আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৮ জুন, ২০২৬

আলোচিত আইনজীবী আমিনুল গনি টিটু মারা গেছেন

আলোচিত আইনজীবী আমিনুল গনি টিটু মারা গেছেন


ছবি: সংগৃহীত 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। সোমবার (৮ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জামিউল হক ফয়সাল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, স্যার ফৌজদারি আইনের ওপর দক্ষ আইনজীবী ছিলেন। ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে সুনামের সাথে মামলা পরিচালনা করে আসছেন। অসংখ্য সুযোগ্য জুনিয়র তৈরি করেছেন। হঠাৎ তার মৃত্যুর খবর পেলাম। আইন অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো।

এর আগে, আদালত অবমাননার মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবীর দায়িত্ব থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গনি টিটু। এরপর তার জায়গায় মো. আমির হোসেনকে শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

২০২৫ সালের ২৫ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানির সময় আমিনুল গনি দায়িত্ব থেকে নিজেকে প্রত্যাহারের আবেদন জানান। ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

৭ জুন, ২০২৬

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত আপিল নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত আপিল নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন


ছবি: সংগৃহীত 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতাধীন মামলাগুলোর আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোববার (৭ জুন) আপিল বিভাগের এজলাসে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের প্রস্তাবের পর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত অনেক আলোচিত মামলার রায় হলেও দীর্ঘ আপিল প্রক্রিয়ার কারণে সেগুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ও রায় কার্যকর হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যায়। ফলে বিচারপ্রাপ্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা তৈরি হয়।

তিনি বলেন, সম্প্রতি শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। তবে হাইকোর্টের অনুমোদন ছাড়া এ রায় কার্যকর হবে না। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর দ্রুত শুনানি নিশ্চিত করতে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা প্রয়োজন।

রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় আগামী রোববার থেকেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলোর শুনানির জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ বেঞ্চ কার্যক্রম শুরু করবে। এই বেঞ্চে শিশু রামিসা হত্যা মামলা, আছিয়া ও রসু খাঁসহ আলোচিত মামলাগুলোর আপিল শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের এসব মামলায় কোনো ধরনের মুলতবি না চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বিলম্ব ছাড়াই ধারাবাহিক শুনানির মাধ্যমে মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, বিচার বিভাগের এই উদ্যোগ আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা আরও শক্তিশালী করবে এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বিচারিক ছুটির মধ্যেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রশংসা করেন।

এ সময় রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩ জুন, ২০২৬

নোটিশ জালিয়াতি রোধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৫ নির্দেশনা

নোটিশ জালিয়াতি রোধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৫ নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারিক স্বচ্ছতার স্বার্থে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

২ জুন, ২০২৬

বুধবার চেম্বার জজ আদালতের শুনানি ১০টা থেকে ১২টা

বুধবার চেম্বার জজ আদালতের শুনানি ১০টা থেকে ১২টা

আগামীকাল বুধবার (৩ জুন) চেম্বার জজ আদালতের শুনানি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এদিন শারীরিক উপস্থিতিতে শুনানি গ্রহণ করবেন আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। মঙ্গলবার (২ জুন) আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার আশিকুল খবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব শুধু আগামীকাল অর্থাৎ ৩ জুন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শারীরিক উপস্থিতিতে চেম্বার আদালতে মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য শুনানি করবেন।

মূল নোটিশ:



বিডিএলপিবি/এমএম

রামিসা হত্যাঃ আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচারে কড়া নির্দেশনা

রামিসা হত্যাঃ আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচারে কড়া নির্দেশনা


ছবিঃ সংগৃহীত

আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামির কথা বলা ও তা প্রচার না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

১ জুন, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের টয়লেটের পাশে মিললো এক বিচারপতির জমাদারের মরদেহ

সুপ্রিম কোর্টের টয়লেটের পাশে মিললো এক বিচারপতির জমাদারের মরদেহ


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের ‘বিজয় ৭১’ ভবনের ৮ম তলার টয়লেটের পাশে গ্রিলের সঙ্গে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় হাইকোর্টের এক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে তার নাম কামাল হোসেন। তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন জমাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আজ (সোমবার) দুপুর ২ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের একাধিক কর্মকর্তা জানান, কামাল হোসেন মানসিক বিকারগ্রস্থ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৬ মে, ২০২৬

বন্ধ হচ্ছে হাইকোর্টের বিচারপতিদের ‘জিরো কল’ টেলিফোন

বন্ধ হচ্ছে হাইকোর্টের বিচারপতিদের ‘জিরো কল’ টেলিফোন


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের বাসভবন, চেম্বার ও বিভিন্ন শাখায় অব্যবহৃত (জিরো কল) টেলিফোন নম্বর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে স্মারক জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক স্মারকে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের চেম্বার, বাসভবন, বিভিন্ন শাখা ও অফিসারদের চেম্বারের ৯৪টি জিরো কল টেলিফোন নম্বরগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

স্মারকে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় নম্বরগুলো বিচারপতিদের চেম্বার, বাসভবন, বিভিন্ন শাখা ও অফিসারদের চেম্বারে ব্যবহৃত হলে তা আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রশাসন শাখাকে অবহিত করার জন্য অনবরোধ করা হলো।

বিডিএলপিবি/এমএম

২৫ মে, ২০২৬

হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠিত

হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠিত

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। অবকাশকালীন ৭টি বেঞ্চ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। বেঞ্চ গঠনসংক্রান্ত প্রধান বিচারপতির সই করা আদেশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৩৫ নম্বর গঠনবিধির ক্ষমতাবলে গত বুধবার (২০ মে) প্রধান বিচারপতির সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বেঞ্চ গঠনের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ আদালতের অবকাশে ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ৪ জুন পর্যন্ত এই অবকাশকালীন বেঞ্চসমূহ সুনির্দিষ্ট এখতিয়ার ও অধিক্ষেত্র অনুযায়ী অতীব জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট এবং আদিম অধিক্ষেত্রের মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবেন। বেঞ্চসমূহ হলো-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।


বিডিএলপিবি/এমএম

অবকাশকালে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত পরিচালনায় মনোনীত ২ জন বিচারপতি

অবকাশকালে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত পরিচালনায় মনোনীত ২ জন বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য দুজন বিচারপতিকে ‘ভ্যাকেশন জাজ’ হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রধান বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আপিল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হাসান মো. আরিফুর রহমানের সই করা ৩২/২০২৬ এসসি (এডি) নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত কোর্টের চলমান অবকাশকালে, সাপ্তাহিক ও ঘোষিত সরকারি ছুটিতে আপিল বিভাগের জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক চেম্বার কোর্টে শুনানির দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আপিল বিভাগের জরুরি মামলার আইনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জনস্বার্থে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

৭২ বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিলো সরকার

৭২ বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিলো সরকার


ছবি: সংগৃহীত 

অবকাশকালীন ছুটিতে জরুরি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সারাদেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর ঢাকা মহানগর এলাকা, ঢাকার ১০টি বিশেষ জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

এছাড়া, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, খুলনা মহানগর এলাকার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ খুলনার বিচারক মো. আসাদুল্লাহ, রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক মো. জুলফিকার উল্লাহ এবং রংপুর মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে। শিশু আইন, ২০১৩ এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।

অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম