![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পাঁচ সদস্যের গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠিত হয় এবং তারা একই বছরে একটি এবং গত বছরের আরেকটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দেয়। এই দুটি প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা নাজনীন পারভীন স্বপ্না রিট আবেদন করেন। রিটে সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের সচিব এবং গুম তদন্ত কমিশনের সভাপতিকে বিবাদী করা হয়।
রিটকারী রিট আবেদনে উল্লেখ করেন, কমিশনের বিতর্কিত প্রতিবেদনের কারণে তার পরিবারের একজন সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সে কারণে এই রিট দায়ের করার মতো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা ‘লোকাস স্ট্যান্ডাই’ তার রয়েছে।
রিটকারীর মূল যুক্তি ছিল, ১৯৫৬ সালের কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট বা কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩এ ধারার মতো অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দাখিলের কোনো বিধান বা ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়া হয়নি। তাই সম্পূর্ণ এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে দেওয়া ওই দুটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়। পাশাপাশি রিটটি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট নথিপত্র হাই কোর্টে তলব করার আবেদনও করা হয়।
আইনজীবী আজিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ওই বেঞ্চের প্রিসাইডিং জাজ রুল ইস্যু করার মতো অবস্থানে গেলেও দ্বিতীয় বিচারপতি বিব্রতবোধ করেন এবং বিষয়টি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এরপর নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলে তিনি বিচারপতি আহমেদ সোহেলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করে দেন। সোমবার এই বেঞ্চেই শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দেন।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: