সর্বশেষ

১ এপ্রি, ২০২৫

থানায় জিডি করলেন ভোক্তা অধিকারের আব্দুল জব্বার মন্ডল

থানায় জিডি করলেন ভোক্তা অধিকারের আব্দুল জব্বার মন্ডল

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল থানায় জিডি করেছেন তার নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ খোলায়।

সোমবার (৩১ মার্চ) তেজগাঁও থানায় করা জিডিতে (জিডি নম্বর: ১৬৯৯) আব্দুল জব্বার মন্ডল উল্লেখ করেন, তার নামে এবং তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ খোলা হয়েছে। এতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজগুলোর স্ক্রিনশট যুক্ত করে দেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তিনি লেখেন, আমার নামে এবং আমার ছবি ব্যবহার করে কিছু নকল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে জিডি করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হলো। পোস্টের শেষে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদ মোবারক।

৩০ মার্চ, ২০২৫

বিতর্কের মুখে আইসিটি প্রসিকিউটর সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল

বিতর্কের মুখে আইসিটি প্রসিকিউটর সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল

ছবি: সংগৃহীত 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিলভিয়া এবং আরও তিন আইনজীবীকে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সিলভিয়াকে আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীদের দল বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত করার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর একই দিন এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির পর, বেশ কয়েকজন আইনজীবী সোশ্যাল মিডিয়ায় সিলভিয়ার নিয়োগের সমালোচনা করে তাকে "ফ্যাসিবাদী সরকারের মিত্র" বলে অভিযোগ করেন। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীদের দলের নেতাদের সাথে তার ছবিও অনলাইনে প্রচারিত হয়।

পরবর্তীতে, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তার নিয়োগ বাতিল করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। নিযুক্ত অন্য তিনজন প্রসিকিউটর হলেন মোঃ মামুনুর রশীদ, আবদুস সাত্তার এবং এসএম তাসমিরুল ইসলাম।

২৫ মার্চ, ২০২৫

সাকিব আল হাসানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ আদালতের

সাকিব আল হাসানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ আদালতের

ছবি: সংগৃহীত 

আজ (২৪ মার্চ) ঢাকার একটি আদালত চেক জালিয়াতির মামলায় ক্রিকেটার এবং মাগুরা-২ আসনের প্রাক্তন সাংসদ সাকিব আল হাসানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে।

পুলিশ সাকিবের বিরুদ্ধে পূর্বের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার পর বাদী সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করেন, যার ফলে  অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান এই নির্দেশ প্রদান  করেন।

১৫ ডিসেম্বর আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে শাহিবুর রহমান মামলাটি দায়ের করেন, অভিযোগ করে যে সাকিবের কোম্পানি, সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড, ব্যাংকের বনানী শাখা থেকে ব্যবসায়িক ঋণ নিয়েছিল। ঋণ পরিশোধের জন্য দুটি চেক, মোট ৪১.৫ মিলিয়ন টাকা ইস্যু করা হয়েছিল, কিন্তু পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে তা বাতিল করা হয়।

আদালতের কার্যক্রমে সাকিবের পাশাপাশি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী শাহগীর হোসেন এবং পরিচালক ইমদাদুল হক এবং মালাইকা বেগমকেও সহ-অভিযুক্ত করা হয়। আদালত পূর্বে তাদের ১৮ জানুয়ারী হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিল।সর্বশেষ রায়ের মাধ্যমে, কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্পদ ক্রোকের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৩ মার্চ, ২০২৫

খুলনার আলোচিত লেডি বাইকার এশা গ্রেপ্তার; বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

খুলনার আলোচিত লেডি বাইকার এশা গ্রেপ্তার; বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

 

ছবি: সংগৃহীত 

খুলনার লেডি বাইকার এশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক তরুণীকে নির্যাতনের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এশা এক তরুণীকে বিভিন্ন সময় মাদক সেবন করাতেন। শনিবার (২২ মার্চ) দিনগত রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার স্বজনরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় এশাসহ কয়েকজন অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে টানাহেঁচড়া করেন। একপর্যায়ে মেয়েটি আঘাত পান। এসময় শিববাড়ি মোড়ের যৌথবাহিনীর চেকপোস্টের একটি টিম তাদের উদ্ধার করে। এসময় এশাকে আটক করা হয়। পরে পুলিশের কাছে এশাকে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খুলনার লেডি বাইকার ইরিন জাহান এশা ও তার চক্রের টার্গেট ছিল প্রভাবশালীর মেয়ে বা স্ত্রী। তাদেরকে টার্গেট করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে নিজ আয়ত্বে নিয়ে এসে পরিবারের কাছে বড় অংকের মুক্তিপণ দাবি করাই ছিল এই চক্রের কাজ।

১০ মার্চ, ২০২৫

"সানভিস বাই টনি" পুনরায় খোলার বিষয়ে জারি করা একটি রুল নিষ্পত্তি করে অনলাইন ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মের জন্য ৯টি নির্দেশনা জারি করেছে হাইকোর্ট

"সানভিস বাই টনি" পুনরায় খোলার বিষয়ে জারি করা একটি রুল নিষ্পত্তি করে অনলাইন ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মের জন্য ৯টি নির্দেশনা জারি করেছে হাইকোর্ট

ছবি: সংগৃহীত 

হাইকোর্ট (এইচসি) আজ দেশে অনলাইন ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নয়টি নির্দেশনা জারি করেছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ নারী উদ্যোক্তা রুবাইয়াত ফাতেমা টনির মালিকানাধীন শোরুম "সানভিস বাই টনি" পুনরায় খোলার বিষয়ে জারি করা একটি রুল নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দেন।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. বাংলাদেশে প্রচলিত আইন সকলকে মেনে চলতে হবে। মালিক এবং ভোক্তাদের মধ্যে সম্পর্ক অনলাইনে সঠিকভাবে বজায় রাখতে হবে।

২. অনলাইন ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে,ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সমান আইনি সুরক্ষার অধিকারী হবে।

৩. প্রতিটি নাগরিকের একটি আইনি ব্যবসা পরিচালনার অধিকার রয়েছে এবং তার ব্যবসা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বন্ধ করা যাবে না।

৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সকল অনলাইন ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন এবং যথাযথ অনুমোদন প্রদানের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. অনুমোদন ছাড়া কেউ যাতে অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা বা শুরু করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে, কঠোর নজরদারি করতে হবে যাতে কোনও পোশাক ব্যবসায়ী বিদেশী আসল পণ্যের কপি তৈরি করতে না পারে এবং আসল পণ্য হিসেবে বিক্রি করতে না পারে।

৬. আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যে সমস্ত অনলাইন ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা,প্রশাসক এবং ভোক্তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যাচাই করা হয়েছে।

৭. বিটিআরসির মতো প্রাসঙ্গিক সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি অনলাইনব্যবসা সম্পর্কে তথ্য সংরক্ষণের জন্য অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির সাথে সমন্বয় করবে।

৮. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিতভোক্তাদের প্রতারণামূলক বা অবিশ্বস্ত অনলাইনব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পণ্য না কেনার এবং অনিবন্ধিত বা অননুমোদিতঅনলাইন স্টোর বা সরবরাহকারীদের কাছ থেকে পণ্য না কেনার জন্য সতর্ক করার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো।

৯. ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় বিধান যুক্ত করে প্রতারক অনলাইন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গুলশানের শোরুম "সানভি'স বাই টনি"-এর শাটার ভেঙে দেয়, যার ফলে মালিক হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে, আদালত শোরুমটি পুনরায় চালু করার বিষয়ে একটি রুল জারি করেন।

৯ মার্চ, ২০২৫

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দের স্মারকলিপি

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দের স্মারকলিপি


বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন করার (ফরম ফিলাপ করার) জন্য শেষ তারিখ ৩১শে মার্চ ২০২৫খ্রিঃ উল্লেখ করা প্রকাশিত বর্তমান সার্কুলারটি বাতিল করে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন ফি (ফরম ফিলাপ ফি) ৩০০/= (তিনশত) টাকা নির্ধারণ এবং নবনির্ধারিত পরীক্ষার আবেদন ফি (ফরম ফিলাপ ফি) ৩০০/= (তিনশত) টাকা উল্লেখপূর্বক নতুন সার্কুলার প্রকাশ করার চূড়ান্ত দাবি জানিয়ে বার কাউন্সিল বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে দেশের সকল আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, "আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ। দেশের সকল আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পক্ষে আইন অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গত ৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বিষয়ে আমাদের ন্যায্য দাবি ও অবস্থান সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে। উক্ত প্রেস রিলিজে আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন ফি (ফরম ফিলাপ ফি) সর্বোচ্চ ৩০০/= (তিনশত) টাকায় নির্ধারণ করতে হবে এবং বর্তমানে ধার্যকৃত ফি ৪,০২০/= টাকা উল্লেখ করা ফরম ফিলাপের সার্কুলারটি যা ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর বলে উল্লেখ রয়েছে- তা (উক্ত সার্কুলারটি/নোটিশটি) অবিলম্বে বাতিল করে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন ফি (ফরম ফিলাপ ফি) ৩০০/= (তিনশত) টাকা ধার্য করা হয়েছে উল্লেখ করে নবনির্ধারিত পরীক্ষার আবেদন ফি (ফরম ফিলাপ ফি) ৩০০/= (তিনশত) টাকা উল্লেখপূর্বক নতুন সার্কুলার প্রকাশ করতে হবে মর্মে আমাদের চূড়ান্ত দাবি সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বেতন ভিত্তিক নিশ্চয়তার চাকরির ক্ষেত্রে এবং বাংলাদেশের অন্যান্য সকল পাবলিক পরীক্ষার আবেদন ফি সাধারণত ২০০/= থেকে ৩০০/= টাকার মধ্যে থাকে। সেখানে আইনজীবী একটি বিনা বেতনের স্বাধীন পেশা তথা আইনজীবী হিসাবে বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পরীক্ষার ক্ষেত্রে অযৌক্তিভাবে ৪,০২০/= (চার হাজার বিশ) ধার্য করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অগ্রহণযোগ্য ও বৈষম্যমূলক। এই উচ্চ ফি দেশের অধিকাংশ সাধারণ আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের জন্য বিশাল আর্থিক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে, বেতনবিহীন স্বাধীন পেশায় প্রবেশের প্রাথমিক ধাপেই মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে। আমরা আবারও স্পষ্টভাবে জানাতে চাই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইনজীবী তালিকাভূক্তি পরীক্ষার আবেদন ফি সর্বোচ্চ ৩০০/= (তিনশত) টাকায় নির্ধারণ করে আমাদের এই যৌক্তিক দাবি মেনে না নিলে দেশের সকল আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা একযোগে সার্কুলার প্রত্যাখ্যান করবে এবং আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার আবেদন করা থেকে (ফরম ফিলাপ করা থেকে) বিরত থাকবে এবং পাশাপাশি সারাদেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।"

তারা আরো উল্লেখ করেন,  "আশা করছি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল দেশের সকল সাধারণ আইন শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পক্ষে থেকে দ্রুত আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষার ফি পুনঃনির্ধারণ করে সর্বোচ্চ ৩০০/= (তিনশত) টাকায় নামিয়ে আনবেন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কৃতজ্ঞতাবাধনে আচ্ছাদিত করবেন।"

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মধ্যরাতে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মধ্যরাতে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ


ছবি: ইউএনবি

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে শনিবার মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ করে। ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে তাদের আওয়াজ জোরদার করার জন্য তারা রাজু ভাস্কর্যকে ধর্ষণ বিরোধী মঞ্চ (ধর্ষণ বিরোধী মঞ্চ) হিসেবে ঘোষণাও করেন।

মাগুরায় সম্প্রতি ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ভয়াবহ ঘটনার পর এই বিক্ষোভ শুরু হয়।বিচার দ্রুত সম্পন্ন এবং বিলম্ব না করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য তারা একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানায়। সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা শিশুটির বিচার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।

পরবর্তীতে, অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে যোগ দেয় এবং রাজু ভাস্কর্যকে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কেন্দ্রে পরিণত করে। বিক্ষোভকারীরা বলেন যে তাদের লড়াই কেবল বিক্ষোভের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কাঠামোগত পরিবর্তনেরও আহ্বান জানান। তারা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। রবিবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করে প্রায় ২:৩০ টায় বিক্ষোভ শেষ হয়।