![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শিশির মনির বলেন, আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি অন্তত দুটি বেঞ্চ গঠন করা প্রয়োজন। অন্যথায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা বাস্তবে কঠিন হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিচারপতিদের তালিকা অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতিসহ মোট পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন। তাঁরা হলেন—প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।
আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা, বেঞ্চের কার্যক্রম এবং দীর্ঘদিনের মামলাজট নিরসন নিয়ে শিশির মনিরের বক্তব্য বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। তাঁর প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো, প্রয়োজনীয় বিচারক নিয়োগ এবং একাধিক বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির গতি বাড়ানো।
এর আগে ২০২৬ সালের ২২ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শিশির মনিরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, আপিল বিভাগে প্রায় ৩৮ হাজার মামলা বিচারাধীন ছিল এবং তিনি বিচারপতির সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত নয়জন করা ও বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
বিডি ল' পোস্ট/ মাসুম

0 coment rios: