![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রোববার প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের সাজা বাড়ানোর জন্য চলতি সপ্তাহেই আপিল করা হবে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষও আপিল করবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। তিনি জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর তারা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পেয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আপিল করা হবে।
গত ৩০ জুন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।
ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত এবং পাঁচটি অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়।
দোষী সাব্যস্ত তিন অভিযোগের মধ্যে আন্দোলনকারীদের দমন, আটক, নির্যাতন ও হত্যার নির্দেশ দেওয়া, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া এবং কারফিউ ও গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারা অনুযায়ী, খালাস বা দণ্ডের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা থেকে হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত প্রসিকিউশনের সাক্ষাৎকার

0 coment rios: