![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কার্যক্রমসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবার আওতায় প্রি-কেইস ও পোস্ট-কেইস পর্যায়ে মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৭৪২টি মামলায় এডিআরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৭ হাজার ২২৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এসব নিষ্পত্তির মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ৫ লাখ ২ হাজার ১৮১ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অসচ্ছল ও আর্থিকভাবে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের অনুকূলে প্রি-কেইস ও পোস্ট-কেইস পর্যায়ে মোট ৪২৫ কোটি ২০ লাখ ৬৪ হাজার ৪৮২ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৪১৮ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭২ টাকা। অন্যদিকে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে ৭ কোটি ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬১০ টাকা।
সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেয়েছেন ১৬ লাখের বেশি মানুষ
কার্যক্রমের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারি খরচে আইনি সেবা পেয়েছেন মোট ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন। এ সেবার আওতায় রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ, দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালত ও শ্রম আদালতের বিচারপ্রার্থী এবং কারাগারে থাকা অসচ্ছল বন্দিরা।
দেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারিভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
যেভাবে দেওয়া হচ্ছে আইনি সহায়তা
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারেও সেবা পাওয়া যায়। হেল্পলাইনটির টোল-ফ্রি নম্বর ১৬৬৯৯।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। আর্থিক সামর্থ্যের অভাবে যেন কোনো বিচারপ্রার্থী আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই সরকারি ব্যয়ে আইনগত সহায়তা এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

0 coment rios: