মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৬ জুল, ২০২৬

হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে

হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। 

তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুজন মোটরসাইকেল আরোহী দুষ্কৃতকারী ওসমান হাদিকে একেবারে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। সে সময় দ্রুত হাদিকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে দুদিন রাখার পর নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হলে হাদিকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। পরে তার মৃত্যুর পর গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ। তবে ডিবির দেওয়া চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ বাকি ছয়জন পলাতক রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২৮ জুলাই

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২৮ জুলাই


ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায়ের ঘোষণার জন্য আগামী ২৮ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বেঞ্চ সহকারী মো. দেওয়ান আশিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে এস কে সুরকে নিজের ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। 

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদক-এর উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক-এর উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গত ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে সাত জন সাক্ষীর মধ্যে সাত জনই আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এস কে সুর চৌধুরীকে গ্রেফতার করে দুদক। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সোর্সঃ বাসস

১৪ জুল, ২০২৬

চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ প্রদান করেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করলে তা মঞ্জুর করা হয়।

আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে— ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। পাশাপাশি যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য ময়নাতদন্ত অপরিহার্য বলে আদালত উল্লেখ করেন।

আদেশে আরও বলা হয়, ধীপ্রার মৃত্যুর পরে ন্যায়বিচারের পথ বাধাগ্রস্ত করতে ময়নাতদন্ত ছাড়া ৫ জুন দ্রুত রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান আদালতের কাছে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং পরবর্তীতে ধর্মীয় বিধান অনুসারে পুনরায় দাফনের অনুমতি চান।

আদালত আবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৬(২) ধারার ক্ষমতাবলে আবেদনটি মঞ্জুর করে। একই সঙ্গে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা সিভিল সার্জন, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যু ঘটে ৪ জুন। পরবর্তীতে তার স্বজন, বন্ধু ও সহপাঠীরা দাবি করেছেন, মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রচারিত 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট'-এর ব্যাখায় অসঙ্গতি রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধীপ্রা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি টানা তিন দিন একটি কক্ষে আটক ছিলেন এবং যথেষ্ট খাবারও পাননি। মৃত্যুর দুই দিন আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা লিখেছিলেন, তাতে তার ওপর চলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ ছিল বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

এ ঘটনার পর গত ১৬ জুন নিহত চিকিৎসকের স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ১৯৩, ১৯৭, ২০১, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে ধীপ্রার স্বামী ডা. রহমত রশিদ সিয়াম, শ্বশুর বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, শ্বশুরের জামাতা এবং ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট 'ইয়ার্কি'র সম্পাদক সিমু নাসেরসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ধীপ্রার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে এবং মামলার তদন্তে নতুন তথ্য-উপাত্ত সামনে আসতে পারে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৩ জুল, ২০২৬

সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন

সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন

ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নির্বাচিত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ ও শপথ দেওয়ার পর তার সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছেন একই আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় করা আবেদনে নুরুল আমীন হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়েছেন। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরকে সংসদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়েছেন।

আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে ১৯ জুলাই শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। নুরুল আমীনের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণ খেলাপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমীন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন।

এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত লিভ মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আপিল বিভাগের ওই নির্দেশনার কারণে তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে যত দ্রুত সম্ভব, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।

গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। তবে নুরুল আমীনের আবেদনে বলা হয়েছে, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ গ্রহণ করায়।

সেই প্রেক্ষাপটেই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নতুন আবেদন করে নুরুল আমীন রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত এবং আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

পোস্টমর্টেম-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালগুলোতে নারীর মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন। এতে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। 

রিটে উল্লেখ করা হয়, এর আগেও দেশের সব পোস্টমর্টেম-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে অন্তত একজন করে নারী ডোম নিয়োগের আবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে করা হয় কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। 

আবেদনে আরও বলা হয়, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির মর্যাদা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে নারীর মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগ প্রয়োজন। এতে মৃত নারীর পরিবারের মানসিক স্বস্তি বাড়বে এবং মরদেহের মর্যাদা রক্ষাও নিশ্চিত হবে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন পেশায় নারীদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ময়নাতদন্ত কার্যক্রমেও নারী ডোম নিয়োগ সময়োপযোগী পদক্ষেপ হবে বলে উল্লেখ করা হয়। 

রিটে উল্লেখ করা হয়, অতীতে দেশের বিভিন্ন মর্গে নারীর মরদেহের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ উঠে এসেছে।  উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ২০২০ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোমদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বিদেশেও একই ধরনের ঘটনার বিভিন্ন উদাহরণ উল্লেখ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম