![]() |
| ছবি: প্রতীকী |
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত ইমাম হোসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর মীরবাগ এলাকার বাসিন্দা।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ এলাকায় নিজ বাসার সামনে খেলছিল সাত বছরের শিশু ইমু আক্তার। এ সময় আসামি ইমাম হোসেন তাকে নদীর পাড়ে মেলা দেখানোর লোভ দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা গেলেও আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. ইব্রাহিম শেখ বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনা তদন্ত শেষে এবং ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি রেকর্ড করে ওই বছরের শেষ দিকেই আদালতে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামি শুরুতে পলাতক থাকলেও পরে গ্রেপ্তার হন।
বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষ আসামির অপরাধ প্রমাণে মোট ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিপক্ষ থেকে তাকে নির্দোষ দাবি করা হলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।
আদালত রায়ে উল্লেখ করে, আসামির জরিমানা বাবদ আদায় করা ১ লাখ টাকা ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে প্রদান করতে হবে। ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে এই অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: কালের কণ্ঠ (১৮.০৮.২০২৬)

0 coment rios: