২৭ জুল, ২০২৬

বাগেরহাটে আইনজীবী শান্ত হত্যার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের সমাবেশ

বাগেরহাটে আইনজীবী শান্ত হত্যার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের সমাবেশ

ছবি: সংগৃহীত 
বাগেরহাট জজ কোর্টের আইনজীবী ও সহকারী সরকারি কৌশলী (এপিপি) নিজাম উদ্দিন শান্ত হত্যায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান রায়হানের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন এমপি।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহাবুব, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মাগফুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান খান প্রমুখ।

এ সময় আইনজীবী নেতারা নিজাম উদ্দিন শান্তর হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম

শাপলা হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

শাপলা হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এ অভিযোগ জমা দেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান। 

এদিন এ মামলায় ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। 

বর্তমানে এই মামলায় গ্রেফতার রয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।


সোর্স: ঢাকা পোস্ট
বিডিএলপিবি/এমএম

ফিটনেস সনদ ছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের রুল

ফিটনেস সনদ ছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের রুল

সুপ্রিম কোর্ট: ছবি- সংগৃহীত 
যানবাহনের বডিতে বা উইন্ডশিল্ডে (সামনের কাচে) ফিটনেস সনদ প্রদর্শন করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধ করার লক্ষ্যে জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কুইক রেসপন্স টিম গঠন, বেপরোয়া গতি কমাতে প্রতিটি গণপরিবহনে ভেতরে-বাইরে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা স্থাপন এবং একতলা বিশিষ্ট বাসকে ডাবল ডেকারে রূপান্তর ঠেকাতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেটিও জানতে চেয়েছেন আদালত। 

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে রবিবার (২৬ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বসন্তপুর এলাকায় সেন্টমার্টিন পরিবহনের সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান রিটটি দায়ের করেন। আইনজীবী বাহাউদ্দিন আল ইমরানকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে করা তার আবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী।


বিডিএলপিবি /এমএম

২৬ জুল, ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

কোলাজ ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং তৎকালীন সময়ে নীরব থেকে আওয়ামী লীগ সরকারকে সহায়তার অভিযোগে সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টি এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় এই আবেদনগুলো জমা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষে অভিযোগ দায়েরের পর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান। 

তিনি বলেন, ‘‘সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ শহীদ ও হাজার হাজার মানুষ আহত হলেও সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো কার্যকর ভূমিকা নেননি। এছাড়া ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম ও নির্বিচারে হত্যার বিষয়েও তিনি নীরব ছিলেন। অপরাধগুলোতে তার মৌন সম্মতি থাকায় এবং ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী হিসেবে কাজ করায় এ অভিযোগ আনা হয়েছে’’

দলের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংকালে জানানো হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে সংঘটিত গুম-খুনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সময় এই দুজন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। আইনগত 'সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি' বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগী হওয়ার দায় তারা এড়াতে পারেন না।

এদিকে, একই দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুবিধা প্রদান ও সহায়তার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরেকটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর আজ সপরিবারে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার স্থানত্যাগের পরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই আইনি পদক্ষেপের খবর সামনে এলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বাধা নয়: শিশির মনির

সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বাধা নয়: শিশির মনির

মোহাম্মদ শিশির মনির|ছবি: সংগৃহীত 
সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকলে দায়িত্ব ছাড়ার পর তার বিচার করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার মতে, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ বিচার কার্যক্রমে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।

গতকাল (শনিবার) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে শিশির মনির বলেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে অথবা দায়িত্বে থাকার সময় যদি মো. সাহাবুদ্দিন কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ এ ধরনের বিচার পরিচালনায় কোনো বাধা দেয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর সংসদ বিলুপ্ত হওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্যেও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার পদত্যাগকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে তার সম্ভাব্য আইনি দায় ও সাংবিধানিক অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কের মধ্যেই আইনজীবী শিশির মনিরের এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত
 বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর আরোপ করা সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ও আইনবিরোধী ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে এমএফএস সেবার চার্জ নির্ধারণ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আলাদা একটি আইন প্রণয়ন করা হবে না কেন, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য এমএফএস সেবার চার্জ যেন যৌক্তিক, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী পর্যায়ে রাখা হয়—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।

এ বিষয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রবিবার (২৬ জুলাই) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব। তিনি নিজেই এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রুলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

দেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং সুবিধা সীমিত এমন জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ ও দৈনন্দিন লেনদেনে এসব সেবার ব্যবহার বেড়েছে। তবে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া সার্ভিস চার্জের হার ও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে এমএফএস খাতে চার্জ নির্ধারণ ও গ্রাহক সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিডিএলপিবি/এমএম

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাহাবুদ্দিন জড়িত, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

মো: সাহাবুদ্দিন: ছবি- সংগৃহীত 
ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকা শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। এই মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি বিএফআইইউ হাইকোর্টে এ প্রতিবেদন দাখিল করে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন এবং এই সময়কালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি কোম্পানি মিলে ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন নেয়। ২৪টি কোম্পানির একটি হলো রাষ্ট্রপতির কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। ওই টাকা এখনও ইসলামী ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম