১০ আগ, ২০২৬

পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি ও ডিসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি ও ডিসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

ছবি: সংগৃহীত 
গাইবান্ধার অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের আদেশ বাস্তবায়ন না করার অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও গাইবান্ধার জেলা প্রশাসকসহ (ডিজি) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৯ আগস্ট) এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।রুলের বিবাদীরা হলেন— পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, অধিদপ্তরের রংপুরের বিভাগীয় পরিচালক নুরুল আমিন এবং গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক নিজেই শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী। পরে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালত অবমাননার দায়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।’

মামলার তথ্য বিবরণ থেকে জানা যায়, গাইবান্ধার লাইসেন্সবিহীন ১৭৯টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ৬ মে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। রায়ে গাইবান্ধার ওই ১৭৯টিসহ সব অবৈধ ইটভাটা ৬০ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও উচ্ছেদ অভিযান না চালানোয় হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদনটি দাখিল করেন রিটকারী আইনজীবী।

আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর তা বাস্তবায়ন করেনি, যা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।’


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দেশ রূপান্তর

ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদের আপিল

ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদের আপিল

ছবি: সংগৃহীত 
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদ আপিল করেছেন। তার আপিলটি সোমবারের আপিল বিভাগের কার্যতালিকাভুক্ত রয়েছে।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি প্রথম রায় ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে।

দীর্ঘদিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। তখন জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এর ধারাবাহিকতায় তিনি ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: স্টার নিউজ

নিয়োগকালীন বিধিমালা উপেক্ষা করে এমপিওভুক্তদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

নিয়োগকালীন বিধিমালা উপেক্ষা করে এমপিওভুক্তদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

ছবি: সংগৃহীত 
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগকালীন বিধিমালা উপেক্ষা করে নতুন কোনো শর্ত বা বিধি অতীত থেকে বলবৎ দেখিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না, মর্মে রায় দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

এমপিও সংক্রান্ত চার শিক্ষকের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে দেওয়া রায়ে এমন যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মো. আবু হানিফ ও অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য শীর্ষক মামলায় হাইকোর্ট এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। গত ৩০ জুন বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি উর্মি রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত হয়েছে।

রায় প্রদানকালে আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আতাউর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম অলি ও মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান।

মামলার ফ্যাক্ট: ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রবিধান (রেগুলেশন ২০১৫) অনুসরণ করে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রোজি মোজাম্মেল মহিলা কলেজে অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান, ইংরেজি ও সমাজকল্যাণ বিভাগে প্রভাষক (তৃতীয় শিক্ষক) পদে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিয়োগ পান মো. আবু হানিফসহ চারজন শিক্ষক। নিয়োগের পরদিন ৩০ ডিসেম্বর তারা প্রভাষক পদে যোগদান করেন।
পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালের ১৯ এপ্রিল কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর তারিখের এনটিআরসিএ পরিপত্রের পূর্বে বিজ্ঞপ্তিপ্রাপ্ত এবং ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সুযোগ দেওয়া হয়। সেই মোতাবেক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কর্তৃক প্রকাশিত ৭২৬ জন শিক্ষকের তালিকায় তাদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে অনলাইন প্রক্রিয়ায় তাদের এমপিও আবেদন এই অজুহাতে নামঞ্জুর করা হয় যে, তাদের ‘NTRCA সনদ নেই’। পরে ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেই চার শিক্ষক উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত:  রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক প্রয়োজনে চাকরির বিধিমালা পরিবর্তন বা পরিমার্জনের এখতিয়ার রয়েছে, তবে তা কোনোভাবেই ইতোপূর্বে চাকরিতে যোগদানকারী কর্মচারীর অর্জিত অধিকারকে ক্ষুণ্ন করতে পারে না।

রায়ে নিয়োগকালীন প্রবিধানের প্রাধান্য পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে আদালত বলেছেন, ২০১৫ সালে যখন এই চার শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়, তখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালায় এনটিআরসিএ সনদের কোনো শর্ত ছিল না। ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ের কলেজ শিক্ষকদের জন্য এই সনদের বাধ্যবাধকতা ২০১৯ সালের প্রবিধানে প্রথম জারি করা হয়।

আদালত আরও বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ তৃতীয় শিক্ষক পদটি জনবল কাঠামোতে নেই বলে দাবি করলেও সরকার নিজেই একাধিক পরিপত্রের মাধ্যমে তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিও সুবিধার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এই দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

আদালত বলেন, এমপিও মঞ্জুর করা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় হলেও, তা যদি যুক্তিসঙ্গত আইনি ভিত্তি ছাড়া খেয়ালখুশিমতো বা স্বেচ্ছাচারী উপায়ে করা হয়, তবে তা সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচার্য বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

চূড়ান্ত রায়ে হাইকোর্ট এনটিআরসিএ সনদ না থাকার অজুহাতে চার প্রভাষকের এমপিও আবেদন প্রত্যাখ্যানের অনলাইন সিদ্ধান্তকে বাতিল করে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে রিটকারী চারজনের নাম মান্থলি পে অর্ডার (এমপিও) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

রায়ে আদেশের অনুলিপি প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে প্রযোজ্য সব বকেয়াসহ আর্থিক সুবিধাদি চার রিটকারীদের পরিশোধ করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবসহ বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বিচারকের

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বিচারকের

ছবি: কোলাজ ছবি 
জামালপুর সদরে দাঁড়িয়ে থাকা এক রডবোঝাই ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাইভেট কারে থাকা এ কে এম সামিউল হক নামে একজন বিচারক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোর ৪ টার দিকে লাহেড়িকান্দা বাজার এলাকায় এই  দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত এ কে এম সামিউল হক জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিভিল জজ। তিনি নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চিছরাকান্দা এলাকার সাবেক পরিকল্পনা সচিব এ কে এম ফজলুল হকের ছেলে।

​স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কর্মস্থল জামালপুরে ফিরছিলেন সিভিল জজ এ কে এম সামিউল হক। ভোরে লাহেড়িকান্দা বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা এক রডবোঝাই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেটকারটি। এতে কারের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিচারকের। আহত প্রাইভেটকার চালককে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জামালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এই ঘটনায় সিভিল জজ এ কে এম সামিউল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আহত চালককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য নিউজ ২৪



১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা সেই ভাইরাল মিজান গ্রেপ্তার

১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা সেই ভাইরাল মিজান গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত 
অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলার অভিযোগে ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাফরুল থানা পুলিশ।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁওয়ে মিজানের দোকানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে সেখানে যান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ সময় মিজান তাদের কাজে বাধা দেন এবং চড়াও হন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সদস্যদেরও তিনি আঘাত করেন বলে জানায় পুলিশ। পরে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লখ্য, মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে ভাত বিক্রি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন মিজানুর রহমান। এ কারণে তিনি ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিতি পান।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, রিমান্ড শেষে কারাগারে রুবেল

৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, রিমান্ড শেষে কারাগারে রুবেল

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর বনানীতে ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণালংকার কেনার চেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার রুবেল আহম্মেদ ফকিরকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় রয়েছে জাল নোট ও প্রতারণাসহ ১৬টি মামলা।

রাজধানীর বনানীতে বিপুল পরিমাণ জাল নোট দিয়ে স্বর্ণালংকার কেনার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুই দিনের রিমান্ড শেষে মো. রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬) নামের ওই আসামিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জুম্মান খান এ সময় তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে রুবেলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুনানিতে আসামির পক্ষে আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আসামি তাঁর পলাতক সহযোগীর অবস্থান ও জাল নোটের উৎস সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে এড়িয়ে গেছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা কাজে লাগতে পারে। এছাড়া তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, রুবেল একটি পেশাদার জাল নোট চক্রের সক্রিয় সদস্য। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে জাল নোট তৈরি, প্রতারণা, মানি লন্ডারিং ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে আটকে রাখা প্রয়োজন, নতুবা তিনি পলাতক হয়ে তদন্ত ব্যাহত করতে পারেন।

মামলায় উল্লিখিত ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট বিকেলে বনানী সুপারমার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ‘মনিমালা জুয়েলার্স’-এ ক্রেতা সেজে প্রবেশ করেন রুবেল এবং তাঁর সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফি (৩৭)। তারা ভাগনির বিয়ের কথা বলে বিভিন্ন নকশার গয়না দেখতে চান। পরে ২০-২১ ভরি স্বর্ণালংকার পছন্দ করে সেগুলোর বিল ও প্যাকেট করতে বলেন। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের দাম বেশি হওয়ায় দোকানের ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি মালিককে ফোনে জানান। মালিক আসতে দেরি হলে আসামিদের বিল পরিশোধের অনুরোধ করা হয়। এ সময় রুবেল একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে এক হাজার টাকার নোটের বান্ডিল বের করে কাচের টেবিলে রাখেন। কর্মচারীরা নোট পরীক্ষা করে সেগুলো জাল বলে সন্দেহ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে দুজনেই টাকা ও ব্যাগ ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কর্মচারীদের চিৎকারে আশপাশের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা এগিয়ে এসে রুবেলকে ধরে ফেলেন এবং উত্তেজিত জনতা তাঁকে পিটুনি দেয়। তবে কাফি কৌশলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে বনানী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুবেলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ৫৮টি বান্ডিলে মোট ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকার জাল নোট ও ট্রলি ব্যাগটি জব্দ করে। এ ঘটনায় ওই জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বনানী থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গত ৭ আগস্ট আদালত রুবেলকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট


বিটিভিতে কাজী জেসিনের নিয়োগে আইনি ত্রুটি, সংশোধন করবে সরকার

বিটিভিতে কাজী জেসিনের নিয়োগে আইনি ত্রুটি, সংশোধন করবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক হিসেবে সংবাদ উপস্থাপক ও টকশো সঞ্চালক কাজী জেসিনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে থাকা আইনি ত্রুটি সংশোধন করবে সরকার।

নিয়োগ আদেশে উল্লেখ করা ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন-২০০১’ কার্যকর আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার কাজী জেসিনকে বিটিভির মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপরই নিয়োগের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

উল্লখ্য, বিটিভির ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির রুলস-রেগুলেশনের অন্তত ২২ দলিল থাকলেও ‘টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন-২০০১’-এর তথ্য সেখানে নেই। বিটিভির স্বায়ত্তশাসনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন আওয়ামী।  আইনে বলা হয়েছে, ‘সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন বলবৎ হইবে।’

তবে আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর গত ২৫ বছরে কোনো সরকারই তা কার্যকর করার জন্য গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। ফলে আইনটি সংসদে পাস হলেও এখনো কার্যকর হয়নি। অথচ এই আইনের উল্লেখ করেই কাজী জেসিনকে বিটিভির মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপন সংশোধনের জন্য নতুন করে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। একই স্মারক নম্বরের অধীনে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে আগের প্রজ্ঞাপনটি প্রতিস্থাপন করা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট 


হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়, আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়, আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত 
হাইকোর্টে মামলা তালিকাভুক্ত করে প্রতারণার আশ্রয়ে জামিন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ।

রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে ১৫ নম্বর সিরিয়ালে (টেন্ডার নং–৫০৮১১) আসামি সাকিব ওরফে সাকিব হাসান লিটনের জামিনের আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল।

শুনানির সময় আদালতের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে, একই মামলাটি এর আগে হাইকোর্টের ভিন্ন একটি বেঞ্চে শুনানি হয়েছে। কিন্তু পূর্ববর্তী শুনানির বিষয়টি গোপন করে মামলাটি পুনরায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ আজিজুর রহমানকে আদালত এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেন এবং আদালতের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে অ‍্যাটর্নি-জেনারেল ব‍্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আদালতের প্রতি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন করা একজন আইনজীবীর মৌলিক পেশাগত দায়িত্ব। একই বিষয়ে একাধিক বেঞ্চে শুনানির সুযোগ তৈরি করা কিংবা পূর্ববর্তী কার্যক্রম গোপন করে আদালতের আদেশ প্রভাবিত করার চেষ্টা শুধু পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী নয়—এটি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো

৯ আগ, ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে প্রেরণ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে প্রেরণ

ছবি: ফাইল ছবি 
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য জানান।

রবিবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করা হয় বলে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর আরিফুর রহমান তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ডনসহ এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিসহ অজ্ঞাত আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করেছে বলে বাদী এজাহারে বলেছেন। মামলার তদন্ত চলছে। এ আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলমান। আসামি জামিন পেলে তদন্তে বিঘ্নসহ চিরতরে পলাতক হতে পারেন। জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী তাকে কারাগারে আটক রাখার বিষয়ে শুনানি করেন। তবে ডনের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম জানান, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

এর আগে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াও পারস্পরিক রাজনৈতিক সমঝোতা এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। বৈঠকে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে যোগ দেন।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিল ওবায়দুল কাদের

ছবিঃ সংগৃহীত 
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলায় আরও একটি কল রেকর্ড উপস্থাপন করছে প্রসিকিউশন।

রোববার ( আগস্ট) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এটি শুনানো হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে ফোনালাপে ওবায়দুল কাদেরকে ইন্টারনেট স্লো করতে বলতে শোনা যায়।

কল রেকর্ডে পলক বলেন, ‘স্লামালাইকুম ভাই পলক বলছি।’ 

ওবায়দুল কাদের: ‘এটা একটু স্লো করে দাও, ইন্টারনেট।’

পলক: ‘জ্বি, একটু নেত্রীর পারমিশনটা নিয়া নিই।’

ওবায়দুল কাদের: ‘নিয়া নাও।’

পলক: ‘জ্বি আচ্ছা।’



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ দৈনিক মানব কণ্ঠ 

৮ আগ, ২০২৬

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

মামলা পরিচালনার সময় আদালতে আইনজীবীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন আদালতে মামলা পরিচালনার সময় অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। 
 
মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন পেশাগত কারণে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তিনার বয়স ছিল ৯৩ বছর। তিনি প্রায় ৫৪ বছর চাঁদপুর জেলায় আইনী পেশায় যুক্ত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামছুল ইসলাম মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ফয়সাল।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রুহুল আমিন। সহকর্মীরা ততক্ষণাত তিনাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।



বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

৭ আগ, ২০২৬

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

জাল শেয়ারে ঋণ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 
ভুয়া ও জাল শেয়ার জামানত রেখে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় মোট ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে পৃথক তিনটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে দণ্ডপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১-র বিচারক মুহা.হাসানুজ্জামান আলোচিত এই মামলার রায় প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজীব দে রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক কর্মকর্তারা হলেন—ঢাকা ব্যাংকের কেন্দ্রীয় হিসাব ও ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের সাবেক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এফসিএ, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু মোহাম্মদ সাঈদ খান, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার প্রবীর কুমার ভৌমিক এবং শওকত আলী।

আদালতের রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া জাল-জালিয়াতির দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) এবং অর্থ আত্মসাতের অপরাধে ৫ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা (অনাদায়ে ৩ মাসের অতিরিক্ত জেল) দেওয়া হয়।

দুদক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জানান, তিনটি ধারার কারাদণ্ড একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় আসামিদের মূলত ১০ বছর সাজা খাটতে হবে।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ৪ নভেম্বর মোহাম্মদ ইউসূফ আলী নামে এক ব্যক্তি ঢাকা ব্যাংকে হিসাব খুলে ১৭ লাখ টাকার ওডি ঋণের আবেদন করেন। ঋণ মঞ্জুরের বিপরীতে কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের ১ হাজার এবং মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেডের ৭ হাজার ৫০০টি শেয়ার জামানত রাখা হয়। পরবর্তীতে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ২৪ লাখ টাকা করা হয়। ঋণ পরিশোধের সময় দেখা যায়, জামানত হিসেবে জমা দেওয়া সবকটি শেয়ারই ভুয়া ও জাল ছিল। আসামি শওকত আলী ওই হিসাব খোলার সময় ইউসূফ আলীকে শনাক্ত করেন এবং পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের টাকা আত্মসাতে সহায়তা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ২৪

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনের ভেতর সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

ফাইল ছবি
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রমের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। পরিবেশ ও বন অধিদপ্তরের আপত্তি উপেক্ষা করে পাহাড় ও গাছ কেটে এই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এই আদেশ আসে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুল জারিও করেন উচ্চ আদালত।

রুলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনের ভেতর এলজিইডির সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ এবং তা রোধে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই সঙ্গে বনের ভেতর এরই মধ্যে তৈরি করা সড়কের পাকা অংশ কেন অপসারণ করা হবে না এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কেন নেওয়া হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক ও কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রুমানা শারমিন শান্তা। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ‘দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় মহেশখালীতে ৪ দশমিক ৮৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে। এর মধ্যে ৩ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সড়ক পড়েছে সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বনের অসংখ্য গাছপালা ও পাহাড় কেটে এই নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিল এলজিইডি।

তিনি আরও জানান, ১৯৫৭ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে মহেশখালী উপজেলার ১২ নম্বর পাহাড় মৌজার ১৮ হাজার ২৮৬ দশমিক ৪০ একর ভূমিকে সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করা হয়। বন আইন ও ২০২৬ সালের বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, বন অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের নির্মাণকাজ বা বনের ক্ষতি করা আইনত দণ্ডনীয়। এছাড়া সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল

তনু হত্যা মামলার আসামি হাফিজুরের জামিন স্থগিত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

তনু হত্যা মামলার আসামি হাফিজুরের জামিন স্থগিত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

ফাইল ছবি
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার আসামি সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে তাকে আদেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অধস্তন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে চেম্বার আদালত।

হাফিজকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন চেম্বার আদালতের বিচারপতি মো. রেজাউল হক।

গত ২ আগস্ট হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ হাফিজকে জামিন দেয়। এরপর ৪ আগস্ট তিনি কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে যান। এর ধারাবাহিকতায় তার জামিন চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে যায়।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘চেম্বার আদালতের বিশেষ অনুমতি নিয়ে আসামির জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদনটি করেছিলাম। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুনানি শেষে আদালত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। যদি আত্মসমর্পণ না করেন তাহলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে চেম্বার আদালত।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হাফিজ ছিলেন এ মামলায় গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি। আরও দুই আসামি হলেন, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সৈনিক শাহিনুল আলম।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দেশ রূপান্তর

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি
নগরীর দৌলতপুরের ১৪ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের দু’জনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে খুলনার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগর, খুলনার বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, দৌলতপুর থানার কুলিবাগান রেল কলোনি বস্তির রশিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. সুলতানের ছেলে হিরু ও একই বস্তির বাসিন্দা ফরমান খাঁ’র ছেলে নজু খাঁ। রায় ঘোষণার পর তাদের আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

আদালতের সূত্র জানায়, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বিদ্যালয় থেকে ফিরে গত ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর কুলিরবাগান রেল কলোনি বস্তির বাসায় বসে হাত ও পায়ের নখ কাটছিল। হঠাৎ তার পা কেটে যায়। এ সময়ে ওষুধ আনতে আসামি নজু খাঁ’র বাসায় যায়। ঘটনাস্থলে হিরু উপস্থিত ছিল। আসামি নজু খাঁ বলে আমার ঘরে কোনো ওষুধ নেই। বের হয়ে আসার সময় হাত টান দিয়ে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই দু’জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

আরও জানা যায়, ওই কিশোরীর মা স্থানীয় একটি জুট মিলের শ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঘটনার চারদিন পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নজু খাঁ ও হিরুর নামে মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট থানার এসআই শফিকুল ইসলাম উল্লিখিত দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি
জেলায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৬ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় জিহাদুল বিশ্বাস নামে এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহ আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো. লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী ও শামীম বিশ্বাস। মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীমকে ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় মো. লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী ওরফে কাবিলা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল ডিম ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম জেলার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। 

এসময় তার সাথে একজন কর্মচারী ছিলেন। তারা দুজন উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে একজন পুলিশের পোশাক পরিহিত এবং বাকি তিনজন সিভিল পোশাকে তাদের গতিরোধ করে। এ সময় তারা জানায় রবিউলের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে এবং তাদের সাথে থানায় যেতে বলে। 

তারা ব্যবসায়ী রবিউলকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে থানার দিকে না গিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীর দিকে রওনা হয়। তখন রবিউল কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে ফেলে যায়। 

ঘটনার পরদিন তিনি পাইকগাছা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজুল ইসলাম ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস

১১ কার্যদিবসে হাইকোর্টে ৫৭ হাজার পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি

১১ কার্যদিবসে হাইকোর্টে ৫৭ হাজার পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি

ছবি: সংগৃহীত

হাইকোর্টে ১১ কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ৫৭ হাজার ২৩২টি পুরাতন (ক্রিমিনাল মিস ও রিট) মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এই তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বিগত ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোর মাননীয় বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরোনো ক্রিমিনাল মিস ও পুরোনো রিট মামলা নিষ্পত্তির এ বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ (৬ আগস্ট) হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে ৬ হাজার ৯৬৮টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে মোট নিষ্পত্তিকৃত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলার সংখ্যা অর্ধলক্ষ অতিক্রম করেছে। সম্প্রতি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং পুরাতন রিট মামলা মিলিয়ে মোট ৫৭ হাজার ২৩২টি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে এবং পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহফুজুর রহমানের নিয়োগ বাতিল

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমানের সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।  ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

এর আগে নিয়োগের চারদিনের মাথায় সোমবার (৩ আগস্ট) ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। 

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে সোলিসিটর উইংয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকেসহ ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণে এই দায়িত্বে অবমুক্ত থাকা অসম্ভব হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে তার পদত্যাগপত্রটি সদয় বিবেচনাপূর্বক গ্রহণ করে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ আগ, ২০২৬

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের লিগ্যাল নোটিশ

ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রমাণ চেয়ে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অন্তর্বতীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিছু মহল গণঅভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চরিত্রহননের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছর ধরে নানা ধরনের অপবাদ ও প্রচারের শিকার হচ্ছেন আসিফ মাহমুদ। তবে এখন পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কয়েকদিন আগে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদস্য হওয়ার জন্য তার কাছে আসিফ মাহমুদ ৩ কোটি টাকা দাবি করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে অভিযোগের প্রমাণ এবং কার কাছে, কখন ও কীভাবে অর্থ দাবি করা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়।

তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ না দিয়ে তিনি শুধু ‘এমনটাই বলা হয়েছে’ বলে জানান বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। পরে তথ্য দেওয়ার কথা বললেও তিনি আর যোগাযোগ করেননি। এ কারণে তার বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে আসিফ মাহমুদের পক্ষ।
আইনি নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। তা না হলে প্রচলিত আইনে মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম