![]() |
| ছবিঃ সংগৃহীত |
বিডিএলপিবি/ এমএম
সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪
![]() |
| ছবিঃ সংগৃহীত |
বিডিএলপিবি/ এমএম
সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪
![]() |
| ছবিঃ সংগৃহীত |
নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জিপি হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালেক এবং পিপি হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. মারুফ সারোয়ার বাবু দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়াও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য আলাদা পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জন্য বেশ কয়েকজন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর, সহকারী সরকারি কৌঁসুলি এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নতুন কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত এসব আইন কর্মকর্তা নিজ নিজ পদে বহাল থেকে দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিডিএল পিবি/এমএম
সূত্রঃ আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন
![]() |
| ফাইল ছবি |
বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী। রিটে হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে কম বয়সি প্রার্থী ছিলেন হান্নান মাসউদ।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্রঃ ঢাকা পোস্ট
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার ৫ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. সাদিক আহম্মেদের আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর আসামি মুজিব পরদেশীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। এর মধ্যে বাদী পাবে ৫ লাখ টাকা এবং অবশিষ্ট ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০০৩ সালে মামলার বাদী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই মো. সোলায়মান সরদারকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মুজিব পরদেশী ৪ লাখ ৪০ৃ হাজার টাকা নেন। এর মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার এবং নগদে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তী সময়ে সোলায়মানকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হলে বাদী টাকা ফেরত চায়। তখন মুজিব পরদেশী ২ লাখ ২০ হাজার টাকা করে দুটি চেক দেন। কিন্তু চেক দুটি ব্যাংকে জমা দিলে ‘ফান্ড অপর্যাপ্ত’ উল্লেখ করে তা একাধিকবার প্রত্যাখ্যাত হয়।
এ ঘটনায় বাদী একাধিকবার আইনি নোটিশ পাঠালেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে ২০০৪ সালের ১ জুন মামলা দায়ের করেন মজিবুর রহমান।
এতে আরও অভিযোগ করা হয়, মুজিব পরদেশী সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।
এর আগে গত ৪ অগাস্ট ১০ লাখ টাকার আরেকটি চেক ডিজঅনার মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় ২০২২ সালে মাগুরার আদালতে ইদ্রিস আলী বিশ্বাস মামলা করেন। ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪ (১৮.০৮.২০২৬)
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে আইনজীবীদের জন্য একটি বেসরকারি ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ১৭ হাজার আইনজীবী থাকলেও চূড়ান্ত শুনানি করার মতো আইনজীবী পর্যাপ্ত সংখ্যায় তৈরি করা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে আইন পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হলে, যা করা সম্ভব আমরা সেটা করতে চাই। তবে এ জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য ও আইনজীবীদেরও দায়িত্ব রয়েছে।’
আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় সরকারের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন আইনমন্ত্রী। তার ভাষায়, ‘পেশার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারের কাছে দাবি জানাতে হয়, কিন্তু গত ছয় মাসে আমার কাছে এ রকম কোনো দাবি জানানো হয়নি।’
আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য পর্যায়ক্রমে ৮০ হাজার আইনজীবীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, এটা একমাত্র প্রফেশন যাদের কোনো ট্রেনিং হয় না। সরকারি চাকরিজীবী ও বিচারকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও আইনজীবীদের জন্য পেশাগত প্রশিক্ষণের তেমন কোনো কাঠামো নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার ভাষায়, আইনজীবীরা আইন পেশার সনদ নিয়ে সিনিয়রের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন নিজেও সিনিয়র হয়ে যান। এর মাঝে তার আর কোনো ট্রেনিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই।
আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের সমৃদ্ধ, প্রস্তুত ও প্রশিক্ষিত করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিলের যে প্রশিক্ষণব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন, বিগত বছরগুলোতে তা করা সম্ভব হয়নি।
‘তাই আমরা উদ্যোগ নিয়েছি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ঢেলে সাজাব। বাংলাদেশের আইন পেশাকে ঢেলে সাজাতে চাই,’ বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী জানান, আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নামে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিবছর এই বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে বলেও তিনি জানান।
আইনজীবীদের পেশাগত পরিসরও ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ এখন নানা ধরনের বিরোধের সমাধান নিজেরাই করার চেষ্টা করছেন।
বিচার বিভাগ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ও বিচার বিভাগের বাজেট নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোর্ট ফি ও ওকালতনামার মাধ্যমে বিচার বিভাগ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় হলেও পুরো বিচার বিভাগের জন্য বার্ষিক বাজেট দুই হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। তার মতে, সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দও খুবই অপ্রতুল।
আইন পেশার মর্যাদা বাড়াতে বার কাউন্সিলকে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও জোর দেন তিনি।
বার কাউন্সিলকে সত্যিকার অর্থে শিক্ষায়-দীক্ষায়, মেধায়-মননে, প্রজ্ঞায়, ঘামে-শ্রমে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলি যে প্রতিষ্ঠান আগামী প্রজন্মের কাছে এই প্রফেশনের মানুষ প্রফেশনে আসার জন্য আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে, বলেন আইনমন্ত্রী।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন ও সদস্য বদরুদ্দোজা বাদল।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রচারিত আইনমন্ত্রীর উক্ত বক্তব্য
সহকারী পরিচালক (এক্স ক্যাডার-আইন) পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পদসংখ্যা পদ সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ৫ টি এবং আবেদনের সময়সীমা উল্লেখ করা হয় ১৯/০৮/২০২৬ থেকে ২০/০৯/২০২৬ পর্যন্ত।
বিস্তারিত জানতে পুরো বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) মাননীয় বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং মাননীয় বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ (কোর্ট নং ২০, আইটেম নং ৬১) এই রুল প্রদান করেন। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন) রিটকারী ফাতেমা বেগমের পক্ষে আদালতে শুনানি পরিচালনা করেন। তাঁকে সহায়তা করেন আইনজীবী আলমগীর হোসাইন।
এর আগে ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন) ফাতেমা বেগমের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওসিকে (ইমিগ্রেশন) বিবাদী করা হয়।
রিট পিটিশনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ দ্বারা স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও ধর্মচর্চার অধিকার যে কোনো নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। ফাতেমা বেগম একজন ধর্মপ্রাণ বয়োজ্যেষ্ঠ নারী। জীবনের শেষ সায়াহ্নে এসে পবিত্র মক্কা ও মদিনার পুণ্যভূমি জিয়ারত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের একবুক স্বপ্ন নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের নিষ্ঠুর ও অবিবেচক আচরণে তার সেই পবিত্র আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকা সত্ত্বেও কোনো সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ ছাড়াই তাকে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া হয়।
এতে আরও বলা হয়, বাদীর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা বা উপযুক্ত আদালতের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা না থাকা সত্ত্বেও তাকে এভাবে বাধা দেওয়ার বিষয়টি আপিল বিভাগের সুপ্রতিষ্ঠিত রায়ের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
রিটে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ওমরাহ পালনে ব্যর্থ হয়ে বাদী যে গভীর মানসিক বিষাদ ও ট্রমার মধ্যে নিমজ্জিত হয়েছেন, তা ভাষায় বর্ণনা করা দুঃসাধ্য। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের এই বেআইনি ও স্বেচ্ছাচারী আচরণের কারণে একজন নিরপরাধ বয়োজ্যেষ্ঠ নারীর ধর্মীয় অনুভূতিতে যে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে, তা কেবল আইনি লঙ্ঘন নয়, বরং এটি তার হৃদয়ে এমন এক ক্ষতের সৃষ্টি করেছে যা তিনি আমৃত্যু বয়ে বেড়াবেন।
রিটে বলা হয়, জীবনের অন্তিম সময়ে এসে পবিত্র ভূমিতে যাওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়ায় তিনি যে ভয়াবহ মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছেন, তা একটি নজিরবিহীন ‘কনস্টিটিউশনাল টর্ট’ বা সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করেছে।
রিট আবেদনে এই ‘অন্যায়ের’ প্রতিকার হিসেবে এবং বাদীর ‘অপূরণীয় মানসিক ক্ষতি, তীব্র যন্ত্রণা ও ভোগান্তির’ জন্য বিবাদীদের ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘ন্যায়বিচারের’ স্বার্থে এবং তাৎক্ষণিক ‘আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি’ লাঘবে রুল নিষ্পত্তির আগে জরুরিভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন করা হয়।
এছাড়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের আরজি জানানো হয়েছে। রিটটি শিগগির হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ (১৮.০৮.২০২৬)