আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৪ অক্টো, ২০২৬

আইনজীবীদের স্থান সংকট নিরসনে ‘ভবন-২০২০’ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ প্রধান বিচারপতির

আইনজীবীদের স্থান সংকট নিরসনে ‘ভবন-২০২০’ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ প্রধান বিচারপতির

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যদের বসার স্থান সংকট নিরসন এবং আদালত প্রাঙ্গণের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এ লক্ষ্যে আইনজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত ‘ভবন-২০২০’ প্রকল্প পুনরায় চালু, অ্যাডভোকেট লাউঞ্জ সম্প্রসারণ এবং জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় আইনজীবীদের পেশাগত কাজের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে সমিতির সম্পাদক আইনজীবীদের বসার স্থানের তীব্র সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালে ‘ভবন-২০২০’ নামে একটি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পটির কাজও শুরু হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তা আর বাস্তবায়িত হয়নি।

প্রকল্পটির পটভূমি তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল। সে সময় তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক কারণে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন বন্ধ হয়ে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

‘ভবন-২০২০’ প্রকল্পটি পুনরায় চালুর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবন নির্মাণের নকশা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বৈঠকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের জন্য বিদ্যমান অ্যাডভোকেট লাউঞ্জের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাবও উত্থাপন করা হয়। প্রধান বিচারপতি এ প্রস্তাবের প্রতিও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণের চলাচলের রাস্তা, করিডোর ও ড্রেনের বেহাল অবস্থার বিষয়টি আলোচনায় এলে এসব অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দেন তিনি।

আইনজীবীদের নামাজের স্থানসংক্রান্ত সমস্যাও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। প্রধান বিচারপতি মনে করেন, ‘ভবন-২০২০’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আইনজীবীদের বসার জায়গার সংকটসহ আরও বেশ কিছু সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আইনজীবীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান বিচারপতি। আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।

আইন পেশার মর্যাদা ও পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখার পাশাপাশি বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

বৈঠকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রেজাউল হক, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনিকা আর হক, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এবং আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: দ্য ডেইলি অবজারভার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬।

হাইকোর্টে বিচারকাজ পরিচালনায় নতুন বেঞ্চ গঠন: কার্যকর আগামীকাল থেকে

হাইকোর্টে বিচারকাজ পরিচালনায় নতুন বেঞ্চ গঠন: কার্যকর আগামীকাল থেকে

ছবি: সংগৃহীত 
আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রোববার থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একাধিক বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে ২০২৬ সালের ২৭৪ নম্বর গঠনবিধি জারি করা হয়েছে।
রবিবার বন্ধ থাকবে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম

রবিবার বন্ধ থাকবে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বেলা আড়াইটায়। তবে এদিন আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবকাশকালীন ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাসের সামনের করিডোরে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকসহ অন্যান্য আইনজীবীরা সাক্ষাৎ করবেন।

এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের পাশে ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে আইনজীবীদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের কারণে রোববার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বেলা আড়াইটায় শুরু হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি

২৫ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৬ নির্দেশনা

২৫ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৬ নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বিজ্ঞ আইনজীবীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ছয়টি বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালত খোলার প্রথম দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাসের সামনের করিডোরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে (মূল ভবনসংলগ্ন বাগান) আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে।

প্রবেশ ও চলাচলে যেসব নির্দেশনা

অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য আইনজীবীদের সোনালী ব্যাংক গেট ও আইনজীবী সমিতির গ্যাংওয়ে ব্যবহার করতে হবে। প্রধান বিচারপতি ও উভয় বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে প্রবেশের ক্ষেত্রে মূল ভবনের ২ ও ৩ নম্বর গেটের পাশের সিঁড়ি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার জন্যও মূল ভবনের ২ ও ৩ নম্বর গেট ব্যবহার করতে হবে। তবে সোনালী ব্যাংক গেট শুধু প্রবেশের জন্য ব্যবহারযোগ্য থাকবে।

প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট থাকবে। নিরাপত্তাকর্মীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে এবং প্রয়োজনে পরিচয়পত্র প্রদর্শনের জন্য তা সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত নন—এমন কাউকে অনুষ্ঠানে প্রবেশ না করানোর বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা ও আচরণবিধি

অনুষ্ঠানস্থলে ধারালো বা দাহ্য পদার্থ, দিয়াশলাই, লাইটার, অ্যারোসল ক্যানসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে দ্রুত সংশ্লিষ্টদের অবহিত করতে বলা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ভিড় না করা এবং সৌজন্য বিনিময় সংক্ষিপ্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিচারপতিদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে সেলফি তোলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কলার ব্যান্ডসহ আবশ্যিকভাবে কোর্ট ড্রেস পরে আসতে হবে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানস্থলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং প্রবেশ, অবস্থান ও প্রস্থানের সময় শান্ত, সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

খাবার পরিবেশন ও জরুরি সহায়তা

অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের আপ্যায়নের জন্য ১০টি ফুড স্টেশন থাকবে। এসব স্টেশন থেকে সারিবদ্ধভাবে খাবার গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, যাতে পরিবেশ সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক থাকে। খাবার সংগ্রহে সামান্য সময় লাগলে ধৈর্য ধরতে এবং ব্যবহৃত প্লেট ও গ্লাস নির্ধারিত স্থানে রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানস্থলে একটি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক অসুবিধা বা দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটস্থ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাকর্মীকে জানালে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ধূমপান নিষিদ্ধ, গাড়ি পার্কিং ঈদগাহ মাঠে

বিজ্ঞপ্তিতে অনুষ্ঠানস্থলে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ঈদগাহ মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান-সংক্রান্ত ঘোষণাগুলো সাউন্ড সিস্টেমে প্রচারিত দিকনির্দেশনা অনুযায়ী অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন রহমান সিদ্দিকী।

সূত্র: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি

বিডি ল' পোস্ট/ মাসুম

আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়

আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ শেষে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে আইনজীবীদের সুবিধার্থে শনিবার (২৪ অক্টোবর) খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

শনিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কার্যালয়ে মামলাসংক্রান্ত নোটিশ গ্রহণ করা হবে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, দীর্ঘ অবকাশ শেষে আগামী রোববার থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এ সময় বিভিন্ন বেঞ্চের গঠন ও এখতিয়ারে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে শনিবার কার্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপূজার ছুটির কারণে কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আইনজীবীদের বিষয়টি জানাতে জরুরি নোটিশও জারি করা হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনজীবীরা কার্যালয়ে তাঁদের মামলাসংক্রান্ত নোটিশ জমা দিতে পারবেন।

এই উদ্যোগের ফলে অবকাশ-পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে আইনজীবীরা প্রয়োজনীয় নোটিশ দাখিলের সুযোগ পাবেন।

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬


২২ অক্টো, ২০২৬

আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ ও অন্তত দুটি বেঞ্চ গঠনের দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের

আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ ও অন্তত দুটি বেঞ্চ গঠনের দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ এবং অন্তত দুটি বেঞ্চ গঠনের দাবি জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন আপিল ও অন্যান্য মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কার্যকর বেঞ্চ গঠন জরুরি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শিশির মনির বলেন, আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি অন্তত দুটি বেঞ্চ গঠন করা প্রয়োজন। অন্যথায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা বাস্তবে কঠিন হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিচারপতিদের তালিকা অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতিসহ মোট পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন। তাঁরা হলেন—প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।

আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা, বেঞ্চের কার্যক্রম এবং দীর্ঘদিনের মামলাজট নিরসন নিয়ে শিশির মনিরের বক্তব্য বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। তাঁর প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো, প্রয়োজনীয় বিচারক নিয়োগ এবং একাধিক বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির গতি বাড়ানো।

এর আগে ২০২৬ সালের ২২ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শিশির মনিরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, আপিল বিভাগে প্রায় ৩৮ হাজার মামলা বিচারাধীন ছিল এবং তিনি বিচারপতির সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত নয়জন করা ও বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।


বিডি ল' পোস্ট/ মাসুম

১৮ অক্টো, ২০২৬

অবকাশকালীন ছুটি শেষে সুপ্রিম কোর্ট খুলছে ২৫ অক্টোবর, আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধান বিচারপতি

অবকাশকালীন ছুটি শেষে সুপ্রিম কোর্ট খুলছে ২৫ অক্টোবর, আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধান বিচারপতি

কোলাজ ছবি 
অবকাশকালীন ছুটি শেষে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে খুলছে সুপ্রিম কোর্ট। ওই দিন থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হবে। 

 অবকাশকালীন ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে প্রধান বিচারপতি ও উভয় বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে আইনজীবীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ অক্টোবর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

১৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনসংলগ্ন ইনার কোর্ট ইয়ার্ডের (বাগান) এলাকায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা উপস্থিত থাকবেন।

এতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি


১৭ অক্টো, ২০২৬

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানমের পদত্যাগ

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানমের পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত 
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) শিউলি খানম পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জানা গেছে, শিউলি খানমের পদত্যাগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেওয়ার পর তা সলিসিটরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বেলায়েত হোসেন পদত্যাগ করেন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর একযোগে পদত্যাগ করেন পাঁচ আইন কর্মকর্তা। তারা হলেন—অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবি, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জ্বল চাকমা।

এর দুই দিন পর, ৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন শাপলা। এছাড়া সম্প্রতি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নূরুল করিমও পদত্যাগ করেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর তিনি আইনমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন।

এর আগে গত জুন মাসে সরকারের নেওয়া একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।


সূত্র: ঢাকা পোস্ট


১৬ অক্টো, ২০২৬

ভুয়া মামলা দিয়ে শতাধিক মানুষকে হয়রানি, লালমনিরহাটের সেই যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ বরখাস্ত

ভুয়া মামলা দিয়ে শতাধিক মানুষকে হয়রানি, লালমনিরহাটের সেই যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ বরখাস্ত

কোলাজ ছবি 
ভুয়া মামলা দায়েরের মাধ্যমে গাজীপুরে শতাধিক মানুষকে হয়রানির অভিযোগে লালমনিরহাটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে আইন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে ভুয়া মামলা দিয়ে গাজীপুরে শতাধিক মানুষকে হয়রানির ঘটনায় প্রতিবেদন প্রকাশ করে চ্যানেল 24। বিষয়টি নজরে আসার পর আইন মন্ত্রণালয় থেকে বিচারক আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হলো।

আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা, ২০১৭-এর বিধি ২(ক) ও ২(চ) অনুযায়ী ‘অদক্ষতা’ ও ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) খাদেম উল কায়েস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

উল্লেখ্য, মো. আরিফুল ইসলাম এর আগে শরীয়তপুরের সিনিয়র সহকারী জজ এবং ঢাকার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি লালমনিরহাটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সূত্র: চ্যানেল ২৪ ও আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন 

বিডিলপোস্ট/এম

১৩ অক্টো, ২০২৬

দুর্গাপূজায় ৩ দিন বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত, ১৭ অক্টোবর খোলা

দুর্গাপূজায় ৩ দিন বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত, ১৭ অক্টোবর খোলা

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট 
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ এবং দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল খোলা থাকবে।

সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচার শাখা থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর শনিবার উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

বন্ধ থাকবে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালও

অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ছুটি থাকবে। তবে আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল খোলা থাকবে।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মুহাম্মদ শরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি