১১ জুন, ২০২৬

রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের টিমের নেতৃত্বে অ্যাটর্নি জেনারেল

রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের টিমের নেতৃত্বে অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত  

আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার হাইকোর্টে শুনানির জন্য রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী দল গঠন করা হয়েছে। এ দলের নেতৃত্ব দেবেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মামলার যুক্তিতর্ক শুনানিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অংশ নেবেন। তার সঙ্গে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান, জামিউল হক ফয়সাল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দেওয়ান হুমায়ুন কবির রিপন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেবেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ প্রস্তুতি নিয়েছে।’ এ মামলার শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোনো ধরনের মুলতবির আবেদন করা হবে না বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছেন। ওই বেঞ্চে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন যে, রামিসা হত্যা মামলার শুনানি অব্যাহতভাবে চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ অঙ্গীকারবদ্ধ।‘

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আগামী রোববার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।’

এর আগে, গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের স্বাক্ষরের পর সংশ্লিষ্ট নথি হাইকোর্টে পৌঁছে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, কোনো ফৌজদারি মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এই অনুমোদন প্রক্রিয়াই ‘ডেথ রেফারেন্স’ নামে পরিচিত।


বিডিএলপিবি/এমএম

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় ৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় ৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ

ছবিঃ সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডভোকেটশিপ তালিকাভুক্তির নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও জালিয়াতিমুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঢাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫১ জন বিচারিক কর্মকর্তাকে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

গতকাল (বুধবার) আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনে একথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে আগামী ১২ জুন ২০২৬ (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় বার কাউন্সিলের এডভোকেটশিপ তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষা উপলক্ষে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা পরীক্ষাকেন্দ্রে সংঘটিত যেকোনো পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৯০(১) ধারা অনুযায়ী আমলে নিতে এবং সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মিরপুর কলেজ, সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ, মতিঝিল সরকারি বয়েজ হাই স্কুল, খিলগাঁও মডেল কলেজ, খিলগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, খিলগাঁও গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ হাই স্কুল, তেজগাঁও সরকারি হাই স্কুল, শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বয়েজ হাই স্কুল, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ এবং কলা অনুষদসহ ঢাকার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে এসব ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং আইন ও বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এছাড়া, অনিবার্য কারণে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে না পারলে বিকল্প হিসেবে আরও ৫ জন কর্মকর্তাকে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার স্বার্থে এই ম্যাজিস্ট্রেটরা পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন।


বিডিএলপিবি/এমএম 

অপরাধ যাই হোক, অভিযুক্তের ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার আছে: আইনমন্ত্রী

অপরাধ যাই হোক, অভিযুক্তের ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার আছে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রেও আইনের শাসন, যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়া এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধিত্বের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

গতকাল বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ (সিএএলএস) আয়োজিত ‘লিগ্যাল রিপ্রেজেনটেশন ইন ডেথ পেনাল্টি কজেস ইন বাংলাদেশ : অ্যান ইম্পিরিকেল অ্যান্ড কনসেপচুয়াল অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশনা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।

অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে মৃত্যুদ- নিষিদ্ধ হলেও বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় মৃত্যুদ- বিলোপের প্রশ্নটি অত্যন্ত জটিল।’ তিনি বলেন, শিশুধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংস অপরাধের ঘটনায় সমাজের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তবে অপরাধের ধরন যাই হোক না কেন, প্রত্যেক অভিযুক্তের ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 


বিডিএলপিবি/এমএম
 

চিকিৎসকদের 'চামার' আখ্যা, সাংবাদিক মাসুদ কামালকে লিগ্যাল নোটিশ

চিকিৎসকদের 'চামার' আখ্যা, সাংবাদিক মাসুদ কামালকে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 

টেলিভিশনের একটি টকশোতে চিকিৎসক সমাজকে নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন।

‘ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস’ নামের সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। সংগঠনটির মুখপাত্র ডা. আব্বাস ভূঁইয়ার নির্দেশনায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইয়েদ আব্দুল মুহাইমিন আলী রাজি নাসিফ এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি আলোচনায় মাসুদ কামাল চিকিৎসকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ওই বক্তব্য ছিল ভিত্তিহীন, বেপরোয়া ও মানহানিকর, যা চিকিৎসক সমাজের পেশাগত মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।

এতে আরও বলা হয়, চিকিৎসা পেশা একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সমাজে আস্থা অর্জন করে এসেছে। তাই পুরো চিকিৎসক সমাজকে লক্ষ্য করে এ ধরনের মন্তব্য তাদের অবদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং জনমনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।

লিগ্যাল নোটিশে মাসুদ কামালের কাছে তিনটি দাবি জানানো হয়েছে— তিন দিনের মধ্যে চিকিৎসক সমাজের কাছে নিঃশর্ত প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তা একই বা সমমানের গণমাধ্যমে প্রচার করা, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করা।

এতে সতর্ক করে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে, ক্ষমা প্রর্থনা না করলে এবং ভবিষ্যতে এধরণের মন্তব্য পরিহার করার অঙ্গীকার না করলে তার বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এতে সৃষ্ট সব ব্যয় তাকেই বহন করতে হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জুন, ২০২৬

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন


ছবি: ফাইল

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেছেন  মাননীয় প্রধান বিচারপতি।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজ এর সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ১৪ জুন ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১০:৩০ মিনিট হতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, একত্রে ডিভিশন বেঞ্চে বসবেন এবং শুনানীর জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধুমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মৃত্যুদন্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স এবং একই রায় হতে উদ্ভুত সকল ফৌজদারী আপীল ও জেল আপীল এবং উক্ত রায় হতে উদ্ভুত ফৌজদারী আপীল ও জেল আপীল মঞ্জুরীর আবেদনপত্র; উক্ত রায় হইতে উদ্ভুত ফৌজদারী বিবিধ ও ফৌজদারী রিভিশিন যদি থাকে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানী করবেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়

বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়

ছবি: ফাইল
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার রিভিউ ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রথম রিভিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও দ্বিতীয় রিভিউয়ের ফলাফলে বাদ পড়া পরীক্ষার্থীদের সরাসরি আইনজীবী তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পৃথক কয়েকটি রিট আবেদনের ওপর জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটকারী পরীক্ষার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

এর আগে, বার কাউন্সিলের আইনজীবী সনদ লাভের লিখিত পরীক্ষা সংক্রান্ত ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত রিভিউ ফলাফল বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৬৩২ জন পরীক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর বার কাউন্সিল ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত রিভিউ ফলাফল বাতিল করে রিভিউ আবেদনকারী সব পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে দ্বিতীয় দফা রিভিউয়ের ফল প্রকাশ করা হয় এবং সেই ফলাফলে উত্তীর্ণদের ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া হয়।

তবে প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণ হয়ে দ্বিতীয় রিভিউয়ে বাদ পড়া পরীক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বার কাউন্সিলের ওই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।


বিডিএলপিবি/এমএম


ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা


ছবি: বিডিএলপিবি 

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তারা উভয়ই আদালতে হাজির ছিলেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারার আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৬ মে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন আদালত। ওইদিন শুনানিতে তাদের (নাসির-তামিমা) সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রার্থনা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তবে তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ১০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর গত ১৬ এপ্রিল এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছিল। ক্রিকেটার নাসিরের এই আইনি লড়াই দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল।

২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পেশায় কেবিন ক্রু তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসাইনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। রাকিবের দাবি ছিল, তাঁর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বলবৎ থাকাকালীনই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় রীতির পরিপন্থী।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ক্রিকেটার নাসির হোসাইন তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজ আয়ত্তে নিয়ে গেছেন। এই অবৈধ সম্পর্কের ফলে রাকিব এবং তাঁর আট বছর বয়সী কন্যা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও বড় ধরণের মানহানির শিকার হয়েছেন। সব ধরণের তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালত আজ তাঁদের নির্দোষ ঘোষণা করে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বিডিএলপিবি/এমএম