২৯ এপ্রি, ২০২৬
আলোচিত স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নোয়াখালীর সদর উপজেলার বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলায় গৃহশিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক গৃহশিক্ষকের নাম আব্দুর রহিম ওরফে রনি (৩৩)। তিনি নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুরে মহল্লার লাতু কাউন্সিলরের বাড়ির খলিল মিয়ার ছেলে।
ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম শাহী বলেন, ছাত্রী হত্যা মামলায় আদালত আসামি সাবেক গৃহশিক্ষককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলের দিকে নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে অদিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলা, হাত ও পায়ের রগ কাটা ছিল, যা পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার দিন রাতে অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রনির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অদিতা কিছুদিন আগে রনির কাছে পড়া বন্ধ করে অন্যত্র কোচিং শুরু করলে ক্ষুব্ধ হন তিনি। ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে দুপুরে বাসায় প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এতে ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি গোপন করতে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেন এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন রূপ দিতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ এবং তার পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য, এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিচার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগে করা মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে অর্থদণ্ডের টাকা ভিকটিমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ (বুধবার) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সাহেকীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি সোহেল আলম বাদীর পূর্ব পরিচিত। সেই সূত্র ধরে বাদীর পরিবার তাদের আরেক সন্তানের চিকিৎসার জন্য কদমতলীতে আসামিদের বাসায় ওঠেন। ২০২৩ সালের ৮ মে রাতে আসামি ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ১৪ মে আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর কদমতলী থানার উপ পরিদর্শক মো. মহসীন চৌধুরী সোহান আলম তপুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
সোর্স- বাসস
বিএনপির আইন সম্পাদক হলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল
বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদলকে মনোনীত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ আদেশ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। বদরুদ্দোজা বাদল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
ঘরে বসেই চাদাঁ পরিশোধ করতে পারবেন আইনজীবীরা
ছবিঃ সংগৃহীত
প্রায় ১৩৭ বছর পর এশিয়ার বৃহত্তম ঢাকা বার সমিতিতে চালু হয়েছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা পরিশোধের কার্যকরী পদক্ষেপ। আইনজীবীরা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বিকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই তাদের চাদাঁ পরিশোধ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে ঢাকা আইনজীবী সমিতি কতৃক আয়োজিত ‘বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা পরিশোধ কার্যক্রমের’ উদ্বোধন করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম।
অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, আইনজীবীদের আগে সমিতির অফিস থেকে ব্যাংক রিসিভ নিয়ে ব্যাংকে যেয়ে টাকা জমা দিতে হতো। এখন দেশের বাইরে থাকেন বা ঘরে বসে থাকেন, আপনার হাতে বিকাশ থাকলেই টাকা জমা দিতে পারবেন। সঠিক সময়ে চাঁদা পাওয়ার মাধ্যমে সমিতির আয়ও বৃদ্ধি পাবে। এসময় আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ঐক্য প্যানেলের (নীল প্যানেল) পক্ষে ভোট চান তিনি।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আইনজীবী খোরশেদ মিয়া আলম বলেন, “আজ ঢাকা আইনজীবী যুগান্তকারী প্রোগ্রাম করেছে। অ্যাপসের মাধ্যমে বাসায় বসে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। টাকা জমা বা বকেয়ার পরিমাণও এর মাধ্যমে জানা যাবে। ঢাকা বারের ৩৫ হাজার আইনজীবী এই সেবা পাবেন।” এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে আইনজীবীদের বাৎসরিক চাঁদার টাকা দিতে হবে না। এখন থেকে অ্যাপসের মাধ্যমে ঘরে বসে কোনোরকম বিড়ম্বনা ছাড়াই এই টাকা জমা দিতে পারবেন। আইনজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল এমন সেবার। সেই সেবা এবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি মো. শহিদুজ্জামান, ট্রেজারার আব্দুর রশীদ মোল্লা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হাসান (মুকুল), লাইব্রেরী সম্পাদক মোসা. নার্গিস পারভীন (মুক্তি), দফতর সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম (মারুফ), কার্যনির্বাহী সদস্য গাজী তানজিল আহমেদ, আলী মর্তুজা এবং মো. আরিফ। এসময় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলাজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ এডিআর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে আসছে বিআইএসি
দেশের বিচারব্যবস্থায় ৪০ লাখেরও বেশি মামলা বিচারাধীন থাকায় আনুষ্ঠানিক আদালত ব্যবস্থার কার্যকর পরিপূরক হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতিকে ক্রমেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টার (বিআইএসি) প্রচলিত বিচারিক ব্যবস্থার বাইরে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির একটি শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছে। প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক বিরোধ নিষ্পত্তিতে দ্রুততর, সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্মত কাঠামো প্রদান করছে।
বিআইএসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে এ এম মজেদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার দূরদর্শী লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সালিশ, মধ্যস্থতা এবং অন্যান্য এডিআর পদ্ধতির প্রসারের মাধ্যমে বিআইএসি শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দক্ষতার সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তা করছে না, বরং উপযুক্ত বাণিজ্যিক মামলাগুলোকে আনুষ্ঠানিক আদালত ব্যবস্থার বাইরে রেখে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপও কমাচ্ছে।’
অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বিআইএসি ২০০৪ সালে সরকারের দেওয়া লাইসেন্সের আওতায় ২০১১ সালের এপ্রিলে কার্যক্রম শুরু করে। সময়ের সঙ্গে এটি বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে দেশের একমাত্র নিবন্ধিত প্রাতিষ্ঠানিক এডিআর সংস্থা হিসেবে বিকশিত হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দেশের আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের প্রতিফলন। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান-এর সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিম্ন আদালতগুলোতে মোট ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন ছিল।
বিআইএসি সূত্রে বলা হয়েছে, এই বিপুল মামলাজট এমন কার্যকর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে, যা উপযুক্ত মামলাগুলোকে আদালতে যাওয়ার আগেই নিষ্পত্তি করতে সক্ষম।
কে এ এম মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এমন একটি বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা প্রয়োজন, যা দেশি ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করবে। নিরপেক্ষ মামলা পরিচালনা, অভিজ্ঞ সালিশকারী ও মধ্যস্থতাকারী, আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিধিমালা, দ্রুত নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া এবং ধারাবাহিক সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা সেই আস্থা তৈরিতে কাজ করছি।’
বিআইএসি’র সিনিয়র কাউন্সেল মোহাম্মদ আনিসুল হক ইমরানও বিশেষ করে জটিল বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, চুক্তি, নির্মাণ, ব্যাংকিং ও অর্থায়ন, সরবরাহ ব্যবস্থা, কোম্পানি-সংক্রান্ত বিষয় এবং আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের বিরোধগুলো সাধারণত প্রযুক্তিনির্ভর, নথিপত্রসমৃদ্ধ ও সময়সংবেদনশীল হয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে গোপনীয়তা, বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও দ্রুততা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি মামলা মোকদ্দমার পরিবর্তে যদি সালিশ বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে এসব বিরোধ নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থা ফৌজদারি, ভূমি, পারিবারিক ও সাংবিধানিক বিষয়ে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারবে, যেগুলোতে প্রকৃত বিচারিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় বিআইএসি’র মতো এডিআর প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা গেলে বিচারপ্রক্রিয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি, মামলাজট হ্রাস এবং দেশের আইনি পরিবেশে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সোর্স- বাসস
ঢাকা আইনজীবী সমিতির দু’দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শুরু
ঢাকা আইনজীবী সমিতি (বার)-এর ২০২৬-২০২৭ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ নির্বাচনে ২১ হাজার ৭৩১ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদের বিপরীতে এবারের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের (সবুজ প্যানেল) প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলহাজ অ্যাডভোকেট বোরহানউদ্দিন বলেন, আজ (বুধবার) প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। মাঝে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে। একইভাবে বৃহস্পতিবারও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, সহ-সভাপতি পদে মো. আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান আনিস, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. এলতুতমিশ সওদাগর অ্যানি, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাদী হাসান জুয়েল, লাইব্রেরি সম্পাদক খন্দকার মাকসুদুল হাসান সবুজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মারজিয়া হেরা, অফিস সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন মৃধা, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সোহেল খান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এএসএম ফিরোজ এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শফিক।
সদস্য পদে এই প্যানেল থেকে লড়ছেন- এএইচএম রেজওয়ানুল সাঈদ রোমিও, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. আদনান রহমান, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম মামুন, মো. সানাউল, মামুন মিয়া, মুজাহিদুল ইসলাম সায়েম, শেখ শওকত হোসেন এবং সৈয়দ সারোয়ার আলম নিশান।
অপরদিকে জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এসএম কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. শাহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মো. আজমত হোসেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আক্তার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান ভূঁইয়া, লাইব্রেরি সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার, অফিস সম্পাদক মো. আবদুর রাজ্জাক, ক্রীড়া সম্পাদক বাবুল আক্তার বাবু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান মোল্লা এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ।
সদস্য পদে এই প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- বেলাল হোসেন, দিলরুবা আক্তার সুবর্ণা, জহিরুল ইসলাম, কাওসার আহমেদ, মো. কাইয়ুম হোসেন নয়ন, মো. মহসিন রেজা, মো. ওমর ফারুক, মো. শাহ আলম, মো. ইউনূস এবং মোশাররফ হোসেন।
সোর্স- বাসস