২৩ আগ, ২০২৬

'চুয়া সেলিমের' তিন দিনের রিমান্ড

'চুয়া সেলিমের' তিন দিনের রিমান্ড

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও হেরোইন উদ্ধারের মামলায় মাদক সম্রাট মো. সেলিম আশরাফী ওরফে চুয়া সেলিমের তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুরুল ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার তদন্তে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পুলিশ তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, সেলিমের বিরুদ্ধে ৩৬টির বেশি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস শনাক্ত, আরো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং তার অপরাধের কৌশল সম্পর্কে তথ্য জানতে তাকে সাত দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট র‌্যাব-২-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানাধীন জেনেভা ক্যাম্পের সেক্টর-৭-এর ব্লক-৫ এলাকায় অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি ৭.৬৫ মিমি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগজিন, ১১০ গ্রাম কথিত হেরোইন, একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৪৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পিস্তলের কোনো বৈধ কাগজপত্র বা লাইসেন্স দেখাতে পারেনি সেলিম।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: এনপিবি (২২.০৮.২০২৬)

২২ আগ, ২০২৬

তরুণীকে হত্যার পর মাথা-হাত বিচ্ছিন্ন, হাতের ট্যাটু দেখে সনাক্ত, নারীসহ ৫ জন রিমান্ডে

তরুণীকে হত্যার পর মাথা-হাত বিচ্ছিন্ন, হাতের ট্যাটু দেখে সনাক্ত, নারীসহ ৫ জন রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 
৬ আগস্ট রাজধানীর সবুজবাগে যে তরুণীর খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁর পরিচয় পেয়েছে পুলিশ। দুই হাতে থাকা ট্যাটু দেখে ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানীকে শনাক্ত করেন তাঁর মা-বাবা।

এই তরুণীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে শনিবার চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. মোমিন হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—নুসরাত জাহান সাহিদা (১৯), ফারুক ওরফে জামাই ফারুক (৪৫), মো. সুজন (২০), মামুন (২০) ও মো. রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি (১৯)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার এসআই নূরে আলম সিদ্দিকি আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে সবুজবাগ থানাধীন বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকার একটি গরুর খামারের পাশের সেতুর নিচে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডিত মাথা এবং পলিথিনে মোড়ানো দুই হাত পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯ বছর বয়সী ফালানী নামের তরুণী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। পরে তাঁর মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে খণ্ডিত মাথার ছবি ও দুই হাতে থাকা ট্যাটু দেখে তাঁরা মরদেহটি তাঁদের মেয়ের বলে শনাক্ত করেন।  ঘটনার আগের সিসিটিভির ভিডিওতে দেখা যায়, ৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভুক্তভোগীসহ গ্রেপ্তার আসামিদের এবং আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে বাগানবাড়ী কালভার্টের ওপর অনেকক্ষণ একসঙ্গে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে এ আসামিরাসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁকে আর কোথাও দেখা যায়নি। ৪ আগস্ট রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ফারুক ও ফালানী বাদে অন্য আসামিরা কালভার্টের ওপর অবস্থান করেন। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর তাঁরা যে যার মতো করে চলে যান।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্ত, তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ, স্থানীয় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ, আসামিদের পূর্ববর্তী স্বভাব-চরিত্র এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ওই পাঁচ আসামিকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত, তাঁদের অবস্থান ও ঠিকানা সংগ্রহ এবং গ্রেপ্তারের জন্য গ্রেপ্তারদের রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোমিন বলেন, আসামিদের পক্ষে তাঁদের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ তাঁদের জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে বলে জানান তিনি।

উল্লখ্য, ফালানীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ৬ আগস্ট সবুজবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন এসআই রাশেদুল হাসান।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: কালবেলা (২২.০৮.২০২৬)


হাইকোর্টে ১৩ কার্যদিবসে ৬৭ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি

হাইকোর্টে ১৩ কার্যদিবসে ৬৭ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ উদ্যোগের আওতায় মাত্র ১৩ কার্যদিবসে ৬০ হাজার ৪৪৮টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস (ফৌজদারি বিবিধ) মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এরমধ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ১৩টি বেঞ্চে এক দিনেই ৪ হাজার ৭১৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা  শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার জট কমাতে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে গত ৭ মে থেকে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এই বিশেষ কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত পুরোনো ক্রিমিনাল এবং রিট মামলা মিলিয়ে সর্বমোট ৬৭ হাজার ৩৫৫টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

উক্ত প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের মামলা জট কমানোর লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বাড়ানো এবং মামলা জট সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এই বিশেষ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি

আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা- ২০২৬  এর প্রশ্ন: Question of Enrolement Written Exam- 2026

আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা- ২০২৬ এর প্রশ্ন: Question of Enrolement Written Exam- 2026

ছবি: সংগৃহীত 
অদ্য ২২ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বিস্তারিত ধারণার জন্য উক্ত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিম্নে দেওয়া হল:




বিডিএলপিবি/এমএম
ঢামেকে গৃহকর্মীর মরদেহ ফেলে পালানো গৃহকর্তাসহ তিনজন কারাগারে

ঢামেকে গৃহকর্মীর মরদেহ ফেলে পালানো গৃহকর্তাসহ তিনজন কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে গৃহকর্মী মীম আক্তারের লাশ ফেলে পালানোর ঘটনায় গ্রেফতার তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন গৃহকর্তা ফয়সাল আহমেদ (৩৫), তাঁর স্ত্রী গৃহকর্ত্রী রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯) এবং রেশমার বাবা এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭)।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাহফুজা আক্তার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর আসামিরা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দীর্ঘদিনের বাসস্থান ছেড়ে ডেমরা এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ডেমরার বামৈল এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সী মীম প্রায় এক বছর ধরে ফয়সালের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করছিল। সেখানে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ। নির্যাতনের বিষয়টি মীম তাঁর পরিবারকে জানালে তাঁকে ওই বাসা থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার।

এর মধ্যেই গত ১২ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে মীমের লাশ ফেলে পালিয়ে যায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা। পরে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মীমের পরিচয় শনাক্ত করে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, ১৩ আগস্ট সকালে ফয়সাল মীমের পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জানান, মীম বাসা থেকে টাকা-পয়সা চুরি করে অন্য এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। পরে ১৭ আগস্ট মীমের পরিবারের সদস্যরা ফয়সালের বাসায় গেলে তাঁদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর ২০ আগস্ট মীমের মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা শাহবাগ থানায় যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তাঁরা মীমের লাশ শনাক্ত করেন।

মীম কুমিল্লার বাসুদেব বাজার এলাকার ফজলু মিয়ার মেয়ে। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার মীমের মা শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় ফয়সাল, তাঁর স্ত্রী রাহেমা ও তাঁর শ্বশুর আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইনকিলাব (২২.০৮.২০২৬)

দীপু মনিকে অভয় দেয়া সেই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

দীপু মনিকে অভয় দেয়া সেই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
গুলশানের আজাদ মসজিদ এলাকায় দীপু মনির স্বামীর জানাজাকে কেন্দ্র করে স্লোগান ও অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ভৈরব উপজেলা নেতা আল রাফি প্রত্যয়কে (১৯) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক কে এম মফিজুর রহমান। আসামিপক্ষে আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন।

মামলায় অভিযোগসূত্রে জানা যায়, গতকাল ২০ আগস্ট দুপুরে গুলশান থানাধীন আজাদ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির প্রয়াত স্বামীর জানাজাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারকৃত আসামি প্রত্যয় ও তার সহযোগীরা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করে। এ সময় নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া অবস্থায় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, আসামি প্রত্যয় গত ৭ আগস্টের গুলশান থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার সঙ্গে জড়িত। উক্ত মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতা করার পরিকল্পনা এবং গোপন বৈঠকের অভিযোগ রয়েছে।

উল্লখ্য, আল রাফি প্রত্যয় ভৈরব উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা। তার স্থায়ী ঠিকানা কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর এলাকায়। বর্তমানে তিনি কাঁঠাল বাগানের এবিসি হোস্টেলে বসবাস করছিলেন।


বিডিএলপিবি/এমএমএ
সূত্র: আমার দেশ (২১.০৮.২০২৬)

২১ আগ, ২০২৬

যৌতুক ও পরকীয়ার জেরে স্ত্রী হত্যা: ৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুক ও পরকীয়ার জেরে স্ত্রী হত্যা: ৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
ফেনীতে পরকীয়ার জের ও যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার ৮ বছর পর স্বামী একরামুল হক ওরফে চুট্টুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। 

​বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।

​ রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধিত-২০০৩)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থেকে রায় কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১১ জানুয়ারি ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর এলাকার আরজিনা আক্তারের সঙ্গে একরামুল হক চুট্টুর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই চুট্টু অন্য এক নারীর সাথে পরীয়ায় জড়িয়ে পড়লে দাম্পত্যজীবনে কলহ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সে স্ত্রী আরজিনার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরজিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে। 

এরই জেরে ২০১৮ সালের ২৬ আগস্ট রাতে নির্যাতনের একপর্যায়ে আরজিনা মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ২৭ আগস্ট পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করে। একরামুল হক চুট্টুকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে দাগনভূঞা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আরজিনার মামা মীর হোসেন দুলাল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (২০.০৮.২০২৬)