মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৬ জুন, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে নথি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিট দায়ের

সুপ্রিম কোর্টে নথি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি সময়মতো সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে না পৌঁছানোর অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা প্রশাসনিক গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, মামলার নথি দ্রুত এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ দাবি করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ফলে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে এবং সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন জমা দেন। আবেদনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিষয়টি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, একই বিষয়ে ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। তবে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করায় শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

রিট দায়েরের পর আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, একটি মামলার কার্যকর শুনানি নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট নথি নির্ধারিত সময়ে আদালতে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে শুনানির দিনও ফাইল আদালতে পৌঁছায় না। ফলে বিচারকরা শুনানি পরিচালনা করতে পারেন না এবং মামলাগুলো বারবার মুলতবি করতে হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং আদালতের কিছু শাখায় এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে যেখানে দ্রুত ফাইল পাঠানোর জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়। এতে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক সময় ফাইল অযৌক্তিকভাবে আটকে রাখা হয়। কখনো নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়, আবার কখনো ব্যক্তিগত তদবির ছাড়া ফাইলের অগ্রগতি হয় না। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ লেনদেন ছাড়া নথি বেঞ্চে পাঠানো হয় না বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে।

রিট আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন বিধিমালার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি আদালতের নিজস্ব নিয়মের পরিপন্থী। সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) রুলস, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী বেঞ্চ অফিসারকে প্রতিদিন বিকেল ৩টার মধ্যে রিকুইজিশনে স্বাক্ষর করতে হয় এবং পরদিন সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামলার নথি পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট রুলস, ১৯৬৬ অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো নথি আদালতের হেফাজত থেকে বাইরে নেওয়া যায় না এবং যথাযথ রিকুইজিশনের ভিত্তিতেই নথি স্থানান্তর করা সম্ভব। রিটে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন কর্মচারীদের জন্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য।

আবেদনে বলা হয়েছে, সময়মতো নথি আদালতে না পৌঁছানো উচ্চ আদালতে মামলার জট বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক মামলা দীর্ঘ সময় কজলিস্টে থাকলেও মূল শুনানি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে আইনজীবীদের গবেষণা, খসড়া প্রস্তুত এবং আদালতে যুক্তি উপস্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি নথি সংগ্রহ ও অনুসন্ধানের পেছনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে বিচারপ্রার্থীদের বারবার আদালতে উপস্থিত হয়েও শুনানি না হওয়ায় ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ছে। দীর্ঘসূত্রতায় ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া দাবি করেন, সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকারের সঙ্গে ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে ৩৫(৩) অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের দ্রুত ও উন্মুক্ত বিচারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তার মতে, মামলার নথি অনুপস্থিত থাকার কারণে শুনানি না হওয়া এসব মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

রিট আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের জারি করা পূর্ববর্তী সার্কুলার ও প্রশাসনিক নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ফাইল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ঘুষ ও অনিয়ম বন্ধে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মা/মলা

প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মা/মলা

ছবি: সংগৃহীত 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালতে বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলাটি এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আদেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার আবেদনে শুনানিতে অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব ছাড়াও অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন শহলসহ আরও ১৪-১৫ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার এবং বগুড়া প্রতিনিধি শামস। মামলার আবেদনে বলা হয়, বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়ার সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন রাস্তাকাণ্ডে বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এছাড়া ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

বাদী তানভীর আলম তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন, বিবাদীরা কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব জানান, বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশের পর মামলাটি সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হবে এবং এজাহার হিসেবে রেকর্ড করে পরবর্তী আইনানুগ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ বলেন, ‘মামলার বিয়ষটি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুন, ২০২৬

দুটির বেশি সন্তান জন্মদানে মাতৃত্বকালীন সীমিত ছুটি চ্যালেঞ্জ করে রিট

দুটির বেশি সন্তান জন্মদানে মাতৃত্বকালীন সীমিত ছুটি চ্যালেঞ্জ করে রিট

 

ছবি: সংগৃহীত 

দুটির বেশি সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে একজন নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অন্যান্য সুবিধা সীমিত বা অস্বীকার করার বিদ্যমান আইনি বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

একই সঙ্গে রিটে এ বিধানকে বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং দেশের মূল সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জনস্বার্থে সোমবার (১৫ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ রিট আবেদন করেন।

রিটে মূলত ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’-এর সংশ্লিষ্ট বৈষম্যমূলক ধারা এবং ‘বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস’-এর প্রাসঙ্গিক বিধানসমূহের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রিটে আরও সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন নারী তার জীবনে প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয়—যে কোনো সন্তানই জন্মদান করুন না কেন, প্রসবজনিত শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি, চিকিৎসাগত প্রয়োজনীয়তা, প্রসব-পরবর্তী বিশ্রাম এবং পরম মমতায় নবজাতকের যত্নের মৌলিক প্রয়োজনীয়তা প্রতিবারই সমান থাকে।

ফলে শুধু সন্তানের সংখ্যার একটি গাণিতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে একজন মাকে তার মাতৃত্বকালীন ছুটি বা আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা চরম বৈষম্যমূলক, সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং দেশের সর্বোচ্চ সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থি।

সংবিধানের ৮টি অনুচ্ছেদ ও আন্তর্জাতিক সনদের লঙ্ঘন: রিট আবেদনে দাবি করা হয়, দুটির বেশি সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন সুবিধা অস্বীকার করার এ বিধানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭, ১৫, ১৮, ২৬, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করা নাগরিকদের সমতা, বৈষম্যহীনতা, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের সরাসরি পরিপন্থি। এছাড়া এটি মাতৃত্ব ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে রাষ্ট্রের নিজস্ব সাংবিধানিক দায়বদ্ধতার সঙ্গেও চরমভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, মাতৃত্বকালীন ছুটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কোনো উপকরণ নয়। এটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। একজন মা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেও তার স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার প্রয়োজন কমে যায় না।

রিটে দেশের সব কর্মজীবী ও চাকুরিজীবী নারীদের জন্য সন্তানের সংখ্যা নির্বিশেষে সম্পূর্ণ বৈষম্যহীন এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত মাতৃত্বকালীন সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি যুগোপযোগী ও প্রয়োজনীয় জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের জন্য আদালতের কাছে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল চ্যালেঞ্জ করে রিট

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল চ্যালেঞ্জ করে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার দায়ে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূছ আলী আকন্দ আজ সোমবার (১৫ জুন) এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

তবে আদ দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, এই রিট দায়েরের সঙ্গে আদ্ দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে গত ১১ জুন রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে দ্য মেডিকেল প্রাক্টিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেজুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আপনার প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন বাতিল করা হলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৪ জুন, ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা : আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা : আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে আইনানুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্রসহ (ডেথ রেফারেন্স) গত ৯ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এখন নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল একসঙ্গে শুনানি হবে।

গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

এছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।

জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

টিএফআই সেলে গুম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

টিএফআই সেলে গুম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

ছবি: সংগৃহীত 

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। নিরাপত্তাজনিত কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ সাক্ষীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

এদিন গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে। গত ৩ জুন এ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন জবানবন্দি দিয়েছেন। 

এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি এ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়। 
বর্তমানে মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন।

তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

পলাতকরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম


১২ জুন, ২০২৬

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮


ছবি: সংগৃহীত 

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি বিশেষ বেঞ্চে মাত্র এক কার্যদিবসে রেকর্ড সংখ্যক ৬ হাজারেরও বেশি পুরোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ বিষয়টিকে দেশের বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও উচ্চ আদালতের মামলা জট হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৬১৯৯টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত তিন কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ১৩ হাজার ২৮৮টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহে দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

গত ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহের বিচারপতি দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু করেন। পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জুন, ২০২৬

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

ছবিঃ সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ধার্য রয়েছে আজ। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

সাত মামলায় দীপু মনির জামিন কেন নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

সাত মামলায় দীপু মনির জামিন কেন নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্টন থানার মারধরের ঘটনায় করা একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

তবে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা আরও সাতটি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন দীপু মনির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে এ আইনজীবী জাগো নিউজকে বলেন, আটটি মামলায় হাইকোর্টে দীপু মনির জামিন আবেদন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মারধরের ঘটনায় পল্টন থানার মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আর হত্যার অভিযোগে তেজগাঁও, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ী থানায় করা পৃথক সাতটি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেছেন আদালত।

রমজান আলী শিকদার আরও জানান, বর্তমানে ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে মোট ৩৮টি মামলার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। বাকি মামলাগুলোর মধ্যে দুটিতে হাইকোর্ট রুলসহ জামিন দিয়েছেন। এছাড়া ১৩টি মামলায় জামিনের প্রশ্নে রুল জারি করা হয়েছে।

ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই সপ্তাহ পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতায় নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগসহ প্রায় ৩৮টির বেশি মামলা রয়েছে।

চিকিৎসা শাস্ত্র ও আইনের ডিগ্রিধারী ডা. দীপু মনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পর তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার পরের একটি সরকারে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সরকারে তিনি সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওই বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে তার মন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। তারপর গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন তিনি।


বিডিএলপিবি/এমএম

নতুন আইনজীবী চাইলেন জিয়াউল, সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২১ জুন

নতুন আইনজীবী চাইলেন জিয়াউল, সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২১ জুন

ছবি: সংগৃহীত 

আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২১ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৯ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করেন। আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ তারিখ পেছানো হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, এ মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা ছিল। সাক্ষীও যথাসময়ে আদালতে উপস্থিত হন। তবে গত ৭ জুন রাতে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর মৃত্যু হয়। ফলে নতুন আইনজীবী নিয়োগসহ সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখার আবেদন করে আসামিপক্ষ। পরে আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন আদালত। 

এর আগে, ২৩ এপ্রিল চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া হাবিবুর রহমান মল্লিকের জেরা সম্পন্ন হয়। ২২ এপ্রিল তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। সাক্ষ্যগ্রহণ না হওয়ায় পরে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে জিয়াউলের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যা, ২০১০-২০১৩ সাল পর্যন্ত বরগুনায় ৫০ জন এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিডিএলপিবি/এমএম