সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৪ জুল, ২০২৬

মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

ছবি: সংগৃহীত 

অনলাইনে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা বা লেনদেনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদন পায়। নতুন এই সংশোধনীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে (ডিএনসি) আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনে সরাসরি মাদক উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু রয়েছে। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে এবার আইনে নতুন ধারা যুক্ত করা হলো।

পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রচার, ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ বা মধ্যস্থতা করা এখন থেকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট এমনকি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল সম্পদের ব্যবহারও শাস্তিমূলক অপরাধের আওতায় পড়বে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাইবার মাধ্যমে সংঘটিত এসব অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির কাছ থেকে সরাসরি মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষী ব্যক্তিকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান। তবে এই অপরাধ যদি কোনো আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ঘটে, সেক্ষেত্রে আসামিদের যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার কথা বলা হয়েছে।

ডিজিটাল অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতেও এই বিলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠন করতে পারবে এবং তাদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ আদালতের এখতিয়ার বহাল রেখে মাদকপ্রবণ এলাকাগুলোতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধানও নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৯ জুল, ২০২৬

সংসদে ম দ-জু য়া নিষিদ্ধকরণ ও ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন বিল প্রত্যাহার

সংসদে ম দ-জু য়া নিষিদ্ধকরণ ও ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন বিল প্রত্যাহার


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় সংসদে ‘মদ ও জুয়া (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০২৬’ শীর্ষক একটি বিল উত্থাপনের প্রস্তাব করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) অ্যাক্ট, ২০২৬’ বিলটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিল দুটি উত্থাপন করেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিল দুটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান।

এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, 'সংসদ সদস্য যে দুটি আইন এনেছেন, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে আইন রয়েছে। আমরা এই সংসদের চলতি অধিবেশনেই জুয়া আইন, ২০২৬ বিল পাস করেছি। আর ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনও বিদ্যমান। ওই আইনের ধারা ২-এর উপধারা (৫), উপধারা (২৪), উপধারা (২৯) এবং ধারা ১১ পড়লে তিনি যে উদ্দেশ্যে বিলটি এনেছেন, তা বিদ্যমান আইনের আওতায় পড়ে। তাই বিলটি প্রত্যাহারের জন্য তাঁকে অনুরোধ করছি।' 

এরপর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিল দুটি প্রত্যাহার করে নেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, 'যেহেতু সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী আইনমন্ত্রীর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিল দুটি আর উত্থাপন না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন, সেহেতু বিলগুলো আমি ভোটে দিচ্ছি না।'

মদ ও জুয়া (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০২৬-এর উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মদ ও জুয়ার প্রভাবে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি রোধ এবং তরুণ ও যুবসমাজকে মদ ও জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধের লক্ষ্যে দেশে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করার জন্য এ আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) অ্যাক্ট, ২০২৬’ বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মানবিক বিবেচনায় প্রচলিত ময়নাতদন্ত পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক ও শরিয়তসম্মত পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি নিহত হলে তাঁর মরদেহের যথাযথ হেফাজত, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। বিশেষ করে নারী মৃতদেহের ক্ষেত্রে পর্দা ও মর্যাদা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আইন সংশোধনের মাধ্যমে নারীদের মরদেহ পর্দার আড়ালে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, নারীর মর্যাদা রক্ষা ইসলামসহ সব ধর্মেরই নির্দেশনা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার বিষয়ে মানুষের প্রত্যাশা থাকলেও সড়ক, নৌ ও রেলপথে এখনো দুর্ঘটনা ঘটে। বিদ্যমান আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত বাধ্যতামূলক হওয়ায় তা ছাড়া দাফন বা সৎকার করা যায় না।

বিলে দাবি করা হয়েছে, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে অনেক সময় ময়নাতদন্তে মামলার নিষ্পত্তিতে কার্যকর কোনো ভূমিকা থাকে না। তাই নিহত ব্যক্তির অভিভাবক বা নিকটাত্মীয়ের আবেদনের ভিত্তিতে, প্রয়োজনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী দাফন বা সৎকারের সুযোগ রাখতে আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) অ্যাক্ট, ২০২৬’ প্রণয়নের জন্য বিলটি আনা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির জন্য কঠোর সাজার বিধান রেখে আইন পাশ

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির জন্য কঠোর সাজার বিধান রেখে আইন পাশ

ছবি: সংগৃহীত 

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি ও অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত সাজার বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নতুন এই আইনে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির স্পষ্ট সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সাইবার অপরাধের মাধ্যমে পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ ও যেকোনো প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতি এখন থেকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।  আইনে ডিজিটাল কারসাজির অপরাধে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস বা এ ধরনের অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপরাধীচক্র গঠন বা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আরো কঠোর শাস্তি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩ জুল, ২০২৬

জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ এর গেজেট প্রকাশ: যা রয়েছে নতুন এই আইনে

জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ এর গেজেট প্রকাশ: যা রয়েছে নতুন এই আইনে

ছবি: সংগৃহীত 

দেশে অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো এবং ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে সরকার নতুন আইন কার্যকর করেছে। প্রায় ১৫৯ বছর আগে প্রণীত প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭ বাতিল করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ নামে নতুন আইন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর বুধবার (১ জুলাই) আইনটি গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এবং প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়।

নতুন আইনে প্রথমবারের মতো অনলাইন জুয়া, অনলাইন ও স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ও ফ্যান্টাসি বেটিং, ই-স্পোর্টস বেটিং, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডিজিটাল ওয়ালেট, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের সুস্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত থাকাকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, ইন্টারনেট, মোবাইল নেটওয়ার্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্ভার, ক্লাউডভিত্তিক অবকাঠামো কিংবা ভিপিএন ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা, বেটিং পরিচালনা, অ্যাকাউন্ট খোলা বা ব্যবহার এবং জুয়ার অর্থ জমা, উত্তোলন বা স্থানান্তর করা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বিদেশি অনলাইন জুয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধি বা এজেন্ট হিসেবেও কাজ করা যাবে না।

সাধারণ জুয়ার অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে।

এছাড়া অনলাইন বেটিং পরিচালনা, বুকমেকার হিসেবে কাজ করা, ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালনার অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা বা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকেও নিষিদ্ধ করতে পারবেন।

জুয়ার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল কার্যক্রমে অংশ নেওয়া গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা অন্য কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে, সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

আইনে জুয়ার অর্থ ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ডিজিটাল ওয়ালেট, হুন্ডি, হাওলা বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে স্থানান্তর বা বৈধ করার চেষ্টাকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে এ ধরনের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনেও বিচার করা যাবে।

আদালত অপরাধে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, মোবাইল ফোন, কম্পিউটারসহ সংশ্লিষ্ট সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারবেন। জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ভবন, অফিস, কল সেন্টার বা সার্ভার অবকাঠামোও বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

কোনো কোম্পানি, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার বা পেমেন্ট গেটওয়ে এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে তাদের পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দায়ী করা হবে। আদালত প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত কিংবা বাতিলের নির্দেশও দিতে পারবেন।

আইনে বলা হয়েছে, অনলাইন জুয়া ও সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার হবে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। এসব অপরাধকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাব-ইন্সপেক্টর বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসব অপরাধ তদন্ত করবেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে জব্দ করতে পারবেন।

অনলাইন জুয়া শনাক্ত ও প্রতিরোধে সরকারকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপ প্যাকেট ইনস্পেকশন (ডিপিআই), ট্রানজ্যাকশন মনিটরিং সিস্টেম ও ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট ডেটাবেজ,

এনআইডি-সিম-এমএফএস সংযুক্তি ব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই ও ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি চালুর সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইন বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএফআইইউ, নির্বাচন কমিশন, সিআইডি ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা, বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার বিধানও রাখা হয়েছে।

নতুন আইন কার্যকরের মধ্য দিয়ে ঔপনিবেশিক আমলের প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হলো। তবে, পুরোনো আইনের অধীনে চলমান মামলাগুলো নতুন আইনের বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ জুন, ২০২৬

অনলাইন জুয়া ও ফিক্সিং প্রতিরোধে সংসদে বিল উত্থাপন: সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন জুয়া ও ফিক্সিং প্রতিরোধে সংসদে বিল উত্থাপন: সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 

সব ধরনের জুয়া, বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে নতুন একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এতে ডিজিটাল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী সাজার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ’ নামের এই বিলটি উত্থাপন করেন। মূলত ১৫৭ বছরের পুরোনো ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ বাতিল করে আধুনিক ও সময়োপযোগী এই আইনটি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিলটি যাচাই-বাছাই করে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে অনলাইন জুয়া, স্পট ফিক্সিং, বাজি বা পণসহ মোট ২৪টি বিষয়কে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ মাত্রার শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাধারণ জুয়ায় জড়ালে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে এই সাজা বেড়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এছাড়া অপরাধের মাত্রায় সবচেয়ে কঠোর সাজা রাখা হয়েছে অনলাইন বেটিংয়ের ক্ষেত্রে। কেউ এতে সম্পৃক্ত হলে তাকে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য অনূর্ধ্ব সাত বছরের জেল বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বিলে।

বিলটি উত্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেড় শতাব্দীর পুরোনো আইনটি দিয়ে বর্তমান সময়ের ভার্চ্যুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া, স্পোর্টস বেটিং ও ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি মোকাবিলা করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছিল না।

তাছাড়া ২০১৮ সালের জেলা প্রশাসক সম্মেলনেও মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের সুবিধার্থে আইনটি যুগোপযোগী করার প্রস্তাব এসেছিল। সংবিধানেও জুয়া নিরোধে রাষ্ট্রের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভিপিএন, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে জুয়া ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের অর্থনীতি, জনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও তরুণ সমাজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। তাই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর এসব অপরাধ ঠেকাতে এবং রাষ্ট্রের সার্বিক অর্থনৈতিক ও নৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় এই নতুন আইন প্রণয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৯ জুন, ২০২৬

জুয়া প্রতিরোধ ও পাবলিক পরীক্ষা সংশোধনসহ ৪ আইনের খসড়া অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

জুয়া প্রতিরোধ ও পাবলিক পরীক্ষা সংশোধনসহ ৪ আইনের খসড়া অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

ছবি: সংগৃহীত 

‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’সহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চারটি আইনের খসড়া ও সংশোধনীর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অনুমোদিত ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ রহিত করে অত্যন্ত যুগোপযোগী করা হয়েছে। নতুন এই আইনে ঐতিহ্যগত জুয়ার পাশাপাশি অনলাইন গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে বাজি ধরা, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল সম্পদ ব্যবহার, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংকে অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী এতে কঠোর অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

একই বৈঠকে পাবলিক পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস ও জাল সনদ তৈরি রোধে ‘The Public Examinations (Offences) (Amendment) Act, 2026’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়। এই সংশোধনীতে পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকা হ্যাকিং ও অবৈধ পরিবর্তনকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ নামক নতুন অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া সংগঠিত পরীক্ষা জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকছে।

অন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে—২০০১ সালের অধীরতা কাটিয়ে ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’কে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন। এর ফলে এখানে কলা, বাণিজ্য, আইন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ সব শাখার দ্বার উন্মুক্ত হবে। পাশাপাশি, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদনের মাধ্যমে মাদকসংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন, সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচা রোধ, সীমান্তে কড়া নজরদারি এবং মাদক শনাক্তে বিশেষ ‘ডগ স্কোয়াড’ গঠনের নতুন আইনি ভিত্তি তৈরি হলো। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সাপেক্ষে বিলগুলো দ্রুতই সংসদে বা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বাতিল হলো সংসদে প্রবেশ ও ত্যাগের সময় মাথা নত করার প্রথা

বাতিল হলো সংসদে প্রবেশ ও ত্যাগের সময় মাথা নত করার প্রথা

ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় সংসদে প্রবেশের বা ত্যাগের সময় মাথা নিচু করে বা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর প্রচলিত প্রথাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০০৬ সালে কার্যপ্রণালি বিধি সংশোধনের মাধ্যমেই এই নিয়মটি বাতিল করা হয়েছে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭(১) অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারে মাথা নোয়ানোর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি ও ঐতিহ্য মেনে সম্মান প্রদর্শন করতে পারবেন। এর আগে ত্রয়োদশ বা অষ্টম সংসদে পর্যালোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে এই নিয়মটি কার্যপ্রণালি বিধি থেকে অপসারণ করা হয়েছিল।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুন, ২০২৬

পার্থকে সভাপতি করে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

পার্থকে সভাপতি করে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

ছবি: সংগৃহীত 

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থকে সভাপতি করে জাতীয় সংসদে আজ রোববার (১৪ জুন) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২) কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, এ এম মাহবুব উদ্দিন (নোয়াখালী-১), মো. নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), শাকিলা ফারজানা (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮), মো. মনজুরুল ইসলাম (দিনাজপুর-১), মো. হাসান রাজীব প্রধান (লালমনিরহাট-১), মো. নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), আক্তার হোসেন (রংপুর-৪) ও আল ফারুক আব্দুল লতিফ (নীলফামারী-২)। পদাধিকার বলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুন, ২০২৬

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন কি না, ২ অ্যামিকাস কিউরির মত নেবেন আপিল বিভাগ

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন কি না, ২ অ্যামিকাস কিউরির মত নেবেন আপিল বিভাগ


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে মতামত দিতে দুজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে মনোনয়ন দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তারা হলেন, এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগী। একই সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর আপিল আবেদন শুনানির জন্য আগামী ১৫ জুন পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি নিয়ে এ দিন ঠিক করেন। আদালতে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানিতে অংশ নেন। ব্যাংক এশিয়া পিএলসির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামাল উল আলম শুনানি করেন।

শুনানি শেষে রোকন উদ্দিন মো. ফারুক বলেন, আদালত আপিলের ওপর পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ জুন পরবর্তী দিন রেখেছেন। আদালত আইনি মতামত দিতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগীকে মনোনীত করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৯ জুন) আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকটির করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। ওইদিন প্রথমদিনের শুনানি শেষে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের শুনানি হয়।

গত ৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ওই আপিল খারিজ করে দিলে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। ইসির এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন করে অভিযোগকারী পক্ষ। পরে ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট শুনানি শেষে রিট আবেদন দুটি খারিজ করে দেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হাইকোর্টের আদেশে বিএনপি নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা ফিরে পান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আসলাম চৌধুরী অংশ নেন। নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও তার ফলাফল প্রকাশ উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ তুলে লিভ টু আপিল করেন জামায়াত প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। সেই আবেদন গত ৩ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, যদি তিনি (আসলাম চৌধুরী) নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে সফল হন তবে সংশ্লিষ্ট আসনে নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশ এ সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২ জুন, ২০২৬

মাদক মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও জুয়া আইন সংশোধন করার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মাদক মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও জুয়া আইন সংশোধন করার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর


ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর ও এর আশপাশের এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ওই এলাকায় একটি নতুন কারাগার স্থাপন করবে সরকার। তবে এখান থেকে এখনই কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর এলাকা আমরা পরিকল্পিত ও যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এই এলাকাকে পুরোপুরি সন্ত্রাসমুক্ত করব। পাশাপাশি বেতুয়া ও চা-বাগান এলাকায়ও অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের উচ্ছেদ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই চারটি অপরাধকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে এবং এগুলো নির্মূলের চেষ্টা চালানো হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের মাধ্যমে আধুনিক অনলাইন ও অফলাইন জুয়া কিংবা বেটিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের বিষয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকসংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমানে হাজার হাজার মাদক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান আইনের কিছু সুবিধা ও ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অনেক কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে কিশোর অপরাধ মোকাবিলাতেও আইনি সংস্কার আনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনি সংস্কার, পরিকল্পিত অভিযান এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার চেষ্টা করব। এর মাধ্যমেই যুবসমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।’

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর হলো সীতাকুণ্ড উপজেলার অন্তর্গত একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। পাহাড় কাটা ও দখল করে অবৈধ বসতি গড়ে তোলার কারণে এটি বহুল আলোচিত। ভৌগোলিক অবস্থান ও দুর্গমতার কারণে এলাকাটিকে অনেকে ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’ বা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ মে, ২০২৬

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম নবনির্বাচিত এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। 

আজ (বুধবার দুপুর ১২টায় পর তিনি সংসদে শপথ নেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয়ে নুসরাতের শপথ বাক্য পাঠ করান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ গ্রহণ শেষে নববির্বাচিত সংসদ-সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল। কিন্তু ৪টা ১৯ মিনিটে নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিলম্ব দেখিয়ে ইসি তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেনি। পরে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

আদালত ইসিকে নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইসি তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

৫ মে, ২০২৬

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নুসরাত তাবাসসুম, ইসির বিজ্ঞপ্তি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নুসরাত তাবাসসুম, ইসির বিজ্ঞপ্তি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জোটের প্রার্থী। সোমবার (৪ মে) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন (নম্বর-৫০২২/২০২৬)-এর গত ২৭ এপ্রিলের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ মে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র গ্রহণপূর্বক বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বাছাই কার্যক্রম শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ১২(২) ধারা অনুসারে তাকে সংসদ সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে, ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে মাত্র ১৯ মিনিট বিলম্বে আসায় রিটার্নিং কর্মকর্তা এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের বাকি ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নামের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। প্রকাশিত ওই গেজেট অনুযায়ী, শূন্য পদের বিপরীতে সমানসংখ্যক প্রার্থী থাকায় বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জন নারী সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের সবকটির নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যদের শপথ আয়োজনের জন্য গেজেট এখন সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে।

৪ মে, ২০২৬

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা সিসি ক্যামেরায় শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে এই অটো জেনারেটেড নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। রোববার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন। 

এতে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকরা ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের কার্যক্রম সম্প্রতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেওয়া হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে। 

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নবনির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার ( ৩ মে ) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। 

৩ মে, ২০২৬

সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাতের গেজেট প্রকাশ ঠেকাতে আবেদন মনিরার

সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাতের গেজেট প্রকাশ ঠেকাতে আবেদন মনিরার


ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমকে গেজেট আকারে প্রকাশ না করার আবেদন জানিয়েছেন মনিরা শারমিন। রোববার (৩ মে) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি এ আবেদন জানান।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ


ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ শপথ নেবেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথকক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন (ইসি) গেজেট প্রকাশ করে জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনে মোট ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গেজেট অনুযায়ী, আসন বণ্টনের ভিত্তিতে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ১ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুন রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সুলতানা জেসমিন। অন্যদিকে, একই আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছে।

২ মে, ২০২৬

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা


ছবি: সংগৃহীত 

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (২ মে) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান চিফ।

৩০ এপ্রি, ২০২৬

এনসিপি নেত্রী নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই ২ মে

এনসিপি নেত্রী নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই ২ মে

ছবিঃ সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র আগামী ২ মে যাচাই-বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হাইকোর্টের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইসির যুগ্ম সচিব ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাছাইয়ের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ মে ১১টায় ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে ২২ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।

২৭ এপ্রি, ২০২৬

সংসদ ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর

সংসদ ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর


ছবি: সংগৃহীত 

‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন রাষ্ট্রপতির কাছে এই আবেদন করেন।

২৬ এপ্রি, ২০২৬

জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুর, যুবদলের ৯ কর্মী গ্রেপ্তার

জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুর, যুবদলের ৯ কর্মী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সোয়া দুইটার দিকে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। 

এসময় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় এক আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জনের মধ্যে মামলার এজাহারে উল্লেখিত ২০ নম্বর আসামি মো. খায়রুল ইসলাম রয়েছেন, অন্যরা সন্দেহভাজন। তাদেরকে আদালতে তোলার প্রস্তুতি চলছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা যায়, মামলায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে মাছুম মোস্তফার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পূর্বধলা উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের সবাই স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। এর মধ্যে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম–আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদসহ (বাবু), যুবদল নেতা মো. আনার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সাজু আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সোলাইমান কবির (পাপ্পু) প্রমুখ রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মাছুম মোস্তফা একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। সন্ধ্যায় পথে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উপজেলা সদরের আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান গাড়িতে জ্বালানি তেল ভরার জন্য। পরে গাড়ি রেখে ফিলিং স্টেশনেই নামাজখানায় মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য যান। কিছুক্ষণ পর ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন যুবক পাম্পে এসে মোটরসাইকেলে তেল নিতে চান এবং সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এ সময় মাছুম মোস্তফা নামাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা তাকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছিলেন না।

এমতাবস্থায় খবর পেয়ে ঘণ্টাখানেক পর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারসহ পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাত ১০টার দিকে মাছুম মোস্তফা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়। 

এদিকে আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘আমি পাম্পে গাড়ি রেখে নামাজ আদায় করতে গেলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং আমার সঙ্গে থাকা উপজেলা জামায়াতের আমির জয়নাল আবেদিনসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। অনেকক্ষণ পর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলমসহ পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। ঘটনায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। হামালায় নেতৃত্ব দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু। তাকে ২ নম্বর আসামি করা হয়। পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাই, আসামিদের যেন দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়।’

আজ সাড়ে ৯টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে আবু তাহের তালুকদার বলেন, ‘ওই সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। সংসদ সদস্যের ওপর হামলার বিষয়টি মোবাইলে শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এখন শুনছি উল্টো আমাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। হামলার বিষয়টি যেমন দুঃখজনক, তেমনি আমাকে আসামি করাতেও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ, আমি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আর যতটুকু জানি, আমার দলীয় কোনো নেতা-কর্মী এই হামলা করেননি। আমাকেসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের নামে এটা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।’