![]() |
| চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে; এ সময় গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না |
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রুমির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান জানান, হাইকোর্ট শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার বা কোনো ধরনের হয়রানি করতে পারবে না।
আদালতে রুমির পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান, বেলাল হোসেন ও এইচ এম রুহুল আমিন মোল্লা।
মামলার প্রেক্ষাপট
গত ২১ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় সাত বছরের এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে থাপ্পড় মারার পর আলোচনায় আসেন শিশুটির অভিভাবক শাহজালাল রুমি।
এরপর মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও অর্থ চুরির অভিযোগে শাহজালাল রুমি এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
গত ২৩ অক্টোবর টঙ্গী থানায় মামলাটি দায়ের করেন মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মো. আলমাস হোসেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, শিশুটিকে যৌন হয়রানির অভিযোগের জেরে ২১ অক্টোবর শাহজালাল রুমি ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক মাদ্রাসায় প্রবেশ করেন। এ সময় তারা হামলা, ভাঙচুর ও উপস্থিত ব্যক্তিদের মারধর করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, জমি কেনার জন্য মাদ্রাসার একটি টেবিলের ড্রয়ারে রাখা ১৭ লাখ টাকা নিয়ে যান শাহজালাল রুমি।
মামলাটিতে জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রুমি। শুনানি শেষে আদালত তাকে চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

0 coment rios: