![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ডুবাইল গ্রামে নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শরীয়ত উল্লাহ। পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ছেলেকে থামাতে গেলে তাঁর মা নাসিমা খাতুনও কুড়ালের আঘাতে আহত হন।
পরে আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মার্চ মারা যান ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটির বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল আমিন বিপ্লব শরীয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আইন অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামি।
হাইকোর্টে শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোস্তফা সারওয়ার এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সিদ্দিকী, মীর মনিরুজ্জামান, সোলাইমান হাওলাদার ও মিজানুর রহমান। আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ কে এম ফজলুল হক খান।
ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট শরীয়ত উল্লাহকে খালাসের রায় দেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

0 coment rios: