অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৯ জুল, ২০২৬

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের দুই ফ্ল্যাটে ইনভেন্টরিতে যা পেয়েছে দুদক

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের দুই ফ্ল্যাটে ইনভেন্টরিতে যা পেয়েছে দুদক

ছবি: সংগৃহীত 

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর গুলশানের দুটি ক্রোককৃত ফ্ল্যাটে রক্ষিত মালামালের তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া ইনভেন্টরির প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শতাধিক কোট, পাঁচ শতাধিক টাই, আটটি ঘড়ির বক্সে সংরক্ষিত মোট চারটি রোলেক্স ঘড়ি, তিন সেট মুক্তা (পার্ল), চারটি ঝাড়বাতি, শতাধিক কামিজ, বেড ও সোফাসহ বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র ও সামগ্রী পাওয়া গেছে।

দুদক-এর জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ জানান, ইনভেন্টরির কাজ আগামীকালও চলবে। কাজ শেষে ফ্ল্যাট দুটিতে থাকা সব মালামালের পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। দুদক  জানায়, ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গুলশানের রোড-৬৬, প্লট-১১-এর এ-৭ ও বি-৭ নম্বর দুটি ফ্ল্যাটের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুদক-এর পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট)-কে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আদালতের পরবর্তী আদেশ অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ ও সেখানে থাকা মালামালের ইনভেন্টরি করার জন্য গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিলয় রহমানকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুদক-এর কর্মকর্তারা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আজ ইনভেন্টরির কার্যক্রম শুরু হয়।

এর আগে, গত ২ জুলাই জারি করা এক স্মারকে দুদক জানায়, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে ফ্ল্যাট দুটি রিসিভারের দখলে নিয়ে সেখানে রক্ষিত মালামালের ইনভেন্টরি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে তার ৩৩০টি বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেন আদালত। দুদকের হিসাবে, এসব সম্পদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কোম্পানিতে তার বিনিয়োগের মূল্য প্রায় ২ হাজার ৩২১ কোটি টাকা।

এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যে তার নামে থাকা ৫১৮টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। দুদকের আবেদনে এসব সম্পদের মূল্য ২৭ কোটি ১৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৭২ পাউন্ড উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের মার্চে তার ৩৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং ২৩টি কোম্পানির শেয়ার জব্দের আদেশ দেন আদালত। একই অনুসন্ধানের বিভিন্ন পর্যায়ে তার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আরও ব্যাংক ও বিও হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

অপরদিকে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ২৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা মামলায় চলতি বছরের মার্চে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

দুদকের বিভিন্ন আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সাইফুজ্জামান অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: বাসস

হেফাজতকে নিঃশেষের পরিকল্পনা থেকেই শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ : চিফ প্রসিকিউটর

হেফাজতকে নিঃশেষের পরিকল্পনা থেকেই শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ : চিফ প্রসিকিউটর

ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসমাবেশে পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্তে এখন পর্যন্ত ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৯ জুলাই রোববার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিং ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনাটি ছিল একটি পদ্ধতিগত অপরাধ এবং ব্যাপক ও লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড। তিনি বলেন, ব্লগারদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সংগঠনটিকে নিঃশেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা দীর্ঘ তদন্ত শেষে একটি খসড়া প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দিয়েছে। বর্তমানে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে, যাতে সঠিক তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা যায়। এ লক্ষ্যে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে খসড়া প্রতিবেদন নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে ৬১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

হেফাজতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উদ্দেশ্য হলো, কোনো প্রকৃত আসামি যেন বাদ না পড়ে এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন আসামি না হন। আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে।

মামলার আসামিদের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রতিবেদনটি এখনও খসড়া পর্যায়ে থাকায় পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মামলার প্রধান আসামি। এছাড়া সাবেক পুলিশপ্রধান, সাবেক বিজিবি প্রধানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে আসামির তালিকায় সংযোজন বা বিয়োজন হতে পারে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলছি যে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি এবং অনেক তথ্য এখনও অনুপস্থিত। তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলা চত্বরের নিহতদের মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফলে তদন্ত প্রতিবেদনে অনেকের তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আমাদের নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী ৬১ জন নিহতের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার, মুফতি মীর ইদ্রিসসহ সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে একই দিন সকালে শাপলা চত্বরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করে। তদন্ত প্রতিবেদনে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া তৎকালীন পুলিশ ও র‍্যাবের প্রধান, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার, একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপা এবং সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরের নামও আসামির তালিকায় রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৮ জুল, ২০২৬

দেয়াল টপকে পালালেন মহিলা কয়েদি: সাত কারারক্ষী বরখাস্ত

দেয়াল টপকে পালালেন মহিলা কয়েদি: সাত কারারক্ষী বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত 

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে এক নারী বন্দির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন মেট্রন ও চার নারী কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ জানান, দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসায় সংশ্লিষ্ট সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিনি জানান, পলাতক বন্দিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও কীভাবে ওই বন্দি পালিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের অবহেলার সুযোগে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি রিম্পা (২১) কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের পাশের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হয় কারা কর্তৃপক্ষ।

পলাতক রিম্পা মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রায়পুরা গ্রামের মো. হাসান হাবিবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার পর শুক্রবার কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৬ জুল, ২০২৬

মিথ্যা মামলার জেরে বিমানের কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে উল্টো মামলার নির্দেশ আদালতের

মিথ্যা মামলার জেরে বিমানের কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে উল্টো মামলার নির্দেশ আদালতের

ছবিঃ সংগৃহীত 

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

এতে বলা হয়, ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে শিমু আদালতে মিথ্যা মামলা করেছেন। তিনি হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেওয়া হলফনামা সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত নিজেই বাদী হন। পরে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, খাদিজা সুলতানা শিমু বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য উত্তরা পশ্চিম থানাকে নির্দেশ দেন।

তদন্ত শেষে থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। মামলার এজাহারে থাকা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করেও ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এর আগে ওমর ফারুক শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

আইন ও বিচার বিভাগে ১২ জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি

আইন ও বিচার বিভাগে ১২ জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি

ছবিঃ সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ ১২ জন জেলা রেজিস্ট্রারকে পদোন্নতি দিয়ে নিবন্ধন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (এআইজিআর) পদে পদায়ন করেছে। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) আইন বিচার বিভাগের বিচার শাখা- থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪০,০০০-৫৩,১৭০ টাকা বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডে নিবন্ধন ক্যাডারভুক্ত সহকারী পরিদর্শক (আইআরঅ্যান্ডএস) পদ থেকে সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (এআইজিআর) পদে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন, মো. মোহছেন মিয়া (বরিশাল), মো. খন্দকার জামীলুর রহমান (চট্টগ্রাম), দীপক কুমার সরকার (পাবনা), মো. হেলাল উদ্দিন (ঠাকুরগাঁও), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (টাঙ্গাইল), মুনসী মোখলেছুর রহমান (ঢাকা), মো. আবদুল মালেক (নেত্রকোণা), মুহাম্মদ আবু তালেব (যশোর), মহসীন আলম (ঝালকাঠি), মোহা: আবদুল হাফিজ (নারায়ণগঞ্জ), মো. মিজানুর রহমান (খুলনা) এবং মো. আব্দুল বারী (জয়পুরহাট)। 


বিডিএলপিবি/এমএম

১৪ জুল, ২০২৬

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু-কোমর পানি, ড্যাপ বাস্তবায়নে লিগ্যাল নোটিশ

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু-কোমর পানি, ড্যাপ বাস্তবায়নে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পরিকল্পিত নগরায়নে রাজউক প্রণীত বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় সরকারের দুই সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। এক মাসের মধ্যে ড্যাপ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনস্বার্থে উচ্চ আদালতে রিট মামলা করা হবে বলে নোটিশে তিনি উল্লেখ করেছেন। 

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াস আলী মণ্ডল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানকে জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান।

এতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীর পরিকল্পিত নগরায়ন, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার রাজউক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ড্যাপ প্রণয়ন করে। কিন্তু এই মাস্টারপ্ল্যান আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ কারণে অপরিকল্পিত ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বাড়ছে।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইলিয়াস আলী বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয় করে যে পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে, তার বর্তমান অবস্থা জানতেই মূলত এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হলে হাইকোর্টে রিট করে রুল চাওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

অ্যাকাউন্টে ৯ কোটির অধিক টাকা লেনদেন: হরিদাস চন্দ্র ৪ দিনের রিমান্ডে

অ্যাকাউন্টে ৯ কোটির অধিক টাকা লেনদেন: হরিদাস চন্দ্র ৪ দিনের রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার ‘রামমূর্তি’ নির্মাণ করতে চেয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা সেই হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত এই আদেশ দেয়। আসামিকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আদালতে বলেন, হরিদাস চন্দ্রের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন, মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তাদের ভাষ্য, হরিদাস একটি মন্দির পরিচালনা করেন এবং ভক্তদের অনুদানের অর্থই তার হিসাবে জমা হয়েছে। তারা রিমান্ডের পরিবর্তে কারাগারে রেখেই জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান।

শুনানিতে বিচারকের অনুমতি নিয়ে হরিদাস চন্দ্র বলেন, “আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দির করে যদি অপরাধী হই, তাহলে কিছু করার নেই।” তিনি আরও বলেন, “ভক্তদের দেওয়া অর্থ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে।”

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, হরিদাস চন্দ্রসহ সংশ্লিষ্টরা হুন্ডি এবং দেশি, বিদেশি মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত। সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও চারটি এমএফএস হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। তবে মূর্তির অর্থায়ন, জমির মালিকানা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে বিতর্কের পর গত ১১ জুন মন্দির কর্তৃপক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুল, ২০২৬

আইন পেশার প্রতি আস্থা ফেরানো বার কাউন্সিলের বড় দায়িত্ব: শিশির মনির

আইন পেশার প্রতি আস্থা ফেরানো বার কাউন্সিলের বড় দায়িত্ব: শিশির মনির

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর নবগঠিত এডহোক কমিটির সদস্য শিশির মনির বলেছেন, আইন পেশার প্রতি পূর্ণ আস্থা ফেরানো বার কাউন্সিলের বড় দায়িত্ব। এই জন্য আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি। 

আজ শনিবার (১১ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।  পোস্টে তিনি লেখেন, 'আইন পেশার প্রতি পূর্ণ আস্থা ফেরানো বার কাউন্সিলের বড় দায়িত্ব। প্রয়োজন বিজ্ঞ আইনজীবীদের সার্বক্ষণিক উন্নতি [Continued Professional Development] প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে ইনশাআল্লাহ।'

উল্লখ্য, শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টায় বার কাউন্সিল ভবনে নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাউন্সিল সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না। একইসঙ্গে বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে পূর্বে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম


দেশের বিচার বিভাগ সংস্কারে অর্থায়ন করছে সুইডেন ও ইউএনডিপি

দেশের বিচার বিভাগ সংস্কারে অর্থায়ন করছে সুইডেন ও ইউএনডিপি

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং নাগরিকবান্ধব করে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে সুইডেন সরকার ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। চলমান বিচার বিভাগীয় সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সুইডেন সরকার অতিরিক্ত ৩০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই অর্থ বিচারিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগে ব্যয় করা হবে।

ঢাকায় ইউএনডিপির কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন এই অর্থায়ন বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় সংস্কার কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে বিচারিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও জবাবদিহিমূলক, দক্ষ এবং জনগণের চাহিদার প্রতি অধিকতর সংবেদনশীল করে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

ইউএনডিপির মতে, নাগরিকদের জন্য কার্যকর বিচারিক সেবা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সুইডেন ও ইউএনডিপির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বেরই ধারাবাহিকতা এই নতুন সহায়তা। প্রকল্পের আওতায় বিচার বিভাগের সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সংস্কার কার্যক্রমেও সহায়তা প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অধিকারভিত্তিক এবং জবাবদিহিমূলক বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার পাশে সুইডেন সবসময় রয়েছে। তার ভাষায়, এই অতিরিক্ত অনুদান দুই পক্ষের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যা বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াবে এবং ন্যায়বিচারে মানুষের প্রবেশাধিকার আরও সহজ করবে।

ইউএনডিপি বাংলাদেশের বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, জনআস্থা, সামাজিক সংহতি এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি কার্যকর বিচার ব্যবস্থা অপরিহার্য। তিনি বলেন, বিচার বিভাগকে জনগণের প্রয়োজনের প্রতি আরও দায়িত্বশীল ও সেবামুখী করে তুলতে সুইডেনের ধারাবাহিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উল্লেখ্য, বিচার বিভাগীয় সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সুইডেন ও ইউএনডিপির মধ্যে মূল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর। সর্বশেষ এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে সেই উদ্যোগের পরিধি ও কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জুল, ২০২৬

বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির প্রথম সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত

বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির প্রথম সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত



ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টায় বার কাউন্সিল ভবনে নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন।

উক্ত সভায় সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, ল' রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাহফুজুর রহমান মিলন এবং হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ আহমেদ তালুকদার নির্বাচিত হন।

এছাড়া হাউজ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ হোসেন লিপু, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ শিশির মনির এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নাসির উদ্দিন অসীমকে নির্বাচিত করা হয়।
সভায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাউন্সিল সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না। একইসঙ্গে বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে পূর্বে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিস্তারিত জানতে এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি নিম্নে দেওয়া হল:


বিডিএলপিবি/এমএম