৮ জুল, ২০২৬

আরেক মামলায় গ্রেফতার খায়রুল হক, কারামুক্তি আপাতত স্থগিত

আরেক মামলায় গ্রেফতার খায়রুল হক, কারামুক্তি আপাতত স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত 

বনানী থানার হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন। 

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন জানান, খায়রুল হককে এদিন আদালতে হাজির করা হয়নি। ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখিয়ে শুনানি হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। 

আসামির উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানো বিষয়ে শুনানির জন্য ৬ জুলাই ধার্য করা হয়। তবে ওইদিন মামলার মূল নথি না থাকায় শুনানি হয়নি। ওদিন শুনানি উপলক্ষ্যে খায়রুল হককে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে ঢাকার সিএমএস আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

এদিকে সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। গত ১৭ মে বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত দুটি হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গত ১২ মে বিচারপতি খায়রুল হক হাইকোর্টে জামিন পান। আদেশের পরে তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, সব মামলায় জামিন হওয়ায় আপাতত খায়রুল হকের কারামুক্তিতে আইনি বাধা নেই। তবে এরই মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

গত ২৩ মে পৃথক সাত মামলায় জামিনের পর সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানায় খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ৩০ জুন এ মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক তার জামিন বহাল রাখার এ আদেশ দেন।

বনানী থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট দুপুরে মহাখালীতে সেতু ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে তাদের শাহবাগ যাওয়ার পথে হামলা, গুলি ও হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

আসামির পক্ষে নিহত কিশোরীর বাবা-মায়ের জবানবন্দি নিয়ে প্রশ্ন

আসামির পক্ষে নিহত কিশোরীর বাবা-মায়ের জবানবন্দি নিয়ে প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত 

শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার শুনানি শেষে এই রায় দেয়।

এর কারণ- রিমার বাবা-মার জবানবন্দি, মনে করছেন আইনজীবীরা। ‘রিমা বিবাহিত ছিল না। কিছুটা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করত মেয়েটা। এখন পর্যন্ত জানি না, মেয়েকে কে বা কারা হত্যা করেছে। উপস্থিত আসামিরা খালাস পেলে আমার আপত্তি নাই।’ মামলার বাদী রিমার বাবা ইলিয়াস একথাই বলেছিলেন আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে।

প্রায় একই জবানবন্দি রিমার মা নারগিস আক্তারের। তিনি বলেছেন, ‘মেয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি আশেপাশের বাড়িতে যেত আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বোঝানোর চেষ্টা করি। এ মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানি না। আসামিরা আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না। আসামিরা সকলেই বিবাহিত। তারা খালাস পেলে আপত্তি নাই।’

বাবা-মায়ের এমন জবানবন্দির পরেও পুলিশের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করে মামলার বিচার শুরু করেন আদালত। ২০১৯ সালের ৭ মে মামলায় রায় দেন শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। চার আসামিকে দেওয়া হয় মৃত্যুদণ্ড। তারা হলেন- চুন্নু মোড়ল, নুরু মোড়ল, সেলিম চৌকিদার ও স্বপ্না বেগম।


বিডিএলপিবি/এমএম

প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের এমডি হাসানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের এমডি হাসানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ছবি: সংগৃহীত 

সময় মিডিয়া লিমিটেডের (সময় টিভি) বিজ্ঞাপন বিল বাবদ ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় সিটি গ্রুপের এমডি মো. হাসানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামিরা হলেন- সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমান, সাবেক পরিচালক মোর্শেদুল ইসলাম, সাবেক হেড অব মার্কেটিং মো. আহসানুল ইসলাম এবং সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার (মার্কেটিং) আয়েশা সিদ্দিকা।

গতকাল মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারীর সহকারী অঙ্কন ম-ল এতথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে ওই মাসের বিজ্ঞাপন বিল মওকুফের নোটিশ দেন। আসামিরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আসা সময় টিভির আগস্ট মাসের বিজ্ঞাপন বিল বাবদ মোট ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা উত্তোলন করে কোম্পানির হিসাব বিভাগে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।

পরবর্তীতে ই-মেইল মারফত অর্থ ও রসিদ বই ফেরত দেয়ার নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো জবাব দেননি। ওই ঘটনায় সময় টিভির সাবেক পরিচালক আহমেদ জোবায়ের বাদী হয়ে আদালতে এই নালিশী মামলাটি দায়ের করেন। এরপর আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বে সমন জারি করেছিলেন। আজ নির্ধারিত দিনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

৭ জুল, ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর|ছবি:সংগৃহীত 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের অপরাধের সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এজন্য ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি অভিজ্ঞ তদন্ত দল কাজ করছে। তবে এই তদন্ত শেষ করতে সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে অপরাধের সতত্যা মিললে বিচারে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি দলটির সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে ট্রাইব্যুনাল আইনে। এই বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন এই দুই আইনেই করা সম্ভব। এবং এ দুটি আইনই বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করে সংগঠন কিংবা দলের বিচারের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে গেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারই।

প্রসিকিউশন জানায়, দলটির প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণ আওয়ামী লীগের বিচারের ক্ষেত্রেও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

শিশু মাহফুজ হত্যা: ১৫ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন

শিশু মাহফুজ হত্যা: ১৫ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন

ছবি: সংগৃহীত 

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল শেখ, শামীম শেখ আহমেদ ও রঞ্জু শেখ। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন মাহমুদা খানম উষা ও বিল্লাল শেখ। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মিজানুর রহমান মিজানসহ সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের বাড়ি থেকে ভাটিয়াপাড়া রেলওয়ে জামে মসজিদে যাওয়ার পথে মাহফুজকে অপহরণ করা হয়। পরে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে শিশুটিকে প্রায় দেড় মাস আটকে রাখা হয়। এরপর সোমবার (২০ আগস্ট) রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাহমুদা খানম উষার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ পরিবারের বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রাখা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, মাহফুজের বাবা ইতালিপ্রবাসী ছিলেন এবং আসামিদের সঙ্গে তাদের পরিবারের পূর্বশত্রুতা ছিল। সেই বিরোধের জেরেই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।

ঘটনার পর শুক্রবার (৬ জুলাই) মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। পরে ২০১২ সালের মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নিজাম শিকদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালের রোববার (২২ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার সিদ্ধান্তে এটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪-এ স্থানান্তর করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আটজন সাফাই সাক্ষ্য দেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার আগে পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, “এটি কেবল একটি হত্যা মামলা নয়, বরং মানুষের রূপধারী কিছু অপরাধীর হিংস্রতার শিকার এক নিষ্পাপ শিশুর মর্মান্তিক পরিণতির দলিল।” আদালত আরও বলেন, “এ ধরনের নৃশংস ও পাশবিক অপরাধ সমাজে আর কেউ যাতে করার সাহস না পায়, সেজন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়েছে।”


বিডিএলপিবি/এমএম

বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট  লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও সময় ঘোষণা

বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও সময় ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 

এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। আজ, ৭ জুলাই, এ সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশ করা হয় বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে।  উক্ত নোটিশ মোতাবেক, এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২-০৮-২০২৬ইং তারিখ, শনিবার, সকাল ৯:০০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, 'এতদ্বারা স্মারক নং-বিবিসি/এনরোল/২০২৬/১৬৮১, তারিখে: ১২-০৬-২০২৬ইং মূলে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির ৬ই জুলাই, ২০২৬ইং তারিখের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিগত ১২-০৬-২০২৬ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এনরোলমেন্ট এম.সি.কিউ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২২-০৮-২০২৬ইং তারিখ, রোজ শনিবার সকাল ৯:০০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত ৪ (চার) ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।'

নোটিশে আরো বলা হয়, 'উক্ত লিখিত পরীক্ষার সকল প্রার্থীকে অবশ্যই নির্ধারিত ওয়েব লিঙ্ক (bar.teletalk.com.bd) ব্যবহার করে নিজ নিজ ফরম পূরণ/প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। অন্যথায় তাদের জন্য লিখিত পরীক্ষার প্রবেশ-পত্র ইস্যু করা হবে না। পরীক্ষা-বিধি মোতাবেক এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার রি-অ্যাপিয়ার প্রার্থীদের অনলাইন ফরম পূরণ, ফি প্রদান এবং রেগুলার প্রার্থীদের প্রোফাইল সাবমিট সম্পকিত বিস্তারিত তথ্যাদি শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।'

সর্বপরি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, 'পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিজ্ঞপ্তি বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে (www.barcouncil.gov.bd) প্রকাশ করা হবে।'


বিডিএলপিবি/এমএম

মিনিট্রাক থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, ৩ জনের কারাদণ্ড

মিনিট্রাক থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, ৩ জনের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় প্রায় আট বছর আগে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। সোমবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ইয়াছমিন আরা এ রায় দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুর রহমান জানান, পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. আব্দুর রহিম স্বপন ও মো. সোহেলকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই মামলায় আসামি মো. জসিমকে একটি ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া অপর ধারায় তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় তিন আসামিই পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

রায় ঘোষণার সময় তিন আসামিই পলাতক ছিলেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।


বিডিএলপিবি/এমএম