![]() |
| মোহাম্মদ শিশির মনির|ছবি: সংগৃহীত |
গতকাল (শনিবার) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে শিশির মনির বলেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে অথবা দায়িত্বে থাকার সময় যদি মো. সাহাবুদ্দিন কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ এ ধরনের বিচার পরিচালনায় কোনো বাধা দেয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।
তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর সংসদ বিলুপ্ত হওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার মধ্যেও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার পদত্যাগকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে তার সম্ভাব্য আইনি দায় ও সাংবিধানিক অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কের মধ্যেই আইনজীবী শিশির মনিরের এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: