![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি লিপি আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
লিপি আক্তার নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল।
মামলার বিবরণ
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় তিনি নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি প্রায় দুই মাস কারাভোগ করেন।
পরবর্তীতে লিপি আক্তারের সন্তান জন্মগ্রহণ করলে শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে দেখা যায়, কামাল উদ্দিন ওই শিশুর জৈবিক পিতা নন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত কামাল উদ্দিনকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
এরপর কারামুক্ত কামাল উদ্দিন মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন।
মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
বিডিলপোস্ট/মাসুম
সূত্র: প্রথম আলো

0 coment rios: