![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার শিশু আদালত-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ৪ অক্টোবরও একই আদালত কিশোরটির জামিন আবেদন খারিজ করেছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন মামুন জানান, কিশোরের বয়স বিবেচনায় নেওয়া এবং বাদীপক্ষের সঙ্গে আপসের বিষয়টি তুলে ধরে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানির সময় মামলার বাদীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত আবেদনটি খারিজ করে দেন।
কিশোরের পক্ষে জামিন শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম।
যেভাবে ঘটেছিল ঘটনা
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা কূটনৈতিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ২৪ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিম। এ সময় দ্রুতগতির একটি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে চাপা দেয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদীকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারককে আসামি করা হলেও গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরটির নাম উল্লেখ করা হয়নি।
এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে একই দিন গুলশান থানা পুলিশ কিশোরটিকে হেফাজতে নেয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আরেফীন ইসলাম কিশোরটিকে উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করেন। পরে আদালত তাকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে কিশোরটির আইনজীবী আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মামলাটি নয় লাখ টাকায় আপস হয়েছে। তবে সেই আপসের বিষয়টি উল্লেখ করে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।
বিডিএলপিবি/এম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা

0 coment rios: