আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৪ ফেব, ২০২৫

কুষ্টিয়া আদালত চত্বরে হামলা ও ভাঙচুর, শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত

কুষ্টিয়া আদালত চত্বরে হামলা ও ভাঙচুর, শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত


ছবি: সংগৃহীত 

কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় অন্তত তিনটি নির্বাচনী ক্যাম্পে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলা ভাঙচুরের সময় এক শিক্ষানবিশ আইনজীবী তাঁর মুঠোফোন দিয়ে দৃশ্য ধারণ করার সময় তাঁকে মাথায় আঘাত করে দৃর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবীর নাম মজিবুল হক (৫০)। তিনি কুমারখালী উপজেলার বাধবাজার এলাকার সামসুদ্দীনের ছেলে। কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও মিডিয়া) ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একজন আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী বুধবার কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে দুজন বিএনপি, দুজন আওয়ামী লীগ, একজন জামায়াত ইসলামী ও একজন জাসদ–সমর্থিত।

এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপির দুজন ও আওয়ামী লীগ–সমর্থিত দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন উপলক্ষে আদালত চত্বরে শামিয়ানা টাঙিয়ে চেয়ার–টেবিল দিয়ে অন্তত ছয়টি নির্বাচনী ক্যাম্প তৈরি করেছেন প্রার্থীরা। ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকাতে ব্যানার ফেস্টুন প্ল্যাকার্ডে ভরে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন আইনজীবী জানান, নির্বাচন ঘিরে কয়েক দিন ধরে বেশ উত্তেজনা দেখা দেয়। নিজেদের ভোট টানতে প্রচারণাও বেশ জমে উঠেছে। সোমবার সকাল থেকেই আইনজীবীরা আদালতে প্রতিদিনের মতো মামলা পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

এ সময় ক্যাম্পগুলোতে তেমন কেউই ছিলেন না। বেলা পৌনে ১২টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জনের একদল তরুণ-যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে আদালত চত্বরে প্রবেশ করেন। কোনো কথা ছাড়াই তাঁরা একে একে আদালত চত্বরে থাকা ছয়টি নির্বাচনী ক্যাম্পের চেয়ার–টেবিলে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পাশাপাশি ব্যানার–ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এ সময় শিক্ষানবিশ আইনজীবী মজিবুল হক হামলার দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করছিলেন। হামলাকারীরা ওই আইনজীবীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। ১৫ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালানোর পর তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি–সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী মাহাতাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার দীর্ঘ ২৫ বছরের পেশাগত জীবনে কুষ্টিয়া আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখিনি। একটি পক্ষ নির্বাচনে ভরাডুবি নিশ্চিত জেনে বহিরাগতদের দিয়ে হামলা চালিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দলের অভ্যন্তরে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে তিনি দাবি করেন, সোমবার কয়েকজন ছাত্রদল কর্মীসহ তাঁদের দলের কয়েকজন একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে গিয়েছিলেন। এ সময় সেখানে কিছু যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এর জের ধরে আদালত চত্বরে সামান্য কিছু ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

২৪ ডিসে, ২০২৪

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক সচিব ইসমাইলকে

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক সচিব ইসমাইলকে

ছবিঃ সংগৃহীত

(সংবাদঃ বাসস) : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় সাবেক খাদ্য সচিব ইসলাম হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে আজ আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। মামলায় ইসমাইলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া আবেদনটি করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন আবেদনে বলা হয়, ইসমাইল সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে তার মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিতে সহায়তা করেছিলেন। মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে তার অবৈধ সম্পদের উৎস ও গন্তব্য গোপন করার চেষ্টায় মজুমদারকে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধেস

এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে ২৫.৩৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪৩.০৪ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক। ২০ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসমাইলকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

২২ ডিসে, ২০২৪

জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় সালাম মুর্শেদী পুনরায় কারাগারে

জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় সালাম মুর্শেদী পুনরায় কারাগারে

 

ছবিঃ সংগৃহীত 

(সংবাদঃ বাসস) : খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও শিল্পপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীকে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার চারটি মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। পৃথক দুটি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাকিয়া সুলতানা ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলতাফ মাহমুদ এ আদেশ দেন।

আসামিদের পক্ষে ব্যারিস্টার তাহসিন আহমেদ বলেন, সালাম মুর্শেদীকে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে কড়া নিরাপত্তায় সালাম মুর্শেদীকে আদালতে হাজির করা হয়।

১৫ ডিসে, ২০২৪

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আরেক আসামি, রিপন দাস

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আরেক আসামি, রিপন দাস


 আসামি রিপন দাস। ছবিঃ সংগৃহীত

 আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার আসামি রিপন দাস চট্টগ্রাম আদালতে অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গতকাল (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ারের চেম্বারে এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এতে মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (কোতয়ালী জোন) সহকারী কমিশনার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, রিমান্ডের মেয়াদ শেষে রিপন দাসকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের চেম্বারে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রিপনের বক্তব্যের বরাত দিয়ে মাহফুজুর বলেন, ঘটনার দিন রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেপ্তার সনাতন জাগরন জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে রিপন দাস আদালত চত্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

পরে রিপন সেবক কলোনি এলাকায় চলে গেলে সেখানে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। রিপন দাস বলেন, তিনি ১০ থেকে ১২ জনকে চিনতে পেরেছেন যারা হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল। তিনি নগরীর চকবাজার এলাকায় একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন বলে জানান মাহফুজুর।

৯ ডিসেম্বর, আরেক আসামি চন্দন দাস আদালতে স্বীকারোক্তি দেন, এরপর শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজীব ভট্টাচার্য। চন্দন দাস এর আগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, তিনি রিপন দাস, ওম দাস ও রণব মিলে সাইফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। অন্য হামলাকারীরা ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে সাইফুলকে মারধর করে। চন্দন আরও দাবি করেছেন যে তিনি হামলাকারীদের কয়েকজনকে চেনেন না।

২৬ নভেম্বর, প্রাক্তন ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন নামঞ্জুর করার পরে একটি ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অনুসারীরা গাড়ি অবরোধ করে তিন ঘণ্টা বিক্ষোভ করে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ভাঙতে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এরপর চট্টগ্রাম আদালত চত্বরের বিপরীতে এক গলিতে নৃশংসভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় আইনজীবী সাইফুলকে। ঘটনার ফুটেজে দেখা যায়, হত্যা মামলার প্রধান আসামি চন্দন, একটি ধূসর হেলমেট, একটি কমলা রঙের শার্ট এবং কালো প্যান্ট পরা, একটি ছুরি চালাচ্ছে। রিপন দাসকে নীল রঙের শার্ট, জিন্স ও লাল হেলমেট পরা এবং অস্ত্র হাতে দেখা গেছে।

৩০ নভেম্বর, সাইফুলের বাবা ৩১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, এবং তার ভাই খান-ই আলম ১১৬ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে ভাঙচুর ও হামলার জন্য আরেকটি মামলা করেন।


১ ডিসে, ২০২৪

১৯ জানুয়ারি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থার উপর রিভিউ আবেদনের উপর  শুনানি

১৯ জানুয়ারি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থার উপর রিভিউ আবেদনের উপর শুনানি

(সংবাদঃ বাসস) - সংবিধানের ১৩ তম সংশোধনী পুনরুদ্ধার এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থা পুনর্বহালের আবেদনকারী তিনটি রিভিউ পিটিশনের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ (এসসি) আজ ১৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ ১৯ জানুয়ারি সকাল পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।

আদালতে রিভিউ আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও মানবাধিকার সংগঠনের সেক্রেটারি বদিউল আলম মজুমদার তিনটি রিভিউ আবেদন করেন। একই সঙ্গে উক্ত তিনটি আবেদনের শুনানি হবে।