আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৮ মার্চ, ২০২৬

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) মামলার আবেদনটি করেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।

এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা মামলাটির আবেদন জমা দিয়েছি। সকাল ১১টার দিকে মামলার আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় তিনি বিভন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্য ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ভোটের মাঠে কথার যুদ্ধে একপাক্ষিকভাবে বেশ আটঘাট বেঁধেই নামতে দেখা গিয়েছিল এনসিপির এ নেতাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে  তার করা বেশকিছু মন্তব্য ভাইরালও হয়। অবশ্য ভোটে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

৪ মার্চ, ২০২৬

সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট


ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। বুধবার সকালে অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ সুপ্রিম কোর্টের ৬ আইনজীবী এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্থানীয় সরকার সচিব, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে ছয়জন পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। ছয় প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা)। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় সিটি করপোরেশনে যে ছয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন—ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মো. শফিকুল ইসলাম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকার।

২৩ ফেব, ২০২৬

কে এই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম

কে এই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম


ছবি: সংগৃহীত 

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (ICT) নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, তিনি তাজুল ইসলাম এর পরিবর্তে এই পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত এবং বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদা ও সুবিধাসহ এই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনি দলের সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় তাকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়া, তিনি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন।

 আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এই পদে নিযুক্ত করেন। তিনি তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই পদে কর্মরত ছিলেন।

তাজুল ইসলামের পদ হারানোর গুঞ্জন, কে হচ্ছেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর?

তাজুল ইসলামের পদ হারানোর গুঞ্জন, কে হচ্ছেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর?


ছবি: সংগৃহীত 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে সারিয়ে নতুন কাউকে নিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। এমন একটি খবর প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমও বিষয়টি যাচাই করে একই রকম তথ্য পেয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।

তাজুল ইসলামের বদলে চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে আলোচনায় এসেছে আইনজীবী আমিনুল ইসলামের নাম। তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলায় গঠিত আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন।

রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে তাজুল ইসলামকে চিফ প্রসিকিউটর পদ খেকে সরিয়ে দেওয়ার খবরটি ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন বার্গম্যান। বিদেশি সাংবাদিক লেখেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে এ পদে আইনজীবী আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে তাজুল ইসলামকে প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়েছে।’

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ট্রাইব্যুনালের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র দেশের ফ্যাক্ট চেক ভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য ডিসেন্টকে জানিয়েছে, রোববার দিনের বেলা চিফ প্রসিকিউটর এডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে মস্ত্রী মহোদয় তাকে (তাজুল ইসলামকে) নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা জানানো হয়েছে।

৯ ফেব, ২০২৬

হাদী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

হাদী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

ছবি: সংগৃহীত 
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আজ ফৌজদারি তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কে ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

তদন্ত সংস্থা আজ প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন। ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে, মামলার অভিযোগকারী তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং আরও তদন্তের জন্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক দাখিল করা চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করায় আদালত সিআইডিকে হত্যা মামলার আরও তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেন।

ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ৬ জানুয়ারি অভিযুক্ত শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার বাবা-মা হুমায়ুন কবির এবং হাসি বেগম সহ ১৭ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিবরণী অনুসারে, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময় হাদির উপর গুলি চালান এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। 

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ১৪ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ ২০ ডিসেম্বর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ধারা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন, যা প্রাথমিকভাবে হত্যার চেষ্টা হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল।