![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন।
এর আগে, গত ১৯ অক্টোবর ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোর গভর্নিং বডি বাতিল করা হয়েছে।
একই আদেশে মাদ্রাসাগুলোতে অ্যাডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সংবিধি-২০২৩-এর (খ) ধারার (১) খ-এর উপধারা (১) ও (৩) অনুযায়ী, জেলা সদরে অবস্থিত মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং জেলা সদরের বাইরে অবস্থিত মাদ্রাসার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে মনোনয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হয়।
অফিস আদেশে আরও জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের প্রস্তাব পাঠাতে হবে।
তবে গভর্নিং বডি বাতিলের ওই আদেশের কার্যকারিতা হাইকোর্ট স্থগিত করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তটি আপাতত কার্যকর থাকছে না।
সূত্র: স্টার নিউজ

0 coment rios: