৯ আগ, ২০২৬

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

ছবিঃ সংগৃহীত 
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলায় আরও একটি কল রেকর্ড উপস্থাপন করছে প্রসিকিউশন।

রোববার ( আগস্ট) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এটি শুনানো হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে ফোনালাপে ওবায়দুল কাদেরকে ইন্টারনেট স্লো করতে বলতে শোনা যায়।

কল রেকর্ডে পলক বলেন, ‘স্লামালাইকুম ভাই পলক বলছি।’ 

ওবায়দুল কাদের: ‘এটা একটু স্লো করে দাও, ইন্টারনেট।’

পলক: ‘জ্বি, একটু নেত্রীর পারমিশনটা নিয়া নিই।’

ওবায়দুল কাদের: ‘নিয়া নাও।’

পলক: ‘জ্বি আচ্ছা।’



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ দৈনিক মানব কণ্ঠ 

৮ আগ, ২০২৬

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। 
 
মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন পেশাগত কারণে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তিনার বয়স ছিল ৯৩ বছর। তিনি প্রায় ৫৪ বছর চাঁদপুর জেলায় আইনী পেশায় যুক্ত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামছুল ইসলাম মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ফয়সাল।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রুহুল আমিন। সহকর্মীরা ততক্ষণাত তিনাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

৭ আগ, ২০২৬

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
ভুয়া ও জাল শেয়ার জামানত রেখে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় মোট ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে পৃথক তিনটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে দণ্ডপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১-র বিচারক মুহা.হাসানুজ্জামান আলোচিত এই মামলার রায় প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজীব দে রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক কর্মকর্তারা হলেন—ঢাকা ব্যাংকের কেন্দ্রীয় হিসাব ও ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের সাবেক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এফসিএ, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু মোহাম্মদ সাঈদ খান, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার প্রবীর কুমার ভৌমিক এবং শওকত আলী।

আদালতের রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া জাল-জালিয়াতির দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) এবং অর্থ আত্মসাতের অপরাধে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) দেওয়া হয়।

দুদক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জানান, তিনটি ধারার কারাদণ্ড একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় আসামিদের মূলত ১০ বছর সাজা খাটতে হবে।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ৪ নভেম্বর মোহাম্মদ ইউসূফ আলী নামে এক ব্যক্তি ঢাকা ব্যাংকে হিসাব খুলে ১৭ লাখ টাকার ওডি ঋণের আবেদন করেন। ঋণ মঞ্জুরের বিপরীতে কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের ১ হাজার এবং মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেডের ৭ হাজার ৫০০টি শেয়ার জামানত রাখা হয়। পরবর্তীতে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ২৪ লাখ টাকা করা হয়। ঋণ পরিশোধের সময় দেখা যায়, জামানত হিসেবে জমা দেওয়া সবকটি শেয়ারই ভুয়া ও জাল ছিল। আসামি শওকত আলী ওই হিসাব খোলার সময় ইউসূফ আলীকে শনাক্ত করেন এবং পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের টাকা আত্মসাতে সহায়তা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ২৪

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

ফাইল ছবি
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রমের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। পরিবেশ ও বন অধিদপ্তরের আপত্তি উপেক্ষা করে পাহাড় ও গাছ কেটে এই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এই আদেশ আসে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুল জারিও করেন উচ্চ আদালত।

রুলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনের ভেতর এলজিইডির সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ এবং তা রোধে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই সঙ্গে বনের ভেতর এরই মধ্যে তৈরি করা সড়কের পাকা অংশ কেন অপসারণ করা হবে না এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কেন নেওয়া হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক ও কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রুমানা শারমিন শান্তা। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ‘দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় মহেশখালীতে ৪ দশমিক ৮৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে। এর মধ্যে ৩ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সড়ক পড়েছে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বনের অসংখ্য গাছপালা ও পাহাড় কেটে এই নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিল এলজিইডি।

তিনি আরও জানান, ১৯৫৭ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে মহেশখালী উপজেলার ১২ নম্বর পাহাড় মৌজার ১৮ হাজার ২৮৬ দশমিক ৪০ একর ভূমিকে সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করা হয়। বন আইন ও ২০২৬ সালের বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, বন অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের নির্মাণকাজ বা বনের ক্ষতি করা আইনত দণ্ডনীয়। এছাড়া সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল

তনু হত্যা মামলার আসামি হাফিজুরের জামিন স্থগিত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

তনু হত্যা মামলার আসামি হাফিজুরের জামিন স্থগিত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

ফাইল ছবি
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার আসামি সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে তাকে আদেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অধস্তন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে চেম্বার আদালত।

হাফিজকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন চেম্বার আদালতের বিচারপতি মো. রেজাউল হক।

গত ২ আগস্ট হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ হাফিজকে জামিন দেয়। এরপর ৪ আগস্ট তিনি কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে যান। এর ধারাবাহিকতায় তার জামিন চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে যায়।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘চেম্বার আদালতের বিশেষ অনুমতি নিয়ে আসামির জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদনটি করেছিলাম। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুনানি শেষে আদালত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। যদি আত্মসমর্পণ না করেন তাহলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে চেম্বার আদালত।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হাফিজ ছিলেন এ মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি। আরও দুই আসামি হলেন, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সৈনিক শাহিনুল আলম।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দেশ রূপান্তর

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি
নগরীর দৌলতপুরের ১৪ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের দু’জনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে খুলনার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগর, খুলনার বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, দৌলতপুর থানার কুলিবাগান রেল কলোনি বস্তির রশিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. সুলতানের ছেলে হিরু ও একই বস্তির বাসিন্দা ফরমান খাঁ’র ছেলে নজু খাঁ। রায় ঘোষণার পর তাদের আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

আদালতের সূত্র জানায়, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বিদ্যালয় থেকে ফিরে গত ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর কুলিরবাগান রেল কলোনি বস্তির বাসায় বসে হাত ও পায়ের নখ কাটছিল। হঠাৎ তার পা কেটে যায়। এ সময়ে ওষুধ আনতে আসামি নজু খাঁ’র বাসায় যায়। ঘটনাস্থলে হিরু উপস্থিত ছিল। আসামি নজু খাঁ বলে আমার ঘরে কোনো ওষুধ নেই। বের হয়ে আসার সময় হাত টান দিয়ে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই দু’জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

আরও জানা যায়, ওই কিশোরীর মা স্থানীয় একটি জুট মিলের শ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঘটনার চারদিন পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নজু খাঁ ও হিরুর নামে মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট থানার এসআই শফিকুল ইসলাম উল্লিখিত দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি
জেলায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৬ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় জিহাদুল বিশ্বাস নামে এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহ আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো. লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী ও শামীম বিশ্বাস। মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীমকে ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় মো. লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী ওরফে কাবিলা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল ডিম ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম জেলার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। 

এসময় তার সাথে একজন কর্মচারী ছিলেন। তারা দুজন উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে একজন পুলিশের পোশাক পরিহিত এবং বাকি তিনজন সিভিল পোশাকে তাদের গতিরোধ করে। এ সময় তারা জানায় রবিউলের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে এবং তাদের সাথে থানায় যেতে বলে। 

তারা ব্যবসায়ী রবিউলকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে থানার দিকে না গিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীর দিকে রওনা হয়। তখন রবিউল কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে ফেলে যায়। 

ঘটনার পরদিন তিনি পাইকগাছা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজুল ইসলাম ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস