আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৮ জুল, ২০২৬

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

ছবি: সংগৃহীত 

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির পর গত এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। গত এক মাসে এই বেঞ্চে শুনানির পর শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলা, স্ত্রী হত্যার কয়েকটি মামলাসহ মোট ১০টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সের্স: বাসস

১৬ জুল, ২০২৬

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, গণভোট আয়োজন এবং বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দায়িত্ব পালনকারী জামায়াতপন্থী ১৭ আইন কর্মকর্তা একসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালিক।

আব্দুল খালিক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের গণভোট, সংবিধান সংস্কার, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনিহা ও বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদ স্বরূপ আমরা উক্ত পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আলীম উদ্দীন এবং অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল জিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল হুদা।

এ ছাড়া সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদ থেকে পদত্যাগকারী ১৫ জন হলেন অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মোজাম্মিল আলী, অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াসিন খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট কাজী আতিফুল হক, অ্যাডভোকেট সাদেক আহমদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ময়নুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল গফ্ফার, অ্যাডভোকেট আফজল মিয়া তালুকদার, অ্যাডভোকেট খায়রুল আলম ও অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

ছবি: সংগৃহীত 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নামে অসত্য কুৎসা রটিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত (ডিসমিসাল ফ্রম সার্ভিস) করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক আদেশ জারির বিষয়টি জানানো হয়। আদেশটি গত ১৪ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩-এর বিধি ২(৪) ও বিধি ৩(বি) অনুযায়ী ইব্রাহীম আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভাগীয় মামলার অভিযোগসমূহ সুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বিধির ৪(১)(জি) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরিচ্যুত করার সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ৫ মে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত করার পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সে সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ইব্রাহীম আলম ফেসবুকে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে বিচারপতি ও আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছেন।

এছাড়া তিনি নিজের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আদালত ও বিচারকদের নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে আসছিলেন। একই সাথে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ অমান্য করার জন্য অন্য কর্মচারীদের উসকানি দিয়ে তিনি অফিসিয়াল চেইন অব কমান্ড ভেঙে অফিসে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন, যা গুরুতর সরকারি অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি অপরাধ।


বিডিএলপিবি/এমএম

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, অভিজ্ঞ বিচারপতিরা অবসরে চলে যাচ্ছেন। এছাড়া আমাদের অনেক সিনিয়র আইনজীবী মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের মাঝ থেকে একেবারে হারিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে বিচার বিভাগে, আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও বার সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন। এসময় প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বিচারপতি টিএইচ খান সর্বশেষ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের সিনিয়র আইনজীবীরা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 

উনারা যে মানের আইনজীবী ছিলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই মানের আইনজীবী আমরা তৈরি করতে পারছি না। এখনকার তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে লেখাপড়া অধ্যাবসায়ের বড় অভাব দেখা যাচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই আইন অঙ্গনে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হবে। আমাদের সময় এসেছে এই শূন্যতা পূরণ করে এখনই আমাদের কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন,বার কাউন্সিলে আমরা অতি সম্প্রতি যে পরীক্ষা নিয়েছি, সেখানে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মেধাবীদেরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছি। এই পেশায় যদি সততা, অধ্যবসায় না থাকে তাহলে এই পেশায় কেউ ভালো করতে পারে না। সবাই কেমন যেন শর্টকার্ট রাস্তায় অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়। জ্ঞান অর্জন করতে চায় না। আমাদের প্রয়োজন জ্ঞান অর্জন করা। 

এসময় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাদের সময় এসেছে আগামী দিনের প্রজন্মকে একটা সৎ, যোগ্য এবং মেধাবী আইনজীবী সমাজ গড়ে তোলার জন্যে, বিচারকদের গড়ে তোলার জন্যে আমাদের এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমি যখন আইন পেশার শুরুতে যে সমস্ত বিচারপতিদের সামনে দাঁড়িয়ে মামলা করতাম আজকে সে ধরনের, সেই মানের নীতি-নৈতিকতার বিচারপতিদের বড্ড অভাব। বার এবং বেঞ্চে আইনজীবীদের মধ্যে এবং বিচারকদের মধ্যে এই যে মেধার যে ঘাটতি রয়েছে, এই মেধার ঘাটতিটাকে কাটিয়ে উঠার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিডিএলপিবি/এমএম


১২ জুল, ২০২৬

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় একসঙ্গে ৫৮ জন সিভিল জজকে বদলি করেছে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উক্ত বদলি আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সিভিল জজদের তাদের নামের পাশে উল্লেখিত নতুন পদ ও কর্মস্থলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিচারক বর্তমানে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে রয়েছেন, তারা প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যোগদানের সময় তারা বর্তমান পদের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করবেন।


প্রজ্ঞাপনটি নিম্নে দেওয়া হল:






বিডিএলপিবি/এমএম