![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের এসআই ইয়াছিন পাইক আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তী সময়ে আসামির রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হবে।
এর আগে বুধবার গভীর রাতে রাজশাহীর পবা থানার কচুয়াতৈল এলাকায় নিজ বাসা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের এসআই মানিক হোসেনের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
যেভাবে বিতর্কিত মন্তব্যের সূত্রপাত
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একটি বাসে করে তিনি নগরীতে যান এবং ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন। পরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে একটি মন্দির পরিদর্শন শেষে একই বাসে বিমানবন্দরে ফিরে যান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত বাসের ছবি দিয়ে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছিল, ‘সবই বুঝলাম রাজশাহীতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাসটা কই, রুয়েটের বাসে কেন? আপনারা কি জানেন রাজশাহীবাসী?’
ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়, ‘ইস! একটা বড় সুযোগ ছিল। শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’
মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়।
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন

0 coment rios: