জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৯ অক্টো, ২০২৬

প্রধান বিচারপতির সম্মানে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের নৈশভোজের আয়োজন

প্রধান বিচারপতির সম্মানে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের নৈশভোজের আয়োজন

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সম্মানে ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান নৈশভোজের আয়োজন করেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এ নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বিশিষ্ট নাগরিকেরা অংশ নেন।

নৈশভোজের প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ফিলিস্তিনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বনেতাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রত্যাশা ন্যায়বিচার। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুক্তিকামী মানুষের সংহতি ও সমর্থন কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও কূটনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের নৈশভোজ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের ফেসবুক পোস্ট।

২৪ অক্টো, ২০২৬

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৮ম বৈঠক অনুষ্ঠিত: সংবিধান সংশোধনে ৭০ অনুচ্ছেদসহ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৮ম বৈঠক অনুষ্ঠিত: সংবিধান সংশোধনে ৭০ অনুচ্ছেদসহ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত 
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠকে সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সাকিলা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ৪৪ জন সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তাঁদের লিখিত ও মৌখিক মতামত এবং বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বৈঠকে সংবিধান সংশোধন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলোর সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাবও আলোচনায় আসে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আস্থা ভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধন এবং জাতীয় নিরাপত্তা বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, বিচারক নিয়োগের জন্য আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিধি নির্ধারণ নিয়েও বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় সংসদের সম্ভাব্য উচ্চকক্ষের ভূমিকা এবং সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের মনোনয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সূত্র: The News

২৩ অক্টো, ২০২৬

আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি

আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি

প্রতীকী ছবি 

ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের (ডব্লিউজেপি) প্রকাশিত আইনের শাসন সূচক ২০২৬-এ দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১২৩তম। তবে অবস্থানের উন্নতি হলেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এখনও পিছিয়ে রয়েছে দেশটি।

সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ০.৩৯, যেখানে বৈশ্বিক গড় ০.৫৫। তবে বার্ষিক অগ্রগতির হিসাবে বিশ্বের ১৫টি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনকারী দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আইনের শাসন সূচকে অগ্রগতির দিক থেকেও শীর্ষে রয়েছে দেশটি।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এ অঞ্চলে নেপাল প্রথম, শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় এবং ভারত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

আফ্রিকার কয়েকটি দেশের চেয়েও পিছিয়ে বাংলাদেশ

আইনের শাসন সূচকে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে ঘানা ৬২তম, কেনিয়া ১০০তম, লাইবেরিয়া ১০৩তম, সিয়েরা লিওন ১১০তম, নাইজেরিয়া ১২০তম এবং জিম্বাবুয়ে ১২২তম স্থানে রয়েছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের অবস্থান জিম্বাবুয়ের ঠিক পরেই।

বিশ্বব্যাপী আইনের শাসন সূচকের শীর্ষ পাঁচটি স্থান দখল করেছে ইউরোপের দেশগুলো। তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। এরপর যথাক্রমে নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও লুক্সেমবার্গের অবস্থান।

আটটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন

ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের এ সূচকে আটটি প্রধান মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের আইনের শাসনের অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়। মানদণ্ডগুলো হলো—সরকারি ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতির অনুপস্থিতি, উন্মুক্ত সরকার, মৌলিক অধিকার, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, বিধি-বিধানের প্রয়োগ, দেওয়ানি বিচার এবং ফৌজদারি বিচার।

এ আটটি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। এগুলো হলো সরকারি ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতির অনুপস্থিতি এবং বিধি-বিধানের প্রয়োগ। তবে বাকি পাঁচটি মানদণ্ডে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে।

মৌলিক অধিকার রক্ষায় সবচেয়ে দুর্বল অবস্থান

সূচকের তথ্য অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে দুর্বল। এ মানদণ্ডে ০.৩১ স্কোর নিয়ে ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম।

অন্যদিকে, আটটি মানদণ্ডের মধ্যে তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে উন্মুক্ত সরকার। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ০.৪২ এবং অবস্থান ১২৮তম।

সামগ্রিকভাবে, আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি হলেও পাঁচটি মানদণ্ডে অবনতি এবং মৌলিক অধিকার রক্ষায় দুর্বল অবস্থান আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোকে তুলে ধরেছে।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের (ডব্লিউজেপি) প্রকাশিত আইনের শাসন সূচক ২০২৬

বিডি ল' পোস্ট/মাসুম 

২২ অক্টো, ২০২৬

ইশরাকের পদত্যাগে সংবিধান লঙ্ঘন হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল

ইশরাকের পদত্যাগে সংবিধান লঙ্ঘন হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলতে পারেন এবং ইশরাকের পদত্যাগ সংবিধান অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তাঁর মতে, এ ঘটনায় আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা ডাকবাংলোয় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলতে পারেন। ইশরাকও নিয়ম মেনেই পদত্যাগ করেছেন। এটি একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং এ ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, ইশরাক পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে তাঁকে পদত্যাগ করানোর জন্য অনুরোধ জানাতে পারতেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পদক্ষেপও সাংবিধানিক বিধানের আওতাভুক্ত।

সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, একটি সরকার যখন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়, তখন কাকে দায়িত্বে রাখা হবে আর কাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে, তা সরকারের নিজস্ব বিবেচনার বিষয়।

মহেশপুর উপজেলা ডাকবাংলোয় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।


বিডি ল' পোস্ট/মাসুম

সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট, ২০ অক্টোবর ২০২৬


১৭ অক্টো, ২০২৬

আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে: আইনমন্ত্রী

আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, প্যারালিগ্যাল সেবার নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত আগামী দিনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করবে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে (এনজিও) সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা বিনির্মাণে প্যারালিগ্যাল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালত ও কারাগারের ওপর চাপ কমাতেও প্যারালিগ্যালরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া গেলে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য হবে।

এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জিআইজেডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনি সেবা সহজীকরণ এবং প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চলমান উদ্যোগে তাদের অব্যাহত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনে প্যারালিগ্যাল সেবার ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে প্যারালিগ্যালদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সরকার ও এনজিওর যৌথ অংশীদারত্ব, দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, সেবার মানদণ্ড নির্ধারণ এবং টেকসই অর্থায়নের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি, লিগ্যাল এইড সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া মালাউই, ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের বিশেষজ্ঞরা নিজ নিজ দেশের বিচারব্যবস্থায় প্যারালিগ্যাল সেবা অন্তর্ভুক্ত করার অভিজ্ঞতা ও কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরেন।


বিডি ল' পোস্ট/মাসুম

সূত্র: বাসস (১৭.১০.২০২৬)

৮ অক্টো, ২০২৬

অ্যাটর্নি-জেনারেলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অ্যাটর্নি-জেনারেলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।

বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইনগত বিষয়সহ ভবিষ্যতে সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় আইনগত ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর এ সাক্ষাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

২৭ সেপ, ২০২৬

বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন বিচারপতি রেজাউল হক

বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন বিচারপতি রেজাউল হক

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বিদেশ সফরকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রবীণতম বিচারপতি মো. রেজাউল হক।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ড এবং ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়া সফর করবেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে এবং ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে অথবা তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারপতি মো. রেজাউল হকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করেছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

২৬ সেপ, ২০২৬

থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত 
থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন তিনি। এরপর ৫ অক্টোবর মালয়েশিয়া সফরে যাবেন প্রধান বিচারপতি।

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে প্রধান বিচারপতির বিদেশ সফরের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অবস্থান করবেন। এরপর ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার কথা রয়েছে তাঁর।

প্রধান বিচারপতির এই সফরের সময়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত কার্যক্রমে তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি মো. রেজাউল হককে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি বিদেশ সফর শেষে নিজ দায়িত্বে পুনরায় যোগদান না করা পর্যন্ত এ দায়িত্ব বহাল থাকবে।

আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে বিচারপতি মো. রেজাউল হককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির সাময়িক অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক বিধান অনুসারেই আপিল বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিকল্প দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত অথবা প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাঁর দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন। ফলে সফরকালীন সময়ে আপিল বিভাগের প্রশাসনিক ও বিচারিক কার্যক্রমে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনে কোনো শূন্যতা থাকবে না।


সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

বিডিএলপিবি/মাসুম


২৮ আগ, ২০২৬

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের ৬৪ জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। এসব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এতে বলা হয়, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যে-কোনো ক্ষেত্রে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

আরও বলা হয়, এ বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া রিট পিটিশন মামলার (নং ৩৫১২/২০০৩) রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণ করে মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার এসব মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে নিচের জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদান করল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন (২৭.০৮.২০২৬)

২১ আগ, ২০২৬

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, রাতে শপথ

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, রাতে শপথ

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আরও চারজন যুক্ত হচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপরই মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা শপথ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। 

সরকার ও বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিতে যাচ্ছেন আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম শোনা যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নতুন তিন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পড়াবেন। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্ভাব্য মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে কল করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বঙ্গভবনে থাকতে বলা হয়েছে। এটুকুই বলতে পারি।

সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের কাছে ছয়টি গাড়ি চাওয়া হয়েছিল, ছয়টি গাড়ি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এখন সেখান থেকে কয়টি কাজে লাগানো হবে, সেটা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলতে পারবে।

অন্যদিকে মন্ত্রিসভায় নতুন কয়েকজন সদস্য যুক্ত হচ্ছেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি নিশ্চিতও করছেন না, আবার নাও করছেন না। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রীর তালিকায় নাম থাকা আবদুল মঈন খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে নির্বাচিত হন। আন্দালিব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে তার দল নির্বাচনে অংশ নেয়। তিনি ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য। সাচিং প্রু জেরী বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপির বান্দরবান জেলা শাখার আহ্বায়ক। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বান্দরবান আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।  প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় থাকা মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫০ জন। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাদের পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। তারা মন্ত্রিসভার সদস্য নন।

আজ তিনজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে হবে ৫৪। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রী হবেন ২৮ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৫ জন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২১.০৮.২০২৬)

২০ আগ, ২০২৬

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল; প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল; প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২৭ নম্বর আইন)-এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা মোতাবেক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা- মির্জা রুহুল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁওকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২ (৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করা হলো।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের কর্তা সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।

ঘোষিত ফল অনুসারে, ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।

এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইউএনবি

১৮ আগ, ২০২৬

পুনর্গঠিত হলো দুদক, নতুন চেয়ারম্যান হলেন সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

পুনর্গঠিত হলো দুদক, নতুন চেয়ারম্যান হলেন সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে সোমবার নতুন কমিশন গঠন করা হয়েছে। একই আদেশে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে। সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ অনুযায়ী তাদের এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। আইন অনুযায়ী, দুদক চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান বেতন, ভাতা ও মর্যাদা পাবেন। দুই কমিশনার পাবেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান সুযোগ-সুবিধা।

নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি। কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান সরকারের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্য কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আর্থিক প্রতিবেদন কাউন্সিলের (এফআরসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যদিকে, কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একজন সাবেক কর কমিশনার। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লখ্য, চলতি বছরের ৩ মার্চ তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রজ্ঞাপন (১৭.০৮.২০২৬)

১৭ আগ, ২০২৬

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

ছবি: সংগৃহীত 
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ভারত সরকার জানিয়েছে, হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে।

ভারতের একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই নেবে। আদালতের প্রক্রিয়ায় মূলত যাচাই করা হবে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না।

আরেক ভারতীয় কর্মকর্তা বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজেই চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে কবে দেশে ফিরতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে ডিসেম্বরকে বিজয়ের মাস উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডিসেম্বরেই দেশে ফিরতে চান।বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দল আওয়ামী লীগও নিষিদ্ধ রয়েছে।

ভারতের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধকে দিল্লি ও ঢাকার বর্তমান কূটনৈতিক আলোচনার বাইরে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তীব্র আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে সরে এসে বিষয়টির সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এর আগে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুরোধ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র বলেছিলেন, বিষয়টি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে পাঠানো অনুরোধের সঙ্গে ২০১৩ সালের দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব আইনি নথি সংযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ঢাকায় গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে প্রায় দুই বছর ধরে শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির একটি গোপন স্থানে আশ্রয় ও নিরাপত্তায় রয়েছেন। গত ৫ আগস্ট রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৬.০৮.২০২৬)

১৩ আগ, ২০২৬

মামলার জট কমাতে আরও ১২ জেলায় চালু হলো ই-বেইল বন্ড: আইনমন্ত্রী

মামলার জট কমাতে আরও ১২ জেলায় চালু হলো ই-বেইল বন্ড: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
মামলার জট কমানো এবং জামিন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে ২৮ জেলায় ই-বেল বন্ড পদ্ধতি চালু করেছে আইন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সচিবালয় চতুর্থ পর্যায়ে আরও ১২ জেলায় অনলাইন ই-বেইল বন্ড পদ্ধতি উদ্বোধন আইন মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ই-বেইল বন্ড পদ্ধতির মাধ্যমে বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তি থেকে মুক্ত হবে, এক ক্লিকেই বেইল পেয়ে যাবে। সরকার হয়রানি মুক্ত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন,  মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ভালো পারফরম্যান্স করা জেলাগুলোকে উৎসাহিত করতে পুরস্কার দেওয়া হবে। অনেক সময় আসামিরা জামিনের মুক্তি পাওয়ায় অপরাধের সংখ্যা বাড়ায় বিচার ব্যবস্থা আরও কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।  বছরের পর বছর মামলা ঘুরলে সরকারের বিপুল অর্থ খরচ হয়। 


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: আইনমন্ত্রীর বক্তব্য

৯ আগ, ২০২৬

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম জানান, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

এর আগে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াও পারস্পরিক রাজনৈতিক সমঝোতা এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। বৈঠকে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে যোগ দেন।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

৬ আগ, ২০২৬

দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় ঢাকার ক্ষোভ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস রিলিজ

দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় ঢাকার ক্ষোভ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস রিলিজ

হহ
ছবি: সংগৃহীত
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছে ঢাকা। বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আত্মগোপনে থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে আজ সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। ঢাকা গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করে যে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুনর্গঠনে এই ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও এই প্রকাশ্য অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই আলাপচারিতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি মারাত্মক অপমান। ফ্যাসিবাদী শাসন দ্বারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক লোকদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত তথ্য অস্বীকার করা পলাতক দোষী সাব্যস্ত গণহত্যাকারী হাসিনা এবং তার অপরাধী সহযোগীদের ইতিহাসের জোয়ারকে বিপরীত করার একটি বৃথা প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের জনগণ অতীতে এ ধরনের জঘন্য প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং এখনও করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশের জনগণ দৃঢ় সংকল্প নিয়েছে যে, জাতি আর কখনও ফ্যাসিবাদের অন্ধকার দিনগুলোতে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনও ক্লায়েন্ট রাষ্ট্র হবে না। সাজাপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার মাফিয়া প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের রাজনীতিতে কখনও স্থান পাবে না।

এতে আরও বলা হয়, সার্বভৌম সাম্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও দূরদর্শী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। দুঃখজনকভাবে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে দোষী সাব্যস্ত অপরাধী হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে বারবার অনুরোধ করা হলেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিপরীতে, যেকোনও অজুহাতে তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলার সুযোগ দেওয়া আমাদের জনগণের অনুভূতির জন্য গভীরভাবে ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিকাশের জন্যও ক্ষতিকর।

প্রেস রিলিজ:


বিডিএলপিবি/এমএম (সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠানো প্রেস রিলিজ)

২৯ জুল, ২০২৬

বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

ছবিঃ সংগৃহীত 
বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একই সময়ে দুই পক্ষের কর্মসূচি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আদেশে বলা হয়, বুধবার হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় এনসিপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও পথসভার আয়োজনের ঘোষণা দেয়। একই সময়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি, হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি এবং জেলা ছাত্রদল পাল্টা প্রতিবাদ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে।

এতে উভয় পক্ষের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতির সম্ভাবনা থাকায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় জনস্বার্থে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আদেশে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, জনসভা, মাইকিং, মিছিল, স্লোগান, পিকেটিং, যন্ত্রের মাধ্যমে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করতে পারে—এমন সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ সমকাল 

২৬ জুল, ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

মো: সাহাবুদ্দিন: ছবি- সংগৃহীত 
ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকা শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। এই মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি বিএফআইইউ হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন এবং এই সময়কালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি কোম্পানি মিলে ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন নেয়। ২৪টি কোম্পানির একটি হলো রাষ্ট্রপতির কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। ওই টাকা এখনও ইসলামী ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ জুল, ২০২৬

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ছবি: সংগৃহীত
 পদত্যাগ করেছেন তিন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি পদে থাকা মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

এই অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। এ ছাড়া স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আমি হাতে পেয়েছি। স্পিকার হিসেবে আমি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমানে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।


বিডিএলপিবি/এমএম

২১ জুল, ২০২৬

বিচারপ্রার্থীর মামলা সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

বিচারপ্রার্থীর মামলা সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ছবি: সংগৃহীত 

বিচারপ্রার্থীর মামলা সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  ২০ জুলাই, সোমবার তিনি এ আহ্বান জানান।

আইন পেশায় ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের সততা ও দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করে প্রধান বিচারপতি আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, আপনি (আইনজীবী) যে মামলাটা হাতে নিয়েছেন সেটির প্রতি কমিটমেন্ট থাকতে হবে। বিচারপ্রার্থী আপনাকে প্রফেশনালি মামলায় এঙ্গেজ করেছেন, তাই আপনি আপনার কর্তব্য পালনে বাধ্য। এটা আপনার লিগ্যাল, ইথিক্যাল ও মোরাল দায়িত্বও। বিচার করবেন বিচারপতিরা। আপনি (আইনজীবী) তার মামলাটা প্রপারলি কোর্টে প্রেজেন্ট করেন। হার-জিত অন্য বিষয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার মো. কায়সার কামাল বলেন, দেশের গণতন্ত্রের জন্য, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার জন্য এবং আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের মধ্যে সবসময় একটা আকুতি ছিল। তিনি অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। 

অনুষ্ঠানের আরেক বিশেষ অতিথি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সেই সৌভাগ্যবানদের একজন যিনি জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সফলতার চূড়ায় আরোহণ করেছেন।একজন মানুষ এক জীবনে এর থেকে বেশি কিছু অর্জন করতে পারে না। তিনি ব্যারিস্টার ছিলেন, ছয়বার এমপি হয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, স্পিকার ছিলেন, আবার ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিও। 

অনুষ্ঠানে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এস. এম. এমদাদুল হক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব জয়নুল আবেদীন (এমপি) এবং বিএনপির আইন সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা (বাদল)। 


বিডিএলপিবি/এমএম

সোর্স: বাসস