সর্বশেষ

১৮ মে, ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পরে দিনগুণতে থাকেন কবে তিনি ওই পদে যাবেন। অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসানোর চেষ্টা দেখেছি। আমরা এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটাতে চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মীরা সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। আগের সরকারের সময় রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে আদালত বসিয়ে বিচারের নামে সাজা দিয়েছেন, তারা জবাবদিহির বাইরে রয়ে গেছেন। আমরা তাদের ফেরেশতার মতো দেখি। তারা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ দেখেছি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সানজিদা ইসলাম তুলি, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, জেলা ও দায়রা জজ শামসুদ্দিন মাসুম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও খালেদ হামিদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, গুম সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য আইনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তাতে অপরাধীই বেশি লাভবান হতো। সেটাকে আমরা আরো সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে করা হয়েছে, তাতে করলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একইসঙ্গে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম নিয়ে একটি কার্যকরী আইন করতে চাই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যেন নখ দন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে যুগপোযোগী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, নতুন জেনারেশন অনেক মেধাবী। তাদের সঠিক জায়গায় বসাতে হবে। আমরা একের পর এক প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে ফেলেছি।

সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা বলেন, আমার স্বামী সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীকে ২০১২ সালে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে গুম করা হয়। এরপর আরো অনেক লোককে গুম করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গুম সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাইনি। দেশ থেকে গুম চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, গুম একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। আমি চাই আগে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য সরবরাহ করা হোক।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৭ মে, ২০২৬

ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা কেন বাতিল নয়, রুল জারি

ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা কেন বাতিল নয়, রুল জারি

ছবিঃ সংগৃহীত
বিদেশি মোবাইল কোম্পানিকে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের মালিকাধীন গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা রেখে করা টেলি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কিং এবং লাইসেন্স পলিসি কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ আইনে দেশের মোবাইল কোম্পানির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। 
বিসিবি নির্বাচন নিয়ে হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট

ছবিঃ সংগৃহীত 

আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন শোনেননি হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আদালত বলেছেন, আমরা বিসিবি নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবো না।
আপিল বিভাগেও আইভীর জামিন বহাল, কারামুক্তিতে নেই আইনি বাধা

আপিল বিভাগেও আইভীর জামিন বহাল, কারামুক্তিতে নেই আইনি বাধা

ছবি: সংগৃহীত 

এর আগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই মামলায় গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে আইভীকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করলে তা আজ চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য ওঠে।

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ


ছবি: সংগৃহীত 

রোববার (১৭ মে) বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রুলসহ এ আদেশ দেন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং কোনো ধরনের হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৭ মে) বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, সাঈদ আহমেদ রাজা, মুস্তাফিজুর রহমান ও মোনায়েম নবী শাহীন।

আইনজীবীরা জানান, গত ১২ মে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত দুটি হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারপতি খায়রুল হক হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। ওই আদেশের পর তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন যে, সব মামলায় জামিন হওয়ায় তাঁর কারামুক্তিতে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই। তবে এরই মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে গত বুধবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছে।

এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পাঁচ মামলায় গত ২৮ এপ্রিল বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ মার্চ হাইকোর্ট জামিনের বিষয়ে রুল মঞ্জুর করে চার মামলায় খায়রুল হককে জামিন দিয়েছিলেন। এরপর ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও তিনি জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করলেও আদালত তা খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানায় আরিফ ও আদাবর থানায় রুবেল হত্যা মামলায় খায়রুল হককে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি পুনরায় হাইকোর্টে আবেদন করেন এবং গত ১২ মে ওই দুই মামলায় জামিন পান। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন। এরপর তাঁকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। আজকের হাইকোর্টের আদেশের ফলে সুনির্দিষ্ট নতুন কোনো মামলা ছাড়া তাঁকে আর গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না।

আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ


ছবি: সংগৃহীত 

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (১৭ মে) সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার এই আদেশ দেন।

মামলার বাদী ও সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল। মামলার পর একই দিন আদালত আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে নির্ধারিত তারিখে তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে আজ রবিবার (১৭ মে) আমির হামজার পুনরায় আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিনও তিনি আদালতে অনুপস্থিত থাকেন। আসামির এমন ধারাবাহিক অনুপস্থিতির কারণে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিজ্ঞপ্তি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশের এই আদেশ দেন। 

বাদী পক্ষের আইনজীবী জানান, আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও আসামি হাজির না হলে তাঁর অনুপস্থিতিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিচারে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিচারে যুক্তিতর্ক শুরু আজ


ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আজ রোববার (১৭ মে) যুক্তিতর্ক শুরু হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে প্রথমে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন। পরে আসামিপক্ষ তাদের বক্তব্য তুলে ধরবে।

এর আগে, ২৭ এপ্রিল মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। ওইদিন ২৬তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে জেরা করেন সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। ১৯ এপ্রিল তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আর এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন।