও মেয়ে আনিকা ইসলামকে হংকংভিত্তিক চায়না সুপ্রিম লিমিটেডের প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের দ্য ব্যাংক অব ইস্ট এশিয়া লিমিটেডে একটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাব রয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়াই বিদেশে অর্থ নেওয়া হয়েছে এবং বিদেশে অর্জিত সম্পদের তথ্য আয়কর রিটার্নেও গোপন করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে হংকংয়ে সম্পদ কেনা হয়েছে। এসব সম্পদ হস্তান্তর বা সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সম্পদ সুরক্ষায় চায়না সুপ্রিম লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ এবং এর নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ, ফ্রিজ বা ব্লক করা জরুরি।

এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম মজুমদার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাস ভঙ্গের ঘটনায় দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া নজরুল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আরও দুটি মামলা হয়েছে। অর্থ পাচারের একটি মামলায় ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে এবং মামলাটি বিচারাধীন।

এর আগে বিদেশে থাকা নজরুলের আরও সম্পদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয় দুদক। তদন্তে যুক্তরাজ্য, আইল অব ম্যান, জার্সি ও হংকংয়ে অর্থ ও সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দেশ এবং অঞ্চলে থাকা সম্পদ সুরক্ষায় ধারাবাহিকভাবে আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হংকংয়ের সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ-সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (১০.০৯.২০২৬)

৯ সেপ, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে ভবন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

সুপ্রিম কোর্টে ভবন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

ফাইল ছবি
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনুমোদন ছাড়াই আটটি প্যাকেজে কাজ ভাগ করে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির এক অভিযানে গণপূর্তের কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই টাকা লোপাটের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলায় আদালতে চার্জশিট দিতে যাচ্ছে কমিশন।

সুপ্রিম কোর্টের ১৪ তলা বিশিষ্ট রেকর্ড ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদফতরের অধীনে ১৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স-এনডিই।

২০২৩-২৪ অর্থ বছরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে অসঙ্গতি খুঁজতে বুধবার  দুদক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে খুঁজে পায়, টেন্ডার কারসাজি ও প্যাকেজ বিভাজনে অনিয়মের মাধ্যমে ৮টি সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজটি করায় এনডিই। তারা বলছে, রেকর্ড ভবন সংলগ্ন ক্যান্টিন, বেকারি নির্মাণসহ ৮ প্যাকেজে পুরোপুরি কাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গণপূর্তের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের যোগসাজশে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করে।

এদিকে ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দুই মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাই এবিএম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে হারুন অর রশীদ তার বাবা-মায়ের নামে অবৈধ সম্পদ ক্রয় করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: সময় টিভি (০৯.০৯.২০২৬)

রুল খারিজ: ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র নয়: হাইকোর্ট

রুল খারিজ: ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র নয়: হাইকোর্ট

ছবি: সংগৃহীত 
ছবি ছাড়া বায়োমেট্রিক ফিচার ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার দাবিতে করা রিটের রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র করার সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী।

বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শেখ ওমর শরীফ ও ইলিয়াছ আলী মণ্ডল। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী।

নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, আজকের রায়ের ফলে ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র করার সুযোগ থাকছে না।

জানা গেছে, ছবি ছাড়া বায়োমেট্রিক ফিচার ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার দাবিতে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রিটটি করেন রাজধানীর শাহজাহানপুর শান্তিবাগের বাসিন্দা সুমাইয়া আহমাদ মুনা। পরে ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ রুলটি খারিজ করে দেন আদালত।

বিডিএলপিবি/এমএম

মেট্রোরেলে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক চেয়ে ডিএমটিসিএলকে লিগ্যাল নোটিশ

মেট্রোরেলে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক চেয়ে ডিএমটিসিএলকে লিগ্যাল নোটিশ

ফাইল ছবি
মেট্রোরেলে চলমান ট্রেন ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং কলসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডকে (ডিএমটিসিএল) আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে জনস্বার্থে এই আইনি ডিমান্ড নোটিশ পাঠান বিইউবিটি ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিইউএলএ) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ. এম. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ)।

অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নোটিশে দেশের প্রধান তিনটি মোবাইল অপারেটর—গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং রবি আজিয়াটা (এয়ারটেল)-কে মেট্রোরেল এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের অনুমতি ও অবকাঠামোগত সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় চার লাখ যাত্রী মেট্রোরেল ব্যবহার করছেন। তবে চলমান ট্রেন ও স্টেশনগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকায় যাত্রীরা জরুরি ফোনকল করতে পারেন না। অনেক ক্ষেত্রে কল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে লিখিতভাবে নোটিশদাতাকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদনসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (০৯.০৯.২০২৬)