![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মোবারক হোসেন মোহন ও ভুক্তভোগী নারী রাজধানীর ওয়ারীর ভজহরি সাহা স্ট্রিটের একই বাড়িতে পৃথক কক্ষে বসবাস করতেন। ওই নারী ছিলেন মোবারকের স্ত্রীর চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী।
অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে মোবারক ওই নারীকে অশালীন প্রস্তাব ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে বিরক্ত করতেন। বিষয়টি স্বামীকে জানালেও সামাজিক লোকলজ্জার কারণে ওই নারী তা প্রকাশ করেননি।
২০১৭ সালের ২০ আগস্ট রাত পৌনে ৯টার দিকে বাড়ির রান্নাঘরের পাশে পেছন থেকে জাপটে ধরে তাকে যৌন হয়রানি করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। ওই দিনই ভুক্তভোগী নারী ওয়ারী থানায় মামলা করেন। Jagonews24
তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া
মামলাটি তদন্ত করে ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক হারুন অর রশীদ ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মোবারক হোসেন মোহনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় দেন।
সূত্র: জাগো নিউজ২৪

0 coment rios: