আরটিক্যাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আরটিক্যাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৮ মে, ২০২৬

মানব পাচারের ক্ষেত্রে নতুন আইনেও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

মানব পাচারের ক্ষেত্রে নতুন আইনেও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ছবিঃ প্রতিকী (সংগৃহীত)


গত ১২ মাসে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত এলাকা থেকে ৪৯৫ জন নারী শিশুকে উদ্ধার করে। বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ঝিনাইদহ ব্যাটালিয়ন এই নারী শিশুদের সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে।


পরে আইনি সহায়তা প্রকৃত অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দিতে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করে। পাচারের ফলে সীমান্ত পার হলেই এই মানুষগুলো হয়ে যেতেন অনুপ্রবেশকারী। বেআইনি চোরাচালান চক্রের ফাঁদে মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ত তাদের জীবন।


মানবপাচার চোরাচালান সংক্রান্ত অপরাধের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে যাওয়ায় সরকারমানব পাচার অভিবাসী চোরাচালনান প্রতিরোধ দমন আইন ২০২৬প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনে ভুক্তভোগীদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতেঅভিবাসী চোরাচালানসংক্রান্ত অপরাধকে আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এই আইনেও এককভাবে সংঘবদ্ধ মানব পাচারের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মৃত্যুদণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এই আইন মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান অপরাধের মামলা ভুক্তভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিতকরণে সহায়তা এবং যৌন শোষণ, জোরপূর্বক শ্রম, অপরাধমূলক শোষণ দাসত্বও অন্যান্য গুরুতর পাচারের শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য আরো কার্যকারী সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন কাঠামোকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছে।


একই সঙ্গে এই আইন মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালনের রাষ্ট্রীয় সংজ্ঞাকে জাতিসংঘের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) প্রোটোকল এবং স্মাগলিং ওফ মাইগ্রেন্ট (এসওএম) প্রোটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করবে


নতুন এই আইনের মাধ্যমে মানব পাচার অপরাধের প্রকৃতি ব্যাপকতা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত সংস্থাসমূহকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, সম্পত্তি জব্দ এবং আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার মতো যুগান্তকারী বিধান এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট বা ভিসা জালিয়াতিকেও কঠোর শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।


সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এই আইন সম্পর্কে বলেন, ‘মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশ এই সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইন প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।


তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০০০ সালে গৃহীত জাতিসংঘ কনভেনশন এবং এর সম্পূরক প্রোটোকলগুলোর  আলোকে বাংলাদেশ সরকার 'মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ দমন আইন, ২০২৬' প্রণয়ন করেছে।


মনজুর মোর্শেদ আরও বলেন, 'নতুন এই আইনে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার পাশাপাশি ভিকটিমদের সুরক্ষা অধিকার নিশ্চিতকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন প্রতারণা, স্ক্যামিং এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো আধুনিক অপরাধগুলোকে এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মানব পাচার প্রতিরোধে কেবল কঠোর আইনই যথেষ্ট নয়, বরং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে।'


এই আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাচারকারীকে সম্পত্তি ব্যবহার করতে দিলে বা নথি গোপন করে সহায়তা করলে থেকে বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে কাউকে আমদানি বা স্থানান্তর করলে থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড  এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। অনলাইনে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন বা অভিবাসনের নামে প্রতারণা করলে থেকে বছরের কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত হয়েছে।


এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখন পাচারকারীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ আয়-সম্পদ যাচাইয়ে ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এমনকি মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল এখন পাচার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধের (যেমন: আঘাত, মাদক পাচার বা যৌন সহিংসতা) বিচারও একই সঙ্গে করতে পারবে, যা আগে আলাদা আদালতে করতে হতো।


বিদেশে অবস্থিত সম্পদ জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বা সাক্ষীকে হুমকি দিলে থেকে বছর এবং আপস করতে বাধ্য করলে থেকে বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাচারের শিকার থাকাকালীন ভুক্তভোগী যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো নির্দিষ্ট অবৈধ কাজ (যেমন: জাল পাসপোর্ট বহন বা অনুপ্রবেশ) করে ফেলে, তবে তাকে আসামি হিসেবে গণ্য না করার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।


এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ভুক্তভোগীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি মাস অন্তর প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

 


সোর্সঃ বাসস'এ লিখেছেন “তাপসী রাবেয়া আঁখি” 

 

 

 

১৫ ফেব, ২০২৬

ছায়া মন্ত্রিসভা, কি এবং কেন?

ছায়া মন্ত্রিসভা, কি এবং কেন?

ছবি: সংগৃহীত 
ছায়া মন্ত্রিসভা হলো সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি বিশেষ কাঠামো, যা মূলত ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতিতে জনপ্রিয়। এতে প্রধান বিরোধী দল বা অন্য দলগুলো সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে ‘ছায়া মন্ত্রী’ নিয়োগ দেয়।

কেন এই ঘোষণা? জামায়াত নেতা শিশির মনির জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, সরকারের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বা ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে কাজ করাই হবে এই ছায়া মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য। এটি কোনো সমান্তরাল সরকার নয়, বরং সরকারের ভুলত্রুটি ধরা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব করার একটি মাধ্যম।

ছায়া মন্ত্রিসভা কীভাবে কাজ করে? বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভার গুরুত্ব অপরিসীম। এদের প্রধান কাজগুলো হলো–সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সরকারের বাজেটের বিপরীতে জনবান্ধব বিকল্প বাজেট তুলে ধরা। প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি বা অসংগতি জনগণের সামনে আনা। আর বিরোধী দলের নেতাদের প্রশাসনিকভাবে দক্ষ করে তোলার কাজটাও এর মাধ্যমে সেরে নেয়া যায়।

বাংলাদেশে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনে কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে এর সরাসরি কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতাও নেই, তবে এটি নৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। তবে উন্নত বিশ্বের যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলোতে এটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।

ছায়া মন্ত্রীরা কি বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পান? যুক্তরাজ্যে ছায়া মন্ত্রিসভার নেতাকে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন দেওয়া হয় এবং তাকে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান মর্যাদা দেয়া হয়। তবে বাংলাদেশে যেহেতু ছায়া মন্ত্রিসভার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই, তাই ছায়া মন্ত্রীরা সরকারি কোষাগার থেকে কোনো আর্থিক বা অন্য কোনো ধরনের সুবিধা পাবেন না।

৭ আগ, ২০২৪

সংবিধান কি 'অন্তবর্তীকালীন সরকার'কে বৈধতা দেয়?

সংবিধান কি 'অন্তবর্তীকালীন সরকার'কে বৈধতা দেয়?

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখোমুখি হয়ে সোমবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং ছাত্র আন্দোলন, রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন পরের দিন সংসদ ভেঙে দেন। 

এছাড়া ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হতে যাচ্ছে।  আন্দোলনের সমন্বয়কদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে মঙ্গলবার চূড়ান্ত করা হয়।  অন্য সদস্যদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেই সরকার গঠন করা হবে।

এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে এই ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন বিধান নেই বরং এটি শুধুমাত্র নির্বাচিত সরকারকে বৈধতা দেয়।  হঠাৎ করে নির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যেখানে অন্তর্বর্তী সরকার কীভাবে বৈধ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লখ্য, বর্তমান সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো বিধান নেই কেননা, সংবিধানের ৫৮ ক, ৫৮খ, ৫৮গ, ৫৮ঘ এবং ৫৮ঙ এ উল্লিখিত "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" এর বিধান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি রায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩ তম সংশোধনীর দ্বারা বিলুপ্ত করা হয়।  .

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বা পরে নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হতে হবে।  উক্ত নির্বাচত সরকার তখন বিজয়ী রাজনৈতিক দল বা জোটের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রয়াত বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের অস্থায়ী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার উদাহরণ উল্লেখ করেন এবং যুক্তি দিয়েছেন যে এই জাতীয় বিধান একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুশীলন করা যেতে পারে তবে ভবিষ্যতে এর সাংবিধানিক বৈধতা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এ প্রসঙ্গে বলেন, অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিধান তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তবে ভবিষ্যতে এর সাংবিধানিক বৈধতা প্রয়োজন।  তিনি ১৯৯১ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের অস্থায়ী সরকারের প্রধান হওয়ার নজিরও উল্লেখ করেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর সামরিক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারের পতনের পর গণঅভ্যুত্থানের ফলে পঞ্চম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন মাসের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সব দলের ঐক্যমতের মধ্য দিয়ে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের অধীনে একটি অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়।  পরবর্তীতে, অস্থায়ী সরকারকে ১৯৯১ সালে সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পঞ্চম সংসদে ১১তম সংশোধনীর মাধ্যমে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়।

১১ জুল, ২০২৪

বাংলাদেশের হিন্দু আইনে ভরণপোষণের অধিকার ও কর্তব্য

বাংলাদেশের হিন্দু আইনে ভরণপোষণের অধিকার ও কর্তব্য

  


ব্যক্তিগত কর্তব্য: একজন হিন্দু পুরুষের ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে যে সে তার স্ত্রী সহ নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ভরণপোষণ প্রদান করবে তাই তার কোনো সম্পত্তি, পৈতৃক বা অন্যথায় থাকুক বা না থাকুক। সুতরাং এই দায়িত্ব কোন সম্পত্তির দখলের উপর নির্ভরশীল নয়। এটি নির্দিষ্ট সম্পর্কের উপর নির্ভর করে। একজন হিন্দু পুরুষ, শাস্ত্রীয় আইনের অধীনে, তার স্ত্রী, বৃদ্ধ পিতামাতা এবং নাবালক সন্তানদের ভরণপোষণ প্রদান করার দায়িত্ব রয়েছে।

এক নজরে বাংলাদেশের আদালত সমূহ- Court Structure of Bangladesh

এক নজরে বাংলাদেশের আদালত সমূহ- Court Structure of Bangladesh

 

বাংলাদেশের বিচার ব্যাবস্থায় নিম্ন বর্ণিত উল্লেখযোগ্য কোর্ট ও ট্রাইব্যুনাল রয়েছেঃ