২৮ সেপ, ২০২৬

নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
জাতীয় সংসদ ও সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) বাধ্যতামূলক করা হবে না কেন—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া কিংবা পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হবে না কেন, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

জনস্বার্থে করা রিটটির পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত জাহান অনি। শুনানি শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অথচ সরকারি চাকরিজীবী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে।

আইনজীবী ইসরাত জাহান অনি বলেন, জনগণের করের অর্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় এবং জনপ্রতিনিধিরাই জনগণের পক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাই জাতীয় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের মাদকমুক্ত থাকা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সরকার অনুমোদিত কোনো ল্যাবরেটরি বা হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কোনো প্রার্থী মাদক গ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অংশ নিতে তার আপত্তির কারণ থাকার কথা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হাইকোর্টের রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সাত বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রুলে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা সংশোধনের বিষয়টি আদালতের সামনে এসেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিটকারী আইনজীবীর বক্তব্য


শেয়ার করুন

0 coment rios: