আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৩ জুল, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যার আসামি মোজাফফর

মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যার আসামি মোজাফফর

ছবি: সংগৃহীত 
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনার পর হাজতখানায় রাখা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা যায়।

প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন। এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

২২ জুল, ২০২৬

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

আহত সাবিহা সুলতানা এবং বিচারক মো. সুজন মিয়া

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারকের ছুড়ে দেয়া পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ বিচার কার্যক্রম চলছিল। ওই সময় আদালত কক্ষের পেছনের সারিতে বসা বিচারপ্রার্থীরা কথা বলছিলেন। একই সময়ে কয়েকজন আইনজীবীও কথা বলছিলেন। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে আদালতের বিচারক সুজন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং নিজের টেবিল থেকে কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি সরাসরি সেখানে অবস্থানরত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় গিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। ঘটনার পরপরই এ নিয়ে আদালত কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবী দ্রুত সাবিহা সুলতানাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

মোহাম্মদ শিশির মনিরঃ ছবি- সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি করে বিচারাধীন মামলার জট দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ চিঠি পাঠান। 

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যাত্রা শুরু করে মাত্র চারজন বিচারপতিকে নিয়ে। সে সময় দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ হাজার এবং দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ কোটি ৪৩ লাখ। বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৮১ লাখে উন্নীত হলেও বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ ১৭ হাজারে। এর বিপরীতে আপিল বিভাগে বর্তমানে বিচারপতির সংখ্যা মাত্র আটজন।

চিঠিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ১১ জন এবং বিচারাধীন মামলা ছিল ৫ হাজার ২৬৩টি। ২০১১ সালে বিচারপতির সংখ্যা ১০ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা বেড়ে ১২ হাজার ৮৯১টিতে পৌঁছায়। ২০১৭ সালে বিচারপতির সংখ্যা কমে ৯ জন হলেও বিচারাধীন মামলা বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ হাজার ৫৭৮টি হয়। ২০২২ সালে বিচারপতির সংখ্যা ৯ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা প্রায় ১৯ হাজার ৯২৮টিতে উন্নীত হয়। ২০২৪ সালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা আরও বেড়ে ৩১ হাজার ১২০টিতে পৌঁছায়, অথচ বিচারপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন।

তিনি চিঠিতে আরও বলেন, বর্তমান সময়ে আইনের বিভিন্ন শাখায় বিশেষায়িত বিচারব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। কিন্তু আপিল বিভাগে বিচারপতির স্বল্পতার কারণে বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

প্রতিবেশী ভারতের উদাহরণ তুলে ধরে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধিসংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করে অনুমোদিত বিচারপতির সংখ্যা ৩৪ থেকে ৩৮ জনে উন্নীত করেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আপিল বিভাগে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

চিঠির শেষাংশে বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৮ জুল, ২০২৬

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

ছবি: সংগৃহীত 

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির পর গত এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। গত এক মাসে এই বেঞ্চে শুনানির পর শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলা, স্ত্রী হত্যার কয়েকটি মামলাসহ মোট ১০টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সের্স: বাসস

১৬ জুল, ২০২৬

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, গণভোট আয়োজন এবং বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দায়িত্ব পালনকারী জামায়াতপন্থী ১৭ আইন কর্মকর্তা একসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালিক।

আব্দুল খালিক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের গণভোট, সংবিধান সংস্কার, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনিহা ও বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদ স্বরূপ আমরা উক্ত পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আলীম উদ্দীন এবং অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল জিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল হুদা।

এ ছাড়া সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদ থেকে পদত্যাগকারী ১৫ জন হলেন অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মোজাম্মিল আলী, অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াসিন খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট কাজী আতিফুল হক, অ্যাডভোকেট সাদেক আহমদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ময়নুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল গফ্ফার, অ্যাডভোকেট আফজল মিয়া তালুকদার, অ্যাডভোকেট খায়রুল আলম ও অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

ছবি: সংগৃহীত 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নামে অসত্য কুৎসা রটিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত (ডিসমিসাল ফ্রম সার্ভিস) করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক আদেশ জারির বিষয়টি জানানো হয়। আদেশটি গত ১৪ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩-এর বিধি ২(৪) ও বিধি ৩(বি) অনুযায়ী ইব্রাহীম আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভাগীয় মামলার অভিযোগসমূহ সুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বিধির ৪(১)(জি) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরিচ্যুত করার সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ৫ মে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত করার পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সে সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ইব্রাহীম আলম ফেসবুকে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে বিচারপতি ও আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছেন।

এছাড়া তিনি নিজের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আদালত ও বিচারকদের নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে আসছিলেন। একই সাথে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ অমান্য করার জন্য অন্য কর্মচারীদের উসকানি দিয়ে তিনি অফিসিয়াল চেইন অব কমান্ড ভেঙে অফিসে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন, যা গুরুতর সরকারি অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি অপরাধ।


বিডিএলপিবি/এমএম

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, অভিজ্ঞ বিচারপতিরা অবসরে চলে যাচ্ছেন। এছাড়া আমাদের অনেক সিনিয়র আইনজীবী মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের মাঝ থেকে একেবারে হারিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে বিচার বিভাগে, আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও বার সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন। এসময় প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বিচারপতি টিএইচ খান সর্বশেষ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের সিনিয়র আইনজীবীরা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 

উনারা যে মানের আইনজীবী ছিলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই মানের আইনজীবী আমরা তৈরি করতে পারছি না। এখনকার তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে লেখাপড়া অধ্যাবসায়ের বড় অভাব দেখা যাচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই আইন অঙ্গনে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হবে। আমাদের সময় এসেছে এই শূন্যতা পূরণ করে এখনই আমাদের কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন,বার কাউন্সিলে আমরা অতি সম্প্রতি যে পরীক্ষা নিয়েছি, সেখানে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মেধাবীদেরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছি। এই পেশায় যদি সততা, অধ্যবসায় না থাকে তাহলে এই পেশায় কেউ ভালো করতে পারে না। সবাই কেমন যেন শর্টকার্ট রাস্তায় অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়। জ্ঞান অর্জন করতে চায় না। আমাদের প্রয়োজন জ্ঞান অর্জন করা। 

এসময় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাদের সময় এসেছে আগামী দিনের প্রজন্মকে একটা সৎ, যোগ্য এবং মেধাবী আইনজীবী সমাজ গড়ে তোলার জন্যে, বিচারকদের গড়ে তোলার জন্যে আমাদের এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমি যখন আইন পেশার শুরুতে যে সমস্ত বিচারপতিদের সামনে দাঁড়িয়ে মামলা করতাম আজকে সে ধরনের, সেই মানের নীতি-নৈতিকতার বিচারপতিদের বড্ড অভাব। বার এবং বেঞ্চে আইনজীবীদের মধ্যে এবং বিচারকদের মধ্যে এই যে মেধার যে ঘাটতি রয়েছে, এই মেধার ঘাটতিটাকে কাটিয়ে উঠার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিডিএলপিবি/এমএম


১২ জুল, ২০২৬

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় একসঙ্গে ৫৮ জন সিভিল জজকে বদলি করেছে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উক্ত বদলি আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সিভিল জজদের তাদের নামের পাশে উল্লেখিত নতুন পদ ও কর্মস্থলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিচারক বর্তমানে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে রয়েছেন, তারা প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যোগদানের সময় তারা বর্তমান পদের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করবেন।


প্রজ্ঞাপনটি নিম্নে দেওয়া হল:






বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিক সাবেক স্পিকার  এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। বাধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

এদিকে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তার প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ অর্ধবেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।  এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। উক্ত নোটিশ মোতাবেক, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সুপ্রিম  কোর্টের উভয় বিভাগের জন্য আজ (রোববার) অর্ধবেলা ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রধান বিচারপতি। আপিল বিভাগের কার্যক্রম বেলা ১১টা পর্যন্ত ও হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চেম্বার জজ আজ বসবেন না। (নোটিশের কপি সংযুক্ত)।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়া থানার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই দফা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুল, ২০২৬

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

ছবি: সংগৃহীত 

লালমনিরহাট জেলায় আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তার হওয়া কোনো আসামির পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই বা কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবীরা।​ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে লালমনিরহাটে মাদকের আগ্রাসনে সামাজিক অবক্ষয় আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। এই সামাজিক বিপর্যয় রুখতে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু 'আলোকিত লালমনিরহাট' নামে একটি সামাজিক আন্দোলন শুরু করেছেন।

​তিনি জানান, এই আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তারদের পক্ষে কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত অমান্যকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে সমিতির নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকেও ‘মাদকসেবী’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

​আইনজীবী সমিতিতে রাজনৈতিক কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, এখানে বিএনপি বা আওয়ামী পন্থী বলে কোনো কথা নেই। সমিতির সকল সদস্য একমত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো সম্ভাবনা রয়েছে।

​এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন,  গ্রেপ্তার আসামিরা চাইলে আইনজীবী ছাড়াই নিজেরা সরাসরি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আইনি লড়াই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সমিতি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।

বিডিএলপিবি/এমএম