আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৩ এপ্রি, ২০২৬

শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ৫ মে

শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ৫ মে

ছবিঃ সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ আগামী ৫ মে। অভিযোগ গঠন বিষয়ে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশের এই দিন ধার্য করেন।

এই মামলার অপর আসামিরা হলেন- শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র। 

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল, ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা। ২১ জুলাই ফাতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে হত্যা এবং ৫ আগস্টে বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে। 

ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের পদক্ষেপ

ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের পদক্ষেপ


ছবিঃ সংগৃহীত 

সম্প্রতি ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ দেশের আইন-আদালত অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। 

অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের আইন কর্মকর্তারাই সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীক বিচারব্যবস্থায় রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি মুক্ত একটি অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস দেশের বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সম্প্রতি দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের দৃশ্যমান পদক্ষেপ লক্ষ্য করা গেছে। 

একজন বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আবুল হাসানের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার লিখিত অভিযোগ আসে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে। যেখানে একটি মামলার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দেবেন, এমন আশ্বাসে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগকারী (বিচারপ্রার্থী) লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। 

এ বিষয়ে নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুসের (কাজল) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে এই অভিযোগের বিষয়টি আমাকে অবহিত করা হয়। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় আমি সংশ্লিষ্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে কথা বলি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তার সেদিনের জবাব আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি।’ 

একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসানের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ বাতিল করে তাকে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেন।

এদিকে, জনগুরুত্বপূর্ণ একটি রিট মামলার ফাইল উদ্দেশ্যমূলকভাবে হাইকোর্টে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার অভিযোগে গত ১৬ এপ্রিল এক অফিস সহায়ককে পুলিশে দেন অ্যাটর্নি জেনারেল। পরবর্তীতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে এই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ফৌজদারি মামলা করেন। সে মামলার অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাইল আদালতে (হাইকোর্টে) না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার মানসে কোন প্রলোভনে পড়ে একাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হতে পারেন, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে থাকতে পারেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বাসস'কে বলেন, আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি (অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস) রাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এখানে এমন কর্মকর্তা কর্মচারী থাকতে হবে যারা নীতি নৈতিকতার মানদণ্ডে হবেন উন্নত। এখানে কারো অনিয়ম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না।

অন্যদিকে, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এখন পর্যন্ত চারটি রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন এই দু’টি ট্রাইব্যুনালের দেয়া আলোচিত চারটি রায়ে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি দণ্ডিত অপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই বিচারিক সফলতার অংশ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। এই কার্যালয়ের প্রসিকিউটরা ট্রাইব্যুনালে ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রে আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তবে সম্প্রতি কয়েকজন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যেখানে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেফতার সাবেক এক সংসদ সদস্যকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দিতে তার পরিবারের কাছে একজন প্রসিকিউটরের কোটি টাকা চাওয়া সংক্রান্ত ফোনালাপের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে। অন্যদিকে আরেকজন প্রসিকিউটরের কক্ষে একজন আসামির স্ত্রী ভারী ব্যাগ নিয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেন প্রসিকিউশন টিমেরই আরেক প্রসিকিউটর।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করা একাধিক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ তদন্তে গত ১০ মার্চ একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। সে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি দ্রুত তাদের প্রতিবেদন জমা দেবেন এবং সে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বাসস’কে বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতির অনিয়মের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। কোন দুর্নীতিকে আমরা প্রশ্রয় দেব না। যেকোন অবস্থায় আমাদেরকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোন প্রসিকিউটর বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট কেউ যদি কোন দুর্নীতি করার চেষ্টা করেন, বা চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে এটা তার জন্য আত্মঘাতী হবে।’

ভিডিও ভাইরাল: বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরানো হল বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে

ভিডিও ভাইরাল: বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরানো হল বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ তথ্য জানা গেছে।

অবকাশকালীন ছুটি শেষে ১৯ এপ্রিল থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। সেদিন থেকেই বিচারপতি আবদুল মান্নানকে কোনো বেঞ্চে রাখেননি প্রধান বিচারপতি। গত পাঁচ দিন ধরেই তিনি বিচারকাজে যুক্ত নন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেছেন, কেন তাকে বেঞ্চ দেওয়া হয়নি, তার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি প্রধান বিচারপতি। অতএব, অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তাকে যে বিচারকাজ পরিচালনা থেকে সরানো হয়েছে, এটা ঠিক নয় বলে মনে করেন তিনি।

গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে 'অ্যাপেক্স বাংলাদেশ'-এর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের সময় জনসাধারণের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর পুলিশি পাহারায় বিচারপতি আব্দুল মান্নানের সভাস্থল ত্যাগের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।

বিচারপতি আব্দুল মান্নান ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং পরে স্থায়ী হয়েছিলেন। ঝিনাইদহ জেলার অধিবাসী এবং ১৯৯৪ সালে সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।

ভার্চুয়াল আদালত: সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭ মামলার শুনানি, নিষ্পত্তি ১৭৭

ভার্চুয়াল আদালত: সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭ মামলার শুনানি, নিষ্পত্তি ১৭৭


ছবি: সংগৃহীত 

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের উভয় (আপিল ও হাইকোর্ট) বিভাগে বুধবার (২২ এপ্রিল) সর্বমোট ৭০৭টি মামলা শুনানি হয়েছে এবং ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ (বুধবার) তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানির মাধ্যমে আপিল বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ৯৫টি মামলা শুনানি ও ২১টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৬১২টি মামলা শুনানি ও ১৫৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে সর্বমোট ৭০৭টি মামলা শুনানি ও ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

এদিন সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর হাইকোর্ট বেঞ্চগুলোর বিচারিক কার্যক্রম চলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। এছাড়া আজ দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত পরিচালিত হয় ভার্চুয়াল মাধ্যমে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত ২০ এপ্রিলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন-২০২০ এবং সুপ্রিম কোর্টের জারিকৃত প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে। সপ্তাহের অন্যান্য কার্যদিবসে শারীরিক উপস্থিতিতে আদালত পরিচালিত হবে।

এতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালতে শুনানি সংক্রান্ত মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা এবং ভার্চুয়াল (মিটিং) আইডি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে ও সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ হতে জানা যাবে। এই নির্দেশনা আগামী ২২ এপ্রিল হতে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির ডিসচার্জ শুনানি আজ

শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির ডিসচার্জ শুনানি আজ


ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির ডিসচার্জ (অব্যাহতি) আবেদনের শুনানি আজ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। 

অন্য আসামিরা হলেন- শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র। 

মামলার সব আসামিই পলাতক। তাদের হয়ে আইনি লড়াইয়ের জন্য সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আসামিদের ডিসচার্জ আবেদন নিয়ে শুনানি করবেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা।

২২ এপ্রি, ২০২৬

তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে

তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত

কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে হাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআই কুমিল্লার সদর কোর্টের বিচারকের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, তনু হত্যা মামলার আসামি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। তিন দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হবে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ নিজ বাসভবন থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন তারিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তারের পর বুধবার বিকেলে কুমিল্লা আদালতে তোলা হয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানকে।

গত ৬ এপ্রিল এ আলোচিত মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতের অনুমতি চেয়েছিলেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত মামলার ৮০টি ধার্য তারিখ পার হয়েছে এবং চারটি সংস্থার সাত তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটি পরিচালনা করেছেন।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেন কুমিল্লা আদালতে উপস্থিত হন। তনুর বাবা-মায়ের জবানবন্দি নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে আদালত সূত্রে জানা যায়।

উল্লেখ্য, ১৯ বছর বয়সী তনু কুমিল্লা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তনুর বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডে চাকরিরত ছিলেন। ২০১৬ সালের ২০শে মার্চ তনুর মৃতদেহ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে পাওয়া যায়। প্রাইভেট টিউটরের কাছে এক বাসায় পড়তে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন।

তনু হত্যাকান্ড সমগ্র বাংলাদেশে আলোড়ন তুলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে প্রচন্ড আলোচনা হয়। সমগ্র বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যাম্পাসে বিচারের দাবীতে আন্দোলন করে এবং ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের একটি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ মিছিল করে।

২১ এপ্রি, ২০২৬

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ছবিঃ সংগৃহীত

জ্বালানিমন্ত্রীকে মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের একটি আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন।

জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির মামলায় কুষ্টিয়ার এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ মার্চ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেন মুফতি আমির হামজা। এর আগেও একাধিকবার আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ আছে এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে।

২০ এপ্রি, ২০২৬

হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের রিমান্ডে

হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের রিমান্ডে

ছবিঃ সংরক্ষিত
চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরের ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকার একটি আদালত।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জমসেদ আলম  তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছাত্র-জনতার সঙ্গে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান নেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও নিপীড়নের জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক হতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।

পরে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভিকটিমের অবস্থার অবনতি হলে, পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর শ্যামলীর সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর মডেল থানায় ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লিজা বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বহাল রাখার আর্জি জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেনসহ ৭ আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির রিটের পক্ষে শুনানি করবেন।

১৭ এপ্রি, ২০২৬

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিটের ফাইল হাইকোর্টে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার অভিযোগে অফিস সহায়ককে পুলিশে দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।  বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনকে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। 

অপরদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে এই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ফৌজদারি মামলা করেন। 

এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ সংক্রান্ত রিটের ফাইল সরবরাহ না করায় কর্তব্যরত রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সরকারি বক্তব্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। এ বিষয়ে ওই কোর্টে দায়িত্বরত আইন কর্মকর্তারা ভীষণ মনঃক্ষুণ্ণ হন এবং ওই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। ওই রিট আবেদনটি জনগুরুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সম্পর্কিত। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দৃষ্টিতে এনে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফাইল রিসিভকারী মো. মনিরুজ্জামান সরকার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ওই কোর্টে দায়িত্ব পালনকারী অপর অফিস সহায়ক সম্রাট বাহর এবং নিয়োজিত ডিএজি খন্দকার বাহার রুমির সঙ্গে আলাপ করার পর অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাইল আদালতে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার মানসে কোনও প্রলোভনে পড়ে একাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। 

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনও সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হতে পারেন, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে থাকতে পারেন। অভিযুক্ত মো. ইমরান হোসেনের এহেন কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ পরিপন্থি ও গুরুতর অসদাচরণ। এছাড়া এই কাজে অন্য কোনও ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ ব্যক্তিরা জড়িয়ে আছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত ফৌজদারি মামলার বিষয়টি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।