আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২০ এপ্রি, ২০২৬

দুদকের মামলায় পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

দুদকের মামলায় পলককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ


ছবিঃ সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে এক দিনের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ এপ্রিল) তাকে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ও বেনামে থাকা আট কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে, যা তার বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পলক তার নিজ ও যৌথ নামে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫টি হিসাবে মোট ৩২ কোটি চার লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। দুদক মনে করছে, এই অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এবং তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

স্ত্রীসহ সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

স্ত্রীসহ সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ


ছবিঃ সংরক্ষিত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রী মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ (সোমবার) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আবেদন বলা হয়েছে, আসামি ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ও অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

এজাহার নামীয় আসামি ফরহাদ হোসেন একজন আয়কর দাতা। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার নামীয় মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, আসামি সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম ও  ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে একে অপরের সহযোগীতায় অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য স্বামীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৪ কোটি পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখায় মামলা দায়ের করা হয়। 

আসামি একজন আয়কর দাতা। মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সৈয়দা মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

ছবিঃ সংরক্ষিত 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের ছয়টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর মধ্যে শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে।

সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোঃ রিয়াজ হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং তার নামে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেন করায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

আসামি শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

আফরিন তাপসের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি আফরিন তাপস ও  আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর কারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। আসামি আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

১৯ এপ্রি, ২০২৬

শিশু অপহরণের পর হত্যা: ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

শিশু অপহরণের পর হত্যা: ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর কাফরুলে মো. শহিদুল ইসলাম মিলন (১১) নামের এক শিশুকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুল নামে অপর এক আসামির ১৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আল আমিন ঘরামী (২৫) ও মাসুদ রানা (২৪)। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আব্দুল মোতালেব (৩৮) ও আমিরুল ইসলাম নামে দুই জনকে খালাস প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ বিকেলে কাফরুলের উত্তর সেনপাড়া এলাকা থেকে শিশু মিলন নিখোঁজ হয়। পরে মুক্তিপণ না পেয়ে, অপহরণকারীরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ৮ মার্চ সাভারের রামচন্দ্রপুর এলাকায় লাশটি ফেলে রাখে। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা শহিদুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৩ মে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার বিচার চলাকালে নয় জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

১৬ এপ্রি, ২০২৬

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই


ছবি: সংগৃহীত 

আগামী ১৮ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনে আর কোনো বাধা নেই। আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক পরীক্ষা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেন।

এর আগে বুধবার নিয়োগ নীতিমালা–সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ১১৪ জন প্রার্থীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি এ স্থগিতাদেশ দেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, চেম্বার বিচারপতির এই আদেশের ফলে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আইনি বাধা নেই।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খন্দকার বাহার রুমি, নূর মোহাম্মদ আজমী ও মেহেদী হাসান।
আজ দুপুরে শুনানির সময় রিটকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে রিটকারীদের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বুলবুল সাংবাদিকদের জানান, দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বুধবার এ আদেশ দেন।

গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রার্থীদের ১০ থেকে ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রে আবেদন জমা দেওয়ার ১৯ দিন পর এবং ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, প্রযুক্তি, ডিপ্লোমা ও মাদ্রাসা শিক্ষা খাতে ২৫ দিন পর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের সব পদের জন্য ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা হয়, যা তার মক্কেলদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানান আইনজীবী হুমায়ুন কবির।