জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৭ অক্টো, ২০২৬

আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে: আইনমন্ত্রী

আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, প্যারালিগ্যাল সেবার নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত আগামী দিনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করবে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে (এনজিও) সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা বিনির্মাণে প্যারালিগ্যাল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালত ও কারাগারের ওপর চাপ কমাতেও প্যারালিগ্যালরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া গেলে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য হবে।

এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জিআইজেডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনি সেবা সহজীকরণ এবং প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চলমান উদ্যোগে তাদের অব্যাহত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনে প্যারালিগ্যাল সেবার ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে প্যারালিগ্যালদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সরকার ও এনজিওর যৌথ অংশীদারত্ব, দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, সেবার মানদণ্ড নির্ধারণ এবং টেকসই অর্থায়নের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি, লিগ্যাল এইড সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া মালাউই, ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের বিশেষজ্ঞরা নিজ নিজ দেশের বিচারব্যবস্থায় প্যারালিগ্যাল সেবা অন্তর্ভুক্ত করার অভিজ্ঞতা ও কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরেন।


বিডি ল' পোস্ট/মাসুম

সূত্র: বাসস (১৭.১০.২০২৬)

৮ অক্টো, ২০২৬

অ্যাটর্নি-জেনারেলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অ্যাটর্নি-জেনারেলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।

বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইনগত বিষয়সহ ভবিষ্যতে সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় আইনগত ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর এ সাক্ষাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

২৭ সেপ, ২০২৬

বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন বিচারপতি রেজাউল হক

বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন বিচারপতি রেজাউল হক

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বিদেশ সফরকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রবীণতম বিচারপতি মো. রেজাউল হক।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ড এবং ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়া সফর করবেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে এবং ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে অথবা তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারপতি মো. রেজাউল হকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করেছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

২৬ সেপ, ২০২৬

থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত 
থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন তিনি। এরপর ৫ অক্টোবর মালয়েশিয়া সফরে যাবেন প্রধান বিচারপতি।

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে প্রধান বিচারপতির বিদেশ সফরের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অবস্থান করবেন। এরপর ৫ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার কথা রয়েছে তাঁর।

প্রধান বিচারপতির এই সফরের সময়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত কার্যক্রমে তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি মো. রেজাউল হককে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি বিদেশ সফর শেষে নিজ দায়িত্বে পুনরায় যোগদান না করা পর্যন্ত এ দায়িত্ব বহাল থাকবে।

আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে বিচারপতি মো. রেজাউল হককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির সাময়িক অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক বিধান অনুসারেই আপিল বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিকল্প দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত অথবা প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাঁর দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন। ফলে সফরকালীন সময়ে আপিল বিভাগের প্রশাসনিক ও বিচারিক কার্যক্রমে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনে কোনো শূন্যতা থাকবে না।


সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

বিডিএলপিবি/মাসুম


২৮ আগ, ২০২৬

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের ৬৪ জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। এসব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এতে বলা হয়, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যে-কোনো ক্ষেত্রে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

আরও বলা হয়, এ বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া রিট পিটিশন মামলার (নং ৩৫১২/২০০৩) রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণ করে মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার এসব মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে নিচের জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদান করল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন (২৭.০৮.২০২৬)