আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৬ ফেব, ২০২৬

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাবেক এমপি বদির জামিন

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাবেক এমপি বদির জামিন

ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

হত্যাচেষ্টা মামলায় ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকা থেকে আবদুর রহমান বদিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। আবদুর রহমান বদি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বদির পরিবর্তে তার স্ত্রী শাহীন আক্তারকে মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ। তিনি দুই দফায়ই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২৪ ফেব, ২০২৬

গ্রাম আদালত আইন বাতিলের প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

গ্রাম আদালত আইন বাতিলের প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবিঃ সংগৃহীত 

গ্রাম আদালত আইন কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। রিটে আইনটিকে সংবিধানবিরোধী ও অকার্যকর ঘোষণা করার আবেদন করে সেটি বাতিল চাওয়া হয়। সুপ্রিকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তানজিলা রহমান জুঁই।

রিট আবেদনে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করানো সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের নীতির পরিপন্থি। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিষয়ে বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু, গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই। প্রমাণ আইন ও কার্যবিধির পূর্ণ প্রয়োগ নেই। এমনকি আইনজীবীর অংশগ্রহণও সীমিত। ফলে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে। ভৌগোলিক ভিত্তিতে আলাদা বিচারব্যবস্থা নাগরিকদের সমতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ২৭ ও ৩১) লঙ্ঘন করে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়।

৩ ফেব, ২০২৬

বিএনপির তিন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই

বিএনপির তিন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই


ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী চট্টগ্রাম- আসনের সারোয়ার আলম, চট্টগ্রাম- আসনের আসলাম চৌধুরী শেরপুর- আসনের ফাহিম চৌধুরীর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আদেশ দেন।

 সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম- আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে যমুনা ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আদেশ দেন। অপর দিকে চট্টগ্রাম- আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর নির্বাচন করতে পারবেন বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ারের আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে বলে আদেশে বলা হয়।

আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। ওর আগে চট্টগ্রাম- আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় ইসি। সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে আপিল দায়ের করা হয়েছিল। আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন। শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিল করে কমিশন। এরপর তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আসেন।

এদিকে শেরপুর- (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিলের পর আপিলে ফিরে পান। বাংলাদেশের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে শেরপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি।

নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই

নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই


ছবিঃ সংগৃহীত

দ্বৈত নাগরিকত্ব তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী . এম কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশ দেন। আদেশের ফলে ঢাকা-১১ আসনে . এম কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

১ ফেব, ২০২৬

আপিল খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

আপিল খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী


ছবি: সংগৃহীত 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে, হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়। পরে প্রার্থিতা ফেরত পেতে বিএনপির এই প্রার্থী ইসির দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।