![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সিভিল রিভিশন নং- ১৮৪৬/২০২৫, মোশাররফ হোসেন (মুছা মিয়া) ও অন্যরা বনাম সরকার মো. হেলাল উদ্দিন ও অন্যরা মামলায় বিচারপতি মো. শওহরাওয়ার্দী ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দেন। রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় ১৫ অক্টোবর ২০২৬।
মামলার পটভূমি:
২০১৬ সালে মোশাররফ হোসেন ও অন্যরা সরকারের বিরুদ্ধে স্বত্ব ঘোষণার মামলা করেন। ২০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে আদালত তাদের পক্ষে ডিক্রি দেন। পরে সরকার আপিল করে। আপিল চলাকালে মো. হেলাল উদ্দিনসহ কয়েকজনকে সহ-আপিলকারী হিসেবে যুক্ত করার আবেদন করা হয়। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা জজ, ২য় আদালত ১১ মার্চ ২০২৫ তারিখে আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
আদেশ:
হাইকোর্ট ১১ মার্চ ২০২৫ তারিখের পক্ষ সংযোজনের আদেশ বাতিল করে আবেদনটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আপিল আদালতে পাঠিয়েছেন। ৩০ দিনের মধ্যে কারণ উল্লেখ করে নতুন আদেশ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইনি শিক্ষা:
পক্ষ সংযোজনের আবেদন মঞ্জুর বা খারিজ করার সময় আদালতকে সিদ্ধান্তের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। প্রস্তাবিত পক্ষের উপস্থিতি মামলার সম্পূর্ণ ও কার্যকর নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় কি না এবং তার স্বার্থ মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। কারণযুক্ত আদেশ বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং উচ্চতর আদালতে সিদ্ধান্তের বৈধতা যাচাইয়ের সুযোগ দেয়। কারণবিহীন ‘নন-স্পিকিং’ আদেশ আইনগতভাবে টেকসই নাও হতে পারে।
বিডি ল পোস্ট/ মাসুম

0 coment rios: