![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধিত-২০০৩)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থেকে রায় কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১১ জানুয়ারি ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর এলাকার আরজিনা আক্তারের সঙ্গে একরামুল হক চুট্টুর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই চুট্টু অন্য এক নারীর সাথে পরীয়ায় জড়িয়ে পড়লে দাম্পত্যজীবনে কলহ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সে স্ত্রী আরজিনার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরজিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে।
এরই জেরে ২০১৮ সালের ২৬ আগস্ট রাতে নির্যাতনের একপর্যায়ে আরজিনা মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ২৭ আগস্ট পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করে। একরামুল হক চুট্টুকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে দাগনভূঞা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আরজিনার মামা মীর হোসেন দুলাল।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (২০.০৮.২০২৬)

0 coment rios: