![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করে।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রণীত বিধিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এতে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে বিধিমালাটি প্রযোজ্য হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
যাত্রী ধারণক্ষমতাভেদে নিবন্ধন ও নবায়ন ফি
বিধিমালার তফসিল-২ অনুযায়ী, দুই ধরনের ই-রিকশার জন্য পৃথক নিবন্ধন ও নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুইজন যাত্রী বহনক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এ ধরনের ই-রিকশার দ্বিবার্ষিক নবায়ন ফি হবে চার হাজার টাকা।
অন্যদিকে, চারজন যাত্রী বহনক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতি দুই বছর অন্তর নবায়ন ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা।
এ ছাড়া সব ধরনের ই-রিকশার ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য এক হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট ও তথ্য সংরক্ষণ
বিধিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধন ও তথ্য ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বিনামূল্যে কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর প্লেট সরবরাহ করবে। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ই-রিকশা ও চালক-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া ই-রিকশার চার্জিং স্টেশন ও চার্জিং গ্যারেজের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, ই-রিকশার নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বাবদ প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের রাজস্ব আয় হিসেবে গণ্য হবে।
নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশার নিবন্ধন, ফিটনেস যাচাই, নবায়ন এবং চালক ও যানবাহনের তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি নির্ধারিত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হলো।
সূত্র: বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত সংখ্যা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬; স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

0 coment rios: