জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৪ জুন, ২০২৬

জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জাতির সংকটময় সময়ে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিচার বিভাগের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে কাজ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার ভূমিকা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন একদিনে গড়ে ওঠে না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন এবং অসংখ্য মানুষের আত্মদান।

তিনি দাবি করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব ত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভূমিকা রেখেছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একই ধারার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো আন্দোলন বা সংগ্রামের অবদানকে খাটো করার সুযোগ নেই। ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের রূপরেখা প্রণয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের স্বার্থে তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ঢাকা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। 

‘দেশের বিচারব্যবস্থা অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে’- বিচারপতি শহিদুল ইসলাম

‘দেশের বিচারব্যবস্থা অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে’- বিচারপতি শহিদুল ইসলাম


ছবিঃ সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ল'ইয়ার্স কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত আইনজীবীদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা বর্তমানে অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে এখনো অনেক মেধাসম্পন্ন বিচারক রয়েছেন। তাদের সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়া হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কিন্তু অ্যাক্টিভিস্টদের কালো হাতের প্রভাবে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।

প্রধান অতিথি বলেন, আজকে মতিউর রহমান আখন্দ যে ‘কী নোট’ উপস্থাপন করেছেন, তার সাথে আরও কিছু যোগ করে সরকারকে বলা উচিত যে আমাদের কী কী প্রয়োজন। সুষ্ঠু বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই একটা উপযুক্ত বাজেট এখানে প্রয়োজন। এ খাতে যদি সরকার গুরুত্ব না দেয়, তাহলে কিন্তু আবারও একটা আন্দোলন হতে পারে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৬ মে, ২০২৬

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী

বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন বলেই অনেক মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, দেশের বিচার বিভাগ যতোটা স্বাধীনতা উপভোগ করে, তা অন্য কোথাও কমই দেখা যায়।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

দেশে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং জট প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশে জজ এবং আইনজীবীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণেই মূলত মামলা নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লাগছে এবং এই দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হচ্ছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, এই হত্যা মামলার যেন সঠিক ও সুষ্ঠু ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়, সেদিকেও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ মে, ২০২৬

দল হিসেবে আ.লীগ নিষিদ্ধে তদন্ত নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

দল হিসেবে আ.লীগ নিষিদ্ধে তদন্ত নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর


ছবি: সংগৃহীত 

দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনো তদন্ত চলছে কি না, সে বিষয়ে নিজের প্রত্যক্ষ ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ধরনের তদন্ত থাকলে সে বিষয়ে তদন্ত সংস্থাই বিস্তারিত জানাতে পারবে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি আছে কি না- এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত চলছে কিনা, সে বিষয়ে তার কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো তথ্য জানা গেলে তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, শাপলা চত্বরের মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপাকে গ্রেফতার দেখানো নিয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় বাইরের কোনো সংস্থার হস্তক্ষেপ কাম্য নয়- বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে তদন্ত সংস্থার এখতিয়ারভুক্ত। তাই অ্যামনেস্টি বা অন্য কোনো মানবাধিকার সংগঠনের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।

এ মামলায় আরও কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হতে পারে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নির্দোষ কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে বিচার প্রক্রিয়ায় আনা হবে না- বলেও আশ্বাস দেন তিনি।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৯ মে, ২০২৬

আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম

আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে সব বিচারককে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় এক প্রজ্ঞাপনে সব বিচারককে সরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়।

 অন্তবর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ করলেও তা আর আইন করেনি বিএনপি সরকারের প্রথম সংসদ। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। 

১৮ মে, ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পরে দিনগুণতে থাকেন কবে তিনি ওই পদে যাবেন। অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসানোর চেষ্টা দেখেছি। আমরা এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটাতে চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মীরা সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। আগের সরকারের সময় রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে আদালত বসিয়ে বিচারের নামে সাজা দিয়েছেন, তারা জবাবদিহির বাইরে রয়ে গেছেন। আমরা তাদের ফেরেশতার মতো দেখি। তারা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ দেখেছি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সানজিদা ইসলাম তুলি, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, জেলা ও দায়রা জজ শামসুদ্দিন মাসুম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও খালেদ হামিদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, গুম সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য আইনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তাতে অপরাধীই বেশি লাভবান হতো। সেটাকে আমরা আরো সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে করা হয়েছে, তাতে করলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একইসঙ্গে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম নিয়ে একটি কার্যকরী আইন করতে চাই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যেন নখ দন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে যুগপোযোগী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, নতুন জেনারেশন অনেক মেধাবী। তাদের সঠিক জায়গায় বসাতে হবে। আমরা একের পর এক প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে ফেলেছি।

সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা বলেন, আমার স্বামী সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীকে ২০১২ সালে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে গুম করা হয়। এরপর আরো অনেক লোককে গুম করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গুম সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাইনি। দেশ থেকে গুম চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, গুম একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। আমি চাই আগে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য সরবরাহ করা হোক।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ মে, ২০২৬

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ছবি: সংগৃহীত 

বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা সরকারের প্রতিচ্ছবি। তাঁরা নির্বাহী বিভাগ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ডিসিরা।

সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে আপিল বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৫ এপ্রি, ২০২৬

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল


ছবি: সংগৃহীত 

বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সতর্কতা জোরদার

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সতর্কতা জোরদার

ছবি: সংগৃহীত 

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতা পরিকল্পনা ঘিরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এই চক্রটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যেমন- জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থাপনা ও সদস্য, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। বোমা বিস্ফোরণের পাশাপাশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এছাড়া তারা বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারে হামলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্যের ইঙ্গিত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

২৪ এপ্রি, ২০২৬

এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক-রনি-কাফি-ফ্লোরা

এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক-রনি-কাফি-ফ্লোরা

ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন বিএনপি বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সামাজিক কর্মী মহিউদ্দিন রনি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল ফ্লোরা। 

দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলমসহ শীর্ষ নেতারা ফুল দিয়ে নতুন সদস্যদের বরণ করে নেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এ লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।

ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাস পান।

সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেন মহিউদ্দিন রনি। তিনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ।

এনসিপির নেতারা মনে করছেন, বিভিন্ন পেশা ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এই নতুন মুখদের যুক্ত হওয়া দলটির সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করবে।