শিরোনাম
Loading...
মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মামলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৮ জুল, ২০২৬

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী বাপ্পি ৭ দিনের রিমান্ডে

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী বাপ্পি ৭ দিনের রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 

ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মতিঝিল থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তানিম রেজা বাপ্পি ও তাঁর সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়ার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (১৮ জুলাই)  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাতে হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে বাপ্পি এবং দুপুরে উত্তর কমলাপুর থেকে রাকিবুলকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড রিভলভারের গুলি, দুই রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুইটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান এবং একটি বিদেশি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।

আজ শনিবার তাদেরকে আদালতে তোলা হয়েছিল। আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন- মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক মোমিনুর রহমান। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শুনানি শেষে দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।গত ২০ মে ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ইসমাইল হোসেন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। পাশাপাশি তিনি মতিঝিল থানা এলাকার ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে কোরবানির অস্থায়ী গরুর হাটের ইজারাদার। গত ১৫ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিল থানাধীন এজিবি কলোনিতে অবস্থানকালে তার ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল আসে। কল রিসিভ করার পর আসামি গরুর হাটে অংশীদার হিসেবে তার মনোনীত লোককে রাখার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

এ সময় তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে এবং তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে দায়িত্বে না নিলে তাকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তার চার দিন পর গত ১৯ মে সকাল ১০টার দিকে কোরবানির পশুর হাট-সংক্রান্ত একটি সভায় থাকা অবস্থায় তার ভাগনে হৃদয় মোবাইল ফোনে জানান, ভোরে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তার অফিসে গুলি চালিয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম
সোর্স: বিডিনিউজ ২৪

১৭ জুল, ২০২৬

৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা: বাবার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ১ সেপ্টেম্বর

৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা: বাবার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ১ সেপ্টেম্বর

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর উত্তরার সিরাজ মার্কেট এলাকায় সাত মাস বয়সী কন্যাশিশু রাফা মনি কবিতাকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শিশুটির বাবা কবির ইসলামকে এ মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) মামলার এজাহার আদালতে উপস্থাপন করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান তা গ্রহণ করেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ওই তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে সাত মাস বয়সী কন্যাশিশু কবিতা (রাফা) কে আছড়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের ২০০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

নিহত শিশুর মা লিমা আক্তার গনমাধ্যমকে জানান, তার স্বামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। ভরণ-পোষণ ও সংসারের খরচ নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তার স্বামী তাদের সাত মাসের মেয়েকে পা ধরে তুলে মাটিতে আছড়ে মারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে টঙ্গীর একটি স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

লিমা আক্তার আরও জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায়, আর তার স্বামীর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়। রাফাই ছিল তাদের একমাত্র সন্তান।


বিডিএলপিবি/এমএম

রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই হরিদাস; রিমান্ডে  মিলেছে‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’

রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই হরিদাস; রিমান্ডে মিলেছে‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’


ছবি: সংগৃহীত 

অর্থপাচারের মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আলোচিত রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাসকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার মানি লন্ডারিং মামলায় রোববার (১২ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কে এম রাকিবুল হুদা আসামি শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস ওরফে তৌহিদ ইসলামকে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। 

এর আগে গত রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির এলাকা থেকে হরিদাস চন্দ্র তরণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

এ মামলার ভিত্তিতে অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং হুন্ডি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

সিআইডির অনুসন্ধানে অভিযুক্তের নামে পাঁচটি ব্যাংক হিসাব এবং চারটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব হিসাবে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা এবং ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫২৮ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়।

সংস্থাটির দাবি, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ অবস্থায় জামিন পেলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে এই যুক্তিতে তার জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৬ জুল, ২০২৬

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ

ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির। এ নিয়ে মামলাটির ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মো. ফয়সাল কবির। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন। 
দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাবে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদক-এর তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি। দুদক-এর হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সোর্স: বাসস

১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

ছবি: সংগৃহীত 

চেক ডিজঅনারের এক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এক হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিনের এ আদেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাদ্দেসুল আমিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর গত ৭ মে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এই মামলার অন্য আসামিরা জামিনে রয়েছেন।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশের পক্ষে উজ্জ্বল মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, আহমেদ সইয়ন ফজলুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইমরান মন্ডল, মো. লুৎফর রহমান, মাশকুরা খানাম, মো. সাইফুর রহমান, অবু নাঈম মোহাম্মদ সেলেহীন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর ও এ এস এফ রহমান।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের বারবার তাগিদের পর বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পক্ষে ১১২ কোটি টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর চেকটি এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস করপোরেট শাখায় জমা দিলে একই দিন ব্যাংক সেটি "Insufficient Fund" (অপর্যাপ্ত তহবিল) উল্লেখ করে ফেরত দেয়। পরবর্তী সময়ে ২৬ নভেম্বর নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে চেকের অর্থ পরিশোধের কথা জানানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা অর্থ পরিশোধ করেননি।


বিডিএলপিবি/এমএম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় খালাস চেয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামির আপিল

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় খালাস চেয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামির আপিল

ছবি: সংগৃহীত 

২০২৪ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দণ্ডিত চার আসামি খালাস চেয়ে আপিল করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।

আপিলকারীরা হলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার শেষে গত ৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাঁচজনকে ১০ বছর, আটজনকে পাঁচ বছর এবং ১১ জনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া একজনের ক্ষেত্রে হাজতবাসের সময়কে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। আইনজীবী জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুজনসহ মোট চারজনের পক্ষে আপিল করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বিদেশে পাঠানোর নামে শিক্ষার্থীদের ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চারজন রিমান্ডে, আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা

বিদেশে পাঠানোর নামে শিক্ষার্থীদের ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চারজন রিমান্ডে, আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত 

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে ৯১ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রায় ৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় মূলহোতাসহ ৪ আসামিকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মামলার মূলহোতা মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে মতিউর রহমান, রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান ও মো. তানজির ইসলাম। আদালত তানজিরের ৪ দিন এবং বাকি তিনজনের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ভাটারা থানা পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাদের আদালতে হাজির করে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ‘ভিসা গাইড’ ও ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালটেন্ট’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় গত ৮ জুলাই ভাটারা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী আল আমিন।

এদিকে রিমান্ডের আদেশের পর আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত আসামিদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ কড়া পাহারায় আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে যায়।


বিডিএলপিবি/এমএম

হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে

হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। 

তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুজন মোটরসাইকেল আরোহী দুষ্কৃতকারী ওসমান হাদিকে একেবারে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। সে সময় দ্রুত হাদিকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে দুদিন রাখার পর নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হলে হাদিকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। পরে তার মৃত্যুর পর গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ। তবে ডিবির দেওয়া চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ বাকি ছয়জন পলাতক রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২৮ জুলাই

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২৮ জুলাই


ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায়ের ঘোষণার জন্য আগামী ২৮ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বেঞ্চ সহকারী মো. দেওয়ান আশিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে এস কে সুরকে নিজের ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। 

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদক-এর উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক-এর উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গত ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে সাত জন সাক্ষীর মধ্যে সাত জনই আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এস কে সুর চৌধুরীকে গ্রেফতার করে দুদক। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম 

সোর্সঃ বাসস

১৪ জুল, ২০২৬

চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ প্রদান করেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করলে তা মঞ্জুর করা হয়।

আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে— ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। পাশাপাশি যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য ময়নাতদন্ত অপরিহার্য বলে আদালত উল্লেখ করেন।

আদেশে আরও বলা হয়, ধীপ্রার মৃত্যুর পরে ন্যায়বিচারের পথ বাধাগ্রস্ত করতে ময়নাতদন্ত ছাড়া ৫ জুন দ্রুত রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান আদালতের কাছে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং পরবর্তীতে ধর্মীয় বিধান অনুসারে পুনরায় দাফনের অনুমতি চান।

আদালত আবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৬(২) ধারার ক্ষমতাবলে আবেদনটি মঞ্জুর করে। একই সঙ্গে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা সিভিল সার্জন, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যু ঘটে ৪ জুন। পরবর্তীতে তার স্বজন, বন্ধু ও সহপাঠীরা দাবি করেছেন, মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রচারিত 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট'-এর ব্যাখায় অসঙ্গতি রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধীপ্রা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি টানা তিন দিন একটি কক্ষে আটক ছিলেন এবং যথেষ্ট খাবারও পাননি। মৃত্যুর দুই দিন আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা লিখেছিলেন, তাতে তার ওপর চলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ ছিল বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

এ ঘটনার পর গত ১৬ জুন নিহত চিকিৎসকের স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ১৯৩, ১৯৭, ২০১, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে ধীপ্রার স্বামী ডা. রহমত রশিদ সিয়াম, শ্বশুর বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, শ্বশুরের জামাতা এবং ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট 'ইয়ার্কি'র সম্পাদক সিমু নাসেরসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ধীপ্রার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে এবং মামলার তদন্তে নতুন তথ্য-উপাত্ত সামনে আসতে পারে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৩ জুল, ২০২৬

সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন

সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন

ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির নির্বাচিত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ ও শপথ দেওয়ার পর তার সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপরে স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছেন একই আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় করা আবেদনে নুরুল আমীন হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়েছেন। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরকে সংসদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়েছেন।

আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে ১৯ জুলাই শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। নুরুল আমীনের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণ খেলাপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমীন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন।

এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত লিভ মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আপিল বিভাগের ওই নির্দেশনার কারণে তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে যত দ্রুত সম্ভব, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।

গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। তবে নুরুল আমীনের আবেদনে বলা হয়েছে, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ গ্রহণ করায়।

সেই প্রেক্ষাপটেই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নতুন আবেদন করে নুরুল আমীন রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত এবং আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

পোস্টমর্টেম-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালগুলোতে নারীর মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন। এতে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। 

রিটে উল্লেখ করা হয়, এর আগেও দেশের সব পোস্টমর্টেম-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে অন্তত একজন করে নারী ডোম নিয়োগের আবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে করা হয় কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। 

আবেদনে আরও বলা হয়, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির মর্যাদা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে নারীর মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগ প্রয়োজন। এতে মৃত নারীর পরিবারের মানসিক স্বস্তি বাড়বে এবং মরদেহের মর্যাদা রক্ষাও নিশ্চিত হবে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন পেশায় নারীদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ময়নাতদন্ত কার্যক্রমেও নারী ডোম নিয়োগ সময়োপযোগী পদক্ষেপ হবে বলে উল্লেখ করা হয়। 

রিটে উল্লেখ করা হয়, অতীতে দেশের বিভিন্ন মর্গে নারীর মরদেহের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ উঠে এসেছে।  উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ২০২০ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোমদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বিদেশেও একই ধরনের ঘটনার বিভিন্ন উদাহরণ উল্লেখ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল

দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 

বিয়ের সময় ধার্য করা দেনমোহর আদায়ের ও পরিশোধের নীতিমালা তৈরি করার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৩ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আইন সচিব, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার।

এর আগে, গত ৫ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং লেজেসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে কেন মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নং ধারার অধীনে একটি ব্যাপক নির্দেশিকা প্রণয়ন ও জারি করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

রিটে বিবাহের তারিখের এক বছর পর প্রদত্ত দেনমোহরের মূল্যায়ন ও আদায়ের পদ্ধতি, নীতিমালা এবং উপায় নির্ধারণ করা থাকবে, যার উদ্দেশ্য হবে বিবাহে নারীদের অধিকার ও আর্থিক স্বার্থ রক্ষা ও সংরক্ষণ করা এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নং ধারার অস্পষ্টতা দূর করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১২ জুল, ২০২৬

হামে শিশুর মৃত্যু : ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত

হামে শিশুর মৃত্যু : ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত

ছবি: সংগৃহীত 

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবার করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত। রবিবার (১২ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত মামলা গ্রহণ করার মতো উপাদান না থাকায় এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৫ জুলাই একই আদালতে সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি মামলার আবেদন করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশের জন্য ১২ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেন।

আবেদনে অপর আসামিরা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বাদী সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনে উল্লেখ করেন, ৯ মাসের শিশু কন্যা সাউদা মুসকান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে অবস্থার অবনতি ঘটে। সঠিক সময়ে হামের টিকা সরবরাহ না থাকায় শিশুটি টিকা নিতে পারেনি এবং এ কারণেই হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হামের টিকা সংগ্রহ, সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এই অবহেলার ফলে দেশব্যাপী শত শত শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বিডিএলপিবি/এমএম

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের সাত সদস্য তিন দিনের রিমান্ডে

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের সাত সদস্য তিন দিনের রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত 

মার্শাল আর্ট শেখার আড়ালে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) সাত সদস্যের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- শাহ আমানত সাবির, মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান, মো. বায়োজিত, মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না৷

এদিন কারাগার আটক সাতজনকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন আসামিদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ী থেকে এফসিএস প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সা‌বিরসহ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ৯ জুলাই যশোর থেকে এফসিএস সদস্য তাহসীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে উগ্রবাদী কাজে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এবি সিদ্দিক বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এতে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

বিডিএলপিবি/এমএম


মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ আসামির বিচার শুরু

মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ আসামির বিচার শুরু

ছবিঃ সংগৃহীত 

ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ও পুরনো তারের ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে প্রকাশ্যে মাথা থেঁতলে হত্যার ঘটনায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন। রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জানান, ২১ আসামির মধ্যে ১০ জন কারাগারে, আটজন পলাতক এবং তিনজন জামিনে রয়েছেন। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জামিনে থাকা তিন আসামি আদালতে হাজির হন। কারাগারে থাকা ১০ আসামিকেও আদালতে উপস্থিত করা হয়। তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতির আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এ সময় ১৩ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে সোহাগ ওরফে লাল চাঁদের শরীর ও মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের অধিকাংশই সোহাগের পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাদের কয়েকজন একসময় তার ব্যবসায়িক সহযোগীও ছিলেন। ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তদন্তে উঠে আসে।

ঘটনার পর সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে ২১ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হলে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

বাগেরহাটের নিখোঁজ মিরাজ শেখকে হাজিরের নির্দেশ হাইকোর্টের

বাগেরহাটের নিখোঁজ মিরাজ শেখকে হাজিরের নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবিঃ সংগৃহীত

প্রায় তিন মাস ধরে নিখোঁজ থাকা বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার বাসিন্দা মোটরসাইকেল ভাড়া চালক মিরাজ শেখকে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (১২ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। তিনি জানান, ১৫দিনের মধ্যে মিরাজ শেখকে হাজির করতে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ২২ জুন মিরাজ শেখের বাবা এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, কোস্টগার্ডের ডিজিসহ ৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। মিরাজ শেখের নিখোঁজ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ১৬ মে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন রিটে যুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘আমি দেখছি, কোস্টগার্ড আমার স্বামীকে নিয়া গ্যাছে। এহন তারা অস্বীকার করে।’’ কথাগুলো বলছিলেন সুন্দরবন-সংলগ্ন বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনির ঘোল এলাকার মুক্তা খাতুন। তিনি কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে তার স্বামীকে গুম করার অভিযোগ করেছেন।

স্বজনরা জানান, মিরাজ সুন্দরবনে মাছ ধরার পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। ১০ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে মাছ ধরে বাড়িতে এসে ঘুমান। সন্ধ্যার আগে অচেনা নম্বর থেকে কয়েকবার ফোন এলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জয়মনির ঠোটা এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে মিরাজকে সাদাপোশাকে থাকা দুজন ধরে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মিরাজের স্ত্রী মুক্তা ছুটে গিয়ে দেখেন, কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে তুলে মিরাজকে মোংলার দিকে নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জয়মনির ঘোল ও ঠোটা এলাকার এক নারী ও তিনজন পুরুষের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা চারজনই মিরাজকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে তুলে নিয়ে যেতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে তারা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

মিরাজকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মোটরসাইকেলটি দোকানি আল-আমিনের জিম্মায় রেখে যায়। পরে ২১ এপ্রিল কোস্টগার্ড সদস্য রবিন পরিচয়ে এক ব্যক্তি চাবি দিয়ে খুলে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান। যদিও ২২ এপ্রিল কোস্টগার্ডের কয়েকজন মোটরসাইকেলটি আবার নিয়ে আসেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুল, ২০২৬

‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসীর গ্রন্থে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির কারাগারে আটকে রাখার আবেদন করেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসান। আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আসামিকে কারাগারে রাখা হোক। পরবর্তীতে তার রিমান্ডের আবেদন করা হবে। তবে এদিন আসামিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামির রিমান্ড আবেদন এবং জামিন আবেদন ছিল না।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’এর তিনটি খণ্ডে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত উৎসুক জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন। উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

​এ ঘটনায় রাজধানীর নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জুল, ২০২৬

খুলনা নগরীতে কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: আদালতে হত্যার দায় স্বীকার মায়ের

খুলনা নগরীতে কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: আদালতে হত্যার দায় স্বীকার মায়ের

ছবি: সংগৃহীত 

খুলনা সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিলেন তাঁর মা সীমা আকতার। আজ শুক্রবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

খুলনা মহানগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার মো. আলীম হোসেনের মেয়ে ও ইকবালনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

খুলনা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মো. সাত্তার জানান, গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন তার মা। এর আগে গত বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কের একটি সাততলা ভবনের সামনে থেকে পুলিশ বস্তাবন্দী অবস্থায় কিশোরীর মরদেহটি উদ্ধার করে।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত মেয়েটির মা সকালে স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দিতে চাইলে দুপুরের পর তাঁকে আদালতে নেওয়া হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে আগামীকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরবেন পুলিশ কমিশনার।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: আজকের পত্রিকা

৯ জুল, ২০২৬

বিশ্বকাপ উম্মাদনায় ১১ মৃত্যু : প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বিশ্বকাপ উম্মাদনায় ১১ মৃত্যু : প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬ কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে প্রাণঘাতী সহিংসতা, জনদুর্ভোগ এবং তীব্র শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রিটে সর্বসাধারণের জন্য খেলা প্রদর্শনী, আতশবাজি বা লাউড স্পিকারের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে রাত ১১টার পর অবৈধ উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণ এবং আতশবাজির ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধে জরুরি নির্দেশনা জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী এবারের বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর পাশাপাশি গভীর রাতে উচ্চ শব্দে আতশবাজি ফুটিয়ে ও লাউড স্পিকার বাজিয়ে উদযাপন করার কারণে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থসহ সাধারণ মানুষের ঘুমে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। জনদুর্ভোগের এই বিষয়টি আমলে নিয়ে এবং ‘বিশ্বকাপ উন্মাদনায় প্রাণ গেছে ১০ জনের’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য যুক্ত করে এই রিট করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম