সর্বশেষ

৭ আগ, ২০২৬

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমানের সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।  আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

এর আগে নিয়োগের চারদিনের মাথায় সোমবার (৩ আগস্ট) ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। 

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে সোলিসিটর উইংয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকেসহ ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণে এই দায়িত্বে অবমুক্ত থাকা অসম্ভব হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে তার পদত্যাগপত্রটি সদয় বিবেচনাপূর্বক গ্রহণ করে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ আগ, ২০২৬

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রমাণ চেয়ে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অন্তর্বতীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিছু মহল গণঅভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চরিত্রহননের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছর ধরে নানা ধরনের অপবাদ ও প্রচারের শিকার হচ্ছেন আসিফ মাহমুদ। তবে এখন পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কয়েকদিন আগে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদস্য হওয়ার জন্য তার কাছে আসিফ মাহমুদ ৩ কোটি টাকা দাবি করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে অভিযোগের প্রমাণ এবং কার কাছে, কখন ও কীভাবে অর্থ দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়।

তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ না দিয়ে তিনি শুধু ‘এমনটাই বলা হয়েছে’ বলে জানান বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। পরে তথ্য দেওয়ার কথা বললেও তিনি আর যোগাযোগ করেননি। এ কারণে তার বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে আসিফ মাহমুদের পক্ষ।
আইনি নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। তা না হলে প্রচলিত আইনে মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: বিডি ল' পোস্ট 
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামুন মাহবুব। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. মেহেদী হাসান।

এর আগে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সালেহসহ ২৩৬ জন এ রিট দায়ের করেন।

পরে আইনজীবী মামুন মাহবুব গণমাধ্যমে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ আইনের ১৩(ঘ) ধারা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে বা জনস্বার্থে, যে কোনও বা সব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বা অন্যান্য সদস্যগণকে সরকার অপসারণ করতে পারবে, এমন বিধান যুক্ত করে। এরপর এক আদেশে সব উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিট করেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘রিটে আমরা আইনের সংশোধন ও অপসারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছি। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই আইনের সংশোধনী এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান-মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।’


বিডিএলপিবি/এমএম

পুরুষ নির্যাতন দমন আইন চেয়ে দায়ের  করা রিট খারিজ

পুরুষ নির্যাতন দমন আইন চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ

ছবি: সংগৃহীত 
‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 বাটারফ্লাই হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খলিলুর রহমান গত মে মাসে ওই রিট করেন। রিটের পক্ষে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান নিজেই শুনানি করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন সচিবকে এতে বিবাদী করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
 
রিট আবেদনে বলা হয়, ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়ন করা হলে আইনের সমতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে নারীরা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের’ অপব্যবহার করতে পারবে না। পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন না থাকায় তারা (পুরুষ) বঞ্চিত ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

এছাড়া রিট আবেদনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের হয়রানি থেকে সুরক্ষায় ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা–ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে পুরুষদের এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছিল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

মানবতাবিরোধী অপরাধে আসামি হচ্ছেন জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসিসহ ৮ জনঃ প্রতিবেদন দাখিল

মানবতাবিরোধী অপরাধে আসামি হচ্ছেন জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসিসহ ৮ জনঃ প্রতিবেদন দাখিল

ছবিঃ সংগৃহীত 

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, ঢাবির সাবেক উপাচার্য মাকসুদ কামালসহ আট জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের কাছে তদন্ত সংস্থা কর্তৃক এই প্রতিবেদন দাখিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি মাকসুদ কামাল, শিক্ষক কে এম জামাল উদ্দিন, ড. জাফর ইকবাল, ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ। যাচাই-বাছাই শেষে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। 

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন– শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, সাবেক বিচারপতি এবিএম নিজামুল হক মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ.ক.ম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

প্রসিকিউশন জানায়, এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বর্তমানে তা পর্যালোচনা চলছে। এরপর ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে

সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত 
১৩ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দেওয়া, তার বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম এ আদেশ দেন।

গত ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ভাটারা এলাকার বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই অনুযায়ী আজ রিমান্ড শুনানির জন্য তাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ মামলার ১১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা ২৫০ থেকে ৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে সকাল থেকে সারাদিন অবস্থান করেন। তারা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন এবং অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাস্তা বন্ধ করে দেন। এতে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং খালেদা জিয়া যাতে সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে রাস্তায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, এভাবে তার গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ এখন টিভি

সব হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্কুলার ইস্যুর নির্দেশ হাইকোর্টের

সব হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্কুলার ইস্যুর নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবিঃ সংগৃহীত 
সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়ে সার্কুলার জারি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

২০১৮ সালে ছিনতাইকারীর হাতে খুলনার সোনাডাঙ্গার মোটর পার্টস ব্যবসায়ী ইব্রাহিম ঢাকার সায়েদাবাদে ছিনতাইকারীর আঘাতে আহত হওয়ার পর নিকটস্থ সালাউদ্দিন হাসপাতালে গেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ঢাকা মেডিকেলে তার মৃত্যুর সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দায়ের করে।

২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জীবন রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা জারির জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেই সঙ্গে ভিকটিমকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, রুলের শুনানি শেষে আদালত রুল আংশিকভাবে যথাযথ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেশের সব হাসপাতাল ও ক্লিনিককে দুর্ঘটনায় আহত যেকোনো ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা-সংক্রান্ত সার্কুলার জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত একইসঙ্গে ২০১৮ সালের সড়ক দুর্ঘটনা আইনের সংশোধন করে সব ধরনের দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে নিকটস্থ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিধি প্রণয়নেরও নির্দেশ দিয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ আরও জানান, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুসারে বেঁচে থাকার অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু দুর্ঘটনা বা ছিনতাইয়ে কেউ আহত হলে নিকটস্থ হাসপাতাল বা ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে তা দেওয়া হয় না। অথচ এসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক সরকারের কাছ থেকে রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্যই লাইসেন্স নিয়ে থাকে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জিসান হায়দার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কাজী এরশাদুল আলম। সালাউদ্দিন হাসপাতালের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট