১৭ অক্টো, ২০২৬

রিমান্ড শেষে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে করা মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল ও কাজী গুলশান আরাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল (৪৭) ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা (৪৩)।

চার দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাদের প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, দুই আসামি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা নাম্বার ওয়ান’সহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এসব গ্রুপের মাধ্যমে তারা তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার মতো ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আবদুল আজিজ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পলাতক কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। এর মাধ্যমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগও আনা হয়েছে।

আসামিরা একটি পেজের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার মতো কনটেন্ট তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছিলেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে আসামিদের বক্তব্য বা আত্মপক্ষ সমর্থনের তথ্য পাওয়া যায়নি।

গত ১২ অক্টোবর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আকবর রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন। মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারার উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ (১৬.০৮.২০২৬)

বিডিলপোস্ট/মাসুম



শেয়ার করুন

0 coment rios: