অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১১ সেপ, ২০২৬

মিরপুর-১ থেকে টেকনিক্যাল সড়কে বর্জ্য অপসারণ চেয়ে ডিএনসিসিকে লিগ্যাল নোটিশ

মিরপুর-১ থেকে টেকনিক্যাল সড়কে বর্জ্য অপসারণ চেয়ে ডিএনসিসিকে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর মিরপুর-১ থেকে টেকনিক্যাল পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও ফুটপাত থেকে বর্জ্য অপসারণ, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএনসিসির মেয়র, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে এ নোটিশ দেন বিইউবিটি লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ)।

রাশেদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে বদ্ধপরিকর সেখানে রাস্তার মধ্যে ময়লা আবর্জনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা শুধু নাগরিককে অবহেলা না, প্রধানমন্ত্রীকে অবজ্ঞা করার শামিল। অতি দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিকট আমাদের দাবি।

নোটিশে বলা হয়, মিরপুর-১ থেকে টেকনিক্যাল পর্যন্ত মিরপুর রোডের বিভিন্ন স্থানে প্রধান সড়ক ও ফুটপাতের ওপর বর্জ্য লোডিং-আনলোডিং এবং স্তুপীকরণ করা হচ্ছে। এতে ফুটপাত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

বর্জ্যের কারণে দুর্গন্ধ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পরিবেশদূষণ, যানজট ও জননিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করে অবিলম্বে সড়ক ও ফুটপাতের ওপর স্তুপীকৃত সব বর্জ্য অপসারণ করে স্থানগুলো পরিষ্কার ও চলাচলযোগ্য করার দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে সড়ক ও ফুটপাতকে বর্জ্য স্তূপীকরণ, সংগ্রহ, লোডিং-আনলোডিং বা অস্থায়ী সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহার বন্ধ এবং পথচারীদের জন্য ফুটপাতের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ বর্জ্য সংগ্রহ, লোডিং, আনলোডিং ও পরিবহনের ক্ষেত্রে ডিএনসিসির অনুমোদিত বা নির্ধারিত স্থান ও পদ্ধতি অনুসরণেরও দাবি জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া অঞ্চল-২-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন ও তদারকি এবং পুনরায় সড়ক বা ফুটপাতে বর্জ্য স্তূপীকরণ করা হলে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়, দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিকার চাওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডেইলি সান বাংলা (১১.০৯.২০২৬)

১০ সেপ, ২০২৬

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার বাস রূপান্তর, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার বাস রূপান্তর, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

কোলাজ ছবি 
দেশে এখনো কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তার পরও সিঙ্গেল ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে পরে বডি পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বাস বানিয়ে সড়কে চালানো হচ্ছে। এমন ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের নির্দেশনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার তিন সদস্যের এই কমিটি সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি প্রতিবেদনটি জমা দেয়। অননুমোদিত স্লিপার বাস চলাচলের বৈধতা নিয়ে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএর গঠিত তিন সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান ২০২৫ সালে অননুমোদিত স্লিপার এসি বাস চলাচলের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে একই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি আদালত রুল জারি করেন। 

পরে রিটকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের বিষয়ে একটি স্বাধীন কারিগরি কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে।

বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লার নেতৃত্বাধীন কমিটিতে সদস্য ছিলেন উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এ এস এম কামরুল হাসান ও সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মঈনুল ইসলাম।

কমিটিকে দেশে অনুমোদিত ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের সংখ্যা নির্ধারণ, অননুমোদিত বাসের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস অনুমোদন পেলে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশ দিতে বলা হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিআরটিএ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তবে বিআরটিএর ডাটাবেজ পর্যালোচনা করে ডাবল ডেকার (স্লিপার নয়) হিসেবে ৮২৯টি বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিটির পর্যালোচনায় দেখা যায়, সিঙ্গেল ডেকার বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর কিছু মালিক বাসের বডির ধরন পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বানিয়ে সড়কে চালাচ্ছেন। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত সড়কে চলাচলরত তিনটি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। অননুমোদিত এসব বাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের জন্য বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট গাইডলাইন বা নীতিমালা নেই। এ কারণে এ ধরনের বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় না। সিঙ্গেল ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়া কোনো বাস পরে ডাবল-ডেকার স্লিপারে রূপান্তর করে ফিটনেস নবায়নের জন্য এলে তার ফিটনেস নবায়ন না করে রেজিস্ট্রেশন স্থগিতের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব অননুমোদিত বাসকে রুট পারমিটও দেওয়া হচ্ছে না।

কমিটি বলেছে, বর্তমানে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী সিঙ্গেল ডেকার বাসের অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে। ফলে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের জন্য পৃথক নিরাপত্তা কাঠামো বা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নেই। 

উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের বাসের অনুমোদন, পরিচালনা ও যাত্রী নিরাপত্তার জন্য জাতীয় গাইডলাইন বা নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (১০.০৯.১০২৬)

৯ সেপ, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে ভবন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

সুপ্রিম কোর্টে ভবন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

ফাইল ছবি
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনুমোদন ছাড়াই আটটি প্যাকেজে কাজ ভাগ করে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির এক অভিযানে গণপূর্তের কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই টাকা লোপাটের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলায় আদালতে চার্জশিট দিতে যাচ্ছে কমিশন।

সুপ্রিম কোর্টের ১৪ তলা বিশিষ্ট রেকর্ড ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদফতরের অধীনে ১৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স-এনডিই।

২০২৩-২৪ অর্থ বছরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে অসঙ্গতি খুঁজতে বুধবার  দুদক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে খুঁজে পায়, টেন্ডার কারসাজি ও প্যাকেজ বিভাজনে অনিয়মের মাধ্যমে ৮টি সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজটি করায় এনডিই। তারা বলছে, রেকর্ড ভবন সংলগ্ন ক্যান্টিন, বেকারি নির্মাণসহ ৮ প্যাকেজে পুরোপুরি কাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গণপূর্তের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের যোগসাজশে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করে।

এদিকে ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দুই মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাই এবিএম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে হারুন অর রশীদ তার বাবা-মায়ের নামে অবৈধ সম্পদ ক্রয় করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: সময় টিভি (০৯.০৯.২০২৬)

মেট্রোরেলে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক চেয়ে ডিএমটিসিএলকে লিগ্যাল নোটিশ

মেট্রোরেলে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক চেয়ে ডিএমটিসিএলকে লিগ্যাল নোটিশ

ফাইল ছবি
মেট্রোরেলে চলমান ট্রেন ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং কলসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডকে (ডিএমটিসিএল) আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে জনস্বার্থে এই আইনি ডিমান্ড নোটিশ পাঠান বিইউবিটি ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিইউএলএ) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ. এম. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ)।

অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নোটিশে দেশের প্রধান তিনটি মোবাইল অপারেটর—গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং রবি আজিয়াটা (এয়ারটেল)-কে মেট্রোরেল এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের অনুমতি ও অবকাঠামোগত সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় চার লাখ যাত্রী মেট্রোরেল ব্যবহার করছেন। তবে চলমান ট্রেন ও স্টেশনগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকায় যাত্রীরা জরুরি ফোনকল করতে পারেন না। অনেক ক্ষেত্রে কল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে লিখিতভাবে নোটিশদাতাকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদনসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (০৯.০৯.২০২৬)

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট

ছবি: সংগৃহীত 
মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে বাস মালিক সমিতির আবেদনে সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছেন, শুধুমাত্র বিআরটিএ যেসব বাসের চলাচলে অনুমতি দিয়েছে সেগুলো রাস্তায় চলাচল করবে।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বিআরটিএর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম। শুনানি শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, স্লিপার বাস মালিক অ্যাসোসিয়েশন মহাসড়কে এ ধরনের বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল।

এর জবাবে আদালতকে জানানো হয়, সড়ক পরিবহন আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী যানবাহনের টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন লঙ্ঘন করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ (ধারা ৮৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানা)। এছাড়া আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি রাস্তায় চলার সুযোগ নেই।

আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘আদালত বলেছেন যে বিআরটিএর অনুমতিপ্রাপ্ত বাসগুলোই কেবল সড়কে চলতে পারবে। যেহেতু স্লিপার বাস চালানোর কোনো পারমিশন নেই এবং হাইকোর্টও এ বিষয়ে কোনো অনুমতি দেয়নি, তাই নিয়মের বাইরে এসব বাস সড়কে চলার কোনো সুযোগ নেই।’



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (০৯.০৯.২০২৬)