![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
নোটিশে বলা হয়েছে, ডেঙ্গুর বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি কেবল নিয়মিত মশা নিধনের বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভাইরাসটির জিনগত বৈশিষ্ট্য, উৎস, সংক্রমণের ধরন ও বিস্তারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হতে রোগতত্ত্ববিদ, ভাইরোলজিস্ট ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জরুরি বৈজ্ঞানিক ও ফরেনসিক তদন্ত পরিচালনা করা প্রয়োজন।
নোটিশে মো. মাহমুদুল হাসান মামুন আন্তর্জাতিক আইনের বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার বিষয় তুলে ধরেছেন। এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালের বায়োলজিক্যাল ওয়েপনস কনভেনশনের (বিডব্লিউসি) অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ। কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১(১) ও অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী, নিজেদের সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধের স্বার্থে জৈব অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক গবেষণা পরিচালনার অধিকার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রয়েছে।
এ ছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫৪০ (২০০৪) নম্বর রেজুলেশনের আওতায় জৈব অস্ত্রের বিস্তার ও অপব্যবহার প্রতিরোধে কার্যকর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার বাধ্যবাধকতার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষায় সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্বের কথাও তুলে ধরা হয়।
লিগ্যাল নোটিশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ডেঙ্গু ভাইরাসের জিনগত ও ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে এর বিস্তারের পেছনে কোনো কৃত্রিম জৈব আক্রমণ বা মানবসৃষ্ট হস্তক্ষেপ রয়েছে কি না, তা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে অবিলম্বে উচ্চ-সুরক্ষাসম্পন্ন বায়োলজিক্যাল ওয়েপন প্রিভেনটিভ রিসার্চ ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং এডিস মশা নিধনে বিজ্ঞানভিত্তিক ও সর্বাত্মক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিও জানানো হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে জাতীয় নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য এবং নাগরিকদের জীবন রক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
বিডি ল' পোস্ট/ মাসুম

0 coment rios: