অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১২ মে, ২০২৬

আইন অনুযায়ী আর কখনও ব্যাংক খাতে ফিরতে পারবেন না লুটেরারা: গভর্নর

আইন অনুযায়ী আর কখনও ব্যাংক খাতে ফিরতে পারবেন না লুটেরারা: গভর্নর

ছবি: সংগৃহীত 

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতকে যারা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তারা ভবিষ্যতে আর কখনও ব্যাংক পরিচালনা বা মালিকানায় যুক্ত হতে পারবে না। পাশাপাশি একীভূত করা ব্যাংকগুলো পুনরায় আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

গভর্নর বলেন, ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮(ক) ধারা অনুযায়ী ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর কখনও ব্যাংক খাতে ফিরে আসতে পারবে না। অতীতে যারা অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে এই খাতকে দুর্বল করেছে, তাদের জন্য ভবিষ্যতে ব্যাংক পরিচালনা বা মালিকানায় যুক্ত হওয়ার দরজা চিরতরে বন্ধ।

ব্যাংক একীভূতকরণ প্রসঙ্গে গভর্নর জানান, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যে মার্জার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলো পুনরায় ভেঙে দেওয়া বা আলাদা করার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকিং খাতকে আরও স্থিতিশীল ও কার্যকর করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অবস্থানকে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

১১ মে, ২০২৬

অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে বার কাউন্সিলের অফিস সহায়ক বরখাস্ত

অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে বার কাউন্সিলের অফিস সহায়ক বরখাস্ত


ছবি: সংগৃহীত 

অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ তথা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন মর্মে অভিযোগের ভিত্তিতে বার কাউন্সিলের অফিস সহায়ক মোঃ রাব্বিল মিয়া কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। একইসাথে তাকে কারন দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। ১১ মে (সোমবার) বিষয়টি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত পত্র প্রেরণ করে তাকে জানানো হয়।

পত্রে উল্লেখ করা হায়, "আপনি অদ্য ১১ মে, ২০২৬ইং তারিখ, সোমবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন মৌখিক পরীক্ষার নিমিত্ত নিম্ন আদালতের সাময়িক সনদ বিতরণ/উত্তোলন কার্যক্রম চলাকালীন দ্রুত সময়ে সনদের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করে জনৈক বিজ্ঞ আইনজীবীর নিকট হতে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ তথা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন মর্মে অভিযোগ বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।"

পত্রে আরো উল্লেখ করা হয় "উক্ত কর্মকান্ডকে গুরুতর অসদাচরণ, দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার পরিপন্থি বিবেচনায় এবং বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের সদয় নির্দেশনার আলোকে অদ্য ১১ মে, ২০২৬ইং তারিখ হতে আপনাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। একইসঙ্গে, কেন আপনাকে চাকুরী থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, তৎমর্মে আগামী ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।"
সংবাদ: বিডি ল্ পোস্ট/এমএম

স্বামী জামিন পাওয়ায় এজলাসেই বিষপান করলেন স্ত্রী

স্বামী জামিন পাওয়ায় এজলাসেই বিষপান করলেন স্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

প্রেম করে বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনের অভিযোগ ও বিচার না পাওয়ার হতাশার জেরে ফেনীতে আদালতের এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তাহমিনা আক্তার মোহনা নামের এক নারী বিচারপ্রার্থী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার (১০ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ফুলগাজী আমলী আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২৫ সালে ফুলগাজী উপজেলার চার সন্তানের জনক আকবর হোসেনকে বিয়ে করেন মোহনা। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। মোহনার দাবি, তিনি জানতেন না আকবরের আগের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মোহনা। রবিবার ছিল মামলার ধার্য তারিখ। শুনানির সময় মোহনা ও তার স্বামী আকবর হোসেন উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুনানি শেষে আদালত আকবর হোসেনকে জামিন দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে হঠাৎ আদালত কক্ষেই বিষপান করেন মোহনা। পরে তিনি ছটফট করতে শুরু করলে উপস্থিত আইনজীবী, পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির উদ্দিন মামুন বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন ও বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই মোহনা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। এমন চরম সিদ্ধান্ত মানুষ এক দিনে নেয় না। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনা বলেন, ‘দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর আকবর আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের আগে আমি জানতাম না তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।

আদালতের শরণাপন্ন হয়েও বিচার পাইনি। আদালতে ওঠার আগে আমি তাকে বলেছিলাম আজ বিষ খাব, দেখিয়েছিও। পরে আদালতে তার জামিনের পর বিষ খেয়ে ফেলেছি।’

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রোকনউদ্দৌলা বলেন, ‘বিষক্রিয়ার লক্ষণ নিয়ে মোহনাকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার পাকস্থলী ওয়াশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি। সম্ভবত ওই নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। মামলার ধার্য তারিখে আদালত তার স্বামীকে জামিন দিলে সে এজলাসে বিষপান করে। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ মে, ২০২৬

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে হকার কার্ড বিতরণ বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে হকার কার্ড বিতরণ বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ


ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন রাস্তা, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান অবৈধ দখলমুক্ত করা, হকার কার্ড বিতরণ বন্ধ এবং পথচারীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

৯ মে, ২০২৬

প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে আইনগত সহায়তার মাসিক প্রতিবেদন প্রেরণের নির্দেশ

প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে আইনগত সহায়তার মাসিক প্রতিবেদন প্রেরণের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 

প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরে মাসিক প্রতিবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারদেরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার সহকারী পরিচালক (মনিটরিং) মো. আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিটি সংস্থার ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইন ও বিচার বিভাগে প্রতি মাসের ৬ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাসিক কার্যক্রমসংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত ও পাঠানো নিশ্চিত করতে প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে ‘লিগ্যাল এইড অফিস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার’-এর ‘ম্যানুয়াল রিপোর্ট’ ফিচার ব্যবহার করে সব ধরনের মাসিক প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রেরিত প্রতিবেদনের তথ্যের সঠিকতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের ওপর বর্তাবে।
সূত্র: বাসস