![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী তাসমিম মাহিদ চঞ্চলের জামিনসংক্রান্ত এ আদেশ দেন বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। রায়টি গত ১২ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।
মামলার অভিযোগ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং একপর্যায়ে গোপনে আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি ব্যবহার করে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান এবং এ নিয়ে ভুক্তভোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। আপস-মীমাংসার উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি ধানমন্ডি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশি তদন্ত শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(খ) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।
যেভাবে জামিন আবেদন খারিজ হলো
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত প্রথমে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। পরে তাঁর জামিন নামঞ্জুর হলে তিনি হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং আপস-মীমাংসার উদ্যোগের বিষয় বিবেচনায় হাইকোর্ট তাঁকে শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিলেন।
তবে পরবর্তী শুনানিতে দেখা যায়, তাঁর পরীক্ষা শেষ হলেও আপস-মীমাংসা হয়নি। এরপর হাইকোর্ট জামিন বহাল রাখার যথেষ্ট ভিত্তি না থাকায় আবেদন খারিজ করেন।
৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাঁকে গ্রেফতারের বিষয়ে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বিচারিক আদালত।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

0 coment rios: