![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাবিবুর রহমান রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন, দেশ পরিচালনায় তাঁর কোনো পরিকল্পনা নেই।’
আইনজীবী হাবিবুর রহমান নোটিশে উল্লেখ করেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঢালাও অভিযোগ করা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়। এ বক্তব্যের জন্য নাহিদ ইসলামের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলা হয়, তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁদের সন্তান তারেক রহমান চাঁদাবাজি ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে এসেছেন—এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে নোটিশদাতা দাবি করেন।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে বারবার এ ধরনের বক্তব্য প্রচারের ফলে তারেক রহমানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
নোটিশে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
নাহিদ ইসলামকে নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে গত ৩০ অক্টোবর প্রচারিত বক্তব্য প্রত্যাহার করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও জবাব না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

0 coment rios: