সর্বশেষ

২৬ মে, ২০২৬

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, দেশের বিচার বিভাগ যতোটা স্বাধীনতা উপভোগ করে, তা অন্য কোথাও কমই দেখা যায়।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

দেশে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং জট প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশে জজ এবং আইনজীবীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণেই মূলত মামলা নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লাগছে এবং এই দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হচ্ছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, এই হত্যা মামলার যেন সঠিক ও সুষ্ঠু ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়, সেদিকেও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা তানভীরকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা তানভীরকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ


ছবি: সংগৃহীত 

কারাবন্দী থাকা পুলিশ কর্মকর্তা এসএম তানভীর আহমেদকে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৫ মে) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক মিরাজুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন।

তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরিশালের কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাসিম হোসেন।

এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এসএম তানভীর আহমেদ। মামলা হওয়ার দেড় বছর পর আবেদনে তার বিরুদ্ধে শ্যোন-অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানো) মঞ্জুর করেন আদালত।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আব্দুর রহমান জানান, কোতোয়ালি থানার মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করেন এসআই নাসিম হোসেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৪ জুন আসামিকে সশরীরে উপস্থিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তানভীর আহমেদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ও কুষ্টিয়া জেলার সাবেক পুলিশ সুপার ছিলেন। একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগারে বন্দি আছেন।

এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, বরিশালে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় শ্যোন-অ্যারেস্টের আবেদন করলে তা মঞ্জুর করেন আদালত। আগামী ৪ জুন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে তাকে বরিশাল আদালতে উপস্থিত করা হবে। এরপর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

কক্সবাজার আদালতের প্রবেশ পথে গুলির ঘটনায় দুই মামলা, আসামি ১৩

কক্সবাজার আদালতের প্রবেশ পথে গুলির ঘটনায় দুই মামলা, আসামি ১৩


ছবি: সংগৃহীত 

কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গনে গোলাগুলির ঘটনার প্রেক্ষিতে দ্রুত বিচার ও অস্ত্র আইনের অধীনে সদর মডেল থানায় আলাদা ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই গোলাগুলির ঘটনায় সদর মডেল থানায় ১৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কক্সবাজার সদর মডেল থানার তদন্তের পরিদর্শক হিমেল রায় মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

একটি মামলার বাদি হলেন ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লিয়াকত আলী। এই মামলাটিতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার জিয়াউল হক জিকুকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অপরদিকে ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত রাখা হয়েছে। এটি দ্রুত বিচার আইনে ইস্যু করা হয়েছে। অপর দিকে, অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই মো. রুহুল আমিন বাদি হয়ে দায়ের করা মামলাটিরও প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়া জিয়াউল হক জিকু। এই মামলার এজাহারে ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, এবং কয়েকজনকে অজ্ঞাত দেখানো হয়েছে বলেও জানান হিমেল রায়।

তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটিতে পৃথকভাবে ১ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু আদালতে রিমান্ডের শুনানি না করে আসামিদের কারাগারে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই মামলায় অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে অভিযানে নেমেছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যাচ্ছে, গ্রেফতার হওয়া জিয়াউল হক জিকু কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার কালিরছড়া এলাকার আবদুল গণির ছেলে। মামলার অপর ৫ আসামি বাদির নিজ এলাকা লিংকরোডের বাসিন্দা।

এদের মধ্যে মৃত আশরাফুজ্জামানের ছেলে মাহামুদুল হক, মৃত লোকমান হাকিমের ছেলে আবদুল খালেক, মৃত আশরাফুজ্জামানের আরেক ছেলে যথাক্রমে সাহাবউদ্দিন, শামশুউদ্দিন ও মো. জসিম উদ্দিন।

এছাড়া, এক মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করেছেন যে, অপরাধের প্রতিবাদ করায় তাকে খুন করার উদ্দেশ্যে বিবাদীরা এই গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে।

এসআই মো. রুহুল আমিন বাদি হয়ে দায়ের করা অস্ত্র মামলার প্রধান আসামি জিকু। তিনি ছাড়া অন্যান্য আসামির মধ্যে লিংক রোড এলাকার আকবর আহমদ মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ জাহেদ (লিয়াকত আলীর ভাই), মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ছেলে মো. মেহেদী (লিয়াকত আলীর ভাগিনা), আকবর আহমদ মেম্বারের ছেলে শামশুল আলম বাপ্পী (লিয়াকত আলীর ভাই), রামুর গর্জনিয়া এলাকার মৃত সুলতান আহমদের ছেলে রহিম, একই এলাকার ছৈয়দ হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন, এবং আবদুর রহমানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন।

মামলার এজাহারে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ভিডিও চিত্রে এরা হস্তাস্ত্র নিয়ে আসতে দেখা গেছে। রোববার (২৪ মে) সকালে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গনে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার মামলায় হাজিরা দিতে এসে গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তাকে গুলি করে একদল দুর্বৃত্ত। এই ঘটনার ফলস্বরূপ লিয়াকত আলী ও তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আহত হন। লিয়াকত আলী প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও মঈন উদ্দিনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায় যে, হামলা করতে আসা এবং আহত ব্যক্তির সাথে থাকা উভয় জনের হাতে অস্ত্র ছিল। এমনকি অস্ত্র ছিল লিয়াকত আলীর ভাইয়ের হাতেও।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান জানান, রোববার সকালে গুলির ঘটনাটি লিয়াকত আলী মেম্বার ও খালেক বাহিনীর মধ্যে মামলার বিরোধকে কেন্দ্র করে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে এই দুই গ্রুপ ছাড়াও তৃতীয় পক্ষের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা রামুর গর্জনিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত বিরোধের সূচনা হতে পারে।

গরু পাচার, মাদক চোরাচালান সম্পর্কিত কিনা-এমন প্রশ্ন করা হলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, এই ধরনের কিছু একটা হতে পারে। তিনি বলেন, ঘটনার পেছনের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বনশ্রীতে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে আসামি কারাগারে

বনশ্রীতে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে আসামি কারাগারে


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর রামপুরা বনশ্রীতে একটি মাদরাসায় এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. শিহাব হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার (২৬ মে) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৯ মে রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২১ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে অবস্থিত ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু মো. আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর মা টুকু আরা খাতুন বাদী হয়ে ২০ মে রামপুরা থানায় শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

বন্ধ হচ্ছে হাইকোর্টের বিচারপতিদের ‘জিরো কল’ টেলিফোন

বন্ধ হচ্ছে হাইকোর্টের বিচারপতিদের ‘জিরো কল’ টেলিফোন


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের বাসভবন, চেম্বার ও বিভিন্ন শাখায় অব্যবহৃত (জিরো কল) টেলিফোন নম্বর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে স্মারক জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক স্মারকে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের চেম্বার, বাসভবন, বিভিন্ন শাখা ও অফিসারদের চেম্বারের ৯৪টি জিরো কল টেলিফোন নম্বরগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

স্মারকে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় নম্বরগুলো বিচারপতিদের চেম্বার, বাসভবন, বিভিন্ন শাখা ও অফিসারদের চেম্বারে ব্যবহৃত হলে তা আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রশাসন শাখাকে অবহিত করার জন্য অনবরোধ করা হলো।

বিডিএলপিবি/এমএম

২৫ মে, ২০২৬

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের


ছবি: সংগৃহীত 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকচাপায় আউয়াল সরকার (৫৬) নামে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকালে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোববার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুন্দরগঞ্জ-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আউয়াল সরকারের বাড়ি উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরকারের ছেলে। তিনি সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

পেশাজীবনে তিনি রংপুর, লালমনিরহাট, বাগেরহাট, গাজীপুর, ঢাকা ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরি শেষে তিনি গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে গাইবান্ধা শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় গেলে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। পরে তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গেলে ট্রাকটি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম



রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ

রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এ আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১৩৯০/২০২৬-এ আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে স্টেট ডিফেন্স ল’ ইয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মামলাটি পল্লবী থানার মামলার নম্বর-৩৫, তারিখ ২০ মে ২০২৬ থেকে উদ্ভূত। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম