১০ আগ, ২০২৬

হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়, আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়, আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত 
হাইকোর্টে মামলা তালিকাভুক্ত করে প্রতারণার আশ্রয়ে জামিন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে ১৫ নম্বর সিরিয়ালে (টেন্ডার নং–৫০৮১১) আসামি সাকিব ওরফে সাকিব হাসান লিটনের জামিনের আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল।

শুনানির সময় আদালতের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে, একই মামলাটি এর আগে হাইকোর্টের ভিন্ন একটি বেঞ্চে শুনানি হয়েছে। কিন্তু পূর্ববর্তী শুনানির বিষয়টি গোপন করে মামলাটি পুনরায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ আজিজুর রহমানকে আদালত এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেন এবং আদালতের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে অ‍্যাটর্নি-জেনারেল ব‍্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আদালতের প্রতি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন করা একজন আইনজীবীর মৌলিক পেশাগত দায়িত্ব। একই বিষয়ে একাধিক বেঞ্চে শুনানির সুযোগ তৈরি করা কিংবা পূর্ববর্তী কার্যক্রম গোপন করে আদালতের আদেশ প্রভাবিত করার চেষ্টা শুধু পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী নয়—এটি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো

৯ আগ, ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে প্রেরণ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে প্রেরণ

ছবি: ফাইল ছবি 
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য জানান।

রবিবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করা হয় বলে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর আরিফুর রহমান তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ডনসহ এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিসহ অজ্ঞাত আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করেছে বলে বাদী এজাহারে বলেছেন। মামলার তদন্ত চলছে। এ আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলমান। আসামি জামিন পেলে তদন্তে বিঘ্নসহ চিরতরে পলাতক হতে পারেন। জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী তাকে কারাগারে আটক রাখার বিষয়ে শুনানি করেন। তবে ডনের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম জানান, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

এর আগে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াও পারস্পরিক রাজনৈতিক সমঝোতা এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। বৈঠকে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে যোগ দেন।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

ছবিঃ সংগৃহীত 
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলায় আরও একটি কল রেকর্ড উপস্থাপন করছে প্রসিকিউশন।

রোববার ( আগস্ট) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এটি শুনানো হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে ফোনালাপে ওবায়দুল কাদেরকে ইন্টারনেট স্লো করতে বলতে শোনা যায়।

কল রেকর্ডে পলক বলেন, ‘স্লামালাইকুম ভাই পলক বলছি।’ 

ওবায়দুল কাদের: ‘এটা একটু স্লো করে দাও, ইন্টারনেট।’

পলক: ‘জ্বি, একটু নেত্রীর পারমিশনটা নিয়া নিই।’

ওবায়দুল কাদের: ‘নিয়া নাও।’

পলক: ‘জ্বি আচ্ছা।’



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ দৈনিক মানব কণ্ঠ 

৮ আগ, ২০২৬

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। 
 
মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন পেশাগত কারণে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তিনার বয়স ছিল ৯৩ বছর। তিনি প্রায় ৫৪ বছর চাঁদপুর জেলায় আইনী পেশায় যুক্ত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামছুল ইসলাম মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ফয়সাল।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রুহুল আমিন। সহকর্মীরা ততক্ষণাত তিনাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

৭ আগ, ২০২৬

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
ভুয়া ও জাল শেয়ার জামানত রেখে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় মোট ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে পৃথক তিনটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে দণ্ডপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১-র বিচারক মুহা.হাসানুজ্জামান আলোচিত এই মামলার রায় প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজীব দে রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক কর্মকর্তারা হলেন—ঢাকা ব্যাংকের কেন্দ্রীয় হিসাব ও ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের সাবেক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এফসিএ, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু মোহাম্মদ সাঈদ খান, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার প্রবীর কুমার ভৌমিক এবং শওকত আলী।

আদালতের রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া জাল-জালিয়াতির দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) এবং অর্থ আত্মসাতের অপরাধে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) দেওয়া হয়।

দুদক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জানান, তিনটি ধারার কারাদণ্ড একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় আসামিদের মূলত ১০ বছর সাজা খাটতে হবে।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ৪ নভেম্বর মোহাম্মদ ইউসূফ আলী নামে এক ব্যক্তি ঢাকা ব্যাংকে হিসাব খুলে ১৭ লাখ টাকার ওডি ঋণের আবেদন করেন। ঋণ মঞ্জুরের বিপরীতে কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের ১ হাজার এবং মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেডের ৭ হাজার ৫০০টি শেয়ার জামানত রাখা হয়। পরবর্তীতে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ২৪ লাখ টাকা করা হয়। ঋণ পরিশোধের সময় দেখা যায়, জামানত হিসেবে জমা দেওয়া সবকটি শেয়ারই ভুয়া ও জাল ছিল। আসামি শওকত আলী ওই হিসাব খোলার সময় ইউসূফ আলীকে শনাক্ত করেন এবং পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের টাকা আত্মসাতে সহায়তা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ২৪

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

ফাইল ছবি
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রমের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। পরিবেশ ও বন অধিদপ্তরের আপত্তি উপেক্ষা করে পাহাড় ও গাছ কেটে এই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এই আদেশ আসে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুল জারিও করেন উচ্চ আদালত।

রুলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনের ভেতর এলজিইডির সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ এবং তা রোধে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই সঙ্গে বনের ভেতর এরই মধ্যে তৈরি করা সড়কের পাকা অংশ কেন অপসারণ করা হবে না এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কেন নেওয়া হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক ও কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রুমানা শারমিন শান্তা। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ‘দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় মহেশখালীতে ৪ দশমিক ৮৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে। এর মধ্যে ৩ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সড়ক পড়েছে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বনের অসংখ্য গাছপালা ও পাহাড় কেটে এই নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিল এলজিইডি।

তিনি আরও জানান, ১৯৫৭ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে মহেশখালী উপজেলার ১২ নম্বর পাহাড় মৌজার ১৮ হাজার ২৮৬ দশমিক ৪০ একর ভূমিকে সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করা হয়। বন আইন ও ২০২৬ সালের বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, বন অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের নির্মাণকাজ বা বনের ক্ষতি করা আইনত দণ্ডনীয়। এছাড়া সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল