সর্বশেষ

৪ আগ, ২০২৬

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আরও জানতে চাওয়া হয়, প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিমূলক সম্পর্ককে ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’র অজুহাতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধান কেন অবৈধ হবে না।

একইসঙ্গে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে সংযোজিত এ বিধান কেন সংবিধানবিরোধী, অকার্যকর ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না—রুলে তা-ও জানতে চেয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

এর আগে একই বিষয়ে করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। আজকের সম্পূরক রুলের মাধ্যমে আদালত সংশোধিত আইনটির সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্নটি আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

রিটে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে যুক্ত করা সেই বিধান, যেখানে বিয়ের প্রলোভনে যৌন সম্পর্ক স্থাপনকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধনী আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় ২০২৫ সালের ২০ মার্চ।

আইনজীবী ইশরাত হাসান গণমাধ্যমে ব্রিফিংয়ে বলেন, সংশোধিত আইনে অপরাধটি ঠিক কোন পরিস্থিতিতে সংঘটিত হবে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। বিয়ের কথা বলার পর শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলেই অপরাধ হবে, নাকি পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পালন না করলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে—এসব বিষয়ে আইনে পরিষ্কার নির্দেশনা নেই।

তিনি আরও বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের সম্মতিমূলক সম্পর্কে উভয়েরই অংশগ্রহণ থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে শুধু পুরুষকে দায়ী করে শাস্তির বিধান রাখা ন্যায়বিচারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তার ভাষ্য, এমন বিধানের মাধ্যমে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন তিনি সম্পূর্ণভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম এবং কেবল পুরুষের প্রলোভনের শিকার। অথচ প্রাপ্তবয়স্কদের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের ভূমিকা থাকে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, রাষ্ট্র যদি মনে করে এ ধরনের সম্পর্ক সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তাহলে সবার জন্য সমান আইন প্রণয়ন করা উচিত। শুধু এক পক্ষকে শাস্তির আওতায় আনা বৈষম্যমূলক এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।


বিডিএলপিবি/এমএম

আইনজীবী সমিতিতে প্রবেশ ফি অভিন্নহারে নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

আইনজীবী সমিতিতে প্রবেশ ফি অভিন্নহারে নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 

জেলা আইনজীবী সমিতিগুলোতে নতুন সদস্যদের প্রবেশ ফি যুক্তিসঙ্গত ও অভিন্নহারে নির্ধারণের প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দেশের সব জেলা আইনজীবী সমিতিতে নতুন সদস্যদের প্রবেশ ফি একটি যুক্তিসঙ্গত ও অভিন্নহারে নির্ধারণ করতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয় সচিব, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিবাদীদের আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে হবে।

কুড়িগ্রামের বাসিন্দা নতুন এক আইনজীবী মো. মাহফুজুর রহমানের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. রেজাউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিবলী নোমানী।

রিট পিটিশনে বলা হয়, আইনজীবী মো. মাহফুজুর রহমান সম্প্রতি কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ নিতে আবেদন করেন। কিন্তু জেলা আইনজীবী সমিতি গত ১৬ এপ্রিল এক নোটিশে জানায়, নতুন সদস্য যারা হবেন তারা ৪০ বছর বয়সের মধ্যে হলে ফি দিতে হবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪০ বছর বয়সের বেশি হলে দিতে হবে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

রিটে আরও বলা হয়, বয়স যাই হোক, অন্যান্য চাকরি থেকে আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত হলে দিতে হবে ৪ লাখ টাকা এবং সরকারি চাকরি থেকে আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দিতে হবে ৫ লাখ টাকা।

বিষয়টি বৈষম্যমূলক বিবেচনায়, এই নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং অভিন্ন হারে সদস্য প্রবেশ ফি নির্ধারণ চেয়ে রিট আবেদনটি দায়ের করেন মাহফুজুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে সদস্য হতে হলে প্রবেশ ফি ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে ২৯ হাজার টাকা দিতে হয়। সেখানে ঢাকার বাইরে জেলা আইনজীবী সমিতিগুলো অনেক বেশি ফি নির্ধারণ করে থাকে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩ আগ, ২০২৬

সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন


ছবি: সংগৃহীত

সন্তান বা নাতি-নাতনির নামে সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার পাবেন দাতা। আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


বৈঠকে আইন ও বিচার বিভাগের প্রস্তাবিত দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


খসড়ায় আরো বলা হয়েছে, ১৮৮২-এর দাতা কর্তৃক জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান-সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের লক্ষ্যে ‘দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ শীর্ষক খসড়া আইন প্রণয়নপূর্বক মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।


বিদ্যমান আইনে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকায় পিতা-মাতা বা দাদা-দাদি কর্তৃক সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করেও নিজ জীবদ্দশায় তা ভোগ-ব্যবহারের আইনি নিশ্চয়তা অর্জন সম্ভব হচ্ছিল না। এই বাস্তবতা বিবেচনায় প্রস্তাবিত সংশোধনীর মাধ্যমে বিষয়টিকে সুনির্দিষ্ট রূপ ও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সূত্র: বাসস

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত হতে যাওয়া এই আইনের খসড়ায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এ গুমের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


প্রস্তাবিত এই আইনের খসড়ায় গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আর গুমের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে, মরদেহ উদ্ধার হলে কিংবা পাঁচ বছর পার হওয়ার পরও ওই ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় খুঁজে না পাওয়া গেলে অভিযুক্তের জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।


আইনটির লক্ষ্য মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গুম প্রতিরোধ, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের জন্য একটি সমন্বিত আইনি কাঠামো গড়ে তোলার কথাও এতে উল্লেখ রয়েছে।


খসড়া আইনে আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের উদ্যোগ, অভিযুক্ত পলাতক থাকলেও বিচার পরিচালনার সুযোগ, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীদের পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকারও আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে।


এছাড়া সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের জন্য পৃথক তহবিল গঠন, দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা এবং তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের ভরণপোষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি, পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের উদ্দেশ্যে গুম সনদ প্রদান, কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ব্যবস্থাও আইনে যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত ও বিচার—উভয় প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সূত্র: বাসস 



চিকিৎসক পিনু হত্যা: গ্রেপ্তার স্বামী সোহেল দুই দিনের রিমান্ডে

চিকিৎসক পিনু হত্যা: গ্রেপ্তার স্বামী সোহেল দুই দিনের রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকার জামতলা গলিতে এক নারী দন্তচিকিৎসককে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার তার স্বামী সোহেল রানার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবু বকর সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

গত ৩০ জুলাই ঢাকার দক্ষিণখানের বাসা থেকে দন্তচিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পিনুর লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বলেছিল, বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে হত্যা করে এবং ঘরের জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। তবে জানালার যে অংশে গ্রিল কাটা হয়, সেই জানালার ভেতরের অংশের বারান্দায় একটি জুতার ছাপ পান সিআইডির সদস্যরা।

এরপর বাসায় পাওয়া এক জোড়া জুতার ছাপের সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায়। ওই জুতা ছিল সোহেল রানার। ওই ঘটনার পরদিন নিহতের বোন সারাহ সুলতানা পলি অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে হত্যা মামলাটি করেন। ওই হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্তে নেমে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় নিহত সারাহ রোকসানা পিনুর স্বামী সোহেল রানাকে।

গত ১ আগস্ট আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমান। ওই দিন আসামিকে কারাগারে রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন আজ সোমবার। শুনানিকালে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহাবুদ্দিন শেখ রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিনের প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সোহেল রানা পিনুকে একা বাসায় রেখে মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে অফিসে যায়। কেউ আনতে না যাওয়ায় বিকেলে নিহতের ছেলে ওয়ামী বাসায় চলে আসে। বাসায় এসে দেখে ঘরের দরজা খোলা, তবে চাপানো। ওয়ামী দেখতে পায় তার মা খাটের ওপর চিত হয়ে শুয়ে আছেন। তার মুখের ওপর বালিশ রাখা। মাকে ডাকাডাকি করে। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মুখের ওপর থেকে বালিশ সরিয়ে দেয়। মায়ের হাত-পা ঠাণ্ডা ও শ্বাস বন্ধ আছে বুঝতে পেরে বাসা থেকে স্কুলে যায়। প্রিন্সিপালের মোবাইল ফোন থেকে তার বাবাকে ঘটনা জানায়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪






অভিনেতা জাহের আলভীর হাইকোর্টে জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

অভিনেতা জাহের আলভীর হাইকোর্টে জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

ছবিঃ সংগৃহীত 

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো: নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার কারা মুক্তিতে বাধা নেই। তার বিষয়ে রুল  যথাযথ ঘোষণা করে গতকাল রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট কোর্ট সূত্র জাহের আলভীর জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৩০ জুন স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় রিমান্ড শেষে ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো: নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত  ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ২১ জুন মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। গত ২৪ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

 

বিডিএলপিবি/এমএম



সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমানের পদত্যাগ

সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমানের পদত্যাগ

ছবিঃ সংগৃহীত 

নিয়োগের চারদিনের মাথায় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। সোমবার (৩ আগস্ট) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে সোলিসিটর উইংয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকেসহ ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণে এই দায়িত্বে অবমুক্ত থাকা অসম্ভব হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে তার পদত্যাগপত্রটি সদয় বিবেচনাপূর্বক গ্রহণ করে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিডিএলপিবি/এমএম