![]() |
| ছবি: ফাইল |
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, কোনো সংগঠনকে আইনের ভাষায় ‘জ্যুরিস্টিক পারসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে অপরাধ প্রমাণিত হলে সংগঠনের কারাদণ্ড না হলেও আর্থিক জরিমানা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত কিংবা সংগঠন নিষিদ্ধ করার মতো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং দণ্ডাদেশের প্রসঙ্গ টেনে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ব্যক্তিগত অপরাধের পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে সংঘটিত অপরাধের দায়ও আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট যেসব সম্পত্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সরকারের তত্ত্বাবধানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মামলার তদন্ত কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় ও গভীর পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত চিফ প্রসিকিউটরের সাক্ষাৎকার

0 coment rios: