![]() |
| ছবিঃ সংগৃহীত |
জেলার মাইজদী বাজার এলাকায় ২০১৬ সালে সালিসি বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ২ জনকে খালাসের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার দুপুর ১২ টার দিকে জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শওকত আলী এ রায় প্রদান করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জেলা শহরের মাইজদী বাজার এলাকার কুদ্দুস উল্যাহর ছেলে ওমর নাছির সাজু (২৬), ওমর শরিফ সুলতান (২২) এবং একই এলাকার ফারুকের ছেলে সৌরভ (২৬)।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই এলাকার মৃত মফিজ উল্যাহর ছেলে কুদ্দুস উল্যাহ, নুরুল ইসলামের ছেলে ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পি ও মোহাম্মদ উল্যাহর ছেলে হারুনুর রশিদ বাবুল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২১ মার্চ দুপুরে নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী বাজার এলাকার নোয়াখালী সরকারি পুরাতন কলেজ-সংলগ্ন পুকুরে স্থানীয় কিশোর রাজীব (২৩) একটি কুকুরকে গোসল করাতে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় অনন্তপুর গ্রামের মো. সৌরভের সঙ্গে রাজীবের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় সালিসে বসার কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে রাজীব ও তার দুই বন্ধু ওয়াসিম (২২) ও ইয়াছিন (২৩) নোয়াখালী সরকারি কলেজের পুরাতন ক্যাম্পাস এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় যুবক ওমর নাছির সাজু, ওমর শরিফ সুলতান, সৌরভ, কুদ্দুস উল্যাহ, ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পি ও হারুনুর রশিদ বাবুল এবং তাদের সহযোগীরা তাদের ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজীব নিহত হন এবং বাকি দুই বন্ধু কয়েক দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহত রাজীবের মা কামরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।
নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের পিপি তাফাক্তার হোসেন বলেন, নোয়াখালী পুরাতন কলেজের পাশে সুপরিকল্পিতভাবে রাজীব, ওয়াসিম ও ইয়াছিনকে গুলি করে হত্যার অপরাধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়। বিজ্ঞ আদালত অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৩ জন আসামির ফাঁসির আদেশ, ৩ জনের কারাদণ্ড এবং ২ জনকে বেকসুর খালাস দেন। এ মামলার রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্রঃ বাসস (১৬.০৮.২০২৬)

0 coment rios: