![]() |
| ফাইল ছবি |
এদিন মামলার অন্যতম আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে জামিন চেয়ে এবং রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করেন।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিপক্ষ সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চেয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি।
বারবার সময়ের আবেদন করে বিচারিক কার্যক্রম বিলম্বিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে মামলাটি নিষ্পত্তির দিকে এগিয়ে নিতে চায়।
এদিকে শুনানির সময় মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের কারাগার থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এতে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করা হয়।
জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।
গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট