![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত এ সব বেঞ্চের বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিস্তারিত জানতে নিচের নোটিশটি দেখুন:
বিডিএলপিবি/এমএম
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত এ সব বেঞ্চের বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিস্তারিত জানতে নিচের নোটিশটি দেখুন:
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পরে সাংবাদিকদের কাছে আওয়ামীপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত নূরনবী বুলবুল বলেন, আমরা আদালতে বলেছি রিটকারী ব্যক্তি মো. আল আমিন আওয়ামী লীগের কেউ নয়। তার এ ধরনের রিট করার অধিকার নেই। রিটের পক্ষে আইনজীবী ইউনূস আলীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।
এর আগে, গত ৭ সেপ্টেম্বর এ রিট দায়ের করেন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিন। রিটের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী।
রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মের প্রজ্ঞাপন জারি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ১২ মের প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গত বছরের ১২ মে ওই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।
এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: অনলাইনে প্রদত্ত আইনজীবীর সাক্ষাৎকার
![]() |
| ফাইল ছবি |
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি শশাঙ্ক কুমার সরকার ও বিচারপতি ফয়সল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সব নির্বাহী ও বিচারিক কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের রায় ও আদেশ পালন করতে বাধ্য। কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আপিল বা আইনানুগ প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেই রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল, ধর্মঘট বা কর্মবিরতি আহ্বান করা আইনসম্মত নয়।
আদালত আরও বলেছে, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মসূচি বিচার বিভাগের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
রায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনসহ (বিআরটিসি) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১১ সালের আগস্টে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ‘ডিলাক্স পরিবহন’-এর একটি বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, সাংবাদিক ও সম্প্রচারক মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাসচালকের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত সাজা প্রদান করে।
ওই সাজাকে কেন্দ্র করে বাস মালিকেরা পরিবহন ধর্মঘট ও হরতাল আহ্বান করেন। এ-সংক্রান্ত সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে রিট দায়ের করে।
রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ১ মার্চ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ রুল জারি করে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্মঘট ও হরতাল প্রত্যাহার এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের ওই নির্দেশের পরদিন পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
পরে ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয় বিচারপতি শশাঙ্ক কুমার সরকার ও বিচারপতি ফয়সল হাসান আরিফের বেঞ্চে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রুলটি অ্যাবসোলিউট ঘোষণা করে এ রায় দেয়।
বিডিএলপিবি/এমএম
![]() |
| ফাইল ছবি |
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
রায়ে আদালত বলেন, রিটকারীর পদত্যাগপত্র স্বেচ্ছায় বা নিজের ইচ্ছায় দেওয়া হয়নি; বরং তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। আইন বা বিধিও জোরপূর্বক কিংবা চাপের মুখে নেওয়া পদত্যাগকে সমর্থন করে না।
মামলার প্রেক্ষাপট: মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট একদল দুষ্কৃতকারী তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এর পরদিন তিনি কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছেও আইনি প্রতিকার ও হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেন।
এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে স্বপদে বহাল করার নির্দেশ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। তবে সেই নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিকার চেয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন আদালত। পরে গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত রায় দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ: রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, রিট আবেদনকারীর পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা ছিল না। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত এমপিওর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পেয়ে আসছিলেন। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ তাকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন ও চাকরিতে বহাল রাখতে আইনিভাবে বাধ্য ছিল। ফলে তিনি অবিলম্বে পুনর্বহালের অধিকারী।
আদালত আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হিসেবে শিক্ষা বোর্ডের এখতিয়ার রয়েছে ম্যানেজিং কমিটির প্রস্তাবিত যেকোনো শৃঙ্খলামূলক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পর্যালোচনা, অনুমোদন, সংশোধন বা বাতিল করার। প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও বোর্ডের রয়েছে।
তাই শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রতি জারি করা নির্দেশনা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। এসব নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা অসদুপায়, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল বলেও মন্তব্য করেন আদালত।
হাইকোর্ট বলেন, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টরা আইনগতভাবে বাধ্য। তাদের নিষ্ক্রিয়তা, প্রশাসনিক অবহেলা এবং সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা রিটকারীর বৈধ অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
আদালত সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে রিট আবেদনকারীকে স্বপদে পুনর্বহাল নিশ্চিত করতে হবে। এ নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হলে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
এর মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি বাতিল, কমিটির সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও থাকতে পারে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিডিএলপিবি/এমএম
![]() |
| ছবি: ফাইল |
ব্যাখ্যা: সাধারণ নিয়মে যেকোনো অভিযোগ যে এলাকায় ঘটনা ঘটেছে এখতিয়ারভুক্ত সেই থানায় করতে হয়। কিন্তু জরুরি বা গুরুতর পরিস্থিতিতে (যেমন: ধর্ষণ, অপহরণ, খুন বা মারাত্মক হামলা) ভুক্তভোগী বা তার পরিবার নিরাপত্তার খাতিরে বা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিজের নিকটস্থ যেকোনো থানায় এই মামলা করতে পারেন।
প্রক্রিয়া: দুইটি ধাপ:
নম্বর শূন্য (০): এই এফআইআর-এর ক্ষেত্রে শুরুতে কোনো ক্রমিক নম্বর বা সিরিয়াল দেওয়া হয় না, এর নম্বর থাকে 'শূন্য' (০)। তাই একে জিরো এফআইআর বলা হয়।
থানা বদলি: অভিযোগ নেওয়ার পর প্রাথমিক কাজ বা জরুরি রেকর্ড সম্পন্ন করে থানাটি সেই মামলাটি পরবর্তী তদন্তের জন্য ঘটনার প্রকৃত এখতিয়ারধীন সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেয়।
আইনে স্বীকৃতি: এই পদ্ধতিটি মূলত প্রতিবেশী দেশ ভারতে (এবং তাদের নতুন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতায়) আইনগতভাবে স্বীকৃত থাকলেও বাংলাদেশে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এলাকার এখতিয়ারের বাইরে থানা সাধারণত সাধারণ এফআইআর গ্রহণ করতে চায় না।
তবে, জরুরি ও বিশেষ পরিস্থিতিতে বা ভুক্তভোগীর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনেক সময় পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযোগ শুনে তা আমলে নেয় বা সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগের পরামর্শ দেয়। এ বিষয়টিকে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করে সম্প্রতি একটি রিট পিটিশন ও দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে যেকানে রুল জারি করা হয় জিরো এফআইআর ব্যবস্থার জন্য বিধান প্রনয়ণ নিয়ে। যা শুনানির পর্যায়ে বিচারাধীন রয়েছে।
পরিশেষে, জিরো এফআইআর সিস্টেম কার্যকর থাকলে ভিন্ন থানা বা এলাকার ঘটনা-এই অজুহাতে পুলিশ কোনো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারে না।
বিডিএলপিবি/এমএম
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ নগরের তিন নাম্বারের ফালা মসজিদ গলির ১০/২ নাম্বার বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লালবাগ থানার ওসি জামিল হোসেন জানান, আনোয়ার হোসেন জর্জ কোর্টে প্রাকটিস করতেন। তবে ২০১২ সালের পর পর থেকে তিনি কোর্টে অনিয়মিত ছিলেন।
ওসি জানান, আনোয়ার হোসেন ওই রুমটিতে একাই থাকতেন। ধারণা করা হচ্ছে, দুই দিন আগে তার মৃত্যু হতে পারে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে।বাড়ির মালিক মনির হোসেন জানান, চলতি মাসেই তিনি চার হাজার টাকা ভাড়ায় রুমটিতে উঠেছিলেন।
ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেন টিমের সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। ময়নাতদন্তের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানান ওসি।
এ ছাড়া পুলিশ তার সঙ্গে থাকা ড্রাইভিং লাইন্স উদ্ধার করেছে। সেখানে ঠিকানা ৩১২ নম্বর জগন্নাথ সাহা রোড উল্লেখ রয়েছে। পুলিশ তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।
বিডিএলপিবি/এমএম
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এস এম সালেহ আহমেদ স্বাক্ষরিত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন ভূমি অফিসে ডাটা এন্ট্রির সময় অনেক নামজারি খতিয়ান অনুপস্থিত বা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এসব খতিয়ান না থাকায় সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা ও নামজারি-সংক্রান্ত তথ্য অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নামজারি খতিয়ানের নথি ও স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনাপত্র এবং রেজিস্টার-১ ও রেজিস্টার-২ পাওয়া গেলেও খতিয়ানের কপি না থাকলে সংশ্লিষ্ট নামজারি নথি শনাক্ত করে প্রস্তাবনাপত্রের তথ্য রেজিস্টারের সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্টার-২ হতে খতিয়ান নম্বর সংযুক্ত করে খতিয়ানটি নির্ধারিত ছকে পুনঃসৃজন করতে হবে।
পরিপত্র অনুযায়ী, পুনঃসৃজিত খতিয়ানের তথ্য সিস্টেমে এন্ট্রি, যাচাই ও ভ্যালিডেট করার পর সংশ্লিষ্ট অংশ স্ক্যান করে সিস্টেমে আপলোড করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এরপর খতিয়ান প্রিন্ট করে বর্তমানে কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মাধ্যমে স্বাক্ষর ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন সম্পন্ন করতে হবে।
এতে প্রিন্ট করা খতিয়ানের কপি সংশ্লিষ্ট নামজারি নথিতে সংরক্ষণের পাশাপাশি পুনঃসৃজিত খতিয়ানগুলো ব্যাচ আকারে বাধাই করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, নামজারি খতিয়ান ও নথি পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু রেজিস্টার-২ ও রেজিস্টার-১ রয়েছে—এমন ক্ষেত্রে প্রথমে রেজিস্টারের তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতে হবে। সন্দেহ দেখা দিলে কার্যক্রম বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় যাচাই করতে হবে। সঠিকতা নিশ্চিত হলে পরবর্তী ধাপে গিয়ে খতিয়ান পুনঃসৃজনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
অন্যদিকে, রেজিস্টার-১-এ তথ্য রয়েছে কিন্তু রেজিস্টার-২-তে কোনো তথ্য নেই, এমন ক্ষেত্রে রেজিস্টার-১-এর তথ্য যাচাই করে সন্দেহ না থাকলে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যাবে। তবে সন্দেহ, অসামঞ্জস্য বা ঘাটতি দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট নথি ও রেজিস্টার পুনরায় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এটার মাধ্যমে নামজারি অনুমোদন বা নতুন স্বত্ব সৃষ্টি করা যাবে না:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিশেষভাবে বলা হয়েছে, খতিয়ান পুনঃসৃজনের মাধ্যমে নতুন করে নামজারি অনুমোদন বা নতুন স্বত্ব সৃষ্টি করা যাবে না। এটি কেবল পূর্বে অনুমোদিত নামজারি খতিয়ানের খতিয়ান পুনঃসৃজন হিসেবে বিবেচিত হবে। যেসব ক্ষেত্রে খতিয়ান নম্বর পাওয়া যাবে না, সেসব ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখার ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখের ২৮ নম্বর পরিপত্র অনুসরণ করে খতিয়ান নম্বর প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কোনো নামজারি খতিয়ান পুনঃসৃজনের আগে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট নামজারি খতিয়ানটি পূর্বে অন্য কোনো নম্বরযুক্ত খতিয়ান হিসেবে অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে সংমিশ্রিত হয়নি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে নিজ নিজ উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিস এবং আওতাধীন ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসে কার্যক্রম পরিচালনা ও পরিপত্র জারির দুই মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান পুনঃসৃজনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করবেন সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় জনবল দিয়ে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক, ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প এবং যুগ্মসচিব, ডিকেএমপি, ভূমি মন্ত্রণালয় কার্যক্রমটির সার্বিক সমন্বয় সাধন করবেন।
বিডিএলপিবি/এমএম