জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৬ এপ্রি, ২০২৬

আইনজীবীদের অনুরোধে বার কাউন্সিল নির্বাচন পিছিয়েছে: আইনমন্ত্রী

আইনজীবীদের অনুরোধে বার কাউন্সিল নির্বাচন পিছিয়েছে: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধ এবং আসন্ন ঢাকা বার নির্বাচনের কারণে বার কাউন্সিলের নির্বাচন পেছানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার   সংসদ অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন বন্ধের কারণ হিসেবে বিদ্যুৎ সংকট বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না—এমন প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মাননীয় সদস্য দুইটি বিষয়ের কথা বলেছেন—প্যান্ডেমিক এবং অ্যাক্ট অব গড। কিন্তু আইনের মধ্যে থাকা 'অন্য যেকোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ' (For any other reasonable cause) অংশটি উনি এড়িয়ে গেছেন। উনি সব বুঝেন, কিন্তু যতটুকু ওনার প্রয়োজন ততটুকুই আনেন।

মন্ত্রী জানান, বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে নিজস্ব স্বাধীনতায় সিদ্ধান্ত নেয়। ঢাকা বারসহ বেশ কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে বার কাউন্সিলের কাছে অনুরোধ এসেছে। ঢাকা বার এশিয়ার বৃহত্তম বার, যেখানে ২২ হাজারের বেশি আইনজীবী আছেন। তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সামনে রেখে তারা এই নির্বাচনটি পেছানোর অনুরোধ করেছিলেন। বার কাউন্সিল তাদের সেই অনুরোধ রক্ষা করেছে মাত্র।

জ্বালানি সংকট বা রাজনৈতিক কারণে নির্বাচন পেছানো হয়েছে এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পরেই বার কাউন্সিল নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা চাই একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হোক। বার কাউন্সিল স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি। আইনজীবীদের দাবি এবং নির্বাচনের পরিবেশ নির্ঝঞ্ঝাট রাখতেই বার কাউন্সিল তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা খাটিয়ে এই সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

১৫ এপ্রি, ২০২৬

মানবাধিকার কমিশনারদের খোলা চিঠি, আইনমন্ত্রী বললেন ‘ভুল ব্যাখ্যা’

মানবাধিকার কমিশনারদের খোলা চিঠি, আইনমন্ত্রী বললেন ‘ভুল ব্যাখ্যা’


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বাতিল হওয়ায় এক খোলা চিঠি দিয়েছেন ‘সদ্য বিদায়ী’ কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। 

চিঠিতে তারা অধ্যাদেশ বাতিলের সপক্ষে সংসদে উপস্থাপিত তথ্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান তাদের এই বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই চিঠিতে সই করেছেন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ পাঁচ সদস্য। সেখানে তারা নিজেদের ‘সদ্য বিদায়ী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি রহিত হওয়ায় তাদের নিয়োগই কার্যত বাতিল হয়ে গেছে।

খোলা চিঠিতে কমিশনের অবস্থানখোলা চিঠিতে বিদায়ী কমিশনাররা ‘সংসদে উপস্থাপিত ভুল তথ্যের জবাব’, ‘সরকারের প্রকৃত আপত্তি’ ও ‘ভবিষ্যৎ আইনের গুণগত মান’ শিরোনামে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

তারা বলেন, সংসদে বলা হয়েছে গুমের সাজা মাত্র ১০ বছর, যা ভুক্তভোগীদের জন্য অবিচার। কিন্তু বাস্তবে ওই অধ্যাদেশে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনের বিধানও ছিল।

তদন্তের সময়সীমা ও জরিমানা আদায়ের পদ্ধতি নেই বলে সংসদে যে দাবি করা হয়েছে, তাও নাকচ করেছেন কমিশনাররা। তাদের মতে, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে এসব বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, যা বর্তমানের পুনর্বহালকৃত ২০০৯ সালের আইনে নেই। চিঠিতে আরও বলা হয়, অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে নতুন কোনো গুমের ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগীরা কার্যকর প্রতিকার পাবেন না।

কমিশন সদস্যরা অভিযোগ করেন, সরকার কমিশনকে শক্তিশালী করার কথা বললেও মূলত কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব করে একে মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তে সরকারের পূর্বানুমতির শর্ত আরোপের সমালোচনা করেন তারা।
অধ্যাদেশ রহিত হওয়ার পর থেকেই পদত্যাগ ও স্বপদে থাকা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, “যে মুহূর্তে বিলটি রহিত করা হয়েছে, সেই মুহূর্ত থেকে এই পদে বহাল থাকার আর কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটা জটিল জায়গায় আটকে গেছি।” কমিশন সচিব কুদরত-এ-ইলাহী জানান, আইন পাসের পর থেকে চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আর অফিসে আসছেন না।

‘ভুল ব্যাখ্যা’ বলছেন আইনমন্ত্রীকমিশনারদের এই খোলা চিঠির বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন, “তারা যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা। আপনি যদি আইনটি দেখেন, সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে, শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছর। সর্বোচ্চ ১০ বছর মানে আদালতের এখতিয়ার আছে এই সীমার মধ্যে যেকোনো সময়ের শাস্তি দেওয়ার।”

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা নিয়ে কমিশনারদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, “একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদন জমার কথা থাকলেও সেটি পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা ওই অধ্যাদেশে ছিল না।”

আসাদুজ্জামান মনে করেন, কমিশনাররা ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে এসব কথা বলছেন, তাই এর কোনো লিখিত জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন অধ্যাদেশ জারি করে এবং ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান কমিশন নিয়োগ দেয়। তবে গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ওই অধ্যাদেশটি রহিত করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯’ পুনঃপ্রচলন করা হয়।

সরকার জানিয়েছে, অধ্যাদেশের দুর্বলতা দূর করতে এবং অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী আইন করার লক্ষ্যেই সাময়িকভাবে ২০০৯ সালের আইনে ফিরে যাওয়া হয়েছে। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে এ বিষয়ে পরামর্শ সভা আয়োজন করা হতে পারে।

১৪ এপ্রি, ২০২৬

স্বৈরাচারের ভূত বর্তমান বিরোধী দলের কাঁধে চেপে বসেছে: প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারের ভূত বর্তমান বিরোধী দলের কাঁধে চেপে বসেছে: প্রধানমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, খালেদা জিয়া যখন একবার সরকার গঠন করেছিল, তখনকার বিরোধী দল বলেছিল— বিএনপিকে এক মিনিটও শান্তিতে থাকতে দেবে না। বর্তমান যারা বিরোধী দলে বসছে, এরাও একই কাজ শুরু করে দিয়েছে। ওই যে স্বৈরাচারের ভূত, এদের ভেতরেও আসর করে গিয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদে সই করার জন্য সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ড. ইউনুস যখন ডেকেছিল, সবচেয়ে প্রথমে বিএনপি গিয়েছিল। বিএনপি সনদে সই করেছিল। কাজেই যে জুলাই সনদ বিএনপি সই করে এসেছে, সেই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর, প্রত্যেকটি শব্দ, প্রত্যেকটি লাইন আমরা বাস্তবায়ন করবো।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি (কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড) বাস্তবায়নে যারা বাধা দেবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে।

১৩ এপ্রি, ২০২৬

মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

    ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। এরপরেই গণমাধ্যমে তাদের পক্ষ থেকে একটা খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে বিদায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি সদস্য নুর খান, ইলিরা দেওয়ান, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাবিলা ইদ্রিসের স্বাক্ষর রয়েছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মূলত, বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ওই অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় চালু হলো।

এদিকে, খোলাচিঠিতে এই অধ্যাদেশ বাতিলে নতুন সরকারের বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংসদে পাস না হওয়ায়, ভুক্তভোগীরা আমাদের বারবার প্রশ্ন করছেন– “এখন আমাদের কী হবে?” তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই খোলাচিঠি।’

বলা হয়, আমরা পাঁচজন সদ্যবিদায়ী মানবাধিকার কমিশনার। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে আমাদের কর্মজীবন মানবাধিকার সুরক্ষায় নিবেদিত ছিল। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার দরুন, ভুক্তভোগীদের বেদনা, আইন প্রয়োগকারীদের দৈনন্দিন প্রতিকূলতা এবং আইনাঙ্গনের জটিলতার সাথে আমরা সুপরিচিত। তাই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিস্বার্থে নয়, ভুক্তভোগীদের প্রতি কর্তব্যবোধ থেকে আজ আমরা কলম হাতে নিয়েছি।

৮ এপ্রি, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ মে

সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ মে


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০টি আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে। এই ভোটে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তফসিল অনুযায়ী, ২২ ও ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করবেন। আপিল আবেদন করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। এছাড়া, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ইসি সচিবালয়ে।

সংরক্ষিত নারী আসনের রাজনৈতিক দল ও জোটভিত্তিক বণ্টনের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, বিএনপি ও তাদের মিত্ররা পাবে ৩৬টি আসন। অন্যদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য পাবে ১৩টি আসন। এছাড়া, ছয়জন স্বতন্ত্র এমপি একজোট হয়ে একটি আসন পাবেন।